হত্যাকে শিল্পের পর্যায় নিয়ে গিয়েছে যে মানুষগুলো তাদের কিছু জনের সঙ্গে আপনাদের পরিচয় হয়েছে এই সিরিজের প্রথম বই-তে। কিন্তু ভাবুন তো সেইসব হত্যাকারীদের কথা, যারা আজও ধরা পড়েনি। তাবড় তাবড় পুলিশ অফিসার, দুদে গোয়েন্দা, সকলের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল এমন কিছু হত্যারহস্য। কিন্তু এমনই ধুরন্ধর সেই সব খুনি, এমনই তাদের নিপুণ কাজ, যে আজও তাদের শনাক্তকরণ সম্ভব হয়নি। তাহলে এরাও কি হত্যাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যায়নি? কেবল পুলিশ বা গোয়েন্দারা নয়। কত শখের গোয়েন্দা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরাও এই রহস্যগুলো সমাধানের চেষ্টা করে গেছেন বছর বছর! অনেকেই অনেকরকম যুক্তি আর সম্ভাব্য সমাধানের কথা বলেছেন। কিন্তু সেগুলো কোনোটাই একেবারে প্রমাণিত বলে ধরা হয়নি।
অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার পরিমল মজুমদার তার ছাত্র-ছাত্রীদের বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া ১৭ টি অমিমাংসিত খু*নের গল্প বলেন। পাশাপাশি তার সাথে ঘটা একটা অমিমাংসিত কেসের ঘটনাও বলেন।১৭টা রহস্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো the black dahlia, the most dangerous game,jack the ripper , মেরিলিন মনরো হত্যা রহস্য ইত্যাদি।তিন-চারটা কেসের ঘটনা লেখক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবরণ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।বাদ বাকি গল্পগুলো দায়সারাভাবে লিখে গেছে। ইন্টারনেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তাড়াহুড়ো করে শেষ করেছেন। চিন্তাভাবনা করার সময়ও পেলাম না। এছাড়া শিক্ষকের নিজের সাথে ঘটা গল্পের আগামাথা কিছুই বুঝতে পারলাম না। সবমিলিয়ে হতাশাজনক।