রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
প্রচন্ড ঝড় বয়ে গেছে গোবেল বীচ এর উপর দিয়ে। ক্ষতি হয়েছে খুব। জিনাদের বাড়িটাও নষ্ট হয়েছে। মেরামত করতে হবে। ছুটির বাকি দিনগুলো চার ছেলেমেয়ে জিনার দ্বীপে কাটানোর সিদ্ধান্ত নিল। দ্বীপে উঠে লুকোচুরি খেলতে গিয়ে দুজন চোরের কথা বার্তা শুনে ফেলল জিনা। রত্ন চুরি করবে চোরগুলো, তিরিশে জুলাই, ম্যানর হাউসের এক মহিলার থেকে। সেই মহিলাকে খুঁজে সতর্ক করার জন্য নানান ঝক্কি পেতে হল ওদের। তিন জনকে খুঁজে পেয়েছে যারা একা থাকে, চোরদের ভাষ্যমতে একা থাকা কোনো বড়লোক মহিলার কাছ থেকে রত্ন চুরি করা হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য! যাদের খুঁজে পেল তারা প্রত্যেকেই বদমেজাজী, গোয়েন্দাদের কথাই শুনল না। উল্টো চোর অপবাদ দিল , ওদেরকে শেরিফের কাছে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিল। এরপর কি হবে? তিনজনের মধ্যে সেই মহিলাই বা কে? কীভাবে খুঁজে বের করবে ওরা? ওদের উপর থেকে কি চোর অপবাদ সরাতে পারবে? জানতে হলে ঝটপট পড়ে ফেলুন বইটি। ভলিউম ৬ এর শেষ গল্প। আমি অবশ্য আলাদাই পড়েছি। ভালো লেগেছে।