Jump to ratings and reviews
Rate this book

তুয়া ও ভয়ঙ্কর বিড়ালেরা

Rate this book

104 pages, Hardcover

First published February 1, 2024

Loading...
Loading...

About the author

Mashiul Alam

40 books26 followers
Mashiul Alam was born in northern Bangladesh in 1966. He graduated in journalism from the Peoples’ Friendship University of Russia in Moscow in 1993. He works at Prothom Alo, the leading Bengali daily in Bangladesh. He is the author of a dozen books including Second Night with Tanushree (a novel), Ghora Masud (a novella), Mangsher Karbar (The Meat Market, short stories), and Pakistan (short stories).

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
2 (66%)
2 stars
1 (33%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,799 reviews533 followers
November 5, 2024
ছোট নিরীহ প্রাণী, যাদের আমরা অক্লেশে মেরে ফেলি, এরা যদি হঠাৎ আকারে বড় হয়ে যায়, এরাও যদি আমাদের উল্টো মারতে শুরু করে, কেমন হবে ব্যাপারটা ?অকারণে বিড়াল, কুকুর মেরে ফেললে মানুষ তো নিজে "ঘাতক" হয় না; বিড়াল মানুষ মারলে সে কি বলে অভিহিত হবে? বিষয়টা নিঃসন্দেহে চিন্তা উদ্রেককারী।মশিউল আলম প্রথমে গুরুগম্ভীর, পরে হালকা চালে এ বিষয় নিয়ে ছোটদের জন্য একটা ফ্যান্টাসি লিখেছেন। মজা পেয়েছি পড়ে। যাদের জন্য লেখা হয়েছে ওরা নিশ্চয়ই আরো বেশি মজা পাবে।
Profile Image for Rizwan Khalil.
381 reviews614 followers
March 16, 2024
কিশোর উপন্যাসটির শুরুটা বেশ ইন্টারেস্টিং ছিল, আর ষাট পৃষ্ঠা অবধি যথেষ্ট চমকপ্রদ সব কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনার ঘনঘটার মধ্য দিয়ে গল্প এগুচ্ছিল। কিন্তু এরপরেই বইটা হুট করে আউট অফ লেফট ফিল্ড মোড় নিয়ে পুরোপুরি অন্য পথে চলে গেলো, যেন মোটামুটি সেমি সিরিয়াস কিশোর উইয়ার্ড থ্রিলার (স্ট্রেঞ্জার থিংস বা গ্রেমলিনসের মতো) ঝপ করে ডিজনি পশুপাখির কার্টুন জগতে ঢুকে পড়লো, রীতিমত নাচগান-স্ল্যাপস্টিক হাস্যকৌতুক সহ! আবহের সেই ১৮০ ডিগ্রি বৈপরীত্যের টোনাল হুইপল্যাশের সঙ্গে যখন মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি তখনই কাহিনি আর কিছুদূর যেতে না যেতে আবার ঝপ করে এক্কেবারে আরেকদিকে মোড় নিলো, এবং এখন পর্যন্ত ঘটা সমস্ত দুর্বোধ্য ঘটনাপ্রবাহের কোনো প্রকার ব্যাখ্যা না দিয়েই, আগের প্রায় সমস্ত ঝুলতে থাকা ঘটনার সুতো ওভাবেই অসমাপ্ত রেখে সম্পূর্ণ আগামাথাহীন একটা যেনতেনপ্রকারেন "কিউটি" মার্কা শিশুভুলানো সমাপ্তি টেনে বইটা শেষ হয়ে গেলো। আমি তো পুরাই বেকুব হয়ে বসে আছি। এইটা কী হইলো??

ধারণা করছি শক্তিমান বড়দের গল্পকার প্রিয় লেখক মশিউল আলম উপন্যাসটি দীর্ঘদিন ফেলে রেখে রেখে তিন-চার বারে লিখেছেন, এবং প্রতিবার যে চিন্তা নিয়ে লিখেছেন সেটা আগের চিন্তাধারার থেকে পুরোপুরি ভিন্ন, কিন্তু তিনি সেসব ভিন্নতার মধ্যে কাহিনিগত/আবহগত সাযুজ্য করার ন্যুনতম চেষ্টাও করেননি। আর শেষে গিয়ে হয় উপলব্ধি হয়েছে কাহিনিটা বেশি বড় বা জটিল হয়ে যাচ্ছে (বাচ্চাদের বই যখন!), অথবা লজিক্যাল ক্লাইমেক্স কী হতে পারে তা মাথা থেকে কোনো আইডিয়া আসছিল না তাই চিন্তাভাবনায় অহেতুক সময় নষ্ট না করে সমস্ত ঘটনাক্রমের সাথে সমন্বয়বিবর্জিত, কোনো কিছু জোড়াতালি দেয়ারও বিন্দুমাত্র চেষ্টা না করে একটা সম্পূর্ণ ননসেন্সিক্যাল কিউট হ্যাপি এন্ডিং দিয়েই ঝামেলা শেষ। যত্তসব। মেজাজটাই একদম নষ্ট হয়ে গেছে। প্রবল সম্ভাবনাময় এক অনানুমেয় উত্তেজনাকর (প্রথমার্ধ নি:সন্দেহে) কিশোর উপন্যাসের কী করুণ ডাস্টবিনে পতিত হওয়া মৃত্যু!

আমার রেটিং: ১.৫/৫
Profile Image for Arifur Rahman Nayeem.
217 reviews114 followers
February 21, 2024
বাসার অদূরে নতুন বইয়ের দোকান হয়েছে। যার তত্ত্বাবধানে হয়েছে, তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রভাষক। সুতরাং বইয়ের সংগ্রহ যে দারুণ সমৃদ্ধ তা লেখাই বাহুল্য। দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার হলো, আমার লোভাতুর দৃষ্টি যে বইগুলোর দিকে পড়েছে সেগুলো স্বত্বাধিকারীর ব্যক্তিগত সংগ্রহের বলে কিনতে পারছি না এবং সদস্য হয়ে বই বাসায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও এখনো চালু হয়নি। দোকানে বসে পড়াই তাই একমাত্র বিকল্প। আমার সমস্যা হচ্ছে, আমি দোকানে বসে বই পড়তে পারি না। ঢাকা বাতিঘরে পড়ার জন্য বসতেই ইচ্ছে করেনি। তুলনামূলকভাবে সিলেট বাতিঘরের পরিবেশ অনেক নিরিবিলি হওয়া সত্ত্বেও আমার পড়ায় ঘনঘন বিঘ্ন ঘটে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, খাটে শুয়ে দেয়ালে পা তুলে বা উপুড় হয়ে বুকের নিচে বালিশ দিয়ে বা ফ্লোরে চিত হয়ে জানালায় পা তুলে বা চেয়ারে বসে টেবিলে কিংবা চেয়ারে বসে ব্যালকনির গ্রিলে অথবা চেয়ারে বসে ছাদের রেলিংয়ে পা রেখে বই পড়ায় অভ্যস্ত আমি সিধা হয়ে ভদ্রস্থভাবে কোথাও বসে বই পড়বই-বা কীভাবে! কিন্তু মানুষ তো অভ্যাসের দাস। আর এই অভ্যাসটা ভালো। অভ্যাস গড়ে তুলতে তাই নিয়মিত বই পড়তে যাব বলে ঠিক করেছি (টানা তিন দিন ধরে যাচ্ছিও)। গভীর অভিনিবেশ দাবি করে এমন বই ব্যতিরেকে প্রথমদিকে হালকা ধরনের কিছু পড়াটা কার্যকরী পন্থা হবে ধরে নিয়ে অতিসম্প্রতি প্রকাশিত মশিউল আলমের ‘তুয়া ও ভয়ঙ্কর বিড়ালেরা’ তুলে নিয়েছিলাম হাতে। ভালোয় ভালোয় শেষ করেছি এবং পড়ে বেশ মজাও পেয়েছি। বইয়ের শিরোনাম, ঘরানা ও প্রচ্ছদ দেখে যা ধারণা করেছিলাম গল্প আসলে পুরোপুরি সে রকম নয়; কিছুটা ভিন্ন ও প্রত্যাশার চেয়ে ভালো। যাদের কথা মাথায় রেখে উপন্যাসটি লেখা তারা নিশ্চয়ই আরও বেশি আনন্দ পাবে। নিয়াজ চৌধুরী তুলির আঁকা প্রচ্ছদটি কচিকাঁচাদের সহজেই আকৃষ্ট করার মতো। বইটার প্রকাশক মাওলা ব্রাদার্স।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews