Jump to ratings and reviews
Rate this book

মৃত পেঁচাদের গান

Rate this book
আপনার জীবনের মতোই, এই বইতেও রয়েছে গল্প। সে গল্প কখনো আপনাকে নিয়ে গিয়ে ফেলবে কোনো প্রাচীন মন্দিরে চাপা পড়ে থাকা অভিশাপের মুখোমুখি। কখনো হয়তো আপনার দেখা হয়ে যাবে কপিলাবস্তুর সেই বিপথগামী রাজপুত্রের সঙ্গে। কখনো বা কিউপিডের তীর হয়ে আক্রমণ করে বসবে আপনাকে। হঠাৎ আপনি আবিষ্কার করতে পারেন, মানুষ নয়, প্রাণী নয়, জীবন নয় আপনার সমস্ত ভালোবাসা কেবল একটি ধারণাকে লক্ষ্য করে। সারারাত জেগে জেগে, কী যেন ছিল, সে আর নেই ভেবে কাটানোর পর, ভোরের প্রথম আলো ফোটার মুহূর্তে এই বই হাতে নিয়ে আপনি বসতেই পারেন। যা হারিয়েছেন তা হয়তো পাবেন না, তবে বলা কী যায় হয়তো নিজেকেই খুঁজে পেয়ে যাবেন কোনো অসতর্ক মুহূর্তে। এইটুকু হিসেবই চিরায়ত হয়ে থাকুক 'মৃত প্যাঁচাদের গান’-এ।

256 pages, Hardcover

Published December 1, 2023

7 people are currently reading
36 people want to read

About the author

Sayak Aman

31 books179 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (12%)
4 stars
15 (45%)
3 stars
11 (33%)
2 stars
3 (9%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for Tiyas.
473 reviews138 followers
February 21, 2024
গল্প বলেন সায়ক আমান। কাগজে কলমে, বেতার তরঙ্গে, অন্তর্জালে, প্রতিনিয়িত গল্প বলেন তিনি। এখানেও বলছেন। এবং বেশ ভালোই সাজিয়েছেন সবটা। বইটা নতুন। সাকুল্যে আটটি বড় মাপের গল্প। স্বাদে, গন্ধে, বর্ণে, স্বতন্ত্র আটটি কাহিনী। এদের মাঝে কোনো ইউনিফর্ম থিম নেই। নেই কোনো থিম্যাটিক টিস্যু। থাকার মধ্যে, স্মার্ট গদ্য, আলো-আঁধারির বেহিসেবী সমীকরন ও এক ব্যাগ ভূত।

না। চাপ নেই। কঙ্কাল-টঙ্কাল বেরিয়ে এসে ঘাড় মটকাবে না কারও। এই ভূত হলো অতীতের ফসিল। এই ভূত, মানুষ মনের ডুকরে ওঠা কান্নার দমক সমান। ফুলের গন্ধে মাতাল হওয়ার সাময়িক প্রতিরূপ। হেরে গিয়ে, বেঁচে যাওয়ার নীরব উল্লাস। এই ভূত বিনা আমাদের অস্তিত্ব অধরা।

এর সবটাই বেশ পরিণত কলমে সামলেছেন লেখক। বইতে কেবল রেঞ্জের পরিচয়ই দেননি তিনি। বরং, বিগত কয়েকটি সংকলনের নিরিখে, স্রেফ কটা ভালো গল্প বলাতেই বেশি মনোনিবেশ করেছেন যেন। কতটা কি সফল হয়েছেন, সেটা তর্কসাপেক্ষ। লাভ-ক্ষতির হিসেব, পাঠক-মাত্রই সাবজেক্টিভ। তবে আমি এই বই থেকে ছ'খানা গল্প পেয়েছি। এমন ছ'টি গল্প, যাদেরকে মাথার পাশে বিছিয়ে, নিশ্চিন্তে ঘুমোতে যাওয়া যায়।

তবে, ভালো লাগেনি, বইয়ের প্রথম গল্প, 'কালীমন্দিরের যখ'। ব্যাপারটা দুঃখজনক, কারণ লেখকের প্রথম উপন্যাস আমার ভীষণ প্রিয়। সেই উপন্যাসের মুখ্য চরিত্র, যখন ছোট গল্পে ফিরে আসে। স্বভাবতই মনে আশা জাগে। তবে গল্পের জটিল কষ্টকল্পিত পরিণতি, হতাশাজনক। রহস্য-কাহিনী হিসেবে, পাসিং মার্কস দেওয়া দায়। উপরন্তু, 'তার চোখের তারায়'-এর সেই প্যালপেবল টেনশনের অনুপস্থিতি গল্পটিকে ডুবিয়েছে।

এছাড়াও, দ্বিতীয় গল্প, 'জাতিস্মর'-এ হাস্য ও করুণ রসের উপাদানে ঠিক ব্যালেন্স আনতে পারেননি লেখক। গল্পটি পড়ে, যতটা আবিষ্ট হবার কথা ছিল, ততটা হলাম না যেন। কনসেপ্ট নিঃসন্দেহে ভালো, তবে এক্সিকিউশনে সামঞ্জস্যের অভাব। এইতো। তবে ভালো খবর, এদুটো গল্পই বইয়ের শুরুতে পেয়ে যাচ্ছেন। তাই স্টার্টার মুখে না রচলেও, কুছ পরোয়া নেহি। কারণ মেইন-কোর্সের রাজকীয় আয়োজন, কমবেশি পুষিয়ে দেয় সবটাই।

ছয়টি বড় গল্প। এ বলে আমায় দেখ, তো ও বলে আমায়। কোথাও প্রেম, কোথাও লোভ, আবার কোথাও মনস্তত্ত্বের সুচারু জ্যামিতি। ম্যাচিউর ন্যারেটিভে লেখা 'ধার', এই বইয়ের শ্রেষ্ঠ গল্প। 'ফুটোস্কোপ'এর মারণ-কামড়ে যখন সুকুমার রায় ওল্টাতেও ভয় পাবেন। তখন 'ধার' শেখাবে, বিদ্রোহের পাঠ। তুলে ধরবে, দৈনন্দিন জীবনের অমলিন দর্পণ। 'মোদের বাড়ি এসো', চেনাবে ঘুম-শহরের নয়া নকশা। যা নতুন মাঝেও, পুরোনো। ছেলেবেলার দেওয়ালে, নোনাধরা গ্রাফিতি ন্যায় পরিচিত।

এছাড়াও আছে, 'জানি, তুমি অনন্য' বা 'শিউলি ফুল'এর মতন গল্প। যেন একই মুদ্রার দুটো পিঠ। মিলনান্তক বা বিয়োগান্তকের হিসেব পেরিয়ে, অপ্রেমের আদি-কাহিনী। দুটোই মনোগ্রাহী, দুটোই মায়াময়। মায়া শব্দটি, এই বইয়ের সমার্থক যেন। ভালো লাগুক, খারাপ লাগুক। হয়তো বা কোনো গল্পের পরিণতি মনে নাই বা ধরুক, তবুও একেবারে খালি হাতে এই বই থেকে ফিরে যাওয়া মুশকিল, এটা নিশ্চিত। সময় নিয়ে পড়ুন 'প্রফেট', হারিয়ে যান এক ভিন্নধর্মী সামাজিক গল্পে, যার অন্তরে প্রোথিত জীবনের ফ্যান্টাসি। যা একাধারে, মানবিক ও যারপরনাই তীব্র।

তাই চাইলে নিশ্চই সংগ্রহ করুন। দীপ প্রকাশনের পরিবেশনা নিয়ে ভয়ে ছিলাম। তবে বইতে মুদ্রণ-প্রমাদ কড়ে আঙুলে গোনা যায়, এটা বাঁচোয়া। কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল আমার বেজায় পছন্দের শিল্পী, ওনার প্রচ্ছদশিল্প নিয়ে আলাদ করে কিছু বলার নেই। কেবল আক্ষেপ, বইটি এক্কেবারে অলংকরণ বর্জিত। গল্পগুলোর মুখ চেয়েই, কটা হেডপিস জুড়ে দেওয়া যেত। যা দেওয়া হয়নি। সাথে, নেই কোনো ভূমিকাও। গল্পগুলোর কালানুক্রমিক বিবর্তন ধরতে পারাটাও, ভার্চুয়ালি অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। অগত্য, প্রকাশনীর কপালেও ফুল-মার্কসটা আর পাওয়া হয়ে ওঠে না। এই আরকি।

হ্যাপি রিডিং!

(৪/৫)
Profile Image for Aishu Rehman.
1,123 reviews1,111 followers
February 14, 2024
সায়ক আমানের লেখা পড়ে বরাবর বেশ আরাম পাই। 'ভালোবেসেছিল যারা' গতবছর ভীষণ প্রিয় একটা বই হিসেবেই তালিকাতে ছিল। এবছর এইটা হাতে পেয়ে দেরি করতে তাই একদম ইচ্ছে করেনি। ৮ টি বড় ছোট গল্প দিয়ে সাজানো সম্পূর্ণ সংকলনটি । পুরো সংকলনের চারটা গল্প আমার কাছে আনকোরা নতুন মনে হলেও বাকি চারটি গল্প ইতোমধ্যেই পরিচিত ছিল। আর সেটা সায়ক আমানের' মিডনাইট হরর স্টেশন' র বরাতে। সংকলনটির ঠিক এই বাকী চারটি গল্পই আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে। বিশেষ করে 'জানি, তুমি অনন্য' আর 'শিউলিফুল' গল্প দুটি অদ্ভুত একটা আবেশে মোহিত করে ফেলেছিল আমাকে।
Profile Image for Ahmed Aziz.
389 reviews70 followers
August 23, 2025
বেশ ভালো গল্পগুলো। জীবনের ছোট, বড় চাওয়া, স্মৃতি, প্রেম, পাওয়া না পাওয়া, আনন্দ, বেদনা, ছেড়ে যাওয়া আর লুকিয়ে থাকা অন্ধকারের মিশেলে প্রতিটা গল্পই মনকে ছুঁয়ে যায়। খাঁটি রহস্য গল্প কালীমন্দিরের যখ অন্য গল্পগুলোর চেয়ে আলাদা হলেও বেশ ইন্টারেস্টিং।
Profile Image for Zabir Rafy.
315 reviews11 followers
September 15, 2025
মোটাতাজা আট টি গল্প নিয়ে এই সংকলন। লেখক সম্ভবত সবকয়টা মানব অনুভূতিই এঁকেছেন গল্পগুলোতে।
Profile Image for   Shrabani Paul.
397 reviews23 followers
May 4, 2024
🎏🦉বইয়ের নাম - মৃত পেঁচাদের গান🦉🎏
✍🏻লেখক - সায়ক আমান
🖨️প্রকাশক - দীপ প্রকাশন
📕প্রচ্ছদ - কৃষ্ণেন্দু মন্ডল
💰মূল্য - ৩০০/-

🎀⛳ কি ভাবছেন বইটা নেবেন কিনা? কিংবা পড়বেন কিনা। কী আছে এই বইতে? আসুন দেখে নিই.......

🌿কালীমন্দিরের যখ ~ গল্পের শুরুতেই দেখানো হয় এক পুরানো কালীমন্দির তার সামনে প্রায় জনা পঁচিশেকের মানুষের একটা ভিড় তৈরি হয়েছে। এই মন্দিরের মেন দরজা খোলার প্রস্তুতি চলছে প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে। পঞ্চাশ বছর ধরে বন্ধ পরে থাকা এই মন্দির কেন খুলতে চাইছে এখানের গ্ৰামবাসীরা ? দেখা যাক কোন রহস্য লুকিয়ে আছে এই কালীমন্দিরের ভেতরে। কিছু গ্ৰামবাসীদের বলতে শোনা যায় সুধীর চৌধুরীর পূর্বপুরুষ জমিদার মাধবচন্দ্র মারা যাওয়ার আগে তার সমস্ত সম্পত্তি এই মন্দিরের ভেতরে গচ্ছিত রেখে মন্দিরটি সিল করে দেন। মন্দিরের মেন দরজা খোলার পরে ওখানে উপস্থিত সকল গ্ৰামবাসী হতবাক। দেখা গেল মন্দিরের ভেতরে এক বছর পনেরোর এক কিশোরের রকাক্ত মৃতদেহ। সকলের মনে একটাই প্রশ্ন ছেলেটি কে? তাকে খুন করা হলো কেন? তার দেহটা খুনি যেকোন‌ও মাঠের উপরে বা পুকুরে ফেলে আসতে পারতো, তার বদলে বন্ধ ঘরের ভিতরে রাখতে গেল কেন? আর রাখল‌ই বা কেমন করে? এবং যে রাখল, সে কে?
প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর মিলবে এই গল্পে। জানতে হলে অবশ্য‌ই পড়তে হবে এই গল্প!

🌿জাতিস্মর ~ গল্পের শুরুতেই দেখা যায় সাম্য-কে। সদ্য মাতৃ হারা সাম্য পাহাড়ে ঘুরতে যায় মাসতুতো দাদাদের সাথে। ফেরার পথে হরিদ্বার হয়ে ট্রেন ধরার কথা। রাত্রির এগারোটা নাগাত সাম্য হরিদ্বারে এসে পৌঁছায় এখানে এসে একটা কালো পাথরের বুদ্ধমূতি কেনে। বারোটা কুড়িতে ফেরার ট্রেন ধরে। ট্রেনে নিজের জায়গায় বসে সাম্যর মনে অনেক প্রশ্ন জাগে। সাম্য বুদ্ধমূতির কাছে জানতে চায় 'আমার জন্য কি কষ্ট হয় না কার‌ও? এতো সহজেই ছেড়ে চলে যেতে পারে সবাই ? আপনি‌ই তো আমাকে বানিয়ে ছিলেন আমাকে কেন? এমন কিছু দিলেন না, যাতে আমাকে ছেড়ে কেউ যেত না‌ পারে। কাদেরকে হারিয়ে সাম্য একাকীত্ব ভুগছে? ‘বকুল’ সাম্যকে খুব ভালোবাসে, সাম্যের মন খারাপ হলে বকুল ঠিক বুঝতে পারে। বকুলকে ভালোবাসতে পারছেনা কেন সাম্য? এমনটা কেন হচ্ছে? ভবিষ্যতে কি ঘটতে চলেছে সাম্যের জীবনে? জানতে হলে অবশ্য‌ই পড়তে হবে গল্পটি!

🌿শিউলি ফুল ~ এই গল্পের শুরুটা হয় শিউলি ফুল দিয়ে। এই শিউলি ফুলকে ঘিরে তৈরি হয় একটা প্রেমের সম্পর্ক, সেই সম্পর্কে এমন কিছুই ছিলোনা তবুও ছিল একটা সম্পর্ক। জানি দূরে থেকেও ভালোবাসা যায়। কিন্তু ঠিক কতোটা দূরত্ব তৈরি হলে সেই সম্পর্ক ও শেষ হয়ে যায়? আচ্ছা আপনি কি প্রেম করেন? তবে এই গল্পটি অবশ্যই পড়ুন সব উওর মিলবে গল্পের মধ্যে.....

🌿মোদের বাড়ি এসো ~ গল্পের শুরুতেই দেখতে পাই শৈলেন আসে গ্ৰামের বাড়ি। শৈলেনের মা ‘পুষ্পারাণি লাহিড়ীর’ তিনি অনেক দিন আগেই মারা গেছেন। তারপর শৈলেন কেনো আসে পুষ্পারাণি লাহিড়ীর বাড়ি? শৈলনের ছোটোবেলার কতো স্মৃতি ভেসে ওঠে.......ছোটবেলায় কোনও এক মেন্টাল ট্রমার কারণে খুব সহজেই সব কিছু ভুলে যেতে পারতো শৈলেন। এই ভুলে যাওয়াই সব থেকে বড় ভুল, সবাই ছেড়ে চলে যায় এক এক করে.........
শৈলেন গ্ৰামে এসেছে, একটা লম্বা ঘুমের জন্য.......
সেই ঘুম যেনো সারাজীবনের........

🌿ফুটোস্কোপ ~ রনি এক কঠিন রোগে আক্রান্ত। সবসময়ই সে হুইলচেয়ারে থাকে। বাবা স্বপ্নময় ছেলেকে ভীষণ আগলে আগলে রাখে। কিন্তু রনি খুব ভয় পায় একটু কিছুতেই। সেই ভয়টা আসলে কিসের? রনি মাঝে মাঝেই বলে জানালা দিয়ে কেউ দেখছে....
আর গল্পের নাম ‘ফুটোস্কোপ’ এই ফুটোস্কোপ আসলে কি? ফুটোস্কোপ আসলে সুকুমার রায়ের লেখা একটা কবিতা। কবিতা অনুযায়ী একটা যন্ত্র, যেটা দিয়ে মানুষের মাথাকে বিশ্লেষণ করে দেখা যায়। ছেলের এই বিনা কারণে ভয় পাওয়া, বার বার এই কবিতা বলা ইত্যাদি কারণগুলো স্বপ্নময়কে ভীষণ ভাবিয়ে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত কি স্বপ্নময় পারবে ছেলের ভয় দূর করতে? জানতে হলে অবশ্যই গল্পটি পড়তে হবে!

🌿জানি, তুমি অনন্য ~ অনির্বাণ-এর কলেজ জীবনের বন্ধু অনিকেত হঠাৎই একদিন মাঝরাতে ফোন করে। ফোন করে জানায় বিয়ে ঠিক হয়েছে। কিন্তু বিয়ে টা করা ঠিক হবে কিনা, সেটা নিয়ে কনফিউজড তাই মাঝরাতে ফোন......
অনিকেতের প্রেমিকা ‘সঞ্চরী’ ভীষণ ঠাণ্ডা মাথার মেয়ে। তবুও কেন এতো ভয় হয় অনিকেতের? আর এতো কনফিউশন ই বা কিসের? জানতে হলে অবশ্যই গল্পটি পড়তে হবে!

🌿প্রফেট ~ এই গল্পে জগদীশ ছোট থেকেই প্রফেট হতে চেয়েছিল। কিন্তু প্রফেট হবার আগেই সে রাতের অন্ধকারে গ্ৰাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। ওর মা-বাপ ততোদিনে কেউই আর বেঁচে নেই। ফলে সে কোথায় পালিয়েছে কী বৃত্তান্ত সেই নিয়ে আর কেউ মাথা ঘামায়নি। হঠাৎ করেই বাইশ বছর পরে জগদীশের ছোটবেলার খুব প্রিয় এক বন্ধুর সাথে শিয়ালদহ স্টেশন-এ দেখা হয়। জগদীশ তার বন্ধুকে দেখে ভয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়, কিন্তু কেন? জগদীশ প্রফেট না হয়েই কেন গ্ৰাম ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল? জানতে হলে অবশ্য‌ই গল্পটি পড়তে হবে!

📚✍🏻প্রতিটি গল্প নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব নয়, তাই বেশ কয়েকটি গল্প তুলে ধরলাম। সায়ক আমান মানেই একটা আলাদা রকমের ম্যাজিক, ওনার লেখা সমস্ত শব্দই কেমন যেন ভাসতে থাকে..... অনুভূতি ও তৈরি হয় মিশ্র কখনো প্রেম, বিরহ, বেদনা আবার কখনো ভয় মেশানো রহস্য। সব মিলিয়ে দূর্দান্ত। সায়ক আমান-এর যে কোনো বই আপনি হাতে তুলে নিয়ে দেখতে পারেন সময়টা যে কিভাবে কেটে যাবে তা বুঝতেই পারবেন না! যাই হোক আরও একটা জিনিষ বলেই দি, এই বইতে মোট ৮ টি গল্প রয়েছ। তার মধ্যে ৪ টি গল্প সায়ক আমান-এর youtube channel এ Audio Story হিসাবে আগে থেকেই Upload করা ছিলো। নতুন ৪টি গল্প যুক্ত করে ‘মৃত পেঁচাদের গান’র সৃষ্টি! বইটি হার্ড কভার, ভালো কাগজ, ঝকঝকে ছাপা ও আকর্ষণীয় প্রচ্ছদ সমৃদ্ধ। লেখককে ধন্যবাদ। আপনার লেখার দীর্ঘায়ু কামনা করি, ভালো থাকবেন!

📥🗒️2024 Book Review ~ 46
যদি এই বইটি পূর্বেই কেউ পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাদের ব্যক্তিগত মতামত জানাবেন। এছাড়াও আমার রিভিউ কেমন লাগছে সেটাও জানাবেন নিচের কমেন্ট বক্সে। যদি কিছু ভুল ত্রুটি হয় সেটাও জানতে ভুলবেননা।
🍀 আবারো দেখা হবে পরের রিভিউতে। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন আর অনেক অনেক বই পড়ুন। 🙂
🙏🏻 !! ধন্যবাদ !! 🙏🏻

#মৃত_পেঁচাদের_গান #সায়ক_আমান
#দীপ_প্রকাশনী #গল্প #বই #পাঠক_প্রতিক্রিয়া

♡~🍁~~📖~♡~📖~~🍁~♡
🍂🍁📚📖📚🍁🍂
Profile Image for Rahul Mukherjee.
71 reviews3 followers
May 7, 2025
আমার মোটামুটি লেগেছে । হয়ত এ গল্পের ঝুলি আমার মতন পক্ককেশ মানুষের ভালো লাগার কথা নয় ।
এর মধ্যে দুটি গল্প মনে থাকবে । যেমন “জানি, তুমি অনন্য” র haunting lines……


'কাউকে ভালোবাসলে তার জন্য সূর্যাস্তের অনেক পরেও বসে থাকতে হয়। আকাশ অন্ধকার হয়ে গেলে, সব লেবু চাওয়ালা, ঘটিগরমওয়ালারা বাড়ি চলে গেলেও অপেক্ষা করতে হয়... তুই করবি তো অপেক্ষা আমার জন্য?'


আর “শিউলি “ গল্পের
'এই যে ছেড়ে যাওয়াটা, যে যাওয়াটায় তোমার কষ্ট হল না। এমন করে তোমাকে ভালোবাসলাম যে অনায়াসে ভুলে যেতে পারলে। তোমার বুকে কোনও চিরকালীন ছাপ রেখে গেলাম না। সেই ভাঙাচোরা শহরটার মতো, যেখানে আর তুমি ফিরে যেতে চাও না। ‘

খুব চেপে ধরে এই লাইন গুলি
Profile Image for Indrani .
85 reviews2 followers
December 21, 2025
সব গল্প ভালো লাগেনি। কয়েকটি গল্প বেশ ভালো। তবে আমি যে গল্পটি রুদ্ধশ্বাসে পড়েছি, সেটি হলো 'ফুটোস্কোপ' । শুধু ওই গল্পটির জন্য আলাদা ভাবে রেটিং দিতে হলে 5 star + রেটিং দেওয়াই যায়। শুধু মাত্র এই গল্পটির জন্য ই লেখকের লেখা আবার পড়ব। 😌
Profile Image for Susmita.
24 reviews1 follower
August 29, 2025
বেশ ভালো লাগলো। গল্পগুলি বেশ নানা স্বাদের; আটখানা গল্পই বেশ ভালো। তবে আমার সবচেয়ে পছন্দের হলো "জাতিস্মর" ও "প্রফেট" গল্পদুটি ।
Displaying 1 - 9 of 9 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.