What do you think?


প্রাসাদপুত্র-২
আজ থেকে ছাব্বিশ বছর আগে একটা হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। একটা রোড এক্সিডেন্ট।একজন দ্বীনদার যুবকের মৃত্যু। জানা যায় এক্সিডেন্টটি ছিল সুপরিকল্পিত। হত্যাকারী বিদেশে পালিয়ে গিয়ে আবার ফিরেও এসেছিল। আবার দেশে এসে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে দিব্যি বসবাস করে যাচ্ছিল সে। ছোট্ট অথচ চমকানো একটা সূত্র, খুঁজে পায় খুনিকে। কী ঘটে এরপর? চিলেকোঠার ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়ার প্রকৃত পরিচয়ই বা কী?
216 pages, Paperback
Published January 1, 2023
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
October 19, 2025
ভালোই, খারাপ না। হুমায়ুন আহমেদের হিমু সিরিজের ইসলামি সংস্করণ টাইপ। সুখপাঠ্য আছে, ভারী পড়া পড়তে পড়তে ক্লান্ত হলে পড়তে পারেন।
October 11, 2025
পড়ার আগে বলে রাখি, হয়তো নিচের বইটার রিভিউ করা আমার বয়সের সাথে যায় না। তারপরও পড়ে ফেলায় রিভিউ করে ফেলতে হবে। বলতে পারেন একপ্রকার সমালোচনা করতে হবে। চলুন তবে–
কাটখোট্টা বই মানে, তাত্ত্বিক বই পড়তে গিয়ে মাথা যখন ভার হয় তখন ছোটোখাটো উপন্যাস পড়া এক প্রকার শান্তি দেয়। ঠিক যেমন একটা উষ্ণ দিনে হাম্মামে গিয়ে ঝর্ণার নিচের গোসল শান্তি দেয় সেরকম।
সেরকম তাত্ত্বিক বই পড়তে গিয়ে যখন ক্লান্ত হয়েছি তখন হাতের কাছে 'প্রাসাদপুত্র ২' টা থাকায় নিয়ে পড়তে বসে গেলাম ঝটপট। শুরু থেকে পড়তে ভালোই লাগছিলো বটে, তবে একটা চরিত্র কে একফোঁটা ও সহ্য হচ্ছিল না। সেটা বইয়ের 'ফারুক' চরিত্রটা পড়লেই বোঝা যায়।
আসলে 'ফারুক' চরিত্রটির 'ডিমেনশিয়া' আছে। তিনি ভুলে যান সবকিছু, এভাবে করে তিনি কাহিনির গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশও ভুলে যান। প্রথম দিকে এ চরিত্রের প্রতি আমি সহনীয় হলেও পরবর্তীতে মাথা ঠিক রাখতে পারিনি। লেখককে উত্তম মধ্যম দিয়ে দিয়েছি মনে মনে।
তারপর আসা যাক অন্যান্য চরিত্রগুলোর কথায়। গল্পের অন্যতম চরিত্র 'রিতু'। এ চরিত্র কে লেখক যেভাবে বর্ণনা করেছেন তাতে বিন্দুমাত্র ভালো লাগেনি। মনে হয়েছে, একটা প্রাপ্তবয়স্ক নয় বরং একটা বাচ্চা মেয়ে গল্প বলে চলেছে। শেষ পর্যন্ত মেয়েটার ন্যাকামো টাইপ কল্পনা তো আরো পছন্দ হয়নি আমার।
তাছাড়া একসময় বইয়ের মাঝামাঝি এসে মনে হয়েছে লেখক আমাকে টেনেহিঁচড়ে কাহিনি তে ঢুকাতে চাচ্ছেন। বিশেষত প্রধান চরিত্র 'আদি' থেকে যেভাবে 'রিতু' চরিত্রের কাহিনিতে নিয়ে গেছেন, আমার এরকম মনে হয়েছে। আমার ভুলও হতে পারে।
তাছাড়া 'আদি' চরিত্রের সহনীয়তা একসময় আমার নিজের কাছে 'অসহনীয়' হয়ে উঠছিলো। হয়তো আমার মন মেজাজ আলাদা হওয়ায়। এটা আগের বইয়ের সিক্যুয়েল হলেও এটাতে প্রচুর 'ব্যাকস্টোরি' বর্ণনা করেছেন লেখক। সম্পর্কের গুরুত্ব বুঝান বা অন্যকিছু, লেখক প্রায় অনেক কিছুতে হালকার উপর ঝাপসা করে পিছনের কাহিনি টেনেছেন। এটাও আমার বিরক্তি প্রকাশের অন্যতম কারণ।
বইয়ের ফ্ল্যাপে পড়ে যে রহস্যের সন্ধানে এই কাহিনি পড়েছি, সেই কাহিনি কিনা শেষের দিকে শুরু করেছেন এবং সে রহস্য রোলার কোস্টার গতিতে টেনে শেষ করা হয়েছে। বইয়ের অর্ধেকের বেশি কাহিনি 'প্রাসাদপুত্র' বইয়ের রেশ কাটাতে কাটাতেই চলে গেছে। যতক্ষণে মুল কাহনিতে ঢুকবো ততক্ষণে আগ্রহ হারিয়েছে আমার।
আচ্ছা, যাই হোক। বইয়ের এতো এতে খুত নজরে পড়লো অথচ ভালো কিছু নজরে পড়েনি তেমন কি হয়? না, হয় না। কিছু কিছু চরিত্রের মুখে বিপদ-আপদের সময় উচ্চারিত হওয়া কুরআনের আয়াতগুলো আমায় নিজের কাছে ছোট করেছে। কেন আমি এ আয়াতগুলো জেনেও নিজের কাজে প্রয়োগ করতে পারি না!
তাছাড়া 'আদি'র সহনীয় আচরণ আমাকেও উদ্বুদ্ধ করেছে নিজের আচার-আচরণে আরো সহনীয় হতে। মানুষের সাথের সম্পর্কগুলো আবার ভাবতে বাধ্য করছে। পরোপকারী হতে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।
আর 'ফারুক' চরিত্রের প্রতি বিরক্তি প্রকাশটাও আমার সীমাবদ্ধতা। কারণ, এরকম অসুস্থতার বিষয়গুলো আমি চাইলে হয়তো অন্যভাবেও ভেবে দেখতে পারতাম!
দেখা যাক কয়দিন টিকে এ উপলব্ধি!
বলতে তো আসছিলাম 'আমার এ বছরের পড়া সবচেয়ে বাজে বইয়ের রিভিউ দিতে আসছি।' কিন্তু কি বলে গেলাম তা তো দেখলেন ই আপনারা। গতকাল রাত ৪টায় যখম এ বই শেষ করি তখন মনে শেষ পর্যন্ত এ প্রশ্নই থেকে যায়–
কি হয় আদির শেষ পর্যন্ত? আর রেহনুমা চরিত্রের শেষ কোথায়? তবে কি লেখক 'প্রাসাদপুত্র ৩' লিখবেন?
ব্যক্তিগত অনুভূতির জায়গা থেকে একটা জিনিস বুঝতে পারছি যে, একসময় একটা লেখকের বই অনেক ভালো লাগলেও আজীবন ভালো লাগবে এমন কোনো কথাও নেই। একসময় 'মাহিন মাহমুদ' সাহেবের এর লেখা গোগ্রাসে গিললেও সে দিন হয়তো ফুরিয়ে এসেছে। বাকিটা আল্লাহ মালুম।
শেষ দু'টো ফিকশন পড়ে দু'জন লেখকের প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে, এ এক আফসোস ও বটে। আবার নিজের জন্য কিছুটা আনন্দেরও বটে। তবে যাই হোক, সামনে পড়তে হবে 'নন-ফিকশন'। প্রচুর নন-ফিকশন জমে আছে কার্টুন, টেবিলের খাঁজ আর সিথানের পাশে। সেগুলো চেখে দেখার পালা এবার.....
১১-ই অক্টোবর, ২০২৫
মীরহাজিরবাগ, ঢাকা।
কাটখোট্টা বই মানে, তাত্ত্বিক বই পড়তে গিয়ে মাথা যখন ভার হয় তখন ছোটোখাটো উপন্যাস পড়া এক প্রকার শান্তি দেয়। ঠিক যেমন একটা উষ্ণ দিনে হাম্মামে গিয়ে ঝর্ণার নিচের গোসল শান্তি দেয় সেরকম।
সেরকম তাত্ত্বিক বই পড়তে গিয়ে যখন ক্লান্ত হয়েছি তখন হাতের কাছে 'প্রাসাদপুত্র ২' টা থাকায় নিয়ে পড়তে বসে গেলাম ঝটপট। শুরু থেকে পড়তে ভালোই লাগছিলো বটে, তবে একটা চরিত্র কে একফোঁটা ও সহ্য হচ্ছিল না। সেটা বইয়ের 'ফারুক' চরিত্রটা পড়লেই বোঝা যায়।
আসলে 'ফারুক' চরিত্রটির 'ডিমেনশিয়া' আছে। তিনি ভুলে যান সবকিছু, এভাবে করে তিনি কাহিনির গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশও ভুলে যান। প্রথম দিকে এ চরিত্রের প্রতি আমি সহনীয় হলেও পরবর্তীতে মাথা ঠিক রাখতে পারিনি। লেখককে উত্তম মধ্যম দিয়ে দিয়েছি মনে মনে।
তারপর আসা যাক অন্যান্য চরিত্রগুলোর কথায়। গল্পের অন্যতম চরিত্র 'রিতু'। এ চরিত্র কে লেখক যেভাবে বর্ণনা করেছেন তাতে বিন্দুমাত্র ভালো লাগেনি। মনে হয়েছে, একটা প্রাপ্তবয়স্ক নয় বরং একটা বাচ্চা মেয়ে গল্প বলে চলেছে। শেষ পর্যন্ত মেয়েটার ন্যাকামো টাইপ কল্পনা তো আরো পছন্দ হয়নি আমার।
তাছাড়া একসময় বইয়ের মাঝামাঝি এসে মনে হয়েছে লেখক আমাকে টেনেহিঁচড়ে কাহিনি তে ঢুকাতে চাচ্ছেন। বিশেষত প্রধান চরিত্র 'আদি' থেকে যেভাবে 'রিতু' চরিত্রের কাহিনিতে নিয়ে গেছেন, আমার এরকম মনে হয়েছে। আমার ভুলও হতে পারে।
তাছাড়া 'আদি' চরিত্রের সহনীয়তা একসময় আমার নিজের কাছে 'অসহনীয়' হয়ে উঠছিলো। হয়তো আমার মন মেজাজ আলাদা হওয়ায়। এটা আগের বইয়ের সিক্যুয়েল হলেও এটাতে প্রচুর 'ব্যাকস্টোরি' বর্ণনা করেছেন লেখক। সম্পর্কের গুরুত্ব বুঝান বা অন্যকিছু, লেখক প্রায় অনেক কিছুতে হালকার উপর ঝাপসা করে পিছনের কাহিনি টেনেছেন। এটাও আমার বিরক্তি প্রকাশের অন্যতম কারণ।
বইয়ের ফ্ল্যাপে পড়ে যে রহস্যের সন্ধানে এই কাহিনি পড়েছি, সেই কাহিনি কিনা শেষের দিকে শুরু করেছেন এবং সে রহস্য রোলার কোস্টার গতিতে টেনে শেষ করা হয়েছে। বইয়ের অর্ধেকের বেশি কাহিনি 'প্রাসাদপুত্র' বইয়ের রেশ কাটাতে কাটাতেই চলে গেছে। যতক্ষণে মুল কাহনিতে ঢুকবো ততক্ষণে আগ্রহ হারিয়েছে আমার।
আচ্ছা, যাই হোক। বইয়ের এতো এতে খুত নজরে পড়লো অথচ ভালো কিছু নজরে পড়েনি তেমন কি হয়? না, হয় না। কিছু কিছু চরিত্রের মুখে বিপদ-আপদের সময় উচ্চারিত হওয়া কুরআনের আয়াতগুলো আমায় নিজের কাছে ছোট করেছে। কেন আমি এ আয়াতগুলো জেনেও নিজের কাজে প্রয়োগ করতে পারি না!
তাছাড়া 'আদি'র সহনীয় আচরণ আমাকেও উদ্বুদ্ধ করেছে নিজের আচার-আচরণে আরো সহনীয় হতে। মানুষের সাথের সম্পর্কগুলো আবার ভাবতে বাধ্য করছে। পরোপকারী হতে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।
আর 'ফারুক' চরিত্রের প্রতি বিরক্তি প্রকাশটাও আমার সীমাবদ্ধতা। কারণ, এরকম অসুস্থতার বিষয়গুলো আমি চাইলে হয়তো অন্যভাবেও ভেবে দেখতে পারতাম!
দেখা যাক কয়দিন টিকে এ উপলব্ধি!
বলতে তো আসছিলাম 'আমার এ বছরের পড়া সবচেয়ে বাজে বইয়ের রিভিউ দিতে আসছি।' কিন্তু কি বলে গেলাম তা তো দেখলেন ই আপনারা। গতকাল রাত ৪টায় যখম এ বই শেষ করি তখন মনে শেষ পর্যন্ত এ প্রশ্নই থেকে যায়–
কি হয় আদির শেষ পর্যন্ত? আর রেহনুমা চরিত্রের শেষ কোথায়? তবে কি লেখক 'প্রাসাদপুত্র ৩' লিখবেন?
ব্যক্তিগত অনুভূতির জায়গা থেকে একটা জিনিস বুঝতে পারছি যে, একসময় একটা লেখকের বই অনেক ভালো লাগলেও আজীবন ভালো লাগবে এমন কোনো কথাও নেই। একসময় 'মাহিন মাহমুদ' সাহেবের এর লেখা গোগ্রাসে গিললেও সে দিন হয়তো ফুরিয়ে এসেছে। বাকিটা আল্লাহ মালুম।
শেষ দু'টো ফিকশন পড়ে দু'জন লেখকের প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে, এ এক আফসোস ও বটে। আবার নিজের জন্য কিছুটা আনন্দেরও বটে। তবে যাই হোক, সামনে পড়তে হবে 'নন-ফিকশন'। প্রচুর নন-ফিকশন জমে আছে কার্টুন, টেবিলের খাঁজ আর সিথানের পাশে। সেগুলো চেখে দেখার পালা এবার.....
১১-ই অক্টোবর, ২০২৫
মীরহাজিরবাগ, ঢাকা।
August 18, 2025
“প্রাসাদপুত্র ২” হলো রহস্য, গোয়েন্দাগল্প ও ইসলামী ভাবধারায় লেখা এক আকর্ষণীয় উপন্যাস। মাহিন মাহমুদ এই বইয়ে দেখিয়েছেন—কীভাবে একজন মানুষের অতীতের গভীর গোপন রহস্য তার বর্তমান জীবনে ছায়া ফেলতে পারে।
কাহিনির ধারা
প্রধান চরিত্র আদি। সে দেখতে সাধারণ এক তরুণ, কিন্তু তার চারপাশে ঘটতে থাকা ঘটনাগুলো মোটেও সাধারণ নয়।
ছাব্বিশ বছর আগের এক হত্যাকাণ্ড,
একটি রোড এক্সিডেন্টের পেছনে লুকানো পরিকল্পনা,
চিলেকোঠার অদ্ভুত ভাড়াটিয়া,
এসব মিলে গল্পটিকে তৈরি করেছে এক রহস্যময় আবহে।
আদির চরিত্র শুধু রহস্যভেদ নয়, তার মধ্যে আছে ঈমান, নীতি আর দয়ার প্রতিফলন। পাঠক তাই তাকে শুধু একজন নায়ক নয়, বরং একজন দীনদার আদর্শ তরুণ হিসেবেও দেখতে পান।
বইয়ের শক্তি
গল্পে আছে থ্রিলার ও গোয়েন্দা কাহিনির টানটান উত্তেজনা।
লেখক সুন্দরভাবে ইসলামী মূল্যবোধ কাহিনির ভেতরে বুনেছেন।
প্রতিটি অধ্যায় পাঠককে আরও জানতে উৎসাহিত করে, ফলে বই একটানে পড়ার মতো।
রহস্যময় আবহ ও চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক দিক একে আরও বাস্তবসম্মত করে তোলে।
কাহিনির ধারা
প্রধান চরিত্র আদি। সে দেখতে সাধারণ এক তরুণ, কিন্তু তার চারপাশে ঘটতে থাকা ঘটনাগুলো মোটেও সাধারণ নয়।
ছাব্বিশ বছর আগের এক হত্যাকাণ্ড,
একটি রোড এক্সিডেন্টের পেছনে লুকানো পরিকল্পনা,
চিলেকোঠার অদ্ভুত ভাড়াটিয়া,
এসব মিলে গল্পটিকে তৈরি করেছে এক রহস্যময় আবহে।
আদির চরিত্র শুধু রহস্যভেদ নয়, তার মধ্যে আছে ঈমান, নীতি আর দয়ার প্রতিফলন। পাঠক তাই তাকে শুধু একজন নায়ক নয়, বরং একজন দীনদার আদর্শ তরুণ হিসেবেও দেখতে পান।
বইয়ের শক্তি
গল্পে আছে থ্রিলার ও গোয়েন্দা কাহিনির টানটান উত্তেজনা।
লেখক সুন্দরভাবে ইসলামী মূল্যবোধ কাহিনির ভেতরে বুনেছেন।
প্রতিটি অধ্যায় পাঠককে আরও জানতে উৎসাহিত করে, ফলে বই একটানে পড়ার মতো।
রহস্যময় আবহ ও চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক দিক একে আরও বাস্তবসম্মত করে তোলে।
August 8, 2026
প্রসাদপুত্র-এর এটি দ্বিতীয় পর্ব।
আগের পর্বে আমরা দেখেছি অসহায় এক ইমাম সাহেবের পরিবারকে সহায়তা করতে গিয়ে বিপদে পড়েছিল আদি। পাঠকেরা পরিচিত হয়েছিল বই বালক ছদ্মবেশে থাকা জনি নামের এক দুর্ধর্ষ চরিত্রের সঙ্গে।
তারপর কি ঘটেছিল?
13/12/2025 - 04/04/2026
আগের পর্বে আমরা দেখেছি অসহায় এক ইমাম সাহেবের পরিবারকে সহায়তা করতে গিয়ে বিপদে পড়েছিল আদি। পাঠকেরা পরিচিত হয়েছিল বই বালক ছদ্মবেশে থাকা জনি নামের এক দুর্ধর্ষ চরিত্রের সঙ্গে।
তারপর কি ঘটেছিল?
13/12/2025 - 04/04/2026
Read
July 1, 2024একটু মাথা ঘোরানো
Displaying 1 - 5 of 5 reviews





