বৃক্ষপ্রেমী গাফফার মিয়া দাবী করেন তিনি পৃথিবীর আদিতম বৃক্ষ-ভাষা বোঝেন। নিগুরাত নামক এক অদ্ভূত বনস্পতি বৃক্ষ তার বাড়িতে, যে বৃক্ষকে তিনি তার স্ত্রী বলে দাবী করছেন। যে কেউ ভাবতে পারেন, গাফফার অপ্রকৃতস্থ মানুষ। এদিকে নাহিদ রেজা দাবী করেন তিনিও বৃক্ষ-ভাষা বুঝতে পারছেন; সে বৃক্ষ বলছে, “মানুষ অর্বাচীন, নিগুরাত প্রাচীন।” গাফফারের রোগ পেয়ে বসেছে তাকেও? নাহিদ রেজা শরণাপন্ন হন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি ডিপার্টমেন্ট প্রধান সিমিন শারমীনের কাছে। সিমিন শারমীন কি শেষ পর্যন্ত পারবেন এই বৃক্ষ রহস্য সমাধান করতে?
জাহিদ হোসেনের জন্ম সিলেটে, বেড়ে উঠা ঢাকায়। পড়াশোনা করেছেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। পেশায় ব্যাংকার হলেও বইপড়ার প্রতি অসম্ভব ঝোঁক থেকেই লেখালেখিতে আগ্রহ। শুরু অনুবাদ দিয়ে। পরপর দু’টি অনুবাদ প্রকাশিত হয় তার - অ্যাম্বার রুম ও ম্যাক্সিমাম রাইডঃ দ্য অ্যাঞ্জেল এক্সপেরিমেন্ট। তারপর তিনি প্রবেশ করেন মৌলিক লেখালেখির জগতে। মৌলিক থ্রিলার হিসেবে তার প্রথম প্রয়াস ঈশ্বরের মুখোশ যা ২০১৫ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর একে একে বের হয় ফিনিক্স, কাদ্যুসেয়াস, একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে, দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব, গিলগামেশ, নৈর্ঋত, পরশুরামের কঠোর কুঠার, ইথাকা ও স্বর্গরাজ্য। লেখালেখিতে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য তিনি আলাদা পরিচিতি লাভ করেছেন।
তার প্রকাশিত বই ওপার বাংলাতেও ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত। কলকাতার অভিযান পাবলিশার্স ও বুকিকার্ট থেকে ইতিমধ্যে তার কয়েকটি বইয়ের ভারতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।