পৃথিবীর বুকে নেমে আসছে দলে দলে হলিয়েন। মানুষ যাদের ডাকে হস্টাইল এলিয়েন নামে৷ আরেকদিকে ফাউন্ডেশন সুযোগ করে দিচ্ছে জনগণের আয়ুষ্কাল ৩ গুণ বাড়িয়ে তোলার। তবে শর্ত একটাই৷ কী শর্ত? জানতে পড় থ্রিলার সম্রাট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের লেখা ও কার্টুনিস্ট আবদুল্লাহ আল যুনায়েদের আঁকায় সাইফাই কমিক্স: হলিয়েন ১
MOHAMMAD NAZIM UDDIN (Bengali: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন) is a writer and Translator of more than 26 novels..His original works are NEMESIS, CONTRACT, NEXUS, CONFESSION,JAAL, 1952: nichok kono number noy, KARACHI, RABINDRANATH EKHANE KOKHONO KHETE ASENNI and KEU KEU KATHA RAKHE. These six Thriller novels are highly acclaimed by the readers.
জনপ্রিয় থ্রিলার লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের কোন গল্প কমিক্সে রূপান্তরিত হয়েছে তা আমার জানা ছিলো না। কার্টুন পিপল প্রকাশনের শিল্পী আবদুল্লাহ আল যুনায়েদ কমিক বই অ্যাডাপ্টেশনের কাজ করেছেন এই থ্রিলার মেন্টরের গল্পের।
গল্পটা এক ডিস্টোপিয়ান ফিউচারের। অবশ্য খুব একটা দূরবর্তি ভবিষ্যতের কাহিনী নয় এটি। 'শেষ থার্টিফার্স্ট' গল্পের কমিক্স অ্যাডাপ্টেশন হচ্ছে 'হলিয়েন'।
২০৯৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। সবাই যখন নতুন বছরকে আমন্ত্রণ জানাতে ব্যস্ত তখন আহাব খুঁজে বেড়াচ্ছে তাঁর তিন নাম্বার টার্গেটকে। কারণ তিনজন মানুষকে নিকেশ করে দিতে পারলে আহাবের আয়ুষ্কাল বেড়ে যাবে তিনগুন। এক ধরণের অমরত্বের লোভে ফাউন্ডেশন নামক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিতে গেছে আহাব।
মানুষের লোভ, নানামুখি হিংস্রতা এবং নিষ্ঠুর স্বার্থপরতা তাকে কতটুকু নিচে নামিয়ে দিতে পারে সেটি এ গল্পে দেখা যায়।
এদিকে সরকার ব্যতিব্যস্ত হয়ে আছে 'হলিয়েন' বা 'হস্টাইল অ্যালিয়েন'দের নিয়ে। পৃথিবী দখলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আসা ভিনগ্রহী এসব প্রাণী বেশি হস্টাইল নাকি মানুষ?
ছোটগল্পের এক পর্যায়ে টুইস্টটি আমি ধরে ফেলতে পেরেছিলাম কিন্তু শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় পাঠের অভিজ্ঞতা এবং সম্ভবত সেই কারণে আবদুল্লাহ আল যুনায়েদের ভবিষ্যতের পৃথিবী কিংবা বর্তমানের বর্ধিত রূপের ঊষর চিত্রায়ণের স্টাইল প্রায় এক বিন্দুতে মিলিত হয়ে গল্পের অন্তিম যে চমকটা দিয়েছে তা বেশ ভালো লেগেছে।
সায়েন্স সিকশন এবং থ্রিলারের সমন্বয় গল্পে নাজিম উদ্দিন কীভাবে করেন সেটা আমার জানা। তবে কমিক্স শিল্পী যুনায়েদ ঝাপসা থেকে ঝাপসা হয়ে আসা ভবিষ্যতের যে কমিক্স আর্ট করেছেন সেটি এক কথায় প্রশংসনীয়।
কার্টুন পিপলের বড় আকারে করা কাজের সাথে আমি আগের থেকেই পরিচিত। খুব সম্ভবত কমিক্স শিল্পীদের যথেষ্ট স্বাধীনতা দিয়ে থাকে এই প্রকাশনী।
ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত এবং নবীন লেখকদের অনেকের গল্প কিংবা উপন্যাসের কমিক্স রূপান্তর কার্টুন পিপলের কাছ থেকে আশা করছি।
কারণ আমার মতে কমিক্স / গ্রাফিক নভেল একটি শক্তিশালি মাধ্যম।
কমিক্স বই রিভিউ
নাম : হলিয়েন লেখক : মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন অঙ্কন শিল্পী : আবদুল্লাহ আল যুনায়েদ প্রথম প্রকাশ : বইমেলা ২০২৪ প্রচ্ছদ ও লেটারিং : আবদুল্লাহ আল যুনায়েদ গ্রাফিক্স : মাহবুব খান প্রুফ রিডিং : জাফরিন হোসেন প্রকাশনা : কার্টুন পিপল জনরা : বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প, থ্রিলার রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
হলিয়েন জোস! 'থ্রিলার সম্রাট' মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের গল্পে আব্দুল্লাহ আল যুবায়ের-এর আঁকা। দিতীয়জনের কাজ প্রথম দেখলাম, আর তাতেই ফ্যান হয়ে গেছি! রঙের দুর্দান্ত ব্যবহার, সাইবারপাঙ্ক প্রেক্ষাপট একদম ফুটে বেড়িয়েছে তাতে করে। গল্পের কথা বলতে, গল্পটা গ্রাফিক নভেলের মতো কোনো চাক্ষুষ মিডিয়ামের জন্য খুব উপযুক্ত। পৃথিবীর মানুষের সাথে মিশে গিয়ে ধীরে ধীরে মানুষদের প্রতিস্থাপিত করছে এলিয়েনরা। 'ক্যাচ'-টা হলো, এই এলিয়েনরা নৃশংস হতে পারে না। তাই অস্ত্রশক্তিতে মানুষদের মোকাবেলা করতে যায়নি তারা। বরং মানুষেরই আদিম প্রবৃত্তিকে লেলিয়ে দিয়েছে একে অন্যের বিরুদ্ধে—প্রতিযোগিতা!
ব্লেড রানার, হাংগার গেমস, সাইবারপাঙ্ক ২০৭৭, ইন টাইম—আপনার দেখা এমন অনেক গল্প-সিনেমা-গেইমের কথা মনে করাবে গ্রাফিক নভেল-টা।