What do you think?


Humayun Ahmed (Chronological List) #117
অদ্ভুত সব গল্প
সূচিপত্র
*গুণীন
*আয়না
*কুদ্দুসের এক দিন
*ভাইরাস
*নিজাম সাহেবের ভূত
*গুণীন
*আয়না
*কুদ্দুসের এক দিন
*ভাইরাস
*নিজাম সাহেবের ভূত
60 pages, Hardcover
Published May 1, 1996
About the author
Humayun Ahmed
454 books3,092 followersHumayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 27 of 27 reviews
April 1, 2016
হুমায়ুন আহমেদ একজন কথার জাদুকর। খুব সাধারন একটা ঘটনা তিনি এমন ভাবে তার মায়া মাখা বাক্য দিয়ে সাজিয়ে তোলেন যেন কোন শিল্পী তার ক্যানভাসে সবটুকু মায়া ঢেলে তার প্রেয়সীর মুখ ফুটিয়ে তুলেছে।
পড়া শেষ করলাম লেখকের "অদ্ভুত সব গল্প" বইটা। অদ্ভুত অদ্ভুত কয়েকটা গল্পের সঙ্কলন এটা। এখানে লেখকের পাঁচটা ছোট গল্প স্থান পেয়েছে। যার প্রত্যেকটা অসাধারন লেগেছে।
সংকলনের প্রথম গল্পের নাম গুনীন। গল্পটি একজন গুনীন কে নিয়ে যার নাম চান্দ শাহ ফকির, তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে তার কাজ। কিন্তু যুগ আধুনিক হচ্ছে দূর্বার গতিতে, এখন কি আর তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে মানুষের চিন্তা করার সময় আছে। তাই ব্যাবসার অবস্থা ভালো যায়না গুনীনের। ওদিকে ঘরে শয্যাশায়ী স্ত্রী যার শরীর না চললেও মুখ চলে। এই গুনীন এর ভন্ডামি তুলে ধরতে ধরতে হঠাৎ লেখক একটা মোচর মেরেছেন। মোচরটা কি বলবো না। মজা নষ্ট হয়ে যাবে।
দ্বিতীয় গল্পের নাম "আয়না"। শওকত সাহেব একটা প্রাইভেট ব্যাঙ্কে চাকুরি করেন। হঠাৎ একদিন সকালে শেভ করতে গিয়ে তিনি আবিষ্কার করেন তার দীর্ঘ দিনের পুরনো ছোট আয়নার মধ্যে বাচ্চা একটা মেয়ে। মেয়েটার নাম চিত্রলেখা। একমাত্র শওকত সাহেব মেয়েটাকে দেখতে পারেন, মেয়েটার সাথে কথা বলতে পারেন। একদিন মেয়েটাকে শীতে কাঁপতে দেখে তার জন্য শওকত সাহেব একটা সুয়েটার কিনে আনেন। কিন্তু.... শেষের দুই প্যাড়া দারুণ ভোগাবে আপনাকে।
তৃতীয় গল্প "কুদ্দুসের একদিন"। কুদ্দুস একটা পত্রিকা অফিসে পিয়নের কাজ করে। একদিন সম্পাদক তাকে একটা অফিসে পাঠায় একটা জরুরী চিঠি পৌঁছে দিতে। বিল্ডিং এর সাত তলায় ওঠার জন্য লিফটে উঠতেই ঘটে যায় অদ্ভুত এক ঘটনা। কিভাবে কেন কুদ্দুস ত্রিমাত্রিক জগৎ থেকে চলে যায় চতুর্মাত্রিক জগতে। সেখান থেকে সে ফিরে আসতে পারে কিনা জানতে হলে আপনাকে বইটা পড়তে হবে।
চতুর্থ গল্প "ভাইরাস"। এইটা দারুণ মজার একটা গল্প। ধরেন আপনি কোন রেস্টুরেন্ট এ একা বসে লাঞ্চ করছেন এমন সময় একজন এসে আপনার টেবিলে বসে সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে বলল সে একজন ভ্যাম্পায়ার, কেমন লাগবে আপনার?
পঞ্চম গল্পের নাম "নিজাম সাহেবের ভুত"। এটা এই সংকলনের সেরা গল্প আমার মতে। তাই এটার বিষয়ে কিছুই বলবো না।
শেষ করার আগে একটা কথা বলি, হুমায়ুন স্যার এর বই আমি নির্দ্বিধায় পড়ি। বেশিরভাগ লেখকের বই পড়ার আগে আমি রিভিউ দেখি, রেটিং দেখি। কিন্তু হুমায়ুন আহমেদের বই কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই পড়া শুরু করে দেই। কারন সে কখনো আমাকে ঠকায়নি। হয়তো ভালো লাগার কম বেশি হয়, কিন্তু সেটা কখনো বিরক্তির দিকে যায় না।
পড়া শেষ করলাম লেখকের "অদ্ভুত সব গল্প" বইটা। অদ্ভুত অদ্ভুত কয়েকটা গল্পের সঙ্কলন এটা। এখানে লেখকের পাঁচটা ছোট গল্প স্থান পেয়েছে। যার প্রত্যেকটা অসাধারন লেগেছে।
সংকলনের প্রথম গল্পের নাম গুনীন। গল্পটি একজন গুনীন কে নিয়ে যার নাম চান্দ শাহ ফকির, তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে তার কাজ। কিন্তু যুগ আধুনিক হচ্ছে দূর্বার গতিতে, এখন কি আর তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে মানুষের চিন্তা করার সময় আছে। তাই ব্যাবসার অবস্থা ভালো যায়না গুনীনের। ওদিকে ঘরে শয্যাশায়ী স্ত্রী যার শরীর না চললেও মুখ চলে। এই গুনীন এর ভন্ডামি তুলে ধরতে ধরতে হঠাৎ লেখক একটা মোচর মেরেছেন। মোচরটা কি বলবো না। মজা নষ্ট হয়ে যাবে।
দ্বিতীয় গল্পের নাম "আয়না"। শওকত সাহেব একটা প্রাইভেট ব্যাঙ্কে চাকুরি করেন। হঠাৎ একদিন সকালে শেভ করতে গিয়ে তিনি আবিষ্কার করেন তার দীর্ঘ দিনের পুরনো ছোট আয়নার মধ্যে বাচ্চা একটা মেয়ে। মেয়েটার নাম চিত্রলেখা। একমাত্র শওকত সাহেব মেয়েটাকে দেখতে পারেন, মেয়েটার সাথে কথা বলতে পারেন। একদিন মেয়েটাকে শীতে কাঁপতে দেখে তার জন্য শওকত সাহেব একটা সুয়েটার কিনে আনেন। কিন্তু.... শেষের দুই প্যাড়া দারুণ ভোগাবে আপনাকে।
তৃতীয় গল্প "কুদ্দুসের একদিন"। কুদ্দুস একটা পত্রিকা অফিসে পিয়নের কাজ করে। একদিন সম্পাদক তাকে একটা অফিসে পাঠায় একটা জরুরী চিঠি পৌঁছে দিতে। বিল্ডিং এর সাত তলায় ওঠার জন্য লিফটে উঠতেই ঘটে যায় অদ্ভুত এক ঘটনা। কিভাবে কেন কুদ্দুস ত্রিমাত্রিক জগৎ থেকে চলে যায় চতুর্মাত্রিক জগতে। সেখান থেকে সে ফিরে আসতে পারে কিনা জানতে হলে আপনাকে বইটা পড়তে হবে।
চতুর্থ গল্প "ভাইরাস"। এইটা দারুণ মজার একটা গল্প। ধরেন আপনি কোন রেস্টুরেন্ট এ একা বসে লাঞ্চ করছেন এমন সময় একজন এসে আপনার টেবিলে বসে সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে বলল সে একজন ভ্যাম্পায়ার, কেমন লাগবে আপনার?
পঞ্চম গল্পের নাম "নিজাম সাহেবের ভুত"। এটা এই সংকলনের সেরা গল্প আমার মতে। তাই এটার বিষয়ে কিছুই বলবো না।
শেষ করার আগে একটা কথা বলি, হুমায়ুন স্যার এর বই আমি নির্দ্বিধায় পড়ি। বেশিরভাগ লেখকের বই পড়ার আগে আমি রিভিউ দেখি, রেটিং দেখি। কিন্তু হুমায়ুন আহমেদের বই কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই পড়া শুরু করে দেই। কারন সে কখনো আমাকে ঠকায়নি। হয়তো ভালো লাগার কম বেশি হয়, কিন্তু সেটা কখনো বিরক্তির দিকে যায় না।
October 8, 2018
This is a collection that needs to be read again and again.
Read
August 11, 2021"নিজাম সাহেবের ভূত" বেস্ট/ ফার্স্ট। আর "কুদ্দুসের একদিন" সেকেন্ড আমার মতে 😬
December 16, 2025
অদ্ভুত সব গল্পের গল্প গুলোও অদ্ভুত অদ্ভুত।।
December 9, 2021
গুণিন- চান্দ শাহ ফকিরের বশে জ্বীন আছে, এ কথাটি তার স্ত্রী মোটেও বিশ্বাস করতে চায় না। সত্যিই জ্বীন থেকে থাকলে তার এমন গরীবি অবস্থা কেন?
আয়না- ইস্টার্ন কমার্শিয়াল ব্যাংকের ক্যাশিয়ার শওকত সাহেব একদিন সকালবেলা শেভ করতে গিয়ে আয়নার ভেতর একটা মেয়েকে দেখেন। তিনি মেয়েটির সাথে কথা বলতে শুরু করলেন। এরপর থেকেই তার জীবনে ঘটতে শুরু করলো নানান অদ্ভুত সব ঘটনা।
কুদ্দুসের একদিন- পত্রিকার অফিসের পিয়ন কুদ্দুসের জীবনে একদিন অভাবনীয় এক ঘটনা ঘটলো। একটি অফিসের লিফটে ওঠার পর সে ত্রিমাত্রিক জগত থেকে চতুর্মাত্রিক জগতে প্রবেশ করলো, যা রীতিমত অকল্পনীয় ব্যাপার।
ভাইরাস- বীমা কোম্পানির চাকরী থেকে রিটায়ার্ড করা নুরুজ্জামান সাহেবকে একদিন একটা ভ্যাম্পায়ার এসে খুব অদ্ভুত কথা শুনিয়ে গেলো!
ছোট গল্পে হুমায়ূন আহমেদের হাত অসাধারণ। প্রতিটি গল্পই ভালো লেগেছে।
আয়না- ইস্টার্ন কমার্শিয়াল ব্যাংকের ক্যাশিয়ার শওকত সাহেব একদিন সকালবেলা শেভ করতে গিয়ে আয়নার ভেতর একটা মেয়েকে দেখেন। তিনি মেয়েটির সাথে কথা বলতে শুরু করলেন। এরপর থেকেই তার জীবনে ঘটতে শুরু করলো নানান অদ্ভুত সব ঘটনা।
কুদ্দুসের একদিন- পত্রিকার অফিসের পিয়ন কুদ্দুসের জীবনে একদিন অভাবনীয় এক ঘটনা ঘটলো। একটি অফিসের লিফটে ওঠার পর সে ত্রিমাত্রিক জগত থেকে চতুর্মাত্রিক জগতে প্রবেশ করলো, যা রীতিমত অকল্পনীয় ব্যাপার।
ভাইরাস- বীমা কোম্পানির চাকরী থেকে রিটায়ার্ড করা নুরুজ্জামান সাহেবকে একদিন একটা ভ্যাম্পায়ার এসে খুব অদ্ভুত কথা শুনিয়ে গেলো!
ছোট গল্পে হুমায়ূন আহমেদের হাত অসাধারণ। প্রতিটি গল্পই ভালো লেগেছে।
November 26, 2025
One of the best horror/mystery books I have read.
January 29, 2020
সাইন্স ফিকশন ও নন-ফিকশন এর মিশ্রণ এর মাধ্যমে তৈরি এক প্যাকেট ঝাল মুড়ি যার নাম "অদ্ভুত সব গল্প"
আয়না আর কুদ্দুস সাহেবের একদিন গল্প দুটি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে...
৩.৫/৫ দিলাম
আয়না আর কুদ্দুস সাহেবের একদিন গল্প দুটি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে...
৩.৫/৫ দিলাম
June 15, 2022
'কুদ্দুসের এক দিন' গল্পটা সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে।
November 11, 2021
Psychotic delusional disorder.
একজন ব্যক্তি কোন মাধ্যমে অপরিচিত কাউকে ইমাজিন করে। ঘন্টার পর ঘন্টা তার সাথে কথা বলেন। প্রতিটি কথার উত্তরও নিজের মত করে ইমাজিন করে।
তার কাছে এটা বাস্তবতা।
শওকত সাহেব ঠিক এমনই ডিসঅর্ডারে ভুগছেন। তিনি বাসার প্রায় পরিত্যাক্ত আয়নার ভেতরে একটা ছোট্ট মেয়েকে ইমাজিন করে। তার সাথে অনেক সময় নিয়ে কথা বলেন, মায়া অনুভব করেন ঐ ইমাজিন করা মেয়ে চিত্রলেখা'র সাথে।
আয়নার ভেতর প্রচণ্ড শীত, এই জগৎ থেকে কিছু ঐ জগতে পাঠানোর সুযোগ নেই। তবুও ছোট্ট মেয়েটির জন্য একটা সোয়েটার কেনেন শওকত সাহেব। কিন্তু বাসায় এসে দেখল, সেই পুরাতন আয়না ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
তিনি সেই রাতে ডাস্টবিনের ময়লার ভেতর চিত্রলেখাকে খুঁজতে থাকেন। পাশে অবাক হয়ে তার স্ত্রী ও তিন কণ্যা দাঁড়িয়ে।
গল্পের শেষ লাইন: শওকত সাহেবের চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে। তিনি কাঁপা কাঁপা গলায় ডাকছেন - চিত্রা মারে, ওমা, তুই কোথায়?
ছোট গল্পের দিক থেকে অন্যান্য সাহিত্যের সাথে তুলনা(!) করলে এটা হয়ত কোন গল্পই না! অথবা সাধারণ একটা গল্প, যা অদ্ভুত ধরনের বা কোন মানষিক ডিসঅর্ডারের গল্প।
তবে, এই গল্পে আমি নিজে যেটা লক্ষ্য করেছি সেটা হচ্ছে শওকত সাহেবের ইমোশন। উনি জানতেন এটা তার মানষিক ভ্রম, তবুও তার ভালবাসা, মায়া, আবেগের কি ব্যাপ্তি।
গল্পের শেষটা নাড়া দিয়ে গেল।
গল্প: আয়না
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
গল্পগ্রন্থ: অদ্ভত সব গল্প
এই বইতে আরও চারটা গল্প আছে। অতি সাধারণ, শিশুতোষ টাইপ। তবে আয়নার গল্পটা বইটাকে অতি সাধারণ থেকে অসাধারন করেছে আমার কাছে।
একজন ব্যক্তি কোন মাধ্যমে অপরিচিত কাউকে ইমাজিন করে। ঘন্টার পর ঘন্টা তার সাথে কথা বলেন। প্রতিটি কথার উত্তরও নিজের মত করে ইমাজিন করে।
তার কাছে এটা বাস্তবতা।
শওকত সাহেব ঠিক এমনই ডিসঅর্ডারে ভুগছেন। তিনি বাসার প্রায় পরিত্যাক্ত আয়নার ভেতরে একটা ছোট্ট মেয়েকে ইমাজিন করে। তার সাথে অনেক সময় নিয়ে কথা বলেন, মায়া অনুভব করেন ঐ ইমাজিন করা মেয়ে চিত্রলেখা'র সাথে।
আয়নার ভেতর প্রচণ্ড শীত, এই জগৎ থেকে কিছু ঐ জগতে পাঠানোর সুযোগ নেই। তবুও ছোট্ট মেয়েটির জন্য একটা সোয়েটার কেনেন শওকত সাহেব। কিন্তু বাসায় এসে দেখল, সেই পুরাতন আয়না ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
তিনি সেই রাতে ডাস্টবিনের ময়লার ভেতর চিত্রলেখাকে খুঁজতে থাকেন। পাশে অবাক হয়ে তার স্ত্রী ও তিন কণ্যা দাঁড়িয়ে।
গল্পের শেষ লাইন: শওকত সাহেবের চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে। তিনি কাঁপা কাঁপা গলায় ডাকছেন - চিত্রা মারে, ওমা, তুই কোথায়?
ছোট গল্পের দিক থেকে অন্যান্য সাহিত্যের সাথে তুলনা(!) করলে এটা হয়ত কোন গল্পই না! অথবা সাধারণ একটা গল্প, যা অদ্ভুত ধরনের বা কোন মানষিক ডিসঅর্ডারের গল্প।
তবে, এই গল্পে আমি নিজে যেটা লক্ষ্য করেছি সেটা হচ্ছে শওকত সাহেবের ইমোশন। উনি জানতেন এটা তার মানষিক ভ্রম, তবুও তার ভালবাসা, মায়া, আবেগের কি ব্যাপ্তি।
গল্পের শেষটা নাড়া দিয়ে গেল।
গল্প: আয়না
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
গল্পগ্রন্থ: অদ্ভত সব গল্প
এই বইতে আরও চারটা গল্প আছে। অতি সাধারণ, শিশুতোষ টাইপ। তবে আয়নার গল্পটা বইটাকে অতি সাধারণ থেকে অসাধারন করেছে আমার কাছে।
January 31, 2026
হুমায়ূন আহমেদের বই আমি পড়ি সাধারণত চুরি করার জন্য।
কেমনে? বলছি।
কোমরে গামছা বেঁধে নিয়ত করেছি, ২০২৬ সালে ৪০টা বই শেষ করব। মাসে গড়ে তিন থেকে চারটা। এটাই এই বছরের রেজ্যুলেশন। আসছে বছরগুলোতে সংখ্যাটা আস্তে আস্তে বাড়বে। গুডরিডসেও সেভাবেই টার্গেট সেট করা।
কিন্তু জানুয়ারি না ফুরাতেই আমার চিরচেনা বন্ধুরা হাজির; রিডিং ব্লক, ফোন অ্যাডিকশন আর স্ট্রেস।
ফলাফল? অনেক ঠেলেঠুলেও একটার বেশি দুইটা বই শেষ করতেই ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।
আর ইতিহাস বলে, যখনই আমি রিডিং ব্লকে পড়েছি, উদ্ধারকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন হুমায়ূন আহমেদ। বিশেষ করে তাঁর ছোটগল্পগুলো। পড়া বইও দুই–তিনবার করে পড়েছি নিজেকে আবার অরবিটে ফেরানোর জন্য।
একইভাবে এবারও নিজেকে ফেরাতে, আর একটু “চুরি করে” নিজের টার্গেট ফুলফিল করতে, হাতে তুলে নিয়েছি হুমায়ূন আহমেদের ছোটগল্পের বই ভয় আর অদ্ভুত সব গল্প।
মিসির আলি সমগ্র একাধিকবার পড়ার সুবাদে ভয় বইয়ের সবগুলো গল্পই আগে থেকেই পরিচিত। বাকি রইলো অদ্ভুত সব গল্প। আর আক্ষরিক অর্থেই—সবগুলো গল্পই অদ্ভুত।
এখানে বাঁশবাগান আর শ্যাওড়া গাছের ভয়ংকর ভূত নেই।
বরং অতি সাধারণ ঘটনাপ্রবাহ।
কিন্তু পড়তে পড়তে খেয়াল করবেন—কখন যেন একটা ধন্ধে পড়ে গেছেন। আধিভৌতিক একটা ঘটনা, বিশ্বাস হচ্ছে না, অথচ মাথা থেকেও যাচ্ছে না। আর এটাই হুমায়ূন আহমেদের বিশেষত্ব। তিনি ভয়কে নিয়ে গেছেন এক অনন্য স্তরে।
এই লেখাটা মোটেও বইয়ের রিভিউ না।
হুমায়ূন আহমেদের ছোটগল্প রিভিউ করার কোনো প্রয়োজনই নেই।
পড়ুন, অনুভব করুন, আর মুচকি হেসে পরের পৃষ্ঠায় এগিয়ে যান।
ধন্যবাদ, গল্পের জাদুকর। 🤍
কেমনে? বলছি।
কোমরে গামছা বেঁধে নিয়ত করেছি, ২০২৬ সালে ৪০টা বই শেষ করব। মাসে গড়ে তিন থেকে চারটা। এটাই এই বছরের রেজ্যুলেশন। আসছে বছরগুলোতে সংখ্যাটা আস্তে আস্তে বাড়বে। গুডরিডসেও সেভাবেই টার্গেট সেট করা।
কিন্তু জানুয়ারি না ফুরাতেই আমার চিরচেনা বন্ধুরা হাজির; রিডিং ব্লক, ফোন অ্যাডিকশন আর স্ট্রেস।
ফলাফল? অনেক ঠেলেঠুলেও একটার বেশি দুইটা বই শেষ করতেই ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।
আর ইতিহাস বলে, যখনই আমি রিডিং ব্লকে পড়েছি, উদ্ধারকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন হুমায়ূন আহমেদ। বিশেষ করে তাঁর ছোটগল্পগুলো। পড়া বইও দুই–তিনবার করে পড়েছি নিজেকে আবার অরবিটে ফেরানোর জন্য।
একইভাবে এবারও নিজেকে ফেরাতে, আর একটু “চুরি করে” নিজের টার্গেট ফুলফিল করতে, হাতে তুলে নিয়েছি হুমায়ূন আহমেদের ছোটগল্পের বই ভয় আর অদ্ভুত সব গল্প।
মিসির আলি সমগ্র একাধিকবার পড়ার সুবাদে ভয় বইয়ের সবগুলো গল্পই আগে থেকেই পরিচিত। বাকি রইলো অদ্ভুত সব গল্প। আর আক্ষরিক অর্থেই—সবগুলো গল্পই অদ্ভুত।
এখানে বাঁশবাগান আর শ্যাওড়া গাছের ভয়ংকর ভূত নেই।
বরং অতি সাধারণ ঘটনাপ্রবাহ।
কিন্তু পড়তে পড়তে খেয়াল করবেন—কখন যেন একটা ধন্ধে পড়ে গেছেন। আধিভৌতিক একটা ঘটনা, বিশ্বাস হচ্ছে না, অথচ মাথা থেকেও যাচ্ছে না। আর এটাই হুমায়ূন আহমেদের বিশেষত্ব। তিনি ভয়কে নিয়ে গেছেন এক অনন্য স্তরে।
এই লেখাটা মোটেও বইয়ের রিভিউ না।
হুমায়ূন আহমেদের ছোটগল্প রিভিউ করার কোনো প্রয়োজনই নেই।
পড়ুন, অনুভব করুন, আর মুচকি হেসে পরের পৃষ্ঠায় এগিয়ে যান।
ধন্যবাদ, গল্পের জাদুকর। 🤍
September 10, 2020
সত্যিই কিছু অদ্ভুত গল্প নিয়েই এই বই। মোট ৫টা গল্প আছে - গুনীন, আয়না, কুদ্দুসের একদিন, ভাইরাস, নিজাম সাহেবের ভূত। ছোটো ছোটো গল্প, পড়তে বেশি সময় লাগে না।
১) চান্দ শাহ এক দরিদ্র গুনীন।তবে গ্রামের লোকে তাকে শ্রদ্ধা ভক্তি করে না, এমনকি তার বউও তাকে মনে না, কটু কথা শোনায়,তার ক্ষমতায় ভরসা করে না।সত্যিই কি জ্বিন পরি বলে কিছু আছে ?
২)আয়না গল্পটা আগে কোথাও পড়েছিলাম, কিন্তু এখন আর মনে পড়ছে কোথায় পড়েছি।
শওকত সাহেবের অদ্ভুত এক আয়না ঘিরে এই গল্প।যার ভিতরে একটি বাচ্চা মেয়েকে দেখা যায়।
৩) কুদ্দুসের একদিন এই তো ২দিন আগেই পড়লাম অঁহক বইতে।কুদ্দুস একদিন হঠাৎই চতুর্মাত্রিক জগতে পৌঁছে যায়। সেখানের গিয়ে তার জীবনের মোড় ঘুরে যায়। অতীতে পৌঁছে আবার নতুন করে জীবনকে গোছানোর সুযোগ পায়।
৪)ভাইরাস গল্পটি ভালোই । ভ্যাম্পায়ার হওয়াও নাকি ভাইরাস ঘটিত ব্যাপার। ভাইরাসের কারণেই তারা রক্ত শুষে নেয়। শেষটা বুঝলাম না নুরুজ্জামান সাহেব কি একজন ভ্যাম্পায়ার ??🤔
৫)নিজাম সাহেবের ভূত গল্পটা পড়ে বেশ মজা পেলাম।নিজাম সাহেব ট্রাক চাপা পড়লে তার জীবন মরণ নিয়ে টানাটানি হয়।এমতবস্থায় তার আত্মা বেরিয়ে ঘণ্টা খানেকের জন্য ভূত হয়ে ঘুরে বেড়ায়। মাঝে মাঝে হাসিও পাচ্ছিল পড়ার সময়।
১) চান্দ শাহ এক দরিদ্র গুনীন।তবে গ্রামের লোকে তাকে শ্রদ্ধা ভক্তি করে না, এমনকি তার বউও তাকে মনে না, কটু কথা শোনায়,তার ক্ষমতায় ভরসা করে না।সত্যিই কি জ্বিন পরি বলে কিছু আছে ?
২)আয়না গল্পটা আগে কোথাও পড়েছিলাম, কিন্তু এখন আর মনে পড়ছে কোথায় পড়েছি।
শওকত সাহেবের অদ্ভুত এক আয়না ঘিরে এই গল্প।যার ভিতরে একটি বাচ্চা মেয়েকে দেখা যায়।
৩) কুদ্দুসের একদিন এই তো ২দিন আগেই পড়লাম অঁহক বইতে।কুদ্দুস একদিন হঠাৎই চতুর্মাত্রিক জগতে পৌঁছে যায়। সেখানের গিয়ে তার জীবনের মোড় ঘুরে যায়। অতীতে পৌঁছে আবার নতুন করে জীবনকে গোছানোর সুযোগ পায়।
৪)ভাইরাস গল্পটি ভালোই । ভ্যাম্পায়ার হওয়াও নাকি ভাইরাস ঘটিত ব্যাপার। ভাইরাসের কারণেই তারা রক্ত শুষে নেয়। শেষটা বুঝলাম না নুরুজ্জামান সাহেব কি একজন ভ্যাম্পায়ার ??🤔
৫)নিজাম সাহেবের ভূত গল্পটা পড়ে বেশ মজা পেলাম।নিজাম সাহেব ট্রাক চাপা পড়লে তার জীবন মরণ নিয়ে টানাটানি হয়।এমতবস্থায় তার আত্মা বেরিয়ে ঘণ্টা খানেকের জন্য ভূত হয়ে ঘুরে বেড়ায়। মাঝে মাঝে হাসিও পাচ্ছিল পড়ার সময়।
January 8, 2021
চলনসই গল্পের সম্ভার। যদিও শিরোনামেই আছে অদ্ভুত, তাই প্রতিটি গল্পে অতিমানবীয় ঘটনা আছেই। মোটের উপর ঘন্টা খানেক সময় কাটাতে হলে এই বইয়ের জুড়ি মেলা ভার হবে।
March 2, 2021
৫ টি ছোটগল্পের সংকলন। গুণীন, আয়না, কুদ্দুসের এক দিন, ভাইরাস, নিজাম সাহেবের ভূত।
August 7, 2021
এই বইয়ের সায়েন্স ফিকশন টা ভাল লেগেছে। খুব এনজয় করসি ছোটগল্প হিসেবে দারুণ ছিল।
June 8, 2022
বইটিতে পাঁচটি গল্প আছে। ভৌতিক, অলৌকিক, সায়েন্স ফিকশন জনরার। সবচেয়ে ভালো লাগল 'আয়না' গল্পটি।
June 28, 2022
গল্পগুলো আসলেই কিছুটা অদ্ভুত।
August 15, 2022
গল্পগুলো অদ্ভুত সুন্দর। বিশেষ করে ২য় টা।
June 25, 2023
সুপার নেচারাল, ভুত, ভাম্পায়ার এইসব নিয়েই লিখা হয়েছে এতে।পড়ে মজা পাবেন ১০০%
August 13, 2023
অনেকদিন পর প্রিয় লেখকের বই পড়লাম। যদিও বইটা আকারে ছোট কিন্তু পড়ে স্বভাবতই ভালো লেগেছে। মাঝে মাঝে অন্য বই পড়ার মাঝে মাঝে উনার এক দুইটা বই পড়া উচিত, পড়া থাকলেও। অন্যরকম একটা রিবুট হয়।
November 17, 2025
গুণীন - ⭐⭐⭐⭐⭐
আয়না - ⭐⭐
কুদ্দুসের এক দিন - ⭐⭐⭐⭐
ভাইরাস - ⭐
নিজাম সাহেবের ভূত - ⭐⭐⭐
আয়না - ⭐⭐
কুদ্দুসের এক দিন - ⭐⭐⭐⭐
ভাইরাস - ⭐
নিজাম সাহেবের ভূত - ⭐⭐⭐
July 12, 2026
one of my childhood faves
September 18, 2026
জাস্ট অস্থির।
June 29, 2024
A peek into the sad and lonely minds of some middle aged men.
This book was mostly a waste of time
This book was mostly a waste of time
June 15, 2018
কয়েকটা ছোট ছোট গল্প হুমায়ুনীয় ঢঙ এ। খুব একটা ভাল লেগেছে বলতে পারব না। সাধারণ কমার্শিয়াল কিছু গল্প বলেই মনে হয়েছে। রিকমেন্ড করব না। তবে সময় পার করার জন্যে পড়া যায়...
September 8, 2019
গল্পগুলো সত্যিই অদ্ভুত। আয়না গল্পটা পড়ে মাথা কেমন আউলা (লেখকের ভাষায়) হয়ে গেল।
November 6, 2017
মজার বই। গল্পগুলো আসলেই অদ্ভুত।
Displaying 1 - 27 of 27 reviews



























