"যে গল্প শোনা হয়নি আগে"! আসলেও আমার গল্পগুলো আগে পরিষ্কার ভাবে শোনা হয়নি। বাতিঘরে শেষ ৫-৬ বার গিয়ে আমি এমন একটা বই খুঁজেছি বহুবার কিন্তু পাইনি।কে জানতো বইমেলা থেকে এমন একটা বই কিনে পড়বো দেখেই হয়তো ওখানে আগে পাইনি। আফসোস হচ্ছে একটা বিষয়ে, আম্মু আজ সকালে গ্রামে ফিরে গেছে নাহলে আম্মুকে পড়তে দিতে পারতাম। আমি পড়া শুরু করেছি বিকালে, আম্মু প্রথম পাতার উৎসর্গটা পড়েই হয়তো কান্না করে দিতেন! সে ইতিহাস অন্য, আমার আম্মুর বড় সন্তান আমার বড় ভাই জন্মের ৩ মাসের মধ্যেই চলে গিয়েছিলো না ফেরার দেশে। আম্মুর কাছে এতোবার তাঁর চেহারার গল্প শুনেছি যে আমার মনে হলেও চোখে পানি চলে আসে। সে যাই হোক দুঃখের কথা বললেই দুঃখ বাড়ে, আল্লাহ আমার ভাইকে বেহেশত নসিব করুন আমিন।
বইয়ের প্রতি পাতা আমি কোনোবার দুইবার ও কোনোবার ৩ বার করে পড়েছি। বারংবার চোখ ভিজে উঠছিলো। পড়ার সময় আমার একবারের জন্যও মনে হয়নি জুবায়ের ভাইয়া তরুণ লেখক, বরং মনে হয়েছে বেশ ভালোই পান্ডিত্য অর্জন করেছেন এ ধরনের লেখনীতে। লেখককে কি বলে ধন্যবাদ দেয়া উচিত তা আমার বোধগম্য নয়। শুধু এটুকু বলতে চাই এরকম আরও অনেক লেখা আমি অন্তত চাই, এটা আমার দাবি। ৩ নবীর জীবন রহস্য নিয়ে খুব বেশি লেখা না হলেও যেটুকু আছে সেটুকুই আমাকে বারবার ভাবিয়েছে। বলাই বাহুল্য অনেকদিন পর এমন বই পড়লাম যা এক বসায় শেষ করে উঠেছি। এতো তথ্যবহুল বই আমি আরও অনেকবার পড়বো তা বলাই যায়।