What do you think?


নিশুতি
কালিম্পং-এ বেড়াতে গেছে সাতটা ফ্যামিলি। বাস খারাপ হয়ে গেল রাস্তায় মাঝরাতে। অন্ধকারে বাসটা খারাপ হবার আর জায়গা পেল না? তাও আবার পাহাড়ে! রাতের এমন একটা সময়ে বাসটা খারাপ হল যখন বাইরে থেকে কোনো সাহায্য লাভের আশা করাও সম্ভব নয়। রাস্তার পাশে একটা বাড়ি পাওয়া গেল যেখানে বাসের যাত্রীরা রাত্রিবাসের জন্য প্রস্তুতি নিল। কিন্তু সময় কাটবে কী করে? শুরু হল টুথ এন্ড ডেয়ার খেলা। আর খেলতে গিয়েই ওরা মুখোমুখি হতে শুরু করল একটার পর একটা ভয়ংকর অপ্রিয় সত্যের। যে সত্যের সামনে দাঁড়ানোর কথা কোনোদিন স্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। জীবনের একটা রাতেই এমন সব হাড় হিম করা অভিজ্ঞতা হল তাদের... নাহ্। বলবো না। পড়তে শুরু করুন।
- GenresHorror
120 pages, Hardcover
Published January 1, 2024
About the author
Abhik Dutta
82 books94 followersজন্ম ১০ই অক্টোবর ১৯৮৫।
মফস্বল শহর অশোকনগরে বেড়ে ওঠা। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন হেরিটেজ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে। ছোটবেলা থেকেই পড়ার বইয়ের পাশাপাশি গল্পের বইয়ের নেশা ছিল। লেখার নেশা জাঁকিয়ে বসে কলেজে পড়াকালীন৷ ওই সময়েই "আদরের নৌকা" লিটল ম্যাগ প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্য জগতে প্রবেশ। প্রথম বই ২০০৮ সালের বইমেলাতে প্রকাশিত হয় , "এক কুড়ি গল্প"। পরবর্তী কালে অফিস থেকে ফিরে ফেসবুকে লিখতে বসা এবং ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পাওয়া।
গান গাইবার পাশাপাশি ঘুরতে, ফটোগ্রাফি করতে ভালবাসেন লেখক।
মফস্বল শহর অশোকনগরে বেড়ে ওঠা। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন হেরিটেজ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে। ছোটবেলা থেকেই পড়ার বইয়ের পাশাপাশি গল্পের বইয়ের নেশা ছিল। লেখার নেশা জাঁকিয়ে বসে কলেজে পড়াকালীন৷ ওই সময়েই "আদরের নৌকা" লিটল ম্যাগ প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্য জগতে প্রবেশ। প্রথম বই ২০০৮ সালের বইমেলাতে প্রকাশিত হয় , "এক কুড়ি গল্প"। পরবর্তী কালে অফিস থেকে ফিরে ফেসবুকে লিখতে বসা এবং ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পাওয়া।
গান গাইবার পাশাপাশি ঘুরতে, ফটোগ্রাফি করতে ভালবাসেন লেখক।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
March 1, 2025
গত বছরের শুরুর দিকে লেখকের 'অন্তবিহীন' পড়েছিলাম। ওই আমার অভীক দত্তে হাতেখড়ি। সিরিয়াল জগৎ নিয়ে লেখা উপন্যাসটির উগ্র সামাজিক পটভূমি আমায় খুব একটা হতাশ করেনি। ওয়ান টাইম রিড হিসেবে ভালোই লেগেছিল। কতকটা সেই থেকেই 'নিশুতি'-র প্রতি আগ্রহ। বইয়ের শুরুতেই লেখক জানিয়েছেন যে 'অন্তবিহীন' লিখতে গিয়েই এই হরর লেখাটির প্লট ওনার মাথায় খেলে। তারপর বিগত সাত-আট বছর ধরে আইডিয়াখানি ম্যারিনেট হয়ে এই উপন্যাসের জন্ম।
অগত্যা, প্রকাশকালে উনি বইটি 'অন্তবিহীন'-এর সমস্ত পাঠককে নির্দ্ধিধায় উৎসর্গ করেছেন!
গল্পের প্লটে অবশ্য তেমন কোনো নতুনত্ব নেই। ট্রাভেল এজেন্সির হাত ধরে কালিম্পং বেড়াতে যায় সাতটি ফ্যামিলি। পথে আচমকা অক্কা পায় তাদের টুরিস্ট বাস। পাহাড়ি আঁধারে শীতের রাতে উপায়ন্তর না দেখে সবাই মিলে আশ্রয় নেয় একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে। সময় কাটানোর খাতিরে শুরু হয় ট্রুথ অ্যান্ড ডেয়ার খেলা। তারপরেই নেমে আসে অলৌকিক টুইস্ট। খেলার ছলে উন্মোচিত হতে থাকে বিশ্রী সব অপ্রিয় সত্য! বলাই বাহুল্য, টেমপ্লেটখানি বহুল পরিচিত। ক্রিপিপাস্তার ঘোলাটে গলিতে দেখা মেলে প্রত্যহ।
এখানেই এক সৃজনশীল স্রষ্টার প্রকৃত পরীক্ষা। এরূপ 'খাড়া বড়ি থোর'-এ প্রাণ সঞ্চার করা চাট্টিখানি কথা নয়। তাও আবার বাংলা ভাষায়। অভীক দত্ত চেষ্টা চালিয়েছেন ঠিকই। তবে কতটা কি সফল হয়েছেন তা আলোচনা সাপেক্ষ। গল্পটি উনি বলেছেন নিজের পরিচিত স্টাইলেই। যা সিনেমাটিক ও দ্রুতগামী। যার লাইনে লাইনে দৃশ্যমান পাপের ছোবল। আঁধারের পঙ্কিল অনুদান। গা-গোলাবে অ্যাজ এক্সপেক্টেড। রাখঢাক ব্যাপারটা কোনোদিনই খুব একটা পছন্দ করেননা লেখক। বরাবরই বিশ্বাস করেন শক-ফ্যাক্টরের ওপর। এখানেও তার অন্যথা করেননি যথারীতি। আস্থা রেখেছেন উগ্রতার প্রতি।
সাজিয়েছেন এমন একটি গল্প যাতে এক বিন্দু সাহিত্যগুণ নেই। আছে বলতে, কেবল 'হইচই'-এর কোনো মোটা দাগের সিরিজ দেখার অভিজ্ঞতা ও পাঠককে ভয় দেখানোর ফাঁপা প্রচেষ্টা। আফসোস, এর সবটাই খানিক অ্যামেচারিশ মাত্রায় অঙ্কিত। গতির সন্ধানে, গল্পটিকে নিশ্বাস ফেলার সময় দেন না লেখক। দেন না বিকাশের স্বাতন্ত্র। কোনো চরিত্রই আলাদা করে দাগ কাটে না মনে। পড়ে থাকে না গল্পকথনের রেশ। এছাড়াও উপন্যাসে বেশ কিছু মৃত্যু-দৃশ্য এতটাই হাস্যকর ও শ্যালো, যে মনে হতে বাধ্য, লেখক এ জিনিস যেন বড়পর্দার জন্যেই লিখেছিলেন। স্ক্রিনপ্লে ট্রিটমেন্টের অজুহাতে এড়িয়ে গেছেন বর্ণনার সূক্ষ্ম 'তকলিফ'...
কপাল ভালো, জিনিসটা ছোট। বলিষ্ঠ হার্ডকভার। চাইলে ঘন্টা দুইয়েকে নামিয়ে দেওয়া যায়।
প্রচ্ছদটাও খাসা। শিল্পী অর্ক চক্রবর্তী। ভেতরেও কিছু অলঙ্করণ আছে অবশ্য। তবে আলাদা করে তাদের কোনো ক্রেডিট দেওয়া নেই। ব্যাপারটা ভাবায়। একটু খুঁটিয়ে দেখলে পাওয়া যায় এ.আই-এর (দৃষ্টিকটু) গন্ধ। কি আর বলি? বাঙালির আদরের বই-পাড়া। দিন বে দিন উচ্ছন্নে যাচ্ছে দায়িত্ব সহকারে। আপনি এ জিনিস দুশো টাকা খরচ করে কিনবেন কি না, সেটা আপনার ব্যাপার। তবে অপেক্ষা করতে পারেন। যেই পরিমাণে লেখক লিখে থাকেন, নিয়ার ফিউচারে ওনার একটা 'ভৌতিক অমনিবাস' বেড়িয়ে গেলে আশ্চর্য হবো না। এসব জিনিস সমগ্র-সংকলনেই মানায়। তখন আর পড়তে গিয়ে অতটা গায়ে লাগে না। এই আরকি।
(২/৫ || ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
বিঃদ্রঃ: আপাতত এই কন্সেপ্ট নিয়ে একটা সিনেমা দেখতে চাইলে, ২০১৮ সালের ইংরেজী হরর 'ট্রুথ অ্যান্ড ডেয়ার' দেখে আসতে পারেন। যদিও রদ্দি ছবি, তবুও 'লুসি হেল'-এর (মিষ্টি) উপস্থিতি গল্পের যাবতীয় খামতি একটু হলেও পুষিয়ে দেয়। (If you know you know!)
অগত্যা, প্রকাশকালে উনি বইটি 'অন্তবিহীন'-এর সমস্ত পাঠককে নির্দ্ধিধায় উৎসর্গ করেছেন!
গল্পের প্লটে অবশ্য তেমন কোনো নতুনত্ব নেই। ট্রাভেল এজেন্সির হাত ধরে কালিম্পং বেড়াতে যায় সাতটি ফ্যামিলি। পথে আচমকা অক্কা পায় তাদের টুরিস্ট বাস। পাহাড়ি আঁধারে শীতের রাতে উপায়ন্তর না দেখে সবাই মিলে আশ্রয় নেয় একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে। সময় কাটানোর খাতিরে শুরু হয় ট্রুথ অ্যান্ড ডেয়ার খেলা। তারপরেই নেমে আসে অলৌকিক টুইস্ট। খেলার ছলে উন্মোচিত হতে থাকে বিশ্রী সব অপ্রিয় সত্য! বলাই বাহুল্য, টেমপ্লেটখানি বহুল পরিচিত। ক্রিপিপাস্তার ঘোলাটে গলিতে দেখা মেলে প্রত্যহ।
এখানেই এক সৃজনশীল স্রষ্টার প্রকৃত পরীক্ষা। এরূপ 'খাড়া বড়ি থোর'-এ প্রাণ সঞ্চার করা চাট্টিখানি কথা নয়। তাও আবার বাংলা ভাষায়। অভীক দত্ত চেষ্টা চালিয়েছেন ঠিকই। তবে কতটা কি সফল হয়েছেন তা আলোচনা সাপেক্ষ। গল্পটি উনি বলেছেন নিজের পরিচিত স্টাইলেই। যা সিনেমাটিক ও দ্রুতগামী। যার লাইনে লাইনে দৃশ্যমান পাপের ছোবল। আঁধারের পঙ্কিল অনুদান। গা-গোলাবে অ্যাজ এক্সপেক্টেড। রাখঢাক ব্যাপারটা কোনোদিনই খুব একটা পছন্দ করেননা লেখক। বরাবরই বিশ্বাস করেন শক-ফ্যাক্টরের ওপর। এখানেও তার অন্যথা করেননি যথারীতি। আস্থা রেখেছেন উগ্রতার প্রতি।
সাজিয়েছেন এমন একটি গল্প যাতে এক বিন্দু সাহিত্যগুণ নেই। আছে বলতে, কেবল 'হইচই'-এর কোনো মোটা দাগের সিরিজ দেখার অভিজ্ঞতা ও পাঠককে ভয় দেখানোর ফাঁপা প্রচেষ্টা। আফসোস, এর সবটাই খানিক অ্যামেচারিশ মাত্রায় অঙ্কিত। গতির সন্ধানে, গল্পটিকে নিশ্বাস ফেলার সময় দেন না লেখক। দেন না বিকাশের স্বাতন্ত্র। কোনো চরিত্রই আলাদা করে দাগ কাটে না মনে। পড়ে থাকে না গল্পকথনের রেশ। এছাড়াও উপন্যাসে বেশ কিছু মৃত্যু-দৃশ্য এতটাই হাস্যকর ও শ্যালো, যে মনে হতে বাধ্য, লেখক এ জিনিস যেন বড়পর্দার জন্যেই লিখেছিলেন। স্ক্রিনপ্লে ট্রিটমেন্টের অজুহাতে এড়িয়ে গেছেন বর্ণনার সূক্ষ্ম 'তকলিফ'...
কপাল ভালো, জিনিসটা ছোট। বলিষ্ঠ হার্ডকভার। চাইলে ঘন্টা দুইয়েকে নামিয়ে দেওয়া যায়।
প্রচ্ছদটাও খাসা। শিল্পী অর্ক চক্রবর্তী। ভেতরেও কিছু অলঙ্করণ আছে অবশ্য। তবে আলাদা করে তাদের কোনো ক্রেডিট দেওয়া নেই। ব্যাপারটা ভাবায়। একটু খুঁটিয়ে দেখলে পাওয়া যায় এ.আই-এর (দৃষ্টিকটু) গন্ধ। কি আর বলি? বাঙালির আদরের বই-পাড়া। দিন বে দিন উচ্ছন্নে যাচ্ছে দায়িত্ব সহকারে। আপনি এ জিনিস দুশো টাকা খরচ করে কিনবেন কি না, সেটা আপনার ব্যাপার। তবে অপেক্ষা করতে পারেন। যেই পরিমাণে লেখক লিখে থাকেন, নিয়ার ফিউচারে ওনার একটা 'ভৌতিক অমনিবাস' বেড়িয়ে গেলে আশ্চর্য হবো না। এসব জিনিস সমগ্র-সংকলনেই মানায়। তখন আর পড়তে গিয়ে অতটা গায়ে লাগে না। এই আরকি।
(২/৫ || ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
বিঃদ্রঃ: আপাতত এই কন্সেপ্ট নিয়ে একটা সিনেমা দেখতে চাইলে, ২০১৮ সালের ইংরেজী হরর 'ট্রুথ অ্যান্ড ডেয়ার' দেখে আসতে পারেন। যদিও রদ্দি ছবি, তবুও 'লুসি হেল'-এর (মিষ্টি) উপস্থিতি গল্পের যাবতীয় খামতি একটু হলেও পুষিয়ে দেয়। (If you know you know!)
January 18, 2026
একদিনেই পড়ে শেষ করেছি এই বইটি। সেটাই হওয়ার ছিল কারণ থেমে থেমে পড়ার জন্য যে বিষয়টা লেখার মধ্যে থাকতে হয়, সেটা এই বইতে ছিল না। বিষয় খুবই ভাল তবে এত তাড়াহুড়ো করে লেখা যে ঘটনার গভীরতা তেমনভাবে বোঝা যায়নি। মাঝে মাঝে ভয় পেয়েছি, ভালোই লেগেছে। এটি এমন একটি বই যা আমি কাউকে পড়ার জন্য বলতেও পারবো না আবার পড়ে সময় নষ্ট হয়েছে সেটিও বলতে পারবো না। প্রত্যেকটি চরিত্রের নিজস্ব একটি গল্প আছে, কালো দিক আছে। সেই ব্যাপারে আরো বেশি করে জানার জন্য উৎসুক ছিলাম কিন্তু তা আর হলো কই! লেখক নিশ্চই পরেরবার আরো সময় নিয়ে, সম্পূর্ণ গুছিয়ে একটা ভৌতিক উপন্যাস লিখবেন যা পড়ার সময় একটা শিহরণ খেলে যাবে। তবে হ্যাঁ আর যাই হোক, এই বইয়ের থেকে শিক্ষা নিয়ে অচেনা জায়গায়, অচেনা মানুষদের সথে কোনোরকম খেলা আমি খেলব না, ঠান্ডায় জমে মরে গেলেও না!
May 16, 2026
📕 বই~ নিশুতি
✒️ লেখক~ অভীক দত্ত
🖼️ প্রচ্ছদ~ অর্ক চক্রবর্তী
🖨️ প্রকাশনা~ বুক ফার্ম
💷 মুদ্রিত মূল্য~ ২০০/-
📋 পৃষ্ঠা~ ১২০
📝 পাঠ প্রতিক্রিয়া
কালিম্পং বেড়াতে গিয়েছে সাতটি পরিবার। পাহাড়ে রাস্তায় বাস খারাপ হয়ে গেল। রতন ট্রাভেলস এর বাস এটি। অন্ধকারে বাস খারাপ হয়ে যাওয়াতে সকলের মুখে বিরক্তি স্পষ্ট। আর বিরক্ত হবেই বা না কেন? পয়সা খরচা করে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সকলকে ঘুরতে নিয়ে আসা হয়েছে, সেক্ষেত্রে উপযুক্ত গন্তব্যে না পৌঁছে দেওয়াটা তো বিরক্তিতুল্যই হবে। রাস্তার পাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রতন একটি আস্তানার খোঁজ করতে লাগলেন, পেয়েও গেলেন একটি বাড়ি। নিজে জরিপ করে বাসায় সকল যাত্রীকে নিয়ে সেখানেই রাত্রিবাসের তোরজোর শুরু করলেন। শীতকাল, রাত অনেক বড়। তাহলে সবার সময় কিভাবে কাটবে? তিতলির কথায় উঠলো ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলা। অনেকেই রাজি হলো অনেকেই দ্বিধা করল। যারা গাইগুঁই করছিলেন তিতলির উচ্ছ্বাসের সামনে নত হতে বাধ্য হয়ে খেলতে লাগলেন। অনেকেই ঘর ছেড়ে বের হতে গেলেন, কিন্তু পারলেন না দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, কোনভাবেই তা খোলা গেল না। খেলা চলতে লাগলো, আর একটার পর একটা অপ্রিয় সত্য সকলের চোখের সামনে আসতে লাগলো। সেগুলো এতটাই গভীর, যে মৃত্যুও ঘটে গেল ঘরে। কিন্তু কেন? এমনটা হবে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। ঘরের বাতাস ভারী হয়ে আসতে লাগল। দেয়ালে ওগুলো কাদের ছায়া? তিতলি যেন নিজের মধ্যে নেই। কে তাহলে এসবের পেছনে? উত্তর জানতে পড়তে শুরু করুন “নিশুতি”।
🌼 আমার ভালো লাগা/ গল্পের প্লট বর্ণনা:
১.গল্পের ভূমিকা অংশে একজন এই কাহিনী শোনানো শুরু করেছে। সেই কাহিনীর মধ্যেও চরিত্রেরা একে একে গল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।
২.গল্পটি ছোট হলেও বেশ ইমপ্যাক্ট ফেলে, কিছু কিছু জায়গা বড্ড অস্বস্তিকর, পড়ার সময় গায়ে ঘাম দেয়।
৩.গল্পের মুখ্য চরিত্র প্রথমে যিনি হয়েছেন, শেষে তিনি হয়ে গেছেন সাদামাটা একটি চরিত্র, এটা বেশ ভালো।
৪.প্রতিটা চরিত্রের মধ্যে একটা Gray Shaded Thinking আছে। সে যখন তার বয়ান দেওয়া শুরু করে সেক্ষেত্রে পূর্ব ঘটনা উঠে আসে। অর্থাৎ একই গল্পে একই সাথে দুটি সময়ের গল্প সমান্তরালে চলছে। এই ট্রানজিশনটি বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে।
৫.মুক্তি খোঁজা। বিশেষ করে এই গল্পে এই মুক্তি অংশটিকে খুব গভীরভাবে হাইলাইট করা হয়েছে। যেমন_এক জায়গায় বলা হচ্ছে, যারা বেঁচে থাকতে চান না তারা কঠিন তপস্যা করেও মৃত্যুর সম্মুখীন হতে পারছেন না, উল্টো দিকে দেখা যায় যারা দিব্যি হেঁটে চলে বেড়াচ্ছেন মৃত্যু তাদের ওপর ঘাত প্রতিঘাত নিয়ে আসছে, It Hits Me Hardly.
৬.শেষের কিছুটা অংশ কৌশিক গাঙ্গুলীর "খাদ" ছবিটার সঙ্গে মেলে ঠিকই, তবে ওই সামান্য অংশটুকুই। আপনারা বইটা পড়ে ছবিটা দেখলে আঁচ করতে পারবেন। তার বাইরে আমার তো বেশ ভালই লাগলো পড়ে 🫠✨
✨ পাঠ রোমাঞ্চকর হলো 🙃
✍🏻লেখায়~ রহিত
✒️ লেখক~ অভীক দত্ত
🖼️ প্রচ্ছদ~ অর্ক চক্রবর্তী
🖨️ প্রকাশনা~ বুক ফার্ম
💷 মুদ্রিত মূল্য~ ২০০/-
📋 পৃষ্ঠা~ ১২০
📝 পাঠ প্রতিক্রিয়া
কালিম্পং বেড়াতে গিয়েছে সাতটি পরিবার। পাহাড়ে রাস্তায় বাস খারাপ হয়ে গেল। রতন ট্রাভেলস এর বাস এটি। অন্ধকারে বাস খারাপ হয়ে যাওয়াতে সকলের মুখে বিরক্তি স্পষ্ট। আর বিরক্ত হবেই বা না কেন? পয়সা খরচা করে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সকলকে ঘুরতে নিয়ে আসা হয়েছে, সেক্ষেত্রে উপযুক্ত গন্তব্যে না পৌঁছে দেওয়াটা তো বিরক্তিতুল্যই হবে। রাস্তার পাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রতন একটি আস্তানার খোঁজ করতে লাগলেন, পেয়েও গেলেন একটি বাড়ি। নিজে জরিপ করে বাসায় সকল যাত্রীকে নিয়ে সেখানেই রাত্রিবাসের তোরজোর শুরু করলেন। শীতকাল, রাত অনেক বড়। তাহলে সবার সময় কিভাবে কাটবে? তিতলির কথায় উঠলো ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলা। অনেকেই রাজি হলো অনেকেই দ্বিধা করল। যারা গাইগুঁই করছিলেন তিতলির উচ্ছ্বাসের সামনে নত হতে বাধ্য হয়ে খেলতে লাগলেন। অনেকেই ঘর ছেড়ে বের হতে গেলেন, কিন্তু পারলেন না দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, কোনভাবেই তা খোলা গেল না। খেলা চলতে লাগলো, আর একটার পর একটা অপ্রিয় সত্য সকলের চোখের সামনে আসতে লাগলো। সেগুলো এতটাই গভীর, যে মৃত্যুও ঘটে গেল ঘরে। কিন্তু কেন? এমনটা হবে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। ঘরের বাতাস ভারী হয়ে আসতে লাগল। দেয়ালে ওগুলো কাদের ছায়া? তিতলি যেন নিজের মধ্যে নেই। কে তাহলে এসবের পেছনে? উত্তর জানতে পড়তে শুরু করুন “নিশুতি”।
🌼 আমার ভালো লাগা/ গল্পের প্লট বর্ণনা:
১.গল্পের ভূমিকা অংশে একজন এই কাহিনী শোনানো শুরু করেছে। সেই কাহিনীর মধ্যেও চরিত্রেরা একে একে গল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।
২.গল্পটি ছোট হলেও বেশ ইমপ্যাক্ট ফেলে, কিছু কিছু জায়গা বড্ড অস্বস্তিকর, পড়ার সময় গায়ে ঘাম দেয়।
৩.গল্পের মুখ্য চরিত্র প্রথমে যিনি হয়েছেন, শেষে তিনি হয়ে গেছেন সাদামাটা একটি চরিত্র, এটা বেশ ভালো।
৪.প্রতিটা চরিত্রের মধ্যে একটা Gray Shaded Thinking আছে। সে যখন তার বয়ান দেওয়া শুরু করে সেক্ষেত্রে পূর্ব ঘটনা উঠে আসে। অর্থাৎ একই গল্পে একই সাথে দুটি সময়ের গল্প সমান্তরালে চলছে। এই ট্রানজিশনটি বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে।
৫.মুক্তি খোঁজা। বিশেষ করে এই গল্পে এই মুক্তি অংশটিকে খুব গভীরভাবে হাইলাইট করা হয়েছে। যেমন_এক জায়গায় বলা হচ্ছে, যারা বেঁচে থাকতে চান না তারা কঠিন তপস্যা করেও মৃত্যুর সম্মুখীন হতে পারছেন না, উল্টো দিকে দেখা যায় যারা দিব্যি হেঁটে চলে বেড়াচ্ছেন মৃত্যু তাদের ওপর ঘাত প্রতিঘাত নিয়ে আসছে, It Hits Me Hardly.
৬.শেষের কিছুটা অংশ কৌশিক গাঙ্গুলীর "খাদ" ছবিটার সঙ্গে মেলে ঠিকই, তবে ওই সামান্য অংশটুকুই। আপনারা বইটা পড়ে ছবিটা দেখলে আঁচ করতে পারবেন। তার বাইরে আমার তো বেশ ভালই লাগলো পড়ে 🫠✨
✨ পাঠ রোমাঞ্চকর হলো 🙃
✍🏻লেখায়~ রহিত
August 22, 2026
|| নিশুতি - অভীক দত্ত ||
একের পর এক বই শেষ করে ফেলি, রিভিউ লিখব ভেবেও গাফিলতি করি। যদিও বই পড়া অনেক কমেছে। এই বইটা অনেকদিন আগেই শেষ করেছি। যাই হোক, এটা ঠিক পাঠ প্রতিক্রিয়া নয়। শুধুমাত্র বইয়ের ছবি পোস্ট করলে কেমন একটা লাগে বলে, সাথেই বই সম্পর্কে দু-চার কথা লিখে পোস্ট করছি।
নিশুতি, শব্দটা শুনলেই প্রথমেই যা চোখে ভাসে তা হলো, কালো অন্ধকার নিস্তব্ধ এক রাত, আর সেই নিস্তব্ধতার আড়ালেই ঘটে চলেছে এমন কিছু, যা মোটেই স্বাভাবিক নয়।
নিশুতি গল্পটিও এমনই এক রাতের গল্প। কয়েকটি পরিবার একসাথে পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে আটকে পরে পাহাড়ি রাস্তায়। তারপর আশ্রয় নেয় এক পরিত্যক্ত বাড়িতে। আর সেইখানেই ট্রুথ এণ্ড ডেয়ার খেলার মাধ্যমে তাদের জীবনে নেমে আসে নিশুতি।
গল্প সুন্দরভাবে এগিয়েছে এবং গল্পটি এমনভাবেই লেখা যে পড়তে পড়তেই খুব সুন্দর কল্পনাও করা যায়। এর আগে আমি অভীকদার অনেক লেখাই পড়েছি, তবে নিশুতি আমার একদম এক ভিন্ন স্বাদের গল্প লেগেছে আগের গল্পগুলোর তুলনায়।
একের পর এক বই শেষ করে ফেলি, রিভিউ লিখব ভেবেও গাফিলতি করি। যদিও বই পড়া অনেক কমেছে। এই বইটা অনেকদিন আগেই শেষ করেছি। যাই হোক, এটা ঠিক পাঠ প্রতিক্রিয়া নয়। শুধুমাত্র বইয়ের ছবি পোস্ট করলে কেমন একটা লাগে বলে, সাথেই বই সম্পর্কে দু-চার কথা লিখে পোস্ট করছি।
নিশুতি, শব্দটা শুনলেই প্রথমেই যা চোখে ভাসে তা হলো, কালো অন্ধকার নিস্তব্ধ এক রাত, আর সেই নিস্তব্ধতার আড়ালেই ঘটে চলেছে এমন কিছু, যা মোটেই স্বাভাবিক নয়।
নিশুতি গল্পটিও এমনই এক রাতের গল্প। কয়েকটি পরিবার একসাথে পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে আটকে পরে পাহাড়ি রাস্তায়। তারপর আশ্রয় নেয় এক পরিত্যক্ত বাড়িতে। আর সেইখানেই ট্রুথ এণ্ড ডেয়ার খেলার মাধ্যমে তাদের জীবনে নেমে আসে নিশুতি।
গল্প সুন্দরভাবে এগিয়েছে এবং গল্পটি এমনভাবেই লেখা যে পড়তে পড়তেই খুব সুন্দর কল্পনাও করা যায়। এর আগে আমি অভীকদার অনেক লেখাই পড়েছি, তবে নিশুতি আমার একদম এক ভিন্ন স্বাদের গল্প লেগেছে আগের গল্পগুলোর তুলনায়।
October 5, 2024
Avik Dutta er first book porlam. did not enjoy the book-
1. flow of writing is very poor. ambience describe kora hoini valo kore.
2. plot valo but puro storyline ta ekdom ee jomeni. Kichhu kicchu jaiga khub immature. Eg. ekjon lok 4 te children ke rape korechhe, sei lok ta naki shiure uthcche eta shune je arekjon ekta meyer bra churi kore niye sekhane masturbate kore- psychologically akdom ee immature lekha.
banan bhul nei, which is a plus point.
Author ke advice korbo uni jeno time niye, research kore tarpor lekhen. But anyway, I will stay away from his writings, at least his horror writings from now on. He has written some other books, which I haven't read so far; but I would not recommend Nishuti.
1. flow of writing is very poor. ambience describe kora hoini valo kore.
2. plot valo but puro storyline ta ekdom ee jomeni. Kichhu kicchu jaiga khub immature. Eg. ekjon lok 4 te children ke rape korechhe, sei lok ta naki shiure uthcche eta shune je arekjon ekta meyer bra churi kore niye sekhane masturbate kore- psychologically akdom ee immature lekha.
banan bhul nei, which is a plus point.
Author ke advice korbo uni jeno time niye, research kore tarpor lekhen. But anyway, I will stay away from his writings, at least his horror writings from now on. He has written some other books, which I haven't read so far; but I would not recommend Nishuti.
September 22, 2026
অভীক দত্তর লেখা একসময় প্রবল নেশাখোরের মতো ফেইসবুকে পড়তাম। সে প্রায় ৭ বছর আগেকার কথা। আজ আবার তাঁর লেখা পড়লাম। অল্প পৃষ্ঠার বই, স্বভাবতই ১ দিনেই পড়ে শেষ করলাম।
"নিশুতি"- ফেলুদার ভাষায় এটাকে একটু হলেও unputdownable বলা যেতে পারে। তবে এককথায় এটি অসাধারণ কিছু না, আবার মন্দও না। মোটামুটি চলনসই একটা কাহিনী যা একবার পড়া যেতেই পারে। তবে না পড়লে যে বিশাল মিস করা হবে, এমনটাও নয়।
"নিশুতি"- ফেলুদার ভাষায় এটাকে একটু হলেও unputdownable বলা যেতে পারে। তবে এককথায় এটি অসাধারণ কিছু না, আবার মন্দও না। মোটামুটি চলনসই একটা কাহিনী যা একবার পড়া যেতেই পারে। তবে না পড়লে যে বিশাল মিস করা হবে, এমনটাও নয়।
May 25, 2024
Must read..
August 20, 2024
নিশুতি রাত্রে পড়ার জন্য উপযুক্ত। অচেনা কেউ ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলার কথা বললে সাবধানে থাকবেন...
মানুষের মনের কালো রং দিয়ে এরকম একটা রোমাঞ্চকর লেখার জন্য লেখককে কুর্ণিশ !
মানুষের মনের কালো রং দিয়ে এরকম একটা রোমাঞ্চকর লেখার জন্য লেখককে কুর্ণিশ !
April 17, 2025
খেলার মোড়কে মানব মনের কদর্য দিক গুলির সাথে ভৌতিক মোচড় ভালোই লেগেছে। একবার পড়া যেতেই পারে।
October 2, 2024
একটানা পড়ে শেষ করা যায় এমন একটি উপন্যাস বা উপন্যাসিকা ।টানটান প্লট, ভৌতিক পরিবেশ, প্রাপ্তবয়স্ক মেটেরিয়াল দিয়ে ঠাসা । ওয়েবসিরিজ টাইপ গল্প একবারে ।
পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে কিছু ফ্যামিলি রাতের বেলায় আটকে পড়ে এক জায়গায় বাস খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণে, এক পরিত্যক্ত বাড়িতে রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাদের । তারপর শুরু হয় টার্ন দ্য বটল মানে ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলা । ব্যাস এই টুকুই বলব নাহলে স্পয়লার হয়ে যাবে ।
তবে এটা পড়তে পড়তে অনেকটা খাদ সিনেমার কথা মনে পড়ছিল । খুব সুন্দর প্লট, টুইস্ট এন্ড ভৌতিক পরিবেশ এর বর্ণনা । পড়তে পড়তে আপনাদেরও অবচেতন মনের কুঠুরি থেকে অনেক কালো নোংরা উলঙ্গ সত্য হয়েত উপরে উঠে আসবে । তখন ভেবে দেখবেন এরকম পরিবেশ এ থাকলে আপনি কি করতেন ?
শুধু একটাই অভিযোগ আমার, গল্পে ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলার সময় ডেয়ার টা আর একটু বেশি হতে পারত । এমনিতেই আমি অভীক দার লেখার খুব ভক্ত, এভাবেই কলম চলুক আপনার ।
পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে কিছু ফ্যামিলি রাতের বেলায় আটকে পড়ে এক জায়গায় বাস খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণে, এক পরিত্যক্ত বাড়িতে রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাদের । তারপর শুরু হয় টার্ন দ্য বটল মানে ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলা । ব্যাস এই টুকুই বলব নাহলে স্পয়লার হয়ে যাবে ।
তবে এটা পড়তে পড়তে অনেকটা খাদ সিনেমার কথা মনে পড়ছিল । খুব সুন্দর প্লট, টুইস্ট এন্ড ভৌতিক পরিবেশ এর বর্ণনা । পড়তে পড়তে আপনাদেরও অবচেতন মনের কুঠুরি থেকে অনেক কালো নোংরা উলঙ্গ সত্য হয়েত উপরে উঠে আসবে । তখন ভেবে দেখবেন এরকম পরিবেশ এ থাকলে আপনি কি করতেন ?
শুধু একটাই অভিযোগ আমার, গল্পে ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলার সময় ডেয়ার টা আর একটু বেশি হতে পারত । এমনিতেই আমি অভীক দার লেখার খুব ভক্ত, এভাবেই কলম চলুক আপনার ।
Displaying 1 - 10 of 10 reviews








