Jump to ratings and reviews
Rate this book

এখন তখন মানিক রতন

Rate this book
মানিক হচ্ছে একজন কবি আর রতন হচ্ছে একজন বিজ্ঞানী, দুইজনের কাজকর্ম একেবারে আলাদা আলাদা জায়গায়। তাদের কখনো দেখা হওয়ার কথা না। মানিক যখন পুরানো বইয়ের দোকানে উইয়ে খাওয়া বই ঘেঁটে বেড়ায় রতন তখন পুরানো ঢাকার ধোলাইখালে ভাঙ্গা যন্ত্রপাতি টানাটানি করে। বৃষ্টির দিনে মানিক যখন বিছানায় আধশোয়া হয়ে ঢুলুঢুলু চোখে কবিতা পড়ে রতন সেই সময় তার ল্যাবরেটরিতে কোনো একটা বিদঘুটে যন্ত্রের উপর উবু হয়ে বসে থাকে। গভীর রাতে মানিক যখন নিউজপ্রিন্ট এর কাগজে বলপয়েন্ট কলম ঘষে ঘষে উত্তর-আধুনিক কবিতা লেখার চেষ্টা করে রতন তখন কম্পিউটার এর সামনে বসে জটিল কোনো যন্ত্রের ডিজাইন করে -- কাজেই তাদের দুইজনের দেখা হওয়ার কোনো সুযোগই ছিল না। তারপরেও মানিক আর রতনের দেখা হয়ে গেল -- আর যেভাবে দেখা হলো সেটা রীতিমত একটা কাহিনী।

120 pages, Hardcover

First published February 1, 2014

6 people are currently reading
156 people want to read

About the author

Muhammed Zafar Iqbal

402 books1,608 followers
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (Bengali)

Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.

Birth and Family Background:
Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.

Education:
Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.

Personal Life:
Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.

Academic Career:
After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.

Literary career:
Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.

Other Activities and Awards:
Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
107 (16%)
4 stars
176 (27%)
3 stars
237 (36%)
2 stars
102 (15%)
1 star
24 (3%)
Displaying 1 - 30 of 38 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,114 reviews1,091 followers
April 11, 2019
স্যারের বেশীরভাগ বই কিশোর উপন্যাস এবং সাইন্স ফিকশনের হলেও এই বইটা একটু ব্যাতিক্রমধর্মী ছিলো। দুই প্রান্তের দুই রকম চিন্তাধারার মানুষ গুলোর যুক্তি গুলো পড়ছিলাম আর হাসছিলাম একভাবে। অনেক চমকপ্রদ ছিলো বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।

মানিক আর রতন দুজনেই দুধরনের লোক।মানিক হচ্ছে কবি আর রতন হচ্ছে বিজ্ঞানী।দুজনের প্রথম দেখা হয় মানিকের বাস নষ্ট হয়ে যাওয়াই,রতনের কুংফু গাড়িতে ওঠতে হয়।একসময় বাবা গো মা মাগো বলে গাড়ি থামাতে হয় মানিককে।তারপর পুলিশদের সাথে কুংফু করে রতনের কুংফু গাড়ি। আরও মজার মজার যন্ত্র তৈরি করে রতন।যেমন মানিকের ঘুম ভাঙানোর জন্য লাফাতে পারা এলার্ম ঘড়ি! নাটবল্টু বা সফদর আলি কিংবা সায়রা বা অনিক লুম্বার মতোই চমৎকার একটা বই।
Profile Image for Muhammad .
152 reviews12 followers
May 3, 2016


ওপরের ছবিটি আমি ‘ব্যাজ’ হিসেবে আমার কাঁধে ঝোলানো ব্যাগে নিয়মিত ধারণ করি! নিজেকে সংজ্ঞায়িত করে এমন কোন একটি ছবি ব্যাজ বানিয়ে ব্যাগে বা শার্টে গুঁজে ঘোরার সংস্কৃতিটা মূলত আমেরিকান তরুণ সমাজে প্রচলিত, বিশ্বায়নের যুগে যা আমাদের এখানেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কেউ ব্যাজে তার প্রিয় ফুটবল দলের প্রতীক ব্যবহার করেন। কারো ব্যাজে লেখা থাকে ‘FBI’ কিংবা ‘No Fear’। কেউ বা আবার ‘so many girls, not so much time’ জাতীয় প্রেজেন্ট ইন্ডেফিনিট টেন্সের চিরন্তন সত্যের যথার্থ উদাহরণস্বরূপ বাক্যগুলোকে ব্যাজে লেখেন। মোট কথা, ব্যাজের মাধ্যমে ধারণকারী ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কিছু বাহ্যিক ধারণা চারপাশের মানুষদের আগেই দিয়ে দিতে পারেন। গুগল ইমেজ ঘেঁটে যে ব্যাজটি আমি বানিয়েছি, সেটি একটি মস্তিষ্কের ছবি, যার বাম-অর্ধটিতে আছে বৈদ্যুতিক সার্কিট আর ডান-অর্ধটি রঙিন আল্পনাময়। এই ছবিটি আসলে মনস্তত্ত্বের লেফট ব্রেইন-রাইট ব্রেইন থিওরীর প্রতিফলন। এই থিওরী মতে আমাদের মস্তিষ্ক যুক্তি নির্ভর কাজগুলো (যেমনঃ ভাষা, গণিত, সিদ্ধান্ত) সম্পাদন করে তার বাম-অর্ধ দিয়ে আর সৃষ্টিশীল কাজগুলো (যেমনঃ ছবি আঁকা, সংগীত রচনা, সাহিত্যসাধনা ইত্যাদি) নিয়ন্ত্রণ করে ডান-অর্ধ দিয়ে। অবশ্যই এই থিওরীর অর্থ এটাই নয় যে যুক্তি নির্ভর কাজগুলোতে মস্তিষ্কের ডান-অর্ধের কিংবা ছবি আঁকার কাজে বাম-অর্ধের কোন ভূমিকাই নেই। বাম-ডান দুই অর্ধ মিলিয়েই আসলে আমরা একটি কাজকে যথাযথ ভাবে সম্পন্ন করি। একটি ছাড়া আরেকটি অর্থহীন এবং নিতান্ত অসহায়। এমন একটি ছবি আমি ব্যাজ হিসেবে ঝুলিয়ে বেড়াই কেন? আমি প্রায়শয়ই ‘যুক্তি’ এবং ‘আবেগ’ এই দুইয়ের দ্বন্দ্বে ভুগি। খুব সূক্ষাতিসূক্ষ্ম যুক্তি দিয়ে বিচার করে কোন একটি সিদ্ধান্ত নেবার পর দেখা যায় বিষয়টির মানবিক আবেগের দিকটি একেবারেই এড়িয়ে গেছি। আবার খুব আবেগ দিয়ে কোন কাজে ঝাঁপিয়ে পড়বার পর দেখা যায় কাজটি করবার কোন যৌক্তিকতাই আদৌ ছিলোনা! যে মানুষটি তাঁর জীবনের সকল কাজ শুধুমাত্র যুক্তির ওপর ভিত্তি করে করেছেন, কোন ভুল বা অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত কখনোই নেননি, সেই মানুষটির জীবন কি খুব ‘মানবিক’? কিংবা যে জীবনে শুধুই লাগামহীন আবেগের ছড়াছড়ি, সেটিও কি আদৌ খুব কাম্য? আমরা আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ভুল করব, আবার যুক্তি দিয়ে তা ঠিক করব, মস্তিষ্কের দু'পক্ষেরই অবদান সমান সমান রইলো, এই জীবনই আমার কাছে বেশী অর্থবহ মনে হয়।

‘এখন তখন মানিক রতন’ বইটি গঠিত হয়েছে এক বন্ধু যুগল এর ৪টি গল্প নিয়ে। বন্ধুদের একজন কবি (মানিক) ও আরেকজন বৈজ্ঞানিক (রতন)। কবি’র ধারণা বৈজ্ঞানিকদের গায়ে তীব্র গন্ধ ও হাতের নখে ময়লা থাকে, বৈজ্ঞানিকের ধারণা কবিদের বড় বড় উসকোখুশকো চুল, লম্বা দাঁড়ি ও চুলে উকুন থাকে। আমাদের মাঝে একধরণের ধারণা আছে, যিনি ‘সাইন্সে’ পড়েন তিনি সাহিত্য পড়তে পারবেননা, কিংবা যিনি সাহিত্য নিয়ে পড়েছেন, তিনি বিজ্ঞান নিয়ে মাথা ঘামাবার যোগ্য নন। এই দৃষ্টিভঙ্গিটির অসম্ভব জনপ্রিয়তার কারণেই হয়ত মানিক ও রতনের একের প্রতি অপরের প্রাথমিক ভাবে বিদ্বেষমূলক ধারণা থাকে। এটি মূলত একটি শিশু-কিশোর সাহিত্যের বই, খুব বড় কোন দার্শনিক বিষয়ের এখানে আসার কথা নয়। তবে বইটির গল্পগুলো থেকে আমি আমার মত কিছু ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে নিয়েছি! পুরো বইটিতেই আমি ‘যুক্তি’ ও ’আবেগ’ এর সেই দ্বন্দ্ব খুঁজে পেয়েছি। কবি মানিক ভাষার বিকৃতিতে কষ্ট পায়। বাস কনডাক্টর ‘হগগলে লামেন’ বললে সবাই বাস থেকে নেমে যাবার কথা একবারেই বুঝে যায়, কেউ তর্ক করেনা। যুক্তি মতে, মনের ভাব প্রকাশ করে এমন যে কোন সবাক-নির্বাক ভাষা ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ভাষাটি সুন্দর কি কুৎসিত তা একান্তই মনের আবেগের ব্যাপার আর এ কারণেই বাস কন্ডাক্টরের ‘হগগলে লামেন’ আর রতনের বিভিন্ন বাংলা শব্দের ভুল প্রয়োগ কবি মানিকের আবেগী মনকে আহত করে। আবার যন্ত্রের প্রতি মানিকের ঘৃণাবোধ বৈজ্ঞানিক রতনের কাছে স্বাভাবিকভাবেই অযৌক্তিক মনে হয়। দু’জনের এই পারস্পরিক ঠোকাঠুকির ছোট ছোট চিত্রই ঘুরেফিরে এসেছে গল্প ৪টি তে। পুরনো সময়ের সফদর আলী’র গল্পগুলোর কিছুটা ছাপ অবশ্যই আছে, আছে চরিত্রগুলোর সংকটের বেলায় সংকট উত্তরণের ‘টিপিক্যাল জাফর ইকবালীয় ছেলেমানুষি উপায়’ও। সব মিলিয়ে ‘মোটের ওপর চলে আর কি’ কিসিমের বই। সেই যুক্তি ও আবেগের সংঘর্ষই আমার কাছে বইটির 'আন্ডারলাইং ইস্যু' হয়ে রইলো।

বেশ কয়েক বছর ধরেই বইমেলায় হুমায়ূন আহমেদ ও মুহম্মদ জাফর ইকবাল ভ্রাতৃযুগলের বই একটি নির্দিষ্ট ছকে বাঁধা পথে হেঁটে প্রকাশিত হচ্ছে। প্রতি বছর নতুন প্রকাশিত বইগুলো কলেবরে শীর্ণ থেকে শীর্ণ হয়েছে, মলাট আরো ঝাঁ চকচকে হয়েছে, ভেতরের গল্প রদ্দি হয়েছে আর সবশেষে অবশ্যই মূল্যটা বইয়ের মানের ঠিক ব্যস্তানুপাতিক হারে বেড়েছে। বইয়ের উপকরণ কম বলেই হয়ত ‘এখন তখন মানিক রতন’ এর পৃষ্ঠাগুলোর চারপাশের মার্জিন অসম্ভব চওড়া; টেনেটুনে ১১৯ পৃষ্ঠার বই বানিয়ে নেয়া। ‘শুদ্ধস্বর’ প্রকাশনীর প্রকাশিত আরো অন্য দু’চারটি বই আমার সংগ্রহে আছে। সেগুলোর পাতা উল্টে এই বইটির মতো চওড়া মার্জিন পেলাম না।

পরিশেষে, বইটি সংগ্রহের যৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা করা যাক! বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেবার বেলায় আমার মন যুক্তি ও আবেগে দ্বিধাবিভক্ত থাকে, আগেই উল্লেখ করেছি। ১১৯ পৃষ্ঠার বই ‘এখন তখন মানিক রতন’ কি ২২০ টাকা দিয়ে খরিদ করা উচিৎ? এই সিদ্ধান্তের বেলায় যুক্তির সাথে সাথে অন্ধ বোকা আবেগও তাল মেলাচ্ছে।
Profile Image for Suraia Munia.
67 reviews41 followers
May 24, 2015
আমি যদি লেখকের নাম না জানতাম, তারপরেও চোখ বন্ধ করে বলতে পারতাম এটা জাফর ইকবালের লেখা। ছোটবেলা থেকে জাফর ইকবালের বই পড়ে ভাজি ভাজি করে ফেলেছি। কিছু প্রিয় বই অন্তত ১০ বার পড়েছি। কোন একটা লাইন দেখে তার পরের লাইন এ কি আছে সেটা বলে দিতে পারব। আগের কিছু বইয়ের সাথে হয়ত কিছুটা মিলে গেছে। আমি হয়ত জাফর ইকবালের অন্ধ ভক্তের কাতারেও পরতে পারি। কিন্তু সারাদিন বাস্তবতার সাথে যুদ্ধ করে রাতে বাসায় এসে হাত পা ছড়ায় কোন বই পড়ে যদি টানা ১০ মিনিট ধরে হাসা যায় তাহলে বাকি সব কিছুর শীতবস্ত্র দহন করি। মাঝে মাঝে ছেলেমানুষি লেখা পড়ার মজাই আলাদা।
Profile Image for Nabila Tabassum Chowdhury.
379 reviews279 followers
April 12, 2015
আমি ছোটবেলা থেকেই মু.জা.ই এর বই পড়ে সব তামা-তামা* করে ফেলেছি। সেই কারণে উনি আমার কাছে খুব পরিচিত একজন মানুষ। খুব পরিচিত একজন মানুষ একটি গিভেন টপিকে কী বলতে পারেন, সেটা যেমন আমি আন্দাজ করে নিতে পারি। তেমনি ভাবে জাফর স্যার কী বলবেন তাও আমি আন্দাজ করে নিতে পারি এবং বেশীরভাগ সময়-ই নির্ভুল ভাবে। তাই মোটামুটি প্লটটা ধরে ফেলতে পারলেই পুরো বইটার তেমন কিছুই আর আমার কাছে আনএক্সপেক্টেড থাকে না।

তবে আশার কথা এই যে, আমার মস্তিষ্কের উপর আমার কন্ট্রোল বেশ ভাল, আমি চাইলেই এটার সাথে সফদর আলী, সায়রা সায়েন্টিস্ট এবং অন্যদের না মিলিয়ে এই বইটিকে শুধু এই বই হিসেবেই পড়তে পারি। ছেলে মানুষী আনন্দে চেয়ার কাঁপিয়ে হাসে উঠতে পারি এবং "আমি তোমার কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট আর ভাইটামিনের শীতবস্ত্র দহন করি" লাইনটি পড়ে মিনিট দুয়েক আমার হাসি আর থামতেই চায় না। আর তাই আমার রেটিং স্বাভাবিক ভাবে-ই বাড়তির দিকে।

ওয়েট!! আমি কি বায়াসড?? হতে পারি। তবে এই রেটিং আমি বায়াসনেস থেকে করছি বলে মনে হয় না। কারণ আমি যখন জানি দস্তভয়স্কি আমাকে ডিস্টার্ব করতে চান এবং সাফল্যের সাথে করতে পেরেছেন তখন আমি তাকে পারফেক্ট রেটিং দিয়ে বসি। এখানে আমি যখন জানিই যে মু.জা.ই পাঠককে ছেলেমানুষি আনন্দ দিতে চেয়েছেন, আমি সেই আনন্দের স্বাদ পেয়েছি যদিও উনি যে পাঠককে সামনে রেখে বই লিখছেন আমার বয়স সেই রেঞ্জের অনেকটাই বাইরে তখন আমার রেটিং এর চেয়ে কম হওয়া ঠিক মানায় না। আর তাই আমি মু.জা.ই-এর 'শীতবস্ত্র দহন করবার' বর্তমান ট্রেন্ডের বদলে আমার এই রেটিং।

পড়তে পড়তে আমি ভাবছিলাম বইটিতে যদি কিছু ইলাস্ট্রেশন ঢুকানো যেত বাচ্চাদের জন্য তাহলে আরও ভাল হতো। যেহেতু বইয়ের দাম ইদানীং অনেক বেশী, তাই কালারফুল ড্রয়িং না ঢুকিয়ে লাইন ড্রয়িং ঢুকালে কাজটি সাধ্যে মাঝে সমাধা করা যেত। যেমন কুংফু গাড়ির কুংফু এ্যকশনের ছবি আবার কালাচান ধলাচানের অ্যাবস্ট্রাক্ট ড্রয়িংগুলোর স্যাম্পল অথবা সামনের দাঁত বিহীন ময়নার পিছে পোষ মানা অ্যালার্ম ক্লকের লাফিয়ে লাফিয়ে চলে যাওয়ার মত কিছু লাইন ড্রয়িং বইটাতে থাকলে বইটা আরও খানিকটা সুন্দর হয়ে উঠতো। অনেকটা কোয়েনটিন ব্লেক-এর ইলাস্ট্রেশন সহ রোয়াল্ড ডালের পেপারব্যাক বইগুলোর মত।

[* শব্দ কার্টেসি আয়নামতি।]
Profile Image for রিফাত সানজিদা.
174 reviews1,356 followers
June 22, 2016
আমি ঈষৎ বুভুক্ষু কিসিমের পাঠক,অতি কঠিন বিজ্ঞান আর অতি কোমল পেম ছাড়া (নিমাইয়ের 'মেমসাহেবের' মতো আর কী।) যে কোন বই- ই হাতের নাগালে পেলে পড়ে ফেলি বলা চলে।

মুঃ জাফর ইকবালের লেখা পড়েছি প্রায় সব-ই। তাঁর সাম্প্রতিক লেখাগুলো নিয়ে অন্য অনেকের মতোই আমারও অভিযোগের কমতি নেই। সেই তো থোড় বড়ি খাড়া আর খাড়া বড়ি থোড়। একই ধাঁচের প্লটে পাগলাটে ঘরকুনো বিজ্ঞানি, ছোঁকছোঁকে স্বভাবের নীতিহীন সাংবাদিক, দেনা আর লোভের দায়ে বিকানো পুলিশ, ইশকুলের দু-এক জোড়া অপাপবিদ্ধ শিশু,সমাজের কিছু লোভী ব্যবসায়ী কীট--- নূতন কিছু কই আর? নূতন গল্প কিংবা পুরোনো গল্পেই খানিকটা হলেও বৈচিত্র্য?
নাহ, এই বইমেলাতে প্রকাশিত কোন বইতেই সেই প্রত্যাশা মেটেনি তো।

তবু মাঝরাতে হাত-পা ছড়িয়ে পড়তে বসা পিডিএফে সংবেদনশীল কবি মানিকের মুখে 'আমি তোমার কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট আর ভাইটামিনের শীতবস্ত্র দহন করি' লাইনটা যদি জীবনের বহু স্ট্রেসের ভার ভুলিয়ে অনেকক্ষণ ধরে ছেলেমানুষের মতো হাসাতে পারে-- সেটাই কি স্যারের কাছে অন্তত খানিকক্ষণ কৃতজ্ঞ থাকার মতো যথেষ্ট নয়? :)
Profile Image for সালমান হক.
Author 67 books1,985 followers
February 23, 2014
শেষ!!! এত্তহ ছোট!! এটাকে উপন্যাস না বলে উপন্যাসিকা বলাই বেটার হবে। কিংবা গল্প - একটু বড় ধরণের। সেই একই কাহিনী!! দুই ধরণের দুই পিচ্চির বন্ধুত্ব। তাদের বিভিন্ন গল্পের একটা একটা করে বর্ণনা। একটা পিচ্চি কবি আরেকটা বৈজ্ঞানিক । ভেবেছিলাম যে কম্বিনেশন আরেকটু ভাল হবে। পাগলা বিজ্ঞানী ধরণের কিন্তু উনার আরো বই, আছে ওগুলার তুলোনায় এইটা কিছুই না। বোধহয় এই বই গুলা পড়ার বয়স শেষ হয়ে গেল :'( । স্যার, একটু বেশী সময় নিয়ে একটা বড় দেখে উপন্যাস লিখেন - এটাই আবদার।
Profile Image for Yeasin Reza.
515 reviews88 followers
December 2, 2021
এটি জাফর ইকবালের গতানুগতিক আরেকটি বই হলে ও উনার রসবোধের প্রসাদগুণে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।এক পাগলাটে বিজ্ঞানী এবং আরেক উদ্ভট কবি'র জুটি তাদের চারিত্রিক বৈপরীত্যের কারনে বেশ মজাদার হয়ে উঠেছে।এর মাঝখানে সায়েন্সের ফ্রিকশনে খানিকটা ইন্টারেস্টিং ও। সবমিলিয়ে একবসা তে পড়তে পড়তে হঠাৎ হেসে উঠা ভালোই লেগেছে।
Profile Image for Hafsa Sabira.
227 reviews47 followers
November 11, 2017
I think I passed the age for liking these kinds of books :p
Profile Image for Prionty - প্রিয়ন্তী.
37 reviews20 followers
March 10, 2020
মানিক হচ্ছে কবি আর রতন বিজ্ঞানী। মূলত এই দুই প্রান্তের দুই রকম চিন্তা ধারার মানুষের যুক্তি নিয়ে লেখা হয়েছে বইটি। সব মিলিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বেশ হাস্যরসাত্মক একটি বই।
Profile Image for শালেকুল পলাশ.
274 reviews33 followers
December 1, 2017
মানিক হচ্ছে একজন কবি আর রতন হচ্ছে একজন বিজ্ঞানী, দুইজনের কাজকর্ম একেবারে আলাদা আলাদা জায়গায়। তাদের কখনো দেখা হওয়ার কথা না। কিন্তু রকটা দুর্ঘটনার মাধ্যমে দেখা হয়ে যায় তাঁদের। এত বেশী বিপরীত চরিত্রের হবার পরেও তাঁদের মাঝে গড়ে ওঠে সুন্দর এক বন্ধুত্ত্বের সম্পর্ক। কিন্তু দুইজনে চরিত্রগত কারনে ঘটতে থাকে একের পর এক মজার ঘটনা।
মোট ৪টা ছোট ছোট অনুচ্ছেদে গল্পগুলোকে ভাগ করা হয়েছে।
-কুংফু গাড়ি
-ডুগড়ুগু
- কালাচান ধলাচান
- চেয়ার
প্রতিটি গল্পই মূলত রতনের এক একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিয়ে।


পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ "বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার", "সায়রা সায়েন্টিস্ট" ও "বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা" এর সিকুয়াল বলে চালায়ে দেওয়া যেত এই বইটি কে যদি সব চরিত্রগুলোর নাম একই থাকত আর কি। কাহিনী যথেষ্ট পরিমান ফাস্ট আছে। একঘেয়ামি লাগেনি পড়তে গিয়ে।
Profile Image for Fariha Hossain.
122 reviews34 followers
February 22, 2014
বইটা ভালই।বইটা হয়ত আমার আরও অনেক ভালো লাগত যদি আমি বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার,সায়রা সায়েন্টিস্ট,বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা এই বইগুলো আগে না পড়ে থাকতাম।জাফর ইকবালের সব লিখা আজকাল এক ই রকম মনে হয়। এখন একটু আলাদা কিছু দরকার। উনার ৯০ দশকের বইগুলা অসাধারণ,কিন্তু বার বার সেগুলোর ছায়া পড়ত�� আর ভালো লাগে না।
Profile Image for Nayema Lipi.
22 reviews42 followers
August 22, 2015
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের বই না হলে নিশ্চিত এক তারা দিতাম। কিন্তু এই মানুষটার বইয়ে এক তারা দিতে খারাপ লাগে। মনে হয়েছে, বিজ্ঞানী সফদর আলী, সায়রা সায়েন্টিস্ট আর অনিক লুম্বা কিছু কিছু অংশ মিলিয়ে এই বইটা লেখা হয়েছে। না লিখলেও ক্ষতি ছিলো না মোটেই।
বুঝলাম না, বড় হয়ে গেছি কি না!
Profile Image for Ruhin Joyee.
51 reviews149 followers
March 3, 2014
যদিও জাফর ইকবালের আরও অনেক গল্পের ছায়া আছে এটাতে, একই ধাঁচের গল্প, তবুও পড়তে খারাপ লাগেনি।
Profile Image for Motiur   Rahman.
21 reviews4 followers
September 17, 2025
চারটি ছোট গল্পের সংস্করণে এই বই.. প্রথম গল্পটি তেমন ভালো না লাগলেও বাদ বাকি গুলো চালিয়ে নেওয়া যায়... কিন্তু যারা বিজ্ঞানী সফদার আলী বা সায়রা সায়েন্টিস্ট পড়েছেন তারা একই ভাইব পাবেন এই বইয়ে...
Profile Image for فَرَح.
188 reviews2 followers
September 13, 2021
ক্লাস এইটে থাকতে যখন এটা পড়সিলাম, ভালোই লাগসিলো। যদিও আগের কয়েকটা বইয়ের কনসেপ্ট পুরা সেইম
Profile Image for Rajiv Ashrafi.
461 reviews48 followers
April 3, 2016
Md. Jafar Iqbal is on to something here. It's been a while since I've enjoyed his book, considering just how robotic his writing had become. But this was a breath of fresh air, though it's often marred by his stereotypical portrayals of poets, scientists, and children. It's as if he's trying too hard.

Anyways, I enjoyed the fun stories and can obviously understand the appeal children may have towards this book.
Profile Image for Jahangir.
Author 3 books35 followers
September 14, 2015
অত্যন্ত পরিতাপের সাথে বলতে হচ্ছে যে, এই বইটা পড়ে আমি প্রতারিত বোধ করেছি। এই বইটা লেখকের আগের অনেকগুলো বইয়ের ছায়া থেকে চর্বিত-চর্বণ ছাড়া আর কিছু মনে হয়নি। যারা আগে কোন দিন তাঁর লেখা এই জাতীয় বই পড়েননি তাদের হয়তো ভালো লাগতেও পারে। কিন্তু তাঁর নিয়মিত পাঠকদের অনুভূতি আমার মতো হতে পারে। বইমেলা আসলেই কিছু একটা লিখে বই ছাপিয়ে বাজার ধরে ফেলতে হবে মুহম্মদ জাফর ইকবাল এমন মানসিকতা ধারণ করেন সেটা ভাবতেও চাই না। এক তারা দিলাম শুধু লেখকের নাম বিবেচনা করে।
Profile Image for নিটোল.
816 reviews
March 17, 2014
বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার, বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা, সায়েরা সায়েন্টিস্ট এর অনুকরণে লেখা তাই মনে হল যেন পুরনো বই রিভিশন দিলাম। মানিক কে বেশি ভাল লাগে নি, রতন মোটামুটি। চারটি ছোট গল্পের মধ্যে সবচেয়ে ভাল লাগলো 'কালাচান ধলাচান'। শেষের গল্পটি তো সেই নতুন বোতলে পুরনো মদ।
Profile Image for Tasfia Promy .
108 reviews30 followers
December 27, 2016
এক মুঠো অনিক লুম্বা, এক টুকরা সফদর আলি মিক্স
Profile Image for Bee_badhon.
24 reviews2 followers
March 2, 2021
মানিক হচ্ছে একজন কবি, যে কিনা সবকিছুতে শৈল্পিকতা খুঁজে বেড়ায়, শ্রীমঙ্গলে ঘুরতে যাবে তাই শান্তিনিকেতন ব্যাগটা ঘাড়ে ঝুলিয়ে বাস-স্টেশনে এসে যখন দেখে মুড়ির টিন মার্কা লক্কর-ঝক্কর বাসটিতে তাকে উঠতে হবে, সে বেচারা বাগবিতণ্ডা না করেই হেঁটে ক্রোশ পার করবে ভাবে। পথেই গাড়ি থামিয়ে দিয়ে পথচারী মানিকের কাছে চুইংগাম চায় বিজ্ঞানী রতন। রতনের জিজ্ঞাসায় অনেকক্ষণ ধরে একটি শব্দ ভাবতে থাকা মানিক তাকে উত্তর দেয়, "ঘুংচি শব্দের অর্থ কি?" বিজ্ঞানী এবং কবি উভয় একে অন্যকে যখন ভুল ভাবায় ব্যস্ত, কিছু ঘটনার জন্য তারা আবিষ্কার করতে পারলো তারা দুইজন দুই প্রান্তের পেশায় থাকলেও তাদের নিজেদের মধ্যে বড্ড মিল, ঠিক নামের মতই। মানিক যখন পুরানো বইয়ের দোকানে উইয়ে খাওয়া বই ঘেঁটে বেড়ায় রতন তখন পুরানো ঢাকার ধোলাইখালে ভাঙ্গা যন্ত্রপাতি টানাটানি করে। বৃষ্টির দিনে মানিক যখন বিছানায় আধশোয়া হয়ে ঢুলুঢুলু চোখে কবিতা পড়ে রতন সেই সময় তার ল্যাবরেটরিতে কোনো একটা বিদঘুটে যন্ত্রের উপর উবু হয়ে বসে থাকে। গভীর রাতে মানিক যখন নিউজপ্রিন্ট এর কাগজে বলপয়েন্ট কলম ঘষে ঘষে উত্তর-আধুনিক কবিতা লেখার চেষ্টা করে রতন তখন কম্পিউটার এর সামনে বসে জটিল কোনো যন্ত্রের ডিজাইন করে। তবুও তারা নিজেদের মত-অমত নিয়ে বন্ধু হয়ে একসাথে বিভিন্ন কাজ করতে থাকে।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল বরাবরের মতই সাইন্স ফিকশন জগতে দারুণ একেকটা মাস্টারপিস পাঠকদের উপহার হিসেবে দিয়েছেন। ছোট থেকে বড়, সব বয়সী পাঠকরাই গোগ্রাসে এই বইগুলো উপভোগ করেছেন। এখন তখন মানিক রতন অন্যতম দারুণ একটা সাইন্সফিকশন যেখানে শুধু দুই বন্ধুর করিতকর্মাই নয় বরং হাস্যরসাত্মক ভাবে প্রতিটি গল্প উপস্থাপন করা হয়েছে। যারা এখনো পড়েননি, তারা অবশ্যই একবার পড়বেন, আর পড়লেই এর স্বাদ আহরণ করতে পারবেন।
Profile Image for Tisha.
205 reviews1,121 followers
April 14, 2025
ঠিক কতদিন পর একটি বই পড়ে রিভিউ লিখছি, বলতে পারবো না! বড় হয়ে যাওয়া আসলেই খুব কষ্টের! বই পড়ার মতো সুন্দর কাজটিও ঠিকমতো করা হয়ে ওঠে না! :( নানা রকম ব্যস্ততার মাঝেই জাফর ইকবাল স্যারের এখন তখন মানিক রতন পড়ে ফেললাম। এই ধরনের বইয়ের সুবিধা হচ্ছে যে খুব বেশি মনোযোগ দেওয়া লাগে না! বই পড়ে বেশ হেসেছি। কিন্তু খুব ভালো লাগার মতো কিছু ছিল না। ঘুরে ফিরে সেই সফদর আলী, অনিক লুম্বা কিংবা সায়রা সায়েন্টিস্টের কথাই মাথায় আসছিলো। মানে ‘ভিন্ন নামে পুরনো গল্প’ টাইপের ব্যাপার আর কি! আমার তরফ থেকে তাই ৩ তারা। :)
17 reviews9 followers
December 28, 2023
জাফর ইকবালের সাইন্স ফিকশান গুলো এখন আর আগের মত মজার হয়না। বেশির ভাগ ই কেমন যেন কিশোর উপন্যাস টাইপ লাগে।
এখন তখন মানিক রতন পড়ে কিছুই ফিল করলাম না। জোর করে হাসতে চাইলাম তাও পারলাম না। শেষের চেয়ার গল্প টা তো পুরাই তাঁর ই লেখা "অক্টোপাসের চোখ" বইয়ের "সিনাপ্সুঘুটিয়া" গল্পের কপি। পিডিএফ না পড়ে বই কিনে পড়লে আরো কম রেটিং দিতাম :)

১. কুংফু ★
২. ডুগুডুগু ★
৩. কালাচান ধলাচান ★★★★
৪. চেয়ার ★★
Profile Image for Ishra Maria.
101 reviews
June 25, 2021
মানিক,রতন দুজন দুধরনের লোক।মানিক হচ্ছে কবি আর রতন বিজ্ঞানী।দুজনের প্রথম দেখা হয় মানিকের বাস নষ্ট হয়ে যাওয়াই,রতনের কুংফু গাড়িতে ওঠতে হয়।এরপর ডুগুডুগু,কালাচান ধলাচান আর চেয়ার চমকপ্রদ সব কাহিনির বর্ণনা আছে বইটিতে। নাটবল্টু বা সফদর আলি কিংবা সায়রা বা অনিক লুম্বার মতোই চমৎকার একটা বই।
Profile Image for Nehal.
27 reviews1 follower
March 28, 2018
খুব একটা ভালো লাগে নি
Profile Image for Saad Sohael.
39 reviews1 follower
Read
March 23, 2020
বেশ মজা পেয়েছি। আরেকটা খন্ড করা উচিত।
Profile Image for sam.
25 reviews
Read
March 20, 2021
i just wanna say i hate zafar iqbal hes a lil rat and the physical quality of this book is the only good thing, story wise he’s a bad writer who steals plot and rewrites the same shit
Profile Image for Sidratul Muntaha Pahela.
69 reviews
December 17, 2022
কার কান্ড কারখানা দেখে হাসবো???
মানিক এর না রতনের 🤣🤣🤣
Profile Image for Fatema-tuz    Shammi.
126 reviews22 followers
June 26, 2020
উফফ!এই বইটা সেরা লাগছিল😍
মানিক আর রতন এর কান্ডকারখানা গুলি জাস্ট অসাধার। মজায় মজায় বিজ্ঞান এর কত এক্সপেরিমেন্ট। অসাধারণ একটি বিজ্ঞানসম্মত কিশোর উপন্যাস🤗
Displaying 1 - 30 of 38 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.