The number e, the function ex, the logarithmic function in (x) and different hyperbolic functions like cosh (x), sinh (x) make frequent appearances in science and engineering textbooks. Students often fail to appreciate the significance of these mathematical symbols. This book clearly illustrates why such abstract mathematical entities are needed to represent some aspects of physical reality. It provides an overview of different types of numbers and functions along with their historical background and applications. It contains four chapters covering number system, exponential function, logarithmic functions and hyperbolic functions along with the concept of complex angle. Print edition not for sale in South Asia (India, Sri Lanka, Nepal, Bangladesh, Pakistan or Bhutan)
Sharadindu Bandyopadhyay (Bengali: শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়; 30 March 1899 – 22 September 1970) was a well-known literary figure of Bengal. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi. He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.
Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.
বাহ! চমৎকার গল্প। খুনোখুনির সাথে ভালো রহস্যময় একটি গল্প শেষ করলাম। শরদিন্দুর সাজানো গোছানো সুন্দর বর্ণনার সাথে গল্পের চরিত্রগুলোর সুন্দর বিল্ড আপ আমাকে ভীষণ মুগ্ধ করে। আর ক্লাইম্যাক্সে অপ্রত্যাশিত কিন্তু গ্রহণযোগ্য সমাপ্তিটা দুর্দান্ত লেগেছে। ফুরফুরে লেখনশৈলী আর কমেডির সাথে বিচক্ষণতা খুব উপভোগ করেছি।
বই পড়ার সময় যতোটা না ভালো লেগেছিল তার চেয়েও বেশি ভালো লেগেছে অডিও শুনতে💜💜 আহ কি জানি ছিল লাইনটা - প্রেমহীন স্বামী আর বিশ্বাসহীন স্ত্রীর দাম্পত্য জীবন কখনো সুখের নয়।
পুরোপুরি আন-প্রেডিক্টেবল। মুগ্ধ হয়ে গেলাম। এ বই থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, “প্রেমহীন স্বামী আর বিশ্বাসহীন স্ত্রীর দাম্পত্য জীবন কখনো সুখের নয়।” প্রেম ভালো, অতিপ্রেম ভালো না, অতিপ্রেম থেকে অপ্রেমের জন্ম হয়, অবিশ্বাসের জন্ম হয়। প্রেম, নারী, সত্য একই জাতের, এদের উপর জোর করা চলে না। এদেরকে এদের মতো থাকতে দিতে হয়।
চিত্রচোর,গল্পে যথেষ্ট সাসপেন্স ছিল। ঢেঁকি যেমন স্বর্গে গেলে ধান ভাঙে ঠিক তেমন ব্যোমকেশ অসুস্থ হয়ে বায়ু বদল করতে এলেও রহস্যময় ঘটনা তার পিছু ছাড়ে না। এইগল্পে তো তার সহধর্মিণী, সত্যবতী ও ছিল। কে ছিল না ছিল বাদ!! গল্পটা ভালোছিল,সাসপেন্স ছিল সেহেতু উপভোগ্য। মালতী দেবীর উদ্ভট কান্ড,স্বামীকে নিয়ে অহেতুক সন্দেহ, তার স্বামীর জীবন বিষিয়ে দিয়েছিলো। অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো না।যেমন প্রাচুর্যের লোভ মানুষকে ধ্বংস করে দেয়,ঠিক তেমন অতিরিক্ত নেশাও মানুষের মৃত্যু ডেকে আনে।ব্যোমকেশ সিরিজের চিত্রচোর, এই গল্পটা ভালোভাবে পড়লে এই দিক গুলো বুজতে পারা যায়। পড়তে পারেন,যারা পড়তে চান।আশা করি,ভালো লাগবে।
চিত্রচোর অবলম্বনে তৈরি অঞ্জন দত্তের 'আবার ব্যোমকেশ' আমার দেখা প্রথম ব্যোমকেশ ছবি। বলাই বাহুল্য গল্পটা প্রিয়। আরেকবার পড়ে দিব্যি লাগলো। ব্যোমকেশের অসুখ করা, তার সংসারের দাম্পত্য কলহ, পারফিউম এসেন্স কিনে মানভঞ্জন, সাথে পিকনিক পিকনিক আবহায়া। সব মিলিয়ে বেশ মনোরম।
গল্পের মধ্যে বেশ একটা চড়ুইভাতির (Picnic- মার্কা) মেজাজ রয়েছে। আর ব্যোমকেশ এর যে শরীর খারাপ ও হয় সেইটা জেনে ভাল লাগলো, কারণ সাধারনত বাংলা সাহিত্যের গোয়েন্দাদের super-heroic abilities থাকে, যেটা অল্প হলেও ফেলুদার গল্পে ও দেখতে পাই আমরা। সাংসারিক বিবাদের দিকটা খুবই ঘরোয়া, আর বাদবাকি সব দিক দিয়েও খুবই grounded। ফাল্গুনী পালের জন্য যেন ঠিক কষ্ট হতে হতেও হলো না। আর ‘অর্থমনর্থম’ এর পর এই প্রথম সত্যবতীর চরিত্রটাকে লেখক পুরোপুরি নষ্ট করেননি। খুব আহামরি নয়, তবে পড়তে বেশ মজা লাগে।
তুমি কি কেবল ছবি শুধু পটে লিখা। ওই যে সুদূর নীহারিকা যারা করে আছে ভিড় আকাশের নীড়;
প্রেমিকার ছবির দিকে তাকিয়ে মনের কথা বলে চলেছে প্রেমিক। এমনি ভাবে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন কবিতা। এমনি ছবি দেখে তৈরি হয়েছে কত ভালোবাসার গল্প, নতুন সম্পর্কের সূচনা। ছবি কিন্তু এমন সুন্দর সুন্দর দৃশ্য মনে ভাসবে সকলের।
কিন্তু সব ভালো কিছুর একটা খারাপ দিকও রয়েছে। মাঝে মাঝে এই ছবি কাল হয়ে দাঁড়ায় কারো কারো জীবনে। একটা ছবি যখন কারো জীবন নিয়ে নেয় তখন কিন্তু সেই ছবিটাকে সাধারণ ছবি বলা যায় না। ছবির মাঝে এমন কী রহস্য লুকিয়ে আছে যে কাউকে তার জন্য জীবন দিতে হবে? এবং এই ছবির রহস্য কিন্তু আসলেই ঘনীভূত হচ্ছে।
ছবির গল্প তো অনেক ধরনেরই শুনেছেন, আজকে একটু অন্যরকম ছবির গল্প। হয়তো বা বাকি গল্পগুলোর থেকে একটু আলাদা এর উদ্দেশ্য।
~// কাহিনী সংক্ষেপঃ গল্পটায় কিন্তু ব্যোমকেশের আগমন একদম হঠাৎ করেই। ব্যোমকেশ যে নিজেকে পরিচয় দেয় সবসময় সত্যান্মেষী হিসেবে। বন্ধু অজিত তাঁর সঙ্গী হিসেবে সবসময় ছায়ার মতো সাথে থাকেই। তো ভাবছেন ব্যোমকেশ কীভাবে ছবি রহস্যে ঢুকে গেলো? তাহলে মূল কাহিনী শুরু করা যাক।
ব্যোমকেশের একবার ভীষণ কঠিন অসুখ করলো। সত্যবতী দিনরাত সেবা করে আর অজিত মিলে সে যাত্রায় তাঁকে বাঁচিয়ে তুলতে সক্ষম হয়। ডাক্তার বলেছিলেন হাওয়া বদলের কথা তাই তাঁরা এক সাঁওতাল পাহাড়ী অঞ্চলে ঘুরতে এসেছে। এবং এখানেই এক স্থানীয় প্রফেসর আদিনাথ সোমের বাড়িতে এক তলায় ওরা কামরা ভাড়া নিয়েছে। ব্যোমকেশ বেচারা সত্যবতীর কড়া শাসনে রোজ রোজ ডালিমের রস খেয়ে একদম বিরক্ত!
তারপর অবশেষে ব্যোমকেশের বাইরে যাবার সুযোগ এলো। স্থানীয় প্রভাবশালী মহেন্দ্রবাবুর বাড়িতে নিমন্ত্রন আছে চা-চক্রের। ব্যোমকেশের ডাক্তার, অশ্বিনী ঘটক তিনিও অনুমতি দিয়ে দিয়েছেন।
ব্যোমকেশরা মহেন্দ্র বাবুর বাড়িতে কিন্তু বেশ সাদর অভ্যর্থনা পেয়েছে। ব্যোমকেশের সত্যান্মেষী পরিচয় পেয়ে সবাই বেশ খাতির করলো তাকে। মহেন্দ্র বাবুর মেয়ে রজনী হাসিখুশি, মিষ্টি মেয়ে। অল্প বয়সে বিধবা। মহেন্দ্র বাবু অতিথিদের সাথে ব্যোমকেশের আলাপ করিয়ে দিলেন।
সেখানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। গল্প আলাপে জমে উঠেছে আড্ডা। মহেন্দ্র বাবু তখন কথায় কথায় বললেন তাঁর বাড়িতে চোর এসেছিল গত রাতে। এবং চোর বাড়ির অন্য কোনো দামী আসবাবপত্র না নিয়ে শুধু একটা ছবি নিয়ে গেছে। যেটা পিকনিকে সবাই একসাথে তুলেছেন।
গল্প জমে উঠেছে। হঠাৎ করেই সেখানে উপস্থিত মাতাল চিত্রশিল্পী ফাল্গুনী পাল। সে মহেন্দ্র বাবুর একটা ছবি এঁকে নিয়ে এসেছে। বিনিময়ে টাকা চায় কিছু। মহেন্দ্র বাবু টাকা দিয়ে বিদায় করলেন। ব্যোমকেশ শুনতে শুনতে বেশ কৌতূহলী হয়ে গেলো। এত ধনী ব্যক্তির বাড়ি আর চোর শুধু নিলো একটা ছবি। কিন্তু কেনো?
আদিনাথ সোমের রজনীর প্রতি দুর্বলতা রয়েছে বেশ বোঝা যায়। কিন্তু সেটা কেনো? তিনি তো বিবাহিত। ওদিকে ফাল্গুনী পাল খুন হয়েছে। মহেন্দ্র বাবুর বাগানের ওদিকে একটা ঘরে থাকতো সে। কুয়োর ভেতর থেকে লাশ তোলা হয় দড়ি বেঁধে? কে খুন করলো সামান্য এক মদো মাতাল চিত্রশিল্পীকে?
ব্যোমকেশ ভাবছে, গভীর ভাবনায় ডুবিয়ে দিয়েছে নিজেকে। মহেন্দ্র বাবুর বাড়িতে দেখা করতে গিয়ে বাগানে ব্যোমকেশ দুই নর নারীর অস্তিত্ব অনুভব করলো। ওরা কারা? ছবিরহস্য যে আরো ঘনীভূত। মুখোশের আড়ালে কারা এই চরিত্রগুলো?
*//পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ ব্যোমকেশকে নিয়ে নতুন করে বলার নেই তবে চিত্রচোর নিয়ে বলা যায় যে আমার প্রিয় একটা গল্প। আবারো চিত্রচোর ভালো লাগলো। এবং সবথেকে মজার ব্যাপার এখানে খুব ছোট ছোট টুইস্ট দিয়েছেন লেখক। যা পাঠককে কৌতুহলী করে দেবে।
আপনি কিন্তু নিজেকে অতি বুদ্ধিমান ভেবেও এই গল্পের শেষটা না পড়ে খুনী বাছতে ধরা খেয়ে যেতে পারেন। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এখানেই সার্থক। সাথে ব্যোমকেশ ও সত্যবতীর মিষ্টি খুনসুটি ভালো লাগতে বাধ্য। উপভোগ করেছি। বড় সাইজের বইয়ের মাঝে ভালোই বিনোদন হলো।
বইয়ের নামঃ "চিত্রচোর" লেখকঃ শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪.৪/৫
Byomkesh, Satyabati, and Ajit visited Santhal Pargana on the doctor's recommendation FOR A CHANGE OF WEATHER. They stayed at Professor Som's guesthouse. When people learned that Byomkesh had arrived in Santhal Pargana, many invited him to their homes. Among them was Mahidhar Chowdhury, who invited Byomkesh to his party. Many prominent people were CORALLED at the party. Mahidhar Chowdhury is a wealthy elderly man who lives in a palatial house with his only daughter, Rajani, a young widow. Byomkesh and Ajit learned that a photo had been stolen from Mr. Chowdhury's house. It was a group photo of Mahidhar Babu, his daughter, Professor Arindam Som, his wife Malati Debi, physician Dr. Ashwini Ghatak, administrative Deputy Ushanath Ghosh and his family, and bank manager Amaresh Raha. Byomkesh met everyone at the party. Byomkesh and Ajit learned that there were three copies of this photograph, apart from the negatives. After several BREAK-INS like Nakulesh's studio and Mr. Ghosh's house, with SEEMINGLY little stolen, it was revealed that no copies of the photograph existed. In fact, the negatives couldn't be found at Nakulesh's studio either. Additionally, a remarkably talented artist named Falguni Pal, who had the rare ability to draw accurate resemblances of characters from a single glance, appeared on the premises of the party was murdered. Byomkesh initiated an investigation into the curious disappearance of the photograph from the house. Falguni's death was LIKELY linked to this incident. Byomkesh learned that there was a relationship between Dr. Ghatak and Rajani. Dr. Ghatak was going to Kolkata to marry Rajani, who had gone to her aunt's house. Byomkesh urged Mr. Chowdhury to forgive Rajani for her VENIAL offense. Byomkesh revealed that the bank manager Amaresh Raha had killed Falguni and stolen all the photographs. Byomkesh DEDUCED that the photographs were stolen, CONSIDERING the efforts made to ACQUIRE them and the fact that a murder was involved. WHOEVER was taking the photographs didn't want to be identified in them. If French Cut beards were shaved, people might not recognize Amaresh, so he had done so to hide his appearance. Due to Falguni's remarkable talent, he had to be killed. When Byomkesh and Inspector Pandey tried to stop him from eloping with the stolen money from the bank at the station, Raha shot himself dead.
This entire review has been hidden because of spoilers.
ব্যোমকেশের যেকোনো গল্প পড়তে শুরু করলেই বোঝা যায় "ফেলুদা-ব্যোমকেশ" এভাবে একই নিঃশ্বাসে দুটো নাম নেওয়া কতখানি অযৌক্তিক। শুধু ফেলুদা কেনো, ব্যোমকেশ বাদে বাকি প্রচলিত বাঙালি গোয়েন্দা চরিত্রগুলো সবই সেন্সর্ড, কিশোর উপযোগী, শিশুতোষ। অথচ গোয়েন্দা কাহিনির মূলে রয়েছে অপরাধ। আর সেই অপরাধে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইন্ধন থাকে ষড়রিপুর প্রথমটির। বাঙালি বাবা মাও ছোটবেলায় আর পাঁচটা কিশোর রহস্য বইয়ের সাথে ব্যোমকেশ হাতে তুলে দেন। অথচ প্রাপ্তবয়স্ক না হলে গল্পগুলোর আসল রসাস্বাদন সম্ভব না।
'চিত্রচোর' ব্যোমকেশ কাহিনিগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে চলচিত্রায়নের পর থেকে। সাঁওতাল পরগণায় স্বাস্থ্যোদ্ধারের জন্য গিয়েছে ব্যোমকেশ। সঙ্গে অবশ্যই স্ত্রী সত্যবতী ও কথক অজিত। আপাত শান্ত, ঘটনাবিহীন জনপদও শার্লক হোমস বা ব্যোমকেশ গেলে ঘটনাবহুল হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হলোনা। আপাত নির্বিষ একটা ছবি চুরির আড়ালে কুটিল এক ক্রাইমের ইঙ্গিত। গল্পটা মোটমাট সবাই জানেন তাই আর ও নিয়ে বেশি কথা বাড়াচ্ছি না।
তবে ইদানিং ব্যোমকেশ পড়তে বসলে শরদিন্দুর কিছু সেকেলে ধ্যানধারণা বেশ পীড়া দেয়। সত্যবতীকে উপলক্ষ্য করে ব্যোমকেশের জবানিতে এতবার নারীস্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে গায়ের জ্বালা মিটিয়েছেন লেখক! নারীর সমাজে কী ভূমিকা হওয়া উচিত এ নিয়ে তাঁর যে একটা মাতব্বরি করার প্রবণতা তা তাঁর একাধিক লেখায় ধরা পড়ে। এছাড়া ব্যোমকেশ কাহিনিগুলোতে ইংরেজ শাসনের প্রতি একপ্রকার প্রচ্ছন্ন সমর্থনও প্রকাশ পায়।
এসব সমস্যা অবশ্য সাসপেন্স নির্মাণের গুণে ঢাকা পড়ে যায়। ব্যোমকেশ বাংলা গোয়েন্দার গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড - যেটাকে এত বছরেও কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। ধরতেও পেরেছে কিনা তা প্রশ্নসাপেক্ষ।
আহ! দারুণ! মার্ডার-মিস্ট্রির সুন্দর একখানা গল্প পড়লাম। গল্পের শুরুতেই সবগুলো চরিত্র আনা, চরিত্রগুলোকে ধীরে ধীরে পুনরায় সাক্ষাৎ করা, চরিত্রগুলোর মাঝে সম্পর্ক/দুঃসম্পর্ক স্থাপন করা আর ক্লাইম্যাক্সে অপ্রত্যাশিত কিন্তু গ্রহণযোগ্য পরিণতি টানা - দারুণভাবে সবকিছু সামলেছেন শরদিন্দু। লেখা বেশ ফুরফুরে আর কমেডিক। ব্যোমকেশের চটুল সব উক্তি শুনে বেশ কতক্ষণ হেসেছি, আবার বিচক্ষণতা দেখে বেশ উপভোগ ও করেছি। মূল প্লটের পাশাপাশি সাবপ্লটগুলোর ও সমাপ্তি টেনেছেন শেষে এসে। তবে অজিতে চরিত্রটা বড়ই একমাত্রিক। বর্ধিত করার দরকার ছিলো।
খুনোখুনি ও রহস্যের ছায়ায় মোড়ানো এক চমৎকার কাহিনি পড়া শেষ করলাম। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুচারু নির্মাণশৈলী, তার চরিত্রচিত্রণের নিখুঁত বিন্যাস, এবং গল্প বলার পরিপাটি ভঙ্গিমা পাঠককে ধীরে ধীরে টেনে নিয়ে যায় গভীরতর রহস্যের জালে। গল্পের গতি নিরবচ্ছিন্ন, সংলাপ প্রাণবন্ত এবং আবহ নির্মাণে লেখকের মুন্সিয়ানা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। ক্লাইম্যাক্সে এসে ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে মোড় নেয় তা অবাক করে, কিন্তু বিশ্বাসযোগ্যতা হারায় না। ফুরফুরে লেখনশৈলী, সূক্ষ্ম কৌতুকবোধ আর অন্তর্নিহিত বিচক্ষণতার মেলবন্ধন সব মিলিয়ে এক প্রশান্তিদায়ক পাঠ-অভিজ্ঞতা।
পরীক্ষা দিয়ে সাংঘাতিক ক্লান্তি নিয়ে বাসায় ফিরে রেস্ট নেওয়ার অছিলায় মূলত পড়া শুরু করেছিলাম। তবে শুরু শুরুতে কাহিনী তেমন যেন জমছিলো না। পড়ে বই বন্ধ করে রেখে দি আর পড়া হইছিল না। তার তিন দিন পর হুট করে আবার পড়া শুরু করি আর মজার বিষয় হচ্ছে এবার দিব্যি মজা নিয়ে পড়তে পারছিলাম। সাসপেন্স ছিল, একাধিক ক্যারেক্টারের মাঝে কে দোষী হতে পারে এটা ব্রেন খুটছিলো, তবে শেষটায় এস আবার কেমন জানি... ইন্ডিংটা পানসা পানসা হয়ে গেল। চাইলে কি আরেকটু... যাইহোক।
ব্যোমক্সেশ বক্সী আমার ভীষণ পছন্দের। ব্যোমকেশ সমগ্রের বেশিরভাগই পড়া হয়েছে বেশ আগেই। যতগুলো বই পড়েছিলাম এবং যদ্দুর মনে পড়ে 'চিত্রচোর' আমার পছন্দের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে। ব্যোমক্সেশ পাঠের স্মৃতি এখনো কী দারুণ দগদগে এবং রঙিন হয়ে আছে। ঘোরগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম এক একটা বই।
নতুন জায়গা, পিকনিক পিকনিক ভাব, একগাদা মনে রাখার মতো চরিত্র, আর যাকে সবচেয়ে কম সন্দেহ হচ্ছিল সে-ই অপরাধী। রমরমা রহস্য গল্প।
প্রথমেই সত্যবতীর পুনঃআগমন দেখে মনে ধরে গিয়েছিলো, বুঝেছিলাম "ব্যোমকেশ বক্সী"র গল্প হিসেবে ব্যাপারটা এবার জমবে। হলোও তা-ই। আর বাংলা সাহিত্যের গোয়েন্দারাও যে রক্ত মাংসের মানুষ, তাদেরও যে অসুখ বিসুখে ভুগতে হয় তা দেখে আরো ভাল্লাগলো। দু'জনের দাম্পত্য কলহে অজিতের কমেন্ট্রি আর ব্যোমকেশের সেন্স অফ হিউমার উপভোগ্য ছিলো।
এই দিয়ে বোধহয় ১১তম। যা-ই হোক, ব্যোমকেশ সমগ্ৰে আবার ফিরবো।