অনেকেই জানতে চান, সায়েন্স ফিকশন কেন শুধু বিদেশি প্রেক্ষাপটে লেখা হয়! আসলেই তো- অবশ্য এখন এই ধারা ক্রমশঃ বদলাচ্ছে। তবে আপনাদের কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে - এই যে আমাদের এই পৃথিবী, এই সৌরজগৎ, এই মহাবিশ্ব - এরকম বৃহৎ স্কেলে চিন্তা করতে গেলে দেশ-জাতির সীমানা কি আসলেও প্রাসঙ্গিক? দিন শেষে আমরা সবাই তো একই ডিএনএ বেজ দিয়ে গঠিত।
ভিন্ন সময়, ভিন্ন মহাবিশ্ব হলে ব্যাপারটা অবশ্য অন্য রকম হতে পারে, নাকি পারে না? আমরা যা দেখে অভ্যস্ত, তার বাইরে অন্য কিছু হলে, আমরা কি মেনে নেয়ার জন্য প্রস্তুত আছি বা থাকব?
এই বইয়ে মোট তেরোটি গল্প আছে। প্রিয় পাঠক, আপনি চাইলেই, প্রথম বারোটি গল্পের মধ্যে যেকোনো গল্পকে প্রথম গল্প হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন, আবার যেকোনো গল্পকে শেষ গল্প হিসেবে চিন্তা করতে পারেন। যেভাবেই পড়ুন না কেন, দেখবেন, তেরোতম গল্পে এসে সবকিছুই কীভাবে কীভাবে যেন সিঙ্গুলারিটিতে মিলে যাবে! তাই, আপনারা চাইলে 'এনট্রপি'-কে গল্পগ্রন্থ বলতে পারেন, আবার চাইলে উপন্যাসিকাও বলতে পারেন।
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি হলো ভবিষ্যতের বিজ্ঞান। আমরা বর্তমানে প্রযুক্তির যে চমকপ্রদ যুগে বাস করছি, সেই ভবিষ্যৎ বেশি দূরে নেই যেখানে এই বইয়ের গল্পগুলো যেকোনো মুহুর্তেই 'বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি'-র তকমা থেকে বেরিয়ে 'বৈজ্ঞানিক কাহিনি' হয়ে যেতে পারে।
ন্যানোটেকনোলজি, ভার্চুয়াল রিয়ালিটি, জেনেটিক মডিফিকেশন, স্পেস সায়েন্স কিংবা দপ্ করে সূর্যের নিভে যাওয়া - এগুলোই তো আমাদের ভবিষ্যৎ, তাই না?
Mayeesha Farjana is a published author of several science fictions, including "Hello Sci-Fier" & "Manush". She is doing her undergrad in Computer Science & Engineering (CSE) at Rajshahi University of Engineering & Technology (RUET). Her field of interest includes Machine Learning & Artificial Intelligence. In literature, her favourite genre encompasses science fiction, fantasy & thriller. She has received the first prize for National Essay Writing Competition on National Jute Day from former prime minister of Bangladesh.