Jump to ratings and reviews
Rate this book

ব্যোমকেশ #9

রক্তমুখী নীলা

Rate this book
Sharadindu Bandyopadhyay was a Bengali writer. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi.

29 pages, ebook

First published June 13, 1970

7 people are currently reading
97 people want to read

About the author

Sharadindu Bandyopadhyay

179 books450 followers
Sharadindu Bandyopadhyay (Bengali: শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়; 30 March 1899 – 22 September 1970) was a well-known literary figure of Bengal. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi.
He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.

Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
92 (19%)
4 stars
178 (37%)
3 stars
160 (33%)
2 stars
43 (8%)
1 star
5 (1%)
Displaying 1 - 27 of 27 reviews
Profile Image for Shariful Sadaf.
212 reviews107 followers
November 28, 2020
গল্পটি এভারেজ মনে হলো কেমন জানি রাজরাজড়াদের চিরাচরিত কাহিনীর মতোই হলো।
আর খুব বেশি প্রেডিক্টেবল হয়ে গেলো যার কারণে সাসপেন্সের অভাববোধ করলাম।
Profile Image for Tamoghna Biswas.
364 reviews149 followers
May 16, 2021
একটু বেশিই Violent, ব্যোমকেশ এর অন্যান্য যেকোনো গল্পের তুলনায়। বিশেষ করে গলায় purse তৈরি করার ব্যাপারটা, ওইটা এর আগেও পড়েছি, সুতরাং যে বাস্তবিক কতটা ভয়ানক ও যন্ত্রনাদায়ক, উপলব্ধি একটু হলেও করা সম্ভব। তবে ব্যোমকেশ এর প্রখর বুদ্ধির খুব একটা নজির এখানে দেখা যায় না, সেইদিক দিয়ে দেখতে গেলে, গল্পের শেষটা একটু অদ্ভুত রকমের, কেমন যেন unrealistic লাগলো প্রায়।
Profile Image for Alamgir Baidya.
180 reviews5 followers
April 25, 2021
আমার অন্যতম অপ্রিয় ব্যোমকেশ কাহিনী। গোয়েন্দা গল্পের ক্ষেত্রে 'হু ডান ইট' প্রথমেই মীমাংসিত হয়ে গেলে আমার ভালো লাগে না। বাকি থাকে যে স্বীকারোক্তি আদায় এবং 'হাউ ডান ইট' সেটাও সম্মোহনের ভুজুং ভাজুং দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। গোয়েন্দাগিরি প্রায় অনুপস্থিত।
Profile Image for Hanif.
159 reviews5 followers
June 12, 2023
'চোরের মা'র কান্না কেউ শুনতে পায় না'।

মহারাজ রমেন্দ্র সিংহের বাড়ি হতে একটি নীলা( হীরা) চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে, গোয়েন্দা কাহিনী।
Profile Image for Yeasmin Nargis.
192 reviews3 followers
May 31, 2025
ভালো লাগেনি ,ব্যোমকেশ এর লেভেল অফ স্ট্যান্ডার্ড বিলং করে না।
Profile Image for Anjum Haz.
287 reviews71 followers
September 20, 2020
"রক্তমুখী নীলা" নামটা শুনেই রোমাঞ্চ বোধ করছিলাম। সচরাচর পাওয়া যায় না এমন মূল্যবান হীরা— তার সঙ্গে তো খুন-খারাবির একটা ইতিহাস থাকবেই।

তবে ব্যোমকেশের এই কেসটা সংক্ষিপ্ত ও খানিকটা নাটকীয় হওয়ায় খুব বেশি মজা পেলাম না। কাহিনী অনেকটা আন্দাজ করাই যাচ্ছিল। বিশেষ কিছু চমক থাকলেও, শেষ পর্যন্ত আরেকটু রহস্যের অভাব বোধ করছিলাম।
Profile Image for Protyoi Chakraborty.
1 review
June 10, 2023
বই পড়ার অভ্যাসটা রীতিমতো কমে যাচ্ছে। তবুও রাতদুপুরে কিছুটা ইচ্ছাশক্তির ব্যবস্থা করে ব্যোমকেশ এর এই ছোটো গল্পটা পড়তে শুরু করি। এবং লেখাটা নেহাত captivating ছিল, তাই হয়তো পুরোটা শেষ করতে পেরেছি।

রক্তমুখী নীলার তুলনা ঠিক ওই মানুষগুলোর সাথে hoy, যারা কারো জন্যে আশীর্বাদ,আবার কারো জন্যে অভিসম্পাত।
Profile Image for Owlseer.
221 reviews32 followers
August 8, 2024
গপ্পোটিতে ব্যোমকেশের তীক্ষ্ণ বুদ্ধির আরও সুচারু প্রমাণ দিলেও লেখক কিন্তু গপ্পোটিকে জমাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
284 reviews21 followers
September 27, 2025
টেবিলের উপর পা তুলে ব্যোমকেশ পা নাচাচ্ছিল। খোলা সংবাদপত্রটা তার কোলের উপর খোলা। শ্রাবণের কর্মহীন সকালে দু’জনে বাসায় বসে আছে; গত চারদিন ঠিক এইভাবে কেটেছে। আজকেরও এই ক্ষুরধার ধূসর দিনটা এইভাবে কাটবে, ভাবতে ভাবতে বিমর্ষ হয়ে পড়ছিল অজিত। অবশেষে নীরবতা ভেঙে অজিত বলল, ‘খবর কিছু আছে?’

ব্যোমকেশ চোখ না তুলেই বলল, ‘খবর গুরুতর—দু’জন দাগী আসামী সম্প্রতি মুক্তিলাভ করেছে।’ অজিত একটু আশান্বিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলো, ‘কে তারা?’

‘একজন হচ্ছেন শরৎচন্দ্রের চরিত্রহীন—তিনি মুক্তিলাভ করেছেন বিচিত্রা নামক টকি হাউসে; আর একজনের নাম শ্ৰীযুত রমানাথ নিয়োগী—ইনি মুক্তিলাভ করেছেন আলিপুর জেল থেকে। দশ দিনের পুরনো খবর, তাই আজ দৈনিক ‘কালকেতু’ দয়া করে জানিয়েছেন।’ এইটুকু বলে সে ক্রুদ্ধ-হতাশ ভঙ্গীতে কাগজটা ফেলে দিয়ে উঠে দাঁড়াল। অজিত বুঝল সংবাদের অপ্রাচুর্যে বেচারা ভিতরে ভিতরে ধৈর্য হারিয়েছে। অজিত বলল, ‘শরৎচন্দ্রের চরিত্রহীনকে তো চিনি, কিন্তু রমানাথ নিয়োগী মহাশয়ের সঙ্গে পরিচয় নেই। তিনি কে?’

ব্যোমকেশ ঘরময় পায়চারি করল, তারপর বলল, ‘নিয়োগী মহাশয় নিতান্ত অপরিচিত নয়। কয়েক বছর আগে তার নাম খবরের কাগজে খুব বড় বড় অক্ষরেই ছাপা হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ পাঠকের স্মৃতি এত দূর্বল যে দশ বছর আগের কথা মনে থাকে না।’
‘তিনি একজন চো*র। ছিঁচ্‌কে চো*র নয়, ঘটিবাটি চুরি করেন না। তার নজর কিছু উঁচু—‘মা*রি তো গণ্ডার লুটি তো ভাণ্ডার। বুদ্ধিও যেমন অসাধারণ সাহসও তেমনি অসীম। আজকাল আর এরকম লোক পাওয়া যায় না।’

শেষ পর্যন্ত তিনি ধরা পড়ে গিয়েছিলেন এবং প্রকাশ্য আদালতে তার বিচার হয়েছিল। সে সময় কলকাতা শহরে হঠাৎ জহরত চু*রির খুব ধুম পড়ে গিয়েছিল; আজ জহরলাল হীরালালের দোকানে চু*রি হচ্ছে, কাল দত্ত কোম্পানির দোকানে চু*রি হচ্ছে—এই রকম ব্যাপার। তারপর একদিন মহারাজ রমেন্দ্র সিংহের বাড়িতে চু*রি হলো। মহারাজ রমেন্দ্র সিংহ যেমন ধনী তেমনি ধার্মিক। তার মত সহৃদয় দয়ালু লোক আজকালকার দিনে বড় একটা দেখা যায় না। একদিন রাত্রিবেলা চো*র ঢুকে দু’জন চৌকিদারকে অজ্ঞান করে তার কয়েকটা দামী জহরত নিয়ে পালাল। মহারাজের সংগ্রহে একটা রক্তমুখী নীলা ছিল, সেটা তার অত্যন্ত প্রিয়। নীলাটাকে মহারাজ নিজের ভাগ্যলক্ষ্মী মনে করতেন; সর্বদা আঙুলে পরে থাকতেন। চো*র সেই নীলাটাও নিয়ে গিয়েছিল।

ব্যোমকেশ এবং অজিতের কথার মাঝখানে হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ এবং দরজায় হাজির স্বয়ং মহারাজ রমেন্দ্র সিংহ! ওনার সেক্রেটারির মৃ*ত্যুর কোন কিনারাই পু*লিশ করতে পারল না। পাঁচ দিন হয়ে গেল, পুলিশ তো কিছুই করতে পারল না; তাই মহারাজ ভাবলেন যদি ব্যোমকেশ কিছু করতে পারে। ব্যোমকেশের কাছে মহারাজের সেক্রেটারির খু*নের তদন্তের ভার এলো ঠিকই কিন্তু তাতে জড়িয়ে গেছে অতীতের একটি চু*রির ঘটনা। কীসের চু*রি? কী আবার, সেটা হলো সেই রক্তমুখী নীলা!

🥐পাঠ প্রতিক্রিয়া🥐

ব্যোমকেশ বক্সী পড়া হলো বেশ বছর পর। এবং এই গল্পটি ভাবছিলাম হয়তো আমার পড়া নেই। কিন্তু নাহ পড়েছিলাম আর কী। যখন আমি রিভিউ লিখতাম না সেই সময়ে পড়া তাই কিছুদূর পড়েই মনে পড়লো আরে এটা তো এমন এমন কাহিনী। তবে পড়ে ফেললাম আবার এবং খানিকটা অনুভূতি ব্যক্ত করি বরং কেমন লাগলো রক্তমুখী নীলা।

নীলা জিনিসটা হীরে, তবে নীল হীরে। অন্যান্য হীরের মত কিন্তু কেবল ওজনের ওপরই এর দাম হয় না; অধিকাংশ সময়—অন্তত আমাদের দেশে—নীলার দাম ধার্য হয় এর দৈবশক্তির ওপর। নীলা হ��্ছে শনিগ্রহের পাথর। এমন অনেক শোনা গেছে যে পয়মন্ত নীলা ধারণ করে কেউ কোটিপতি হয়ে গেছে, আবার কেউ বা রাজা থেকে ফকির হয়ে গেছে। নীলার প্রভাব কখনও শুভ কখনও বা ঘোর অশুভ।

একই নীলা যে সকলের কাছে সমান ফল দেবে তার কোনও মানে নেই। একজনের পক্ষে যে নীলা মহা শুভকর, অন্যের পক্ষে সেই নীলাই সর্বনেশে হতে পারে। তাই নীলার দাম তার ওজনের ওপর নয়। বিশেষত রক্তমুখী নীলার। ব্যোমকেশ কুসংস্কারাচ্ছন্ন গোঁড়া হিন্দু নয়, ভূ*ত-প্রে*ত মা*রণ-উচাটন বিশ্বাস করে না। কিন্তু রক্তমুখী নীলার অলৌকিক শক্তির উপর ব্যোমকেশের অটল বিশ্বাস। এবং এখানেই আগ্ৰহ ছিল যে ব্যোমকেশ বিষয়টি কীভাবে খতিয়ে দেখে।

এবং গোটা গল্প আসলে ছোট পরিসরে তো তাই ব্যোমকেশের বুদ্ধির উপর আপনার ভরসা রাখতে হবে কীভাবে সে খু*নি ধরবে। আগেই যদি বলে বসেন যে কীভাবে বুঝতে পারলো এত তাড়াতাড়ি তবে সে উত্তর ও ব্যোমকেশ নিজে দেবে। তাই আসলে বইটি পড়ার আনন্দে বেশি খুঁত ধরতে পারি না। আমার কাছে মোটামুটি ভালো লেগেছে। তবে আসল ব্যোমকেশের মজা এখানে পাবেন না আগেই বলে রাখছি। ছোট বই, গল্প ও ছোট তাই খুব বেশি আশা নিয়ে না পড়াই ভালো। তবে গল্প ছোট হলেও বেশ উপভোগ্য হবে।

ইচ্ছা আছে ব্যোমকেশের আরো কিছু বই পড়ার। এবং রিভিউ দেয়ার।‌ এই বইয়ের সাথে অভিজ্ঞতা তো ভালোই। দেখা যাক আরো পড়ি কেমন লাগে।

🥐 বইয়ের নাম: "রক্তমুখী নীলা"
🥐লেখক: শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
🥐 প্রকাশনী: আনন্দ পাবলিশার্স
October 17, 2022
রক্তমুখী নীলা,মূলত এক নীলাকে (হীরা) কেন্দ্র করে গোয়েন্দা গল্প।হীরা মানে ডায়মন্ড তার প্রতি লোভ কার নেই!!
কিছু কিছু হীরা তো আবার বিশেষ গুণ সম্পন্ন হয়- যেমন কোহিনূর ,কত রাজ-রাজার হাত বদল হয়ে আজ সেটা ব্রিটিশ রাজ-দরবারের শোভা বাড়াচ্ছে অথচ এর প্রাপ্তিস্থান ছিল ভারত।
রক্তমুখী নীলা,মহারাজ রমেন্দ্র সিংহের হীরা যেটাকে সে শুভ শক্তির আধার ভাবতো।কিন্তু একদিন তা খোয়া যায়।চোর ধরা পড়ে কিন্তু নীলার খোঁজ মিলে না।
১২ বছরের জেল হয় চোরের।
এখন বর্তমানে কিছুদিন হলো সে ছাড়া পেয়েছে। অন্যদিকে বর্তমানে মহারাজ ব্যোমকেশের কাছে এসেছে সাহায্যের জন্য কিন্তু নীলা উদ্ধারের জন্য নয় অন্যকোন কারণে।
আর ব্যোমকেশের কাজ হল দুইয়ে দুইয়ে চার করা।মহারাজের বর্তমান সমস্যা সলভ হলো এবং নীলাও উদ্ধার হলো এই যেন শাপে বর পাওয়া।
এই বার গল্প নিয়ে নিজের কথা বলি-অনেক ছোট ছিল, খুব একটা সাসপেন্স ছিল না,ঘটনা কোনদিকে যাবে বা যাচ্ছে সহজে অনুমান করা যায়।তাই পড়ার সময় উত্তেজনা খুব একটা কাজ করে নি।সমগ্র পড়ছি তাই ব্যোমকেশের সব গল্প যে একই রকম ভালো লাগবে সেটা তো নয়।😌
Profile Image for Sukarna Majumder.
37 reviews6 followers
August 25, 2025
কিছুটা নাটকীয় ও অগোছালো ধরনের গল্প। কী থেকে কী হয়ে যায়। মনে হলো গল্পের কাঠামো তৈরি করে অনেকগুলো গল্পের মিশ্রণ ঘটিয়ে তড়িঘড়ি করে তৈরি করা এই গল্প।
Profile Image for Fatema-tuz    Shammi.
126 reviews22 followers
March 17, 2021
বেশি নাটকীয় হয়ে গেছে।থ্রীল উপভোগ করার ই সুযোগ পেলাম না..
Profile Image for Aditya Bandopadhyay.
12 reviews
October 17, 2021
প্রায় দশ - বারো বছর আগে রমানাথ নিয়োগী মহারাজ রমেন্দ্র সিংহের বাড়িতে রাতে ঢুকে, দুজন চৌকিদারকে অজ্ঞান করে, তার বেশ কয়েকটা দামি জহরত নিয়ে পালায়। এর মধ্যে, রমেন্দ্র সিংহের প্রিয় রক্তমুখি নীলাও ছিল। সাত দিনের মধ্যে চোর ধরাও পড়ল। সব চোরাই মাল পাওয়াও গেল, এক খালি রক্তমূখি নীলাটা বাদে! রমানাথও কিছুতেই মুখ খুললো না। পুলিশ সেই রক্তমুখী নীলাটাকে উদ্ধার করার অনেক চেষ্টাও করেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দেয়। সম্প্রীতি রমানাথ নিয়োগী আলিপুর জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে। ইতিমধ্যে মহারাজ রমেন্দ্র সিংহের সেক্রেটারি, হরিপদ রক্ষিত খুন হয়েছে। খুনি হরিপদকে প্রথমে বুকে ছুরি মেরে খুন করে,তারপর নৃশংস ভাবে তার গলার নলি কেটে চিরে ছিন্নভিন্ন করে । রাজামশাইয়ের কথা অনুযায়ী, মৃত্যুর দু - চার দিন আগে হরিপদর ব্যবহারে তিনি বিশেষ পরিবর্তন লক্ষ্য করেছিলেন! ঠিক যেন, হরিপদ খুব ভয় পেয়েছে। কিন্তু কেন? পুলিশ কিছু করতে না পারায়, মহারাজ রমেন্দ্র সিংহ ব্যোমকেশকে হরিপদ রক্ষিতের হত্যাকারীর অনুসন্ধান করতে বলেন। এবার কি হবে? রাজামশাইয়ের রক্তমুখী নীলাটা কি শেষ পর্যন্ত পাওয়া যাবে?

বেশ ভালো লেগেছে গল্পটা। গলার মধ্যে পকেট করে নীলা লুকিয়ে রাখার ব্যাপারটা একটু গা গুলোনো ও unrealistic ঠিকই, still পড়তে ভালো লাগে।❤️
Profile Image for Mahmud.
105 reviews2 followers
October 7, 2023
ভালোই লাগলো ব্যোমকেশের বুদ্ধি দেখে, তবে গল্পটা নিতান্তই অনেকটা সাদাসিদে ধরনের।

ব্যোমকেশের মতো গোয়েন্দা চরিত্রের যে এসব রক্তমুখি নীলার শক্তির মতো কু-সংস্কার এ বিশ্বাস আছে তা দেখেও মোটামুটি অবাক হলাম আবার ভালোও লাগলো না। কারণ গোয়েন্দা গল্পে সব সময় যুক্তির আশ্রয় নেওয়া হয়, সেখানে লেখক গল্পের বিষয় বস্তু সাজাতে গিয়ে শুরুতেই ব্যোমকেশকে দিয়েই কু-সংস্কার এ বিশ্বাসী বানিয়ে দিয়েছেন।
Profile Image for Jyoti Sing.
3 reviews
January 10, 2019
Amazing Feeling... Every time when I read this book I forget whare I'm now. Really good Book.
1 review
Read
April 15, 2020
Nice
This entire review has been hidden because of spoilers.
30 reviews1 follower
July 1, 2020
মহারাজ রমেন্দ্র সিংহের রক্তোমুখী নীলা, কিন্তু চোর রমানাথ নিয়োগীর কাছে শনিদেবের এই পাথর ভাগ্যলক্ষী প্রমাণিত হয়, না ঘোর অশুভের কারণ হয়, তাই এইবার প্রমাণ করবে ব্যোমকেশ।
52 reviews
December 12, 2020
খুবই প্রেডিক্টেবল। পড়ে পুরোপুরি হতাশ হলাম।
Profile Image for Shreyashree.
252 reviews2 followers
May 20, 2021
It's a good story but, the lack of twists makes it quite commonplace and predictable.
Profile Image for Shoaib Mahmud.
115 reviews4 followers
June 2, 2021
খুব একটা ভেতরে যাওয়ার আগেই শেষ!
Profile Image for আহসানুল শোভন.
Author 39 books91 followers
December 18, 2021
অনেকটা ঘরে বসে আর পুরোনো নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করেই যেন কেসটার সমাধান করে ফেললো ব্যোমকেশ। খুব একটা ভালো লাগেনি।
Profile Image for Ahsan Habib.
21 reviews
July 26, 2023
মহারাজ রমেন্দ্র সিংহের রাজবাড়ী থেকে চুরি গেছে বহুমূল্যের রক্তমুখী নীলা। সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ কি রহস্যের সমাধান করতে পারবে?
Profile Image for Eva Mojumder.
73 reviews1 follower
September 28, 2023
নীল হীরে দেখেছেন কখনো? মহারাজের একটা র ক্ত মুখী নীল হীরা চুরি হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত এখন থেকে ঠিক দশ বৎসর পূর্বে। যখন একে একে ধনীদের বাসা থেকে মূল্যবান সকল জিনিসপত্র চুরি হচ্ছিল। তখনই মহারাজের এই হীরেসহ আনুষঙ্গিক অনেককিছুই চুরি হয়েছিল। কিন্তু মহারাজের কাছে সকল কিছুর উর্ধ্বে ছিল সেই র ক্ত মুখী হীরক খন্ডটি। তিনি দুই হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করলেন। চোর ধরা পড়ুক বা না পড়ুক হীরেটা চাই-ই চাই। কিন্তু শেষ অবধি চোর ধরা পড়লেও হীরেটাই খোঁজে পাওয়া গেলো না। সেই ঘটনার রেশ ধরেই দশ বছর পর আবারো একটা খু ন। তাও মহারাজের সেক্রেটারি হরিপদের। লোকটা দাগী আসামি হলেও মহারাজের সংস্পর্শে এসে নিজেকে পাল্টিয়ে ফেলেছিল। মহারাজেরও তার প্রতি মায়া জন্মে গিয়েছিল। তাই তো তিনি এই খু নে র হদিস করার জন্য ব্যোমকেশের দ্বারস্থ হলেন। কিন্তু ব্যোমকেশ পুরো ঘটনা শুনে একপলকেই খু নি কে আন্দাজ করে ফেললো। সেই পুরনো রহস্য, সেই হীরে, সেই খু ন! সবই একসূত্রে গাঁথা।

মাত্র ১০ পেজের এই গল্পটিতে আলাদা রকম কোনো টুইস্ট না থাকলেও আমি খু নি র ধূর্ততায় মুগ্ধ হয়েছি। তার থেকেও বেশি অবাক হয়েছি হরিপদের হীরেটা লুকোনোর কায়দা দেখে। এ-ও সম্ভব? ভাবাই যায় না। গল্পটা উপভোগয় ছিল।

বই- র'ক্তমুখী নীলা
লেখক- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রকাশনী- আনন্দ পাবলিশার্স
পৃষ্ঠা- ১০
Displaying 1 - 27 of 27 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.