Jump to ratings and reviews
Rate this book

ব্যোমকেশ #30

শজারুর কাঁটা

Rate this book
ভুমিকাঃ
এই কাহিনীতে ব্যোমকেশ আছে, রহস্য আছে, খুন জখম আছে, রহস্যভেদ আছে, তবু এটা রহস্য কাহিনী কিনা ঠিক বুঝতে পারছি না। পাঠক পাঠিকা বিচার করবেন।

136 pages, Unknown Binding

First published June 28, 1967

Loading...
Loading...

About the author

Sharadindu Bandyopadhyay

187 books472 followers
Sharadindu Bandyopadhyay (Bengali: শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়; 30 March 1899 – 22 September 1970) was a well-known literary figure of Bengal. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi.
He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.

Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
256 (47%)
4 stars
181 (33%)
3 stars
77 (14%)
2 stars
13 (2%)
1 star
7 (1%)
Displaying 1 - 30 of 43 reviews
Profile Image for Shariful Sadaf.
217 reviews108 followers
March 21, 2021
অনেকদিন পর ব্যোমকেশের পেট মোটা অসাধারণ একটা গল্প ''শজারুর কাঁটা'' শেষ করলাম। গল্পের প্লট যেমন তেমন টানটান উত্তেজনা, বর্ননা ভঙ্গি, ঘটনাপ্রবাহ, চরিত্রায়ন ও বৈচিত্র‍্যতার দিক বিবেচনায় ব্যোমকেশের অন্য উপন্যাসের তুলনায় 'শজারুর কাঁটা' আমার কাছে বেশ এগিয়ে থাকবে।

প্রতিটা সময় ছিল সময় মনে হয়েছিল সবারই খুন করার মোটিভ থাকতে পারে আর মাঝে মনে হয়েছিলো কোন গ্যাং এই সিরিয়াল কিলার। গল্পে খুনি একটি খুন ঢাকার জন্য আরো কয়েকটি খুন করে যাতে আসল খুনের মোটিভ আর ভিক্টিম আড়ালে চলে যায়। খুন করে এক অদ্ভুত উপায়ে শজারুর কাঁটার মাধ্যমে বুকে বিঁধিয়ে। উপন্যাসের প্রেম ভালোবাসা টাও আমার কাছে মধুর লেগেছে। পুরোটা সময় শ্বাসরুদ্ধকর একটা ভাব বজায় ছিলো অনেক উপভোগ করেছি। দুঃখের সাথে বলা যায় অতিসম্প্রতি আর কয়েকটি উপন্যাসের পর শেষ হয়ে যাবে প্রিয় ব্যোমকেশ। :(
Profile Image for সালমান হক.
Author 76 books2,097 followers
March 26, 2017
রহস্যের দিক থেকে না হলেও ঘটনাপ্রবাহ, চরিত্রায়ন আর বৈচিত্র্যতার দিক থেকে ব্যোমকেশের উপন্যাসগুলোর মধ্যে শজারুর কাঁটা ওপরের দিকেই থাকবে। শেষের দিকে এসেও ধার একটুও কমেনি। পুরোটা উপন্যাস জুড়ে শ্বাসরুদ্ধকর একটা ভাব বজায় ছিল। এর চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে?! হিউমরও বেশ।
Profile Image for Shaila Shaznin.
133 reviews15 followers
May 13, 2024
রহস্যের দিক থেকে ব্যোমকেশ বক্সীর অন্যান্য বই এর চাইতে এই বই কিছুটা পিছিয়ে থাকবে।
প্রেম,লোভ,ঈর্ষা,খুন আর খুনের অস্ত্র হলো শজারুর কাঁটা।
Profile Image for Arifur Rahman.
26 reviews2 followers
August 17, 2021
যদিও মূল রহস্য বা যবনিকা মেদহীন তারপরও ব্যোমকেশ বক্সী সিরিজের সেরা গল্প এটি। নিজের ভালোবাসা সফল করতে গিয়ে প্রেমিক যে ভয়ংকর পথ অবলম্বন করেছিল তাতে হয়তো তাদের স্বার্থসিদ্ধি ঘটত কিন্তু ঐ যে সত্যিকার অর্থের ভালোবাসা সেটা এইখানেই ক্ষয় হয়ে যেত। লেখকের রচনার ভাবভঙ্গি বা শব্দচয়ন এতই নিপুন পাঠক মনস্পর্শী যে পাঠক শরদিন্দুবাবুর লেখায় তলিয়ে যেতে কখনো কুন্ঠিত হবে না। তবে ভাই< অজিতবাবুকে খুব মিস করছি '
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
336 reviews32 followers
August 29, 2026
শহর কলকাতায় একের পর এক খু*ন হচ্ছে। প্রথম শিকার একজন ভিখারি। এরপর একে একে খু*ন হতে থাকে আরো দুই তিনজন। খু*নির খু"ন করার পদ্ধতি খুবই অদ্ভুত। হৃদপিন্ডে শজারুর কাঁটা ফুটিয়ে সে খু*ন করে যাচ্ছে। এবং আপাতদৃষ্টিতে কোনো সিরিয়াল কিলারের কাজ বলেই পুলিশের ধারনা। তবে রহস্যের জট খুলতে না পেরে ইন্সপেক্টর রাখালবাবু শেষে ব্যোমকেশের শরনাপন্ন হন। ওদিকে কাহিনীর আরেকদিকে দীপা ও দেবাশীষের বিবাহিত জীবন বেশ অসুখী। দীপা ভালোবাসতো আরেকটি ছেলেকে এবং তার সাথে পালিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু সে পরিবারের কাছে ধরা পড়ে যায় এবং দেবাশীষের সাথে জোর করে তাকে বিয়ে দেয়া হয়। শজারুর কাঁটার খু*নির হামলার শিকার হয় দেবাশীষ এবং হাসপাতালে ব্যোমকেশের সাথে পরিচয় হয় স্ত্রী দীপার সাথে। এগিয়ে চলে কাহিনী। এবং ব্যোমকেশ একের পর এক অনুসন্ধান চালাতে থাকে এবং একসময় খুনের সাথে সাথে দীপার নাম ও এসে যায়। দীপার সাথে খু*নের কি সম্পর্ক আছে? খু*নির খু*নের উদ্দেশ্যই বা কি? কিংবা দেবাশীষের উপরে কেনো হামলা হয়েছিল? একের পর এক খু*ন করার জন্য খু*নি শজারুর কাঁটা কোথায় পেলো? এরকম নানান প্রশ্নের সাথে নাটকীয় ঘটনার বর্ণনায় একসময় ধরা পড়ে শজারুর কাঁটার খু*নি।

থ্রিলার জনরায় গোয়েন্দা উপন্যাস পড়ার একটা আলাদা আনন্দ আছে। অপরাধ ঘটবে, কিছু অদ্ভুত সূত্র সামনে আসবে, সন্দেহের তালিকায় একে একে অনেকের নাম উঠবে‌ আর পাঠক গোয়েন্দার সঙ্গে সঙ্গে নিজের মস্তিষ্কও খাটাতে থাকবে। কিন্তু সব গোয়েন্দা গল্পের রহস্য একরকম নয়। কোনো রহস্য যেখানে শুধুই অপরাধীকে খুঁজে বের করার খেলা, সেখানে কোনো কোনো গল্প মানুষের মন, সম্পর্ক, ভালোবাসা আর প্রতিহিংসার গভীরতাকেও সামনে নিয়ে আসে। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শজারুর কাঁটা’ আমার কাছে ঠিক তেমনই একটি গোয়েন্দা কাহিনি।

কাহিনির শুরুতেই এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা পাঠকের কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। একের পর এক রহস্যময় হ*ত্যাকাণ্ড, আর সেই হ*ত্যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি অদ্ভুত অস্ত্র শজারুর কাঁটা। একটি কাঁটা কীভাবে হ*ত্যার অস্ত্র হতে পারে, কেনই বা হ*ত্যাকারী এমন অস্বাভাবিক পদ্ধতি বেছে নিয়েছে এই প্রশ্নগুলোই ধীরে ধীরে রহস্যের জাল তৈরি করে।

ব্যোমকেশের কাছে অবশ্য রহস্য মানেই শুধু ধাঁধা নয়। সে অপরাধের পেছনে থাকা মানুষের মনটাকেও বুঝতে চায়। আর এখানেই শরদিন্দুর ব্যোমকেশ অন্য অনেক গোয়েন্দা চরিত্রের থেকে আলাদা। সে শুধু প্রমাণ খোঁজে না। মানুষের আচরণ, কথাবার্তা, অতীত, সম্পর্ক সবকিছুকে একসঙ্গে বিচার করে।

এই কাহিনিতে অজিতের উপস্থিতিও বেশ উপভোগ্য।ব্যোমকেশের তীক্ষ্ণ যুক্তি ও বিশ্লেষণের পাশে অজিতের সহজ-সরল দৃষ্টিভঙ্গি গল্পটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। ‘শজারুর কাঁটা’র সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়গুলোর একটি হলো এর অস্বাভাবিক হ*ত্যাপদ্ধতি। সাধারণ অ*স্ত্রের বদলে শজারুর কাঁটাকে ঘিরে তৈরি হওয়া রহস্য কাহিনিকে শুরু থেকেই আলাদা করে দেয়। হ*ত্যার ধরন যত অদ্ভুত, রহস্যের সমাধান তত কঠিন। কিন্তু ব্যোমকেশের কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই। ছোট্ট একটি সূত্রও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে লেখকের বর্ণনাভঙ্গি ও পরিবেশ নির্মাণ। কোথাও অযথা বর্ণনা দীর্ঘ করে কাহিনীতে জড়তা তৈরি করার চেষ্টা নেই। বরং ধীরে ধীরে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। পাঠককে সবকিছু একসঙ্গে জানিয়ে না দিয়ে লেখক প্রয়োজনমতো তথ্য দিয়েছেন। ফলে পড়তে পড়তে বারবার মনে হয়েছে আসল রহস্যটা তাহলে কোথায়?

আর এখানেই শরদিন্দুর লেখার সৌন্দর্য। তিনি পাঠককে বোকা বানানোর জন্য রহস্য তৈরি করেন না বরং পাঠককে সঙ্গে নিয়ে রহস্যের পথ হাঁটেন। কিছু সূত্র চোখের সামনে রেখেও এমনভাবে সাজিয়ে দেন যে সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব আমরা অনেক সময় বুঝতে পারি না। ব্যোমকেশ যখন সেই সূত্রগুলো একে একে জুড়ে দেয়, তখন মনে হয় আরে, এতক্ষণ তো সবই চোখের সামনে ছিল!

‘শজারুর কাঁটা’ পড়তে পড়তে আরেকটি বিষয় বারবার মনে হয়েছে মানুষকে বাইরে থেকে যতটা সহজ মনে হয়, ভেতরে সে ততটা সহজ নয়। হাসিমুখের আড়ালে জমে থাকতে পারে অভিমান, ভালোবাসার আড়ালে থাকতে পারে অধিকারবোধ, আর পুরোনো কোনো ঘটনার স্মৃতি একসময় প্রতিশোধের আগুনও জ্বালিয়ে দিতে পারে। এই মনস্তাত্ত্বিক দিকটি গল্পটিকে নিছক গোয়েন্দা কাহিনির সীমা ছাড়িয়ে নিয়ে গেছে।

‘শজারুর কাঁটা’ আমার কাছে ব্যোমকেশ সিরিজের এমন একটি কাহিনি, যেখানে রহস্যের পাশাপাশি মানুষের আবেগ ও মনস্তত্ত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ। হ*ত্যার রহস্য যেমন পাঠককে আটকে রাখে, তেমনি চরিত্রগুলোর সম্পর্ক ও অতীত গল্পটিকে আরও গভীর করে তোলে।

🌱 বইয়ের নাম: "শজারুর কাঁটা"
🌱লেখক: শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
Profile Image for Omar Faruk.
289 reviews21 followers
March 6, 2023
দা'য়ের চেয়ে দা'য়ের হাতল বড় হয়ে গেলো। মূল গল্পের চেয়ে ভনিতাটা বেশি হয়ে গেলো। একটা রোমান্টিক অথবা বেদনাবিধুর গল্প পড়লাম মনে হচ্ছে। শেষ দিকে ব্যোমকেশ-এর পদার্পণ, তবুও কাহিনী ঠিক জমতে গিয়েও জমলো না।
Profile Image for Zabir Rafy.
329 reviews18 followers
January 15, 2025
ব্যোমকেশ সমগ্রের সবচাইতে হার্ট টাচিং আর থ্রিলিং গল্প সম্ভবত এটাই৷ পড়েছিলাম মধ্যরাতে, ক্লাস সেভেনে চুরি করে। পড়ার সময়ে একটা গা ছমছমে অনুভূতি হয়েছিল৷ আহা! কোনো বই পড়ে আর এরকম অনুভূতি পাই না কেন?
Profile Image for অনিরুদ্ধ.
143 reviews21 followers
December 1, 2020
অসাধারাণ বলা হলে কম হয়ে যাবে বৈকি! কাহিনী বর্ণনা থেকে ঘটনাপ্রবাহ, পুরো বই জুড়েই ছিল মেদহীন রহস্য! পড়তে যেয়ে মনে হয়, এখুনি শজারুর কাঁটা বিঁধে গেলো বলে!
Profile Image for Zaima Hamid Zoa .
64 reviews63 followers
January 8, 2021
শজারুর কাঁটা আমার ব্যোমকেশ বক্সীর সবচাইতে প্রিয় গল্প।এর কয়েকটা কারণ রয়েছে। এক এক করে বলছি। প্রথমত, পুরোটা সময় জুড়ে একটা টানটান উত্তেজনা কাজ করে। পুরোটা সময় আপনার একবার যদি মনে হয়ে থাকে একজন অপরাধী, তবে পরমুহূর্তে মনে হবে না না এ না, হয়ত অন্য আরেকজন আমাদের অপরাধী। তবে আসল অপরাধী যে কে সেটা একদম শেষে এসে বোঝা যায়। দ্বিতীয়ত, ব্যোমকেশ বক্সীর প্রথম গল্প সত্যান্বেষী লেখা হয়েছিল ১৯৩০ সালে। অর্থাৎ প্রায় একশ বছর আগে। সেই সময় মেয়েদের যে আসলে তেমন সম্মানের চোখে দেখা হত না সেই হেয় মনভাবাপন্নতার প্রমাণ ব্যোমকেশের বিভিন্ন গল্পে বিভিন্ন চরিত্র তো বটেই, এমনটি অজিৎ-ব্যোমকেশের জবানীতেও পাওয়া যেত। ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটিতেই এই বৈষম্যগুলো কম দেখা যায়। তৃতীয়ত, এই প্রথম কোন বাংলা বইয়ে আমি উপক্রম, কাহিনী, অনুক্রম অর্থাৎ, Prologue, Main Story, Epilogue এই বিভাজনগুলো দেখতে পাই।

আপনি যদি ব্যোমকেশ বক্সীর ভক্ত হোন, কিংবা না ও হোন, এই বইটি আপনার নিঃসন্দেহে ভালো লাগবে।
Profile Image for Towkir Ahmmed Rigan.
109 reviews19 followers
June 29, 2016
এক কথায় অসাধারণ! ব্যোমকেশ বক্সী গোয়েন্দা কাহিনী সিরিজের সেরা উপন্যাসগুলোর একটা (প্রথম ৫টার মধ্যে থাকবে)
যারা গোয়ান্দা উপন্যাস পছন্দ করে তাদের জন্য রিকমেন্ড করছি! যারা পছন্দ করে না তাদের জন্যও রিকমেন্ড করছি! পড়ে দেখতে পারেন আশা করি খারাপ লাগবে না!
Profile Image for Musharrat Zahin.
464 reviews563 followers
January 12, 2021
ব্যোমকেশের সেরা ৫ গল্পের নাম বললে নিঃসন্দেহে সেগুলোর একটা হবে 'শঁজারুর কাঁটা'। টানটান উত্তেজনা, ভরপুর রহস্য, প্রত্যেকেরই রয়েছে খুন করার উদ্দেশ্য- গোয়েন্দাকাহিনী তো এমনই হওয়া উচিত৷ পড়া শেষে একটা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুললাম।
Profile Image for Sukarna Majumder.
37 reviews11 followers
August 18, 2025
মূল হোতা কে, তা আন্দাজ করা গিয়েছিল মাঝপথেই। তবে কাহিনির বিন্যাস মন্দ নয়।
Profile Image for Yeasmin Nargis.
305 reviews10 followers
December 4, 2025
কলকাতায় তখন এক ধারাবাহিক খুনের আতঙ্ক। শিকারের শরীরে পাওয়া যায় শজারুর কাঁটার মতো তীক্ষ্ণ বস্তু, যা দেখে অনুমান করার চেষ্টা করা হয় খুনির উদ্দেশ্য আসলে কী হতে পারে?
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে রহস্যের জাল এমনভাবে বুনেছেন যে, শেষ পর্যন্ত পাঠককে একাধিক সম্ভাব্য অপরাধীর দিকে চালিত হতে হয়।
কাহিনিটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর মনস্তাত্ত্বিক দিক। এতে উঠে এসেছে চাপা হিংসা, ঈর্ষা এবং ব্যক্তিগত প্রতিশোধের মতো গভীর অনুভূতিগুলো, যা মানুষকে জঘন্য অপরাধ করতে বাধ্য করে।
Profile Image for Md. Shahedul Islam  Shawn.
245 reviews6 followers
October 25, 2025
হাজার হোক মেয়েমানুষের বুদ্ধি; বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছেন, "কখনো অর্ধেক বৈ পুরা দেখিলাম না"
-
Profile Image for Milkan Shahed.
10 reviews1 follower
August 17, 2024
বেশ সাসপেন্সের। শেষটা সুন্দর ও আন্তরিক। তাই সম্পূর্ণটাই খুন ভালো লেগেছে
Profile Image for Anjum Haz.
301 reviews73 followers
September 12, 2020
দারুণ! বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ এতদিনে প্রথম পড়া হলো। ক্লাসিক লেখা, আর বেশ ছিমছাম। বেশ অনেকদিন পর গোয়েন্দা গল্পগুলো নেড়েচেড়ে দেখছিলাম মির্চি বাংলার "সানডে সাসপেন্স" এ। তাসনিম আপুর কথায় ভাবলাম, ব্যোমকেশ টা যেহেতু পড়া হয়নি— এখানেই শুনে ফেলি। "শজারুর কাঁটা" দিয়ে প্রথম পরিচয়টা হলো। মীরের পারদর্শী কণ্ঠে দারুন ভাবে প্রাণ পেয়েছে ডিটেকটিভ ব্যোমকেশ।

সামনে ব্যোমকেশ সিরিজের আরো অনেকগুলো রহস্য উদঘাটনের পালা থাকলো!
Profile Image for Ummea Salma.
127 reviews129 followers
April 26, 2020
"তোমার চোখের বিজলী-উজল আলোকে‌,
পরাণে আমার ঝঞ্ঝার মেঘ ঝলকে"
Profile Image for Kishore.
126 reviews
June 12, 2026
**গল্পের নাম:** সজারুর কাঁটা (শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়)
**রূপান্তর:** সানডে সাসপেন্স (অডিও নাট্যরূপ)

ভবিষ্যতে মনে রাখার সুবিধার্থে নিচে গল্পের মূল সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হলো:

### ১. কলকাতায় রহস্যময় হত্যাকাণ্ড

কলকাতা শহরে এক বিচিত্র ও নারকীয় হত্যাকাণ্ড শুরু হয়. আততায়ী শিকারের পিঠের দিক থেকে হৃদপিণ্ড লক্ষ্য করে একটি ছ'ইঞ্চি লম্বা শক্ত **সজারুর কাঁটা** গেঁথে দিয়ে খুন করছিল. প্রথম শিকার হয় ফাগুরাম নামে এক বুড়ো বিকলাঙ্গ ভিখারি. এর কিছুদিন পর রবীন্দ্র সরোবর এলাকায় মঙ্গলরাম নামে এক মজুর এবং পরবর্তীতে গুণময় দাস নামের এক দোকানদার একইভাবে খুন হয়. পরপর এই একই মারণাস্ত্র ব্যবহারে পুলিশ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং খবরের কাগজে এই নিয়ে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়. সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সী এই বিচিত্র অস্ত্রের ব্যবহার দেখে প্রথম থেকেই কেসটির প্রতি আকৃষ্ট হয়.

### ২. দীপার পারিবারিক পটভূমি ও গোপন প্রেম

গল্পের সমান্তরালে দেখা যায় দক্ষিণ কলকাতার এক বনেদি, প্রাচীনপন্থী ও রক্ষণশীল মুখুজ্জে পরিবারের একমাত্র মেয়ে দীপা. তার ঠাকুরদা উদয়মাধব পঙ্গু এবং অত্যন্ত দাপুটে স্বভাবের. দীপার বাবা নীলমাধব ও দাদা বিজয়মাধব দুজনেই কলেজে অধ্যাপনা করেন. এই কঠোর শাসনের মধ্যেও দীপা গোপনে এক যুবকের প্রেমে পড়ে, যার সাথে সে রোজ দুপুরে টেলিফোনে কথা বলে এবং সন্ধ্যায় জানলা দিয়ে তাকে দেখে. প্রেমিক অন্য জাতের হওয়ায় ঠাকুরদা ও পরিবার এই বিয়েতে তীব্র আপত্তি জানায় এবং দীপাকে বাড়িতে নজরবন্দী করে ফেলা হয়. একদিন দীপা সেই প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার দাদা বিজয় তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে.

### ৩. দেবাশিষের সাথে বাধ্যতামূলক বিয়ে ও অভিনয়

লজ্জা ও কেলেঙ্কারির ভয়ে পরিবার দীপার জন্য তড়িঘড়ি পাত্র খুঁজতে শুরু করে. পাড়ার ধনী ও উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি নৃপতি লাহার সাহায্যে দেবাশিষ ভট্ট নামের এক সৎ, সুদর্শন এবং ধনী যুবকের সন্ধান মেলে, যে 'প্রজাপতি প্রসাধন' নামক কারখানার মালিক. দেবাশিষের পরিবারে কেউ না থাকায় সে একা থাকে. দীপার অমতেই দেবাশিষের সাথে তার বিয়ে দেওয়া হয়.
বিয়ের পর ফুলশয্যার রাতেই দীপা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে সে অন্য একজনকে ভালোবাসে এবং তার শরীর ও মন অন্য কারোর. সহনশীল ও ভদ্র দেবাশিষ দীপাকে কোনো জোর না করে আলাদা ঘরে থাকার ব্যবস্থা করে. তবে বাড়ির পুরোনো বিশ্বস্ত চাকর নকুলের সামনে তারা স্বামী-স্ত্রীর এক নিখুঁত লোকদেখানো অভিনয় বজায় রাখে, যাতে সে কিছু সন্দেহ না করে. ধীরে ধীরে দেবাশিষ দীপাকে ভালোবেসে ফেললেও দীপার চাপা মনের কারণে তাদের দূরত্ব মেটেনি.

### ৪. সন্দেহ ও আড্ডার সদস্যরা

নৃপতি লাহার বাড়িতে রোজ সন্ধ্যায় একটি আড্ডা বসত. সেখানে আসত—

* **বিজয় মাধব:** দীপার দাদা.
* **কপিল বোস:** বড়লোক, তারামণ্ডলী নিয়ে মেতে থাকা এবং বিয়েতে অনিচ্ছুক এক যুবক.
* **প্রবাল গুপ্ত:** একজন জনপ্রিয় ও নামজাদা গায়ক, যার স্ত্রী কিছুদিন আগে হার্টের রোগে মারা গেছে. প্রবাল স্বভাবগতভাবেই দেবাশিষকে ঈর্ষা করত.
* **সুজন মিত্র:** একজন নামকরা অভিনেতা.
* **খড়্গ বাহাদুর: Footballer

এক সন্ধ্যায় দেবাশিষ তার আড্ডার বন্ধুদের নিজের বাড়িতে চায়ের নেমন্তন্ন করে. দীপা যখন খাবারের ট্রে নিয়ে ঘরে ঢোকে, তখন আড্ডার সদস্যদের দেখে তার মুখ শুকিয়ে যায় এবং সে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে. কারণ, দীপার সেই গোপন প্রেমিক ছিল এই আড্ডারই একজন সদস্য!

### ৫. দেবাশিষের ওপর আক্রমণ ও ব্যোমকেশের তদন্ত
রাতে খর্গবাহাদুর ফোনে দেবাশিষকে বলল রবীন্দ্র সরোবরের কাছে দেখা করতে। দেবাশিষ গেল। অন্ধকারে গাছের আড়াল থেকে কেউ পিঠের দিক থেকে সজারুর কাঁটা বিঁধিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল। সে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়. কিন্তু চিকিৎসক সেন একবার পরীক্ষা করতে গিয়ে আবিষ্কার করেছিলেন — দেবাশিষের হৃদপিণ্ড বুকের ডান দিকে। এই বিরল শারীরিক গঠনের কারণে সজারুর কাঁটা বাঁ দিক থেকে বিঁধলেও হৃদপিণ্ড বিদ্ধ হল না। দেবাশিষ বেঁচে গেল।
একদিন রাতে বাড়ি ফেরার পথে দেবাশিষের ওপরও সজারুর কাঁটা নিয়ে আক্রমণ হয়. এই ঘটনার পর দীপার মনের ভুল ভেঙে যায়; সে বুঝতে পারে সে মনে মনে আসলে দেবাশিষকেই ভালোবাসতে শুরু করেছে. সে হাসপাতালে দেবাশিষের সেবা করতে শুরু করে.

কেসটির তদন্তে নেমে ব্যোমকেশ বক্সী দীপার বাপের বাড়ি থেকে তার অটোগ্রাফের খাতাটি উদ্ধার করে এবং হাতের লেখা ও মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করে আসল অপরাধীকে চিনে ফেলে. ব্যোমকেশ বুঝতে পারে, খুনি কোনো উন্মাদ নয়, বরং সে অত্যন্ত চতুর এবং নিজের আসল টার্গেট (দেবাশিষ)-কে মারার আগে পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে অন্য সাধারণ মানুষদের সজারুর কাঁটা দিয়ে খুন করে একটি 'সিরিয়াল কিলিং'-এর আবহ তৈরি করছিল.

### ৬. আসল খুনি ও তার উদ্দেশ্য (ক্লাইম্যাক্স)

তদন্ত শেষে জানা যায় আসল খুনি হলো গায়ক **প্রবাল গুপ্ত**.

* **উদ্দেশ্য:** প্রবালই ছিল দীপার সেই গোপন প্রেমিক. দীপার বিয়ে দেবাশিষের সাথে হয়ে যাওয়ার পর প্রবালের মনে তীব্র হিংসা ও প্রতিশোধের আগুন জ্বলে ওঠে. সে পরিকল্পনা করে যে দেবাশিষকে খুন করে সে দীপাকে (যে তখন বিধবা ও বাপের বাড়ির শাসনমুক্ত হবে) বিয়ে করবে. এতে সে একই সাথে দীপা এবং দেবাশিষের বিপুল সম্পত্তি—অর্থাৎ "রাজকন্যে এবং রাজত্ব" দুই-ই পেয়ে যাবে.
* **ধরা পড়া:** ব্যোমকেশ নিজে একটি স্টিলের তৈরি সুরক্ষিত ফতুয়া (বর্ম) পরে প্রবালকে ফাঁদে ফেলে এবং পুলিশের সাহায্যে তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে.

**উপসংহার:** প্রবাল গ্রেফতার হওয়ার পর সমস্ত রহস্যের অবসান ঘটে এবং দীপা ও দেবাশিষের ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়ে তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয়.
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Alamgir Baidya.
236 reviews7 followers
May 9, 2021
খুবই সম্ভাবনাময় একটা ব্যোমকেশ কাহিনী। গড়পড়তা ব্যোমকেশ কাহিনীর থেকে অনেকগুলো আঙ্গিকে স্বতন্ত্র। অজিতের বয়ানে নয়, তৃতীয় পুরুষে লেখা। ফ্ল্যাশব্যাক, জাম্পকাট ইত্যাদি চেষ্টা করা হয়েছে। সিরিয়াল কিলিংয়ের আভাস পেয়ে ক্রাইম গল্প প্রিয় পাঠকের মন প্রথমে আনন্দে নেচে উঠতে পারে। পরে অবশ্য বোঝা যাবে সে গুড়ে বালি।

ছোটবেলায় যখন এসব পড়তাম তখন গোয়েন্দা গল্পকে গোয়েন্দা গল্প হিসাবেই পড়েছি। সামাজিক ও রাজনৈতিক বোধ অত কম বয়সে তৈরী হয়না। বড় হলে বোঝা যায় সব গল্পেরই নিজের রাজনীতি আছে। সে ঠাকুরমার ঝুলিই হোক বা হাজার চুরাশির মা। শরদিন্দু এবং তারাশঙ্কর দুজনেই বাংলা সাহিত্যের নক্ষত্র। কিন্তু তাঁদের লেখায় জাতপাত, জমিদারি ব্যবস্থা, ধর্মীয় পৃথকীকরণের পক্ষে এবং নারী স্বাধীনতার বিপক্ষে যে জোরালো সওয়াল করা হয়েছে - তা এখন বুঝতে পারি। বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। গল্পটা পড়লেই বুঝতে পারবেন কেন বললাম।

আবার বলছি সাহিত্যগুণে ব্যোমকেশ বাংলায় লেখা শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা চরিত্র এবং যত কলমচি বাংলা ভাষায় কলম ধরেছেন শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়ের স্থান তাঁদের মধ্যে এক্কেবারে প্রথম সারিতে।
Profile Image for Shova Rani.
4 reviews
May 8, 2026
আমার পড়া ব্যোমকেশের প্রথম বই। সম্পর্কের ছোট খাটো সূক্ষ্ণ সুন্দর বিষয় থেকে ঘৃণ্যতম দিক সবটাই সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। এটাও ফুটে উঠেছে প্রকৃত ভালোবাসা বরাবরই মানুষকে মহান করে। প্রথমে প্রবালের স্ত্রী জন্মগত হার্টের রোগে জন্মানোয় মনে হয়েছিলো, সবাইকে হার্টে ক্ষত তৈরি করে কষ্ট দিয়ে মারাই তার মোটিভ। কিন্তু পরে যদিও এই পদ্ধতির পিছনের কারণ নিয়ে লেখক তেমন কিছু বলেননি। কিন্তু খুনি ৫ম বার স্বয়ং ব্যোমকেশকে টার্গেট করাটা অদ্ভুত লেগেছে। অন্য কাউকে টার্গেট করলে আরেকটু চাতুর্যের পরিচয় পাওয়া যেত।
Profile Image for A. Rahman Bishal.
312 reviews15 followers
August 22, 2026
এইটা একটু বিলিতি ঢঙে লেখা।
বেশিরভাগটাই রোমান্টিক-রোমান্টিক ভাব, পরতে-পরতে একটু সাসপেন্স মোড়ানো, আর শেষটুকু যথারীতি ব্যোমকেশময়। একবার মনে হলো খানিকটা জোর করে রহস্যটা আটকে রাখা হয়েছে; শরদ বাবু যেন নিজেই ব্যোমকেশের মতো কুলুপ এটেছেন মুখে।
শেষদিকে ক্রমাগত মান পড়তে থাকা ব্যোমকেশ কাহিনীর মাঝে এইটে একটু হলেও তাজা হাওয়া।
Profile Image for Masfiq Reza.
137 reviews3 followers
March 24, 2020
Lee Child এর Jack reacher সিরিজের উপন্যাস one child এর সাথে এই উপন্যাসের মৌলিক মিল আছে। খুনি একটি খুন ঢাকার জন্য আরো কয়েকটি খুন করে যাতে আসল খুনের মোটিভ আর ভিক্টিম ঢাকা পরে যায়। তার সাথে 50% প্রেম ভালোবাসা মিলিয়ে উপন্যাসটি অসাধারন হয়ে গিয়েছে।
Profile Image for Koushik Ahammed.
150 reviews12 followers
April 26, 2020
এমন মেঘলা দিনে কাঁথা মুড়ি দিয়ে বই পড়ার জন্য বই খুঁজতে হলে এমন বইই প্রথম পছন্দ হবে!

বোমক্যাশ এখানেও দারুণ। আর শজারুর কাটা দিয়ে সত্যি মানুষ মরে কি না জানি না। তবে ভাবতে গিয়েই আতঙ্কে চোখ বন্ধ হয়ে আসছিল 😁।
Profile Image for Amjad Hossain.
197 reviews1 follower
February 13, 2021
"তোমার চোখের বিজলী-উজল আলোকে‌,
পরাণে আমার ঝঞ্ঝার মেঘ ঝলকে"

শুরু এবং শেষ টা চমকপ্রদ লেগেছে । মধ্যখানে রস যেন একটু হারিয়ে গেছিলো।।চরিত্র বর্ণনা টা কেমন যেন রসহীন লাগলো তারপরেও গল্পের সাথে খাপ খেয়েছে... লেখক রহস্য টা কে জমিয়ে তোলার জন্যই এমন করেছেন হয়তো...।
অভার অল ভালো লেগেছে।
Profile Image for আহসানুল শোভন.
Author 39 books93 followers
January 2, 2022
বেশ কয়েকটি আধমরা ব্যোমকেশের গল্প পড়ার পর খোঁজ পাওয়া গেলো ব্যোমকেশের আরেকটি চমকপ্রদ গল্পের। শজারুর কাঁটা দিয়ে কে মানুষ খুন করছিলো, অনেক চেষ্টা করেও সফলভাবে অনুমান করতে পারিনি। রহস্য-রোমাঞ্চের সঙ্গে এবার খানিকটা রোমান্টিকতা মিলিয়ে গল্পটা পড়তে বেশ ভালো লেগেছে।
Profile Image for IShowVelocity.
9 reviews
June 26, 2024
পুরো গল্পটিতে ব্যোমকেশ যেন একটি উপলক্ষ্য ছিল মাত্র। সত্যান্বেষণের চেয়ে বেশি প্রেমের উপাখ্যান স্থান পেয়েছে এখানে। মন্দ হয়নি, বরং ভালই লাগলো। মনকে উৎফুল্ল করাই যদি হয় গল্পের মূলমন্ত্র, তবে ডিটেকটভিটির বইয়ে প্রেমকাহন স্থান পেলেও মাঝে মাঝে মন্দ হয় না...
Displaying 1 - 30 of 43 reviews