হাসনাত আব্দুল হাই (English: Hasnat Abdul Hye) একজন বাংলাদেশি লেখক এবং প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক। তিনি ঢাকা, ওয়াশিংটন, লন্ডন ও কেমব্রিজে লেখাপড়া করেন। তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার, অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার, জগদীশ চন্দ্র বসু পুরস্কার, শের-ই-বাংলা পুরস্কার, এস.এম. সুলতান পুরস্কার, শিল্পাচার্য জয়নুল পুরস্কারে ভূষিত হন।
‘সোয়ালো’ মেটাফোরিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সমাজতান্ত্রিক দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস। মূলত ‘সোভিয়েত ইউনিয়ন’কে সোয়ালো পাখিদের কমিউনিটি ধরে এই উপন্যাসটি রচিত। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর সাধারণ মানুষের যে আশা-ভঙ্গ হয়েছিল, তা ফুটে উঠেছে পাখিদের কমিউনিটি ভাঙার গল্পের মাধ্যমে। উপন্যাসে কিছু রূপকথা, পাখিদের মাইগ্রেশন এবং পৃথিবীর ভূগোল নিয়ে কিছু তথ্যাবলি আছে। ছোটখাটো উপন্যাসটি এক বসায় পড়ে ফেলার মতো, যদিও আমি দুই দিন ধরে পড়ে শেষ করেছি। খুব একটা ভালো লাগেনি, তবে বইটির কিছু ইলাস্ট্রেশন আছে, রফিকুন নবী আর শামারুখ মহিউদ্দিন-এর। এগুলো সুন্দর… ‘Heaven is not a place and it is not a time. Heaven is being perfect’
ওভারঅল ভালো লেগেছে। সোয়ালো পাখির আদলে কমিউনিস্ট দেশগুলোর স্বরূপ এবং কমিউনিজম ভেংগে যাওয়ার কাউন্টার ইফেক্ট খুব সুন্দর করে দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি লেখক অনেক তথ্য-তাত্ত্বিক উপাদানও রেখেছেন বইটিতে। খারাপ লাগা বলতে ব্যাঙ্গমা-ব্যাঙ্গমীর বয়ানের গল্পটা বিগত দুঃশাসনের ফিল্টারড ইতিহাসের চিত্রাঙ্কন করেছে যা জোর করেই বইয়ের কাহিনিতে যোগ করা হয়েছে। মূল গল্পে এর কোনো প্রভাবই অনুভূত হয়নি।
সোয়ালো পাখির সামাজিক জীবনের উপর ভিত্তি করে সমাজের বৈষম্য গুলো তুলে ধরা হয়েছে। আমার কাছে শুরুটা খুব ভালো লাগলেও শেষের দিকে কেন যেন তেমন ভালো লাগে নি। তবে পড়তে পারেন অনেক তথ্যবহুল বই।