What do you think?


হলুদের গাঢ় সমাচার
মূল গীতের পূর্বে গৌরচন্দ্রিকা আর প্রকাশনা শিল্পের মলাট-বন্দনার ফারাক খানিকটা গদ্য-পদ্য’র মতনই। শিকারজীবী মানবসমাজ ফসলজীবী হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ গৃহনীড় রচনা করেছে; আর যার যার ভাষাভিত্তিক সাহিত্যরচনার কালপর্বটিও শুরু হয়েছে। হাজার-কয়েক বছর পেরিয়ে গদ্যই সাহিত্যের মূলস্রোতধারা হয়ে উঠেছে। এখন শিল্পবিপ্লবের মধ্য দিয়ে শ্রমদাস-শিকারের তুঙ্গস্পর্শী শিল্পব্যবস্থার যুগে শুরু হয়েছে জাংক ফুডের চলনসই প্রজন্মের যুগ। উন্নত প্রযুক্তিধারী শ্রমদাস-শিকারী রাষ্ট্রগুলির জনবিচ্ছিন্ন নেতৃত্বের পরিচালনায় ‘কড়ি থেকে কাগুজে মুদ্রা’ হয়ে সাইবার কারেন্সির পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। এই জীবজৈবসুখবিলাসী সমাজব্যবস্থার ধারক মানুষগুলি হারিয়ে ফেলেছে চিরাচরিত কালের সন্তান-বাৎসল্যবোধ, দাম্পত্যবোধ, জীবনযাপনবোধ। পুঁজিপাট্টার বোচকা বগলে লুকিয়ে নিরাপদ রাষ্ট্রে ডেরা বাঁধার লক্ষ্যই তাদের জীবনদর্শন। বিশ্বসাহিত্যে কমই চিত্রিত হয়েছে নবতর এ জীবনদর্শন। বাংলাসাহিত্যের এক অগ্রগামী লেখক ইমতিয়ার শামীম। তেমন এক পিছিয়ে থাকা রুগ্ন রাষ্ট্রের সুবিধাভোগী মানুষের জীবনের চৌম্বক চিত্রায়ণ ঘটেছে তাঁর এই গ্রন্থভুক্ত ছোটগল্পগুলোতে। ‘স্যাম্পল জেনারেশন’ থেকে শুরু করে ‘হলুদের গাঢ় সমাচার’-এই গল্পগ্রন্থের প্রতিটি গল্পই নতুনের নিশানা দেখায়।
152 pages, Hardcover
First published February 8, 2024
About the author
Imtiar Shamim
56 books127 followersইমতিয়ার শামীমের জন্ম ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৫ সালে, সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। আজকের কাগজে সাংবাদিকতার মাধ্যমে কর্মজীবনের শুরু নব্বই দশকের গোড়াতে। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘ডানাকাটা হিমের ভেতর’ (১৯৯৬)-এর পান্ডুলিপি পড়ে আহমদ ছফা দৈনিক বাংলাবাজারে তাঁর নিয়মিত কলামে লিখেছিলেন, ‘একদম আলাদা, নতুন। আমাদের মতো বুড়োহাবড়া লেখকদের মধ্যে যা কস্মিনকালেও ছিল না।’
ইমতিয়ার শামীম ‘শীতের জ্যোৎস্নাজ্বলা বৃষ্টিরাতে’ গল্পগ্রন্থের জন্য প্রথম আলো বর্ষসেরা বইয়ের পুরস্কার (২০১৪), সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০২০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ দেশের প্রায় সকল প্রধান সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।
ইমতিয়ার শামীম ‘শীতের জ্যোৎস্নাজ্বলা বৃষ্টিরাতে’ গল্পগ্রন্থের জন্য প্রথম আলো বর্ষসেরা বইয়ের পুরস্কার (২০১৪), সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০২০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ দেশের প্রায় সকল প্রধান সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
February 28, 2024
"মানুষের স্বপ্ন হলো তার নষ্টামির সমান বড়।"
"হলুদের গাঢ় সমাচার" আমাদের সময়ের বয়ান, যেমনটা ইমতিয়ার শামীমের বেশিরভাগ গল্পই হয়ে থাকে। পার্থক্য হচ্ছে, এবার লেখক সত্যিকার অর্থে ছোটগল্পই লিখেছেন, উপন্যাসের বিস্তৃতিসম্পন্ন বড়গল্প নয়। আমাকে রুবেল জিগ্যেস করেছিলো, "এ বইয়ের বিষয়বস্তু কী?" কিন্তু এককথায় তো এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া অসম্ভব।পুরনোর সঙ্গে নতুন প্রজন্মের গড়ে ওঠা দূরত্ব, ভিন্ন মতাবলম্বীদের খুন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটকে পড়া মানুষ, নারী স্বাধীনতা বিষয়ে এক নারীর দ্বন্দ্ব, পোশাক কর্মীদের মৃত্যু থেকে শুরু করে করোনায় আটকে পড়া মানুষের আর্তি - বিষয় থেকে বিষয়ান্তরে ছুটে গেছেন লেখক। সবটা মিলিয়ে গোচর হয় "রক্তাক্ত, নির্বিকার, পুঁতিগন্ধময়" এক রাষ্ট্রব্যবস্থা, বিপন্ন দেশ আর এর মানুষের সার্বিক চিত্র।ভাঙনের সুর আছে, হেরে যাওয়ার আর্তনাদ আছে, তবু এরই মধ্যে আছে আশা,হয়তো এখনও সবকিছু শেষ হয়ে যায়নি। উৎসর্গপত্রে আছে,
"হলুদের গাঢ় সমাচারে
তবু ফের দেখা হয়
নিষ্ফলা আমাদের হন্তারক কুয়াশার স্রোতে।"
এই স্রোত আমাদের কোথায় নিয়ে যায় তা আমাদেরই ঠিক করতে হবে।
"হলুদের গাঢ় সমাচার" আমাদের সময়ের বয়ান, যেমনটা ইমতিয়ার শামীমের বেশিরভাগ গল্পই হয়ে থাকে। পার্থক্য হচ্ছে, এবার লেখক সত্যিকার অর্থে ছোটগল্পই লিখেছেন, উপন্যাসের বিস্তৃতিসম্পন্ন বড়গল্প নয়। আমাকে রুবেল জিগ্যেস করেছিলো, "এ বইয়ের বিষয়বস্তু কী?" কিন্তু এককথায় তো এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া অসম্ভব।পুরনোর সঙ্গে নতুন প্রজন্মের গড়ে ওঠা দূরত্ব, ভিন্ন মতাবলম্বীদের খুন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটকে পড়া মানুষ, নারী স্বাধীনতা বিষয়ে এক নারীর দ্বন্দ্ব, পোশাক কর্মীদের মৃত্যু থেকে শুরু করে করোনায় আটকে পড়া মানুষের আর্তি - বিষয় থেকে বিষয়ান্তরে ছুটে গেছেন লেখক। সবটা মিলিয়ে গোচর হয় "রক্তাক্ত, নির্বিকার, পুঁতিগন্ধময়" এক রাষ্ট্রব্যবস্থা, বিপন্ন দেশ আর এর মানুষের সার্বিক চিত্র।ভাঙনের সুর আছে, হেরে যাওয়ার আর্তনাদ আছে, তবু এরই মধ্যে আছে আশা,হয়তো এখনও সবকিছু শেষ হয়ে যায়নি। উৎসর্গপত্রে আছে,
"হলুদের গাঢ় সমাচারে
তবু ফের দেখা হয়
নিষ্ফলা আমাদের হন্তারক কুয়াশার স্রোতে।"
এই স্রোত আমাদের কোথায় নিয়ে যায় তা আমাদেরই ঠিক করতে হবে।
September 10, 2024
ইমতিয়ার শামীম শক্তিমান গল্পকার এই কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। আমাদের আশেপাশে প্রতি মুহুর্তে কতশত ঘটনা ঘটে যায় যা হতে পারে গল্প কিংবা গল্পের মতো আমাদের সমাজে ঘটে যাচ্ছে নানারকম জিনিস। সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে গল্প লেখা এবং সেটাকে গল্পে উত্তীর্ণ করা কঠিন জিনিস কারন সেটা সাংবাদিকতা হয়ে যাবার চান্স থাকে। ' হলুদের গাঢ় সমাচার' সমসাময়িক নানা ইস্যু নিয়ে লেখা সমাচার যা গল্পের রঙে গাঢ় হয়ে উঠেছে।
৩.৫*
৩.৫*
February 14, 2024
ইমতিয়ার শামীম তাঁর গল্পের মধ্য দিয়ে পাঠকদের ধৈর্যের পরীক্ষা এবার তেমন একটা নেননি। গল্পের জমিন এবার বেশ মসৃণ। পাঠককে উষ্টাবিষ্টা খেতে হয় না। নিরুপদ্রব হেঁটে যাওয়া যায়। মানে, ফটাফট পড়ে ফেলা যায়। ইমতিয়ার শামীমের গল্পের নিয়মিত পাঠকরা এ বইয়ে দুইটা বৈসাদৃশ্য লক্ষ করবেন। পয়লাটা হলো, গল্পগুলো তেমন বড় নয়। দুসরা হচ্ছে, প্রায় সবকটা গল্পই শহরকেন্দ্রিক। তবে আসল যা, তাতে কিন্তু ‘হলুদের গাঢ় সমাচার’ একদম ঠিকঠাক; অর্থাৎ, গল্পগুলো ভালো। মোট ১৫টি গল্প। এবং কমবেশি সবগুলোই ভালো। পাঠানুভূতির সঙ্গে তুলনা চলে কোনো হেমন্ত সন্ধ্যার ফুরফুরে হাওয়ার, যেখানে ভালোলাগা ও বিষণ্ণতা সমানুপাতিক। আর হচ্ছে, অনেকগুলো গল্পের পরিণতি স্পষ্ট নয়। যেন শেষ নেই। শেষ হয় না। আমাদের জীবনের সকল শুরুর কি শেষ আছে? নেই তো। অনেক কিছুর শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই। বয়ে চলতে হয়। চলা লাগে। সুতরাং সমাপ্তি ছাড়া গল্পে আমার সমস্যা নেই। বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে ওয়াসি আহমেদকে। উৎসর্গপত্রটা এত ভালো লেগেছে যে এখানে তুলে দেওয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না।
‘‘কয়েকটি মুনিয়া আজও এসে বসে মাধবীলতার শিয়রে
তবু আর আমাদের দেখা হয় না
এফিটাপ ভেঙে পড়ে, এত শোক জমে ওঠে নিষণ্ণ কবরে
তবু আর পুনর্জন্ম হয় না আমাদের
নির্ঘুম চোখ বুজে আমরা ঘুমিয়ে থাকি
রক্তাক্ত, নির্বিকার, পুঁতিদুর্গন্ধময় এই পৃথিবীর বুকে
হলুদের গাঢ় সমাচারে
তবু ফের দেখা হয় নিষ্ফলা আমাদের হন্তারক কুয়াশার স্রোতে’’
November 20, 2024
রেটিং : ৪.৫/৫
May 25, 2025
আমাদের শহুরে জীবনের যে অত্যাশ্চর্য বাঁক আর বাঁকের পরে যে অভাবনীয় মোড় আমাদের জীবনকে নিয়ে চলে নতুন কোন অদৃশ্য গন্তব্যে তা যেন ফুটে উঠেছে ইমতিয়ার শামীমের এই গল্পগ্রন্থে। আমাদের নাগরিক জীবনের খণ্ড খণ্ড চিত্র যেন গল্পগুলোর মূল বিষয়। নিজেরদের মধ্যে গড়ে ওঠা অদৃশ্য দেয়াল যেন এইখানে ভেঙে পড়ে লেখকের রূপকের মধ্যে দিয়ে।জীবনের স্রোতে আমরা যেমন অপেক্ষা করি নানা ঘটনার সাক্ষী হতে তেমনই পাখি এসে এইখানে অপেক্ষা করে মানুষের জন্য তরে। সম্পর্কের বাঁধন এক লহমায় খুলে গিয়ে ঝড়ে পড়ে পলকা হাওয়ায় তাসের ঘরের মতো। এইখানে জীবনের বাইনারি উল্টেপাল্টে যায় আমাদের সুক্ষ্ম অচিন্তিত ভাবনার অবহেলায়। রাজনৈতিক পাশার ঘুঁটি হয়ে মানুষ তড়পায় যেমন করে ফাঁদে পা দিয়ে বৃথা আস্ফালন করে ইঁদুর। জীবন নিয়ে খেলা করা মানুষ এইখানে প্রতিনিয়ত ওত পেতে অপেক্ষা করে থাকে ছলেবলে কৌশলে অন্যকে বশে আনার। এরই মধ্যে দিয়ে কেউ হয়তো প্রতিশোধের লেলিহান আগুনে জ্বলে ওঠে।
April 24, 2026
হলুদের গাঢ় সমাচার গল্পগ্রন্থ। এতে সর্বমোট পনেরোটি গল্প রয়েছে। লেখকের লেখা বই "আমাদের চিঠিযুগ কুউউ ঝিঁকঝিঁক" আমার পছন্দের। তার বলার ভঙ্গিমা বরাবরই চমৎকার।
এই বইয়ের প্রতিটা গল্পই আমাদের জন-জীবনের। আমাদেরই গল্প কিংবা আমাদের আশেপাশে থাকা অসংখ্য মানুষের গল্প। প্রতিটা গল্পের নাম অনেক ইউনিক।
সবগুলোই যে সমানভাবে ভালো লেগেছে বলবো না। তবে কিছু গল্প সত্যিই অসাধারণ। "স্যাম্পণ জেনারেশন" থেকে "হলুদের গাঢ় সমাচার" জুড়ে রয়েছে এক পিছিয়ে থাকা রুগ্ন রাষ্ট্রের সুবিধাভোগী মানুষের জীবনের চৌম্বক চিত্রায়ণ।
শুরুতেই বলেছি তার বলার ভঙ্গিমা চমৎকার। উপমার এত সুন্দর ব্যবহার উনি করতে জানেন। তেমনই একটি উপমা " জন্মান্ধ দিনের শেষে" গল্পতে রয়েছে। আমি হুবুহু তুলে ধরলাম।
" ইন্দিরা গাবে-গাবে একাকার এক ছিপছিপে পানসী, ইন্দিরা এক দীঘল কালো টলটলে শীতল দীঘি, ইন্দিরা এক নীলদ্যুতি ছড়ানো মৃত্যুপরোয়ানা, ইন্দিরা অনেক রাতে জেগে ওঠা মৃদু আলোর সাঁতার, ইন্দিরা গাছের পাতার ফাঁকে ঝিম ধরে থাকা লক্ষীপ্যাঁচা, ইন্দিরা চাঁদের তলদেশে জমে ওঠা হিংসুটে জ্যোৎসা, ইন্দিরা আকাশের গায়ে শুয়ে থাকা বেনীআসহকলা, ইন্দিরা ঘুমচোখে জেগে ওঠা সকালের মন্দির, ইন্দিরা স্কুল থেকে ফিরিয়ে আনা রঙিন কাগজে মোড়ানো টকটকে চকলেট, ইন্দিরা নারকেল পাতা দিয়ে বানানো ঘড়ি-চশমা, ইন্দিরা চোখের নিচে জমে ওঠা দুপুরের নরম উদাসীনতা, ইন্দিরা হারিয়ে যাওয়া 'প্রীতিলতা' বইটা, ইন্দিরা হলুদ ফিতায় বন্দি এলোমেলো চুল, ইন্দিরা চোরকাটায় ছেয়ে যাওয়া বিকেলের মাঠ, ইন্দিরা কলাবতী ফুলের উন্মনা পাঁপড়ি, ইন্দিরা সার্কাস দলের সঙ্গে চলে যাওয়া ঝলমলে রাত, ইন্দিরা সেফটিফিন দিয়ে আটকে রাখা ভীরু ইচ্ছা, ইন্দিরা আত্ম*হত্যার সামান্য চিরকুট......
এই বইয়ের প্রতিটা গল্পই আমাদের জন-জীবনের। আমাদেরই গল্প কিংবা আমাদের আশেপাশে থাকা অসংখ্য মানুষের গল্প। প্রতিটা গল্পের নাম অনেক ইউনিক।
সবগুলোই যে সমানভাবে ভালো লেগেছে বলবো না। তবে কিছু গল্প সত্যিই অসাধারণ। "স্যাম্পণ জেনারেশন" থেকে "হলুদের গাঢ় সমাচার" জুড়ে রয়েছে এক পিছিয়ে থাকা রুগ্ন রাষ্ট্রের সুবিধাভোগী মানুষের জীবনের চৌম্বক চিত্রায়ণ।
শুরুতেই বলেছি তার বলার ভঙ্গিমা চমৎকার। উপমার এত সুন্দর ব্যবহার উনি করতে জানেন। তেমনই একটি উপমা " জন্মান্ধ দিনের শেষে" গল্পতে রয়েছে। আমি হুবুহু তুলে ধরলাম।
" ইন্দিরা গাবে-গাবে একাকার এক ছিপছিপে পানসী, ইন্দিরা এক দীঘল কালো টলটলে শীতল দীঘি, ইন্দিরা এক নীলদ্যুতি ছড়ানো মৃত্যুপরোয়ানা, ইন্দিরা অনেক রাতে জেগে ওঠা মৃদু আলোর সাঁতার, ইন্দিরা গাছের পাতার ফাঁকে ঝিম ধরে থাকা লক্ষীপ্যাঁচা, ইন্দিরা চাঁদের তলদেশে জমে ওঠা হিংসুটে জ্যোৎসা, ইন্দিরা আকাশের গায়ে শুয়ে থাকা বেনীআসহকলা, ইন্দিরা ঘুমচোখে জেগে ওঠা সকালের মন্দির, ইন্দিরা স্কুল থেকে ফিরিয়ে আনা রঙিন কাগজে মোড়ানো টকটকে চকলেট, ইন্দিরা নারকেল পাতা দিয়ে বানানো ঘড়ি-চশমা, ইন্দিরা চোখের নিচে জমে ওঠা দুপুরের নরম উদাসীনতা, ইন্দিরা হারিয়ে যাওয়া 'প্রীতিলতা' বইটা, ইন্দিরা হলুদ ফিতায় বন্দি এলোমেলো চুল, ইন্দিরা চোরকাটায় ছেয়ে যাওয়া বিকেলের মাঠ, ইন্দিরা কলাবতী ফুলের উন্মনা পাঁপড়ি, ইন্দিরা সার্কাস দলের সঙ্গে চলে যাওয়া ঝলমলে রাত, ইন্দিরা সেফটিফিন দিয়ে আটকে রাখা ভীরু ইচ্ছা, ইন্দিরা আত্ম*হত্যার সামান্য চিরকুট......
Displaying 1 - 6 of 6 reviews







