Jump to ratings and reviews
Rate this book

তরঙ্গ ওঠে

Rate this book
সদ্য মাতৃহারা হয়েছে ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্র সায়র। প্রেমিকা হিমিকার মায়ের কাছে সে জানতে পারে তার বাবা দেবাংশুর জীবনে রয়েছে দ্বিতীয় এক নারী, জয়িতা নাগ। তিনি কি এবার আসছেন মায়ের জায়গা নিতে? প্রতিশোধস্পৃহা জেগে ওঠে সায়রের মনে। জয়িতা নাগকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ভাড়াটে খুনির সন্ধানে বেরোয়.... এভাবে কাহিনিটি টানটান উত্তেজনার মধ্যে এসে পড়লেও, তা শেষমেশ সমস্ত অস্থিরতাকে অতিক্রম করে এক সুগভীর রূপ ধারণ করে। মানুষের মনের জটিল নকশা আঁকতে শুরু করেন লেখক।

দাম্পত্য জীবনের আপাত শান্ত স্বচ্ছতার আড়ালেও যে লুকিয়ে থাকে গোপনীয়তার এক অমোঘ খেলা, একথা বলতে গিয়ে লেখক টান দিয়েছেন জীবন সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার মর্মমূলে। প্রিয়জন চলে গেলেও, ভালবাসা মায়া মমতা কিন্তু থেকে যায় পৃথিবীতে। মানুষের চাওয়ার ওপর নির্ভর না করে জীবনে তরঙ্গ ওঠে আবার, অনিবার্যভাবে। উপন্যাসের পাত্রপাত্রীরা কি পারবে তা প্রতিহত করতে, নাকি ভেসে যেতে হবে জীবনের বহমানতায়?

Hardcover

First published November 1, 2013

4 people are currently reading
54 people want to read

About the author

Sukanta Gangopadhyay

58 books82 followers
সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম ২১ জানুয়ারি ১৯৬১, হুগলির উত্তরপাড়ায়। পিতৃপুরুষ বিহারে প্রবাসী। মাতৃবংশ বাংলাদেশের দিনাজপুরে। স্কুল-কলেজের পাঠ উত্তরপাড়ায়। ফটোগ্রাফি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। একটি ফটোপ্রিন্টিং সংস্থার কারিগরি বিভাগের প্রধান। ছাত্রজীবনে লেখালিখির শুরু। দেশ পত্রিকায় প্রথম গল্প প্রকাশিত হওয়ার পর বৃহত্তর পাঠক মহলে সমাদর লাভ।শ্রেষ্ঠ উপন্যাস রচনার জন্য ১৯৯৯ ও ২০০২ আনন্দ-স্নোসেম শারদ অর্ঘ্য, শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ও শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প রচনার জন্য ২০০৩ সালে আনন্দ-ন্যাশানল ইনসিয়োরেন্স শারদ অর্ঘ্য এবং শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প রচনার জন্য ২০০৬ সালে ডেটল-আনন্দবাজার শারদ অর্ঘ্য পেয়েছেন। এ ছাড়া ১৯৯৭-এ পেয়েছেন গল্পমেলা পুরস্কার, ২০০১-এ সাহিত্যসেতু পুরস্কার, ২০০৫-এ বাংলা আকাদেমি থেকে সুতপা রায়চৌধুরী স্মারক পুরস্কার, ২০০৭-এ শৈলজানন্দ জন্মশতবর্ষ স্মারক পুরস্কার, ২০১৩-এ তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্য সম্মান, ২০১৪ সালে গজেন্দ্রকুমার মিত্র ও সুমথনাথ ঘোষ স্মৃতি পুরস্কার।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
10 (35%)
4 stars
5 (17%)
3 stars
9 (32%)
2 stars
2 (7%)
1 star
2 (7%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Bidisha Chowdhury.
48 reviews33 followers
March 30, 2022
নিজের প্রেমিকার মায়ের কাছ থেকে বাবার অবৈধ সম্পর্কের কথা জানতে পারে সদ্য মা-হারা সায়র। এদিকে স্ত্রীকে হারিয়ে নিজেও কেমন যেন অসহায় হয়ে পড়েছেন দেবাংশু। আর এসবের মাঝেই তীব্র সংকটে পড়েছেন জয়িতা। চার বছরের সম্পর্কের কাছ থেকে তার পাওয়ার আশা কোনোদিনই কিছু ছিলোনা। তবু শেষে এসে তাকে বেছে নিতে হলো আত্মহননের পথ।
জটিল মানসিক বিপর্যয়কে সুনিপুন ভাবে গল্পের মধ্যে সাজিয়েছেন লেখক। অস্তিত্বের বিপন্নতার কাছে ভালোবাসা ঠিক কতোটা প্রাধান্য পেতে পারে তার উত্তর খুঁজে চলেছে এই গল্পের প্রতিটা চরিত্র।
গল্পের মধ্যে এছাড়া বিশেষ কোনো টানাপোড়েন বা নতুনত্ব নেই। ঝরঝরে লেখার জন্য পড়তে বেশি সময় ও লাগেনা। বিষয় চির-পরিচিত হলেও,গভীরতা ছুঁতে পেরেছে অনায়াসেই।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Miss Cuckoo Reads .
8 reviews1 follower
January 22, 2022
এত জঘন্য গল্প খুব কম পড়েছি। গল্পের নায়িকা চরিত্রটিকে লেখক অত্যন্ত মহান দেখানোর চেষ্টা করেছেন যেটা একেবারেই লাগেনি। অত্যন্ত সস্তার চরিত্র মনে হয়েছে। বিবাহিত দেবাংশু মধ্যবয়সে এসে তার থেকে পনেরো বছরের ছোট জয়িতার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। এদিকে সে নিজেই জানায় যে তার বৈবাহিক জীবন অত্যন্ত সুখের ছিল। ঝগড়াঝাঁটি সেরকম বলতে ছিলনা। স্ত্রী বর্তমান থাকা কালীন জয়িতা কে বিয়ে করার কোনো বাসনা দেবাংশির ছিল না আর এই ব্যাপারটা জয়িতাও জানত। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কটাকে সে 'যথা সাধ্য' চেষ্টা করেছিল গোপন রাখার। তারা রোজ প্রায় একই জায়গায় সর্বসাধারণের মাঝেই দেখা করত।
এদিকে জয়িতা নাগের পরিবারে ছিল তার মা, এক প্রতিবন্ধী মেজবোন, অন্তঃসত্ত্বা ছোটবোন আর তার বেকার স্বামী যার স্বভাব চরিত্র একদমই ভালো ছিল না। মোটামুটি জয়িতা নাগ এর চাকরির মাইনাতেই সংসার টা চলত ।
এদিকে দেবাংশুর স্ত্রী দীপা মারা যায়। দীপাকে খুবই কম দেখানো হয়েছে এই উপন্যাসে, কিন্তু যতটুকু দেখানো হয়েছে তার মধ্যে তার চারিত্রিক দৃঢ়তা এবং ব্যক্তিত্ব আমাকে মুগ্ধ করেছে। তাদের ছেলে , সায়ন জানতে পারে জয়িতার সাথে তার বাবার সম্পর্কের কথা। সে এটাও মনে করে যে জয়িতাই হয়তো তার মা কে সেই কথা জানিয়েছে, যার কারণে তার মা অভিমানে ওষুধপত্র নিয়মিত না খেয়ে ধীরে ধীরে স্বেচ্ছামৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে নিজেকে। সে ঠিক করে যে সুপারি দিয়ে জয়িতা নাগ কে পৃথিবী থেকে সরাবে। এতক্ষণ অবধি তাও সহ্য করা যাচ্ছিল।
এর মাঝে জয়িতা ও দেবংশুর অজস্র ন্যাকামিতে ভরিয়ে ফেলা হয়েছে বইয়ের পাতা। তারপর শেষে দুম করে জয়িতার পরিবারের সাথে দেখা করে সায়ন এবং তার পরিবারের অবস্থার কথা জানতে পেরে হঠাৎ ই তার মত পরিবর্তন হয় এবং সে জয়িতা কে মেনে নেয়। অদ্ভুত লাগছে তো?? হ্যাঁ আমার ও লেগেছে। হয়তো 'মহীয়সী' জয়িতা মেয়ে হয়ে এখনও বিয়ে না করে সংসার টেনে যাচ্ছে 'নিঃস্বার্থ ভাবে' সেই ' বদান্যতা ' দেখে সায়ন তাকে ক্ষমা করে দেয়? আচ্ছা জয়িতার জায়গায় যদি একজন পুরুষ থাকতো তাহলে কি সেটা মহানুভবতা হতো নাকি তখন ' এতে আবার মহত্বের কি আছে অ্যাঁ? পুরুষমানুষের এটাই তো কর্তব্য' এই বুলি আওড়ানো হতো? কে জানে?
মাঝখানে অবশ্য জয়িতা হাত কেটে, হ্যাঁ হাত কেটেই আত্মহত্যা করার সহানুভূতি আদায় করতে মিথ্যে নাটক করেছিল ( মনে হয় সিরিয়াল দেখে শিখেছে) । নাটক বলছি তার কারণ শিরা কেটে আত্মহত্যার সাকসেস রেট বাকি সব পদ্ধতির তুলনায় অনেক কম, সেটা নিশ্চয়ই চাকুরীরত জয়িতার অবগত থাকার কথা। যাই হোক অত্যন্ত খাজা একটি উপন্যাস। এই লেখকের যে কটা উপন্যাস পড়েছি সমস্তই তাড়াহুড়ো করে শেষ করা হয়তো শারদীয়ার সীমিত পাতাসংখ্যার জন্য। এই উপন্যাস টিও ব্যতিক্রম নয়।
যাই হোক। উপন্যাস টি পড়তে বলবনা কাউকে। কিন্তু আপনার হাতে যদি অফুরন্ত সময় থাকে অথবা আপনি লেখকের অন্ধভক্তকুলের সদস্য হয়ে থাকেন তাহলে...

পুনশ্চ: পরকীয়ার উপন্যাস বলে আমার কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা আছে সেটা কিন্তু না। রাত ভ'রে বৃষ্টি আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি উপন্যাস।
Spoiler না দিলে ফ্রাস্ট্রেশন এর কারণ টা বোঝানো সম্ভব হত না অতএব...
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Anuvab Saha (dr_bibliophile).
2 reviews
August 12, 2023
তরঙ্গে ওঠে
লেখক: সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়
প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ
পৃষ্ঠা:১৬৪
মুল্য: ২০০/-

● পাঠ্য পরিচয়:উপন্যাস টি শুরু হয়েছে সায়র নামে এক কলেজ পড়ুয়া ছেলে কে নিয়ে। কিছুদিন আগে সে তার মাকে হারায়। নিজের প্রেমিকার মায়ের কাছ থেকে বাবার অবৈধ সম্পর্কের কথা জানতে পারে সদ্য মা-হারা সায়র। সায়র কিন্তু ব্যপার টা কিছুতেই মেলাতে পারে না কারণ সে দেখে এসেছে তার বাবা মায়ের সুন্দর দাম্পত্য জীবন।

এদিকে স্ত্রীকে হারিয়ে নিজেও কেমন যেন অসহায় হয়ে পড়েছেন দেবাংশু তথা সায়রের বাবা। আর এসবের মাঝেই তীব্র সংকটে পড়েছেন জয়িতা নাগ। চার বছরের সম্পর্কের কাছ থেকে তার পাওয়ার আশা কোনোদিনই কিছু ছিলোনা। এদিকে সায়র যখন পুরো ব্যপার টা অনুধাবন করে ফেলে এবং ভাবে যে তার মায়ের স্থান অন্য কেউ নিতে চলেছে তখন মেনে নিতে না পেরে জয়িতা নাগ কে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতলব করে এবং ভারাটে গুণ্ডা ঠিক করে।কি হল তারপর সায়র কি পারবে তার কার্য সিদ্ধ করতে নাকি জয়িতা নাগ নিয়ে নেবে তার মায়ের স্থান।

● পাঠ প্রতিক্রিয়া:সামাজিক প্রেক্ষাপটে লেখা সুকান্ত বাবুর খুব সুন্দর একটি উপন্যাস 'তরঙ্গ ওঠে'। লেখক এখানে খুব সুন্দর করে বলতে চেয়েছেন মানুষের জীবনে কখনো সরলরেখায় চলে না,আশে বাঁক বা তরঙ্গ যা তার সাজানো জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে যেকোন মুহূর্তে, জীবন অনিশ্চিত এবং অস্বাভাবিক কিছুই নয়। তেমনি সুখী দাম্পত্য জীবনের মধ্যে থেকেও দেবাংশু যার ধ্যান জ্ঞান ছিল তার স্ত্রী আর সন্তান, জড়িয়ে পড়েছিলো জয়িতা নামের হাতছানি তে ।

স্ত্রীর মৃত্যুর পর যেভাবে তিনি ভেঙে পড়েন আবার অপর দিকে জয়িতার সাথে সম্পর্ক থেকেও সে বেরিয়ে আসতে পারেননা এবং সমান ভাবে সন্তানের প্রতি তার দায়বদ্ধতা এই সব কিছুর মধ্যে কঠিন পরিস্থিতির শিকার হন দেবাংশু বাবু।

অপর দিকে লেখক জয়িতা নাগের মধ্যে দিয়ে একজন স্বাধীন চেতা নারী কে দেখিয়েছেন, পিতার মৃত্যুর পর সংসারের সব দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে নিজের বিয়ে টা করা হয়নি।

এনারা ছাড়াও কিছু চরিত্র মন করে, যেমন সায়র এর বান্ধবী হিমিকা যে ক্লাস 11th এ পরে এবং অত্যন্ত দৃঢ়চেতা একজন মানুষ যে সায়রকে সবদিক থেকে ভালো পরামর্শ দেয় একজন প্রকৃত বন্ধুর মতো তার পাশে থাকে।

আর একটি চরিত্র আদিত্যের থাকুমা হয়তো তিনি কানে শোনেন না বা চোখেও খুব একটা ভালো দেখতে পান না কিন্তু তার অনুভূতি গুলো প্রবল এবং বুদ্ধি ও বিবেচনার দিক থেকেও যথেষ্ট প্রগতিশীল। কাহিনীর চমক কিন্তু একবারে শেষে গিয়ে পাবেন পাঠক এবং কাহিনী এখানেই পাঠকের মনে দাগ কেটে যায়। ভালো উপন্যাস।
Profile Image for Arghadipa Chakraborty.
178 reviews5 followers
June 13, 2024
🍁 বই:- তরঙ্গ ওঠে
🍁লেখক:- সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়
🍁 প্রকাশক:- মিত্র ও ঘোষ
🍁 বর্তমান মূল্য:- ২০০ টাকা

সদ্য মাতৃহারা হয়েছে ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্র সায়র। প্রেমিকা হ��মিকার মায়ের কাছে সে জানতে পারে তার বাবা দেবাংশুর জীবনে রয়েছে দ্বিতীয় এক নারী, জয়িতা নাগ। তিনি কি এবার আসছেন মায়ের জায়গা নিতে? প্রতিশ��ধস্পৃহা জেগে ওঠে সায়রের মনে। জয়িতা নাগকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ভাড়াটে খুনির সন্ধানে বেরোয়। কি হয় এরপর? সম্ভ্রান্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা সায়র কি পারবে খুনের মত একটি নিষ্ঠুর কাজ করতে? আর এই ঘটনা যদি জানাজানি হয়ে যায়? কি হবে সায়রের পরিণতি?

এভাবে কাহিনী টানটান উত্তেজনার মধ্যে এসে পড়লেও, তা শেষমেশ সমস্ত অস্থিরতাকে অতিক্রম করে এক সুগভীর রূপ ধারণ করে। মানুষের মনের জটিল নকশা আঁকতে শুরু করেন লেখক। সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় আমার অত্যন্ত প্রিয় লেখক। ওনার লেখা পড়া শুরু করেছিলাম "সোনালী অর্কিড" দিয়ে। তারপর একে একে পড়ে ফেলি "জ্যোৎস্নাপুজো", "আরশির আকাশ", "তিস্তা যাবেই" সহ ঝিনুক-দীপকাকু সিরিজের একাধিক উপন্যাস। ওনার লেখা প্রতিবারই আমার হৃদয় স্পর্শ করে। এই উপন্যাস ও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে মাঝের অংশে মনে হচ্ছিল একই কথার পুনরাবৃত্তি বার বার ঘটছে। বাকিটা খুবই সুন্দর। লেখকের আরও লেখা পড়ার ইচ্ছে রইলো।
Profile Image for boikit Jeet.
62 reviews5 followers
May 26, 2025
সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় এর সামাজিক পটভূমি তে লেখা একটি উপন্যাস এটি ।

সায়র—ফার্স্ট ইয়ারের এক ছাত্র। সদ্য মাকে হারিয়েছে। দুঃখের ভারে ক্লান্ত সেই সায়র হঠাৎ জানতে পারে, তার বাবার জীবনে আছে এক নতুন নারী—জয়িতা নাগ। তার মনে প্রশ্ন জাগে—জয়িতা কি তবে এবার মায়ের জায়গা নিতে এসেছে? এই প্রশ্নটাই ধীরে ধীরে সায়র এর মনে জন্ম দেয় ক্রোধ, এক নিঃশব্দ প্রতিশোধস্পৃহার । সে যায় এক সুপারি কিলার এর কাছে, তার বাবার জীবন থেকে জয়িতা নাগ কে সরিয়ে দিতে । কিন্তু গল্পের চাকা ঘুরতে থাকে অন্য দিকে । এই উপন্যাসে লেখক জীবনের, মনস্তত্ত্বের সেই সব অধ্যায়ের কথা বলেছে যেটা সচরাচর কেউ লেখে না ।

ব্যক্তিগত অভিমত-
🔸লেখকের ঝরঝরে গদ্য ও গল্পের চরিত্র গঠন দারুণ, যার জন্য পড়তে আলাদা মজা এসে যায় ।
🔸 চরিত্র দের ব্যাপার এ বলতে হলে প্রথমেই আসে জয়িতা, সে কেবল সায়র এর ‘বাবার প্রেমিকা’ নয়—তিনি এক যোদ্ধা। যে সংসারের দায়িত্ব নিতে নিজের স্বপ্নগুলোকে নিঃশব্দে বিদায় জানিয়েছেন।
🔸সায়র এর বাবা দেবাংশুর চরিত্র টি বেকার লেগেছে, নিজে কোনও স্ট্যান্ড নিতে পারে না । বড্ড ইনফ্লুয়েন্সড এন্ড কমজোর মেরুদণ্ডের মানুষ ।
🔸 সায়র এর মা দীপা খুব কম পরিসরে ছিলো এই উপন্যাসে, কিন্তু যতটা ছিলো তাতেই তার চারিত্রিক গঠন ও ব্যক্তিত্ব আমায় মুগ্ধ করেছে ।
🔸 আর ভালো লেগেছে দেবাংশুর বন্ধু আদিত্যর ঠাকুমাকে । এই চরিত্র টার আরও একটু ব্যাপ্তি দরকার ছিলো ।
🔸 উপন্যাসটার ইতিবাচক পরিসমাপ্তি হলেও মনে হয়েছে একটু তাড়াতাড়ি শেষ করে দেওয়া হয়েছে, শেষের দিকে আরও একটু টানা যেত ।


এই গল্পে আমার দুজনের চরিত্র বেশি মুগ্ধ করেছে সায়র আর জয়িতা, মাঝে মাঝে ভাবছিলাম কার দিক নেব? কে ঠিক? আদিত্যর ঠাকুমাই এই প্রশ্ন মিলিয়ে দিয়েছে শেষে ।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন একটাই:
সায়র, জয়িতার মতো আমরাও কি পারি সেই তরঙ্গের মুখোমুখি হতে, না কি ভেসে যাই, নিঃশব্দে?
August 19, 2024
একদম বাজে একটি উপন্যাস! হ্যাঁ মানলাম জীবন কখনো সরল রেখায় চলেনা,তাবলে এক্সট্রা মেরিটাইল অ্যাফেয়ার কখনো তার সলিউশন হয়না। কেনো যে লেখকেরা এইসব এক্সট্রা মেরিটাইল অ্যাফেয়ার কে praise করে? এইসব গল্পে আর সিনেমায় এরকম হেপি এন্ডিং হয় বাস্তব জীবনে এইসব পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে যেকোনো একজনকে কী পরিমাণ মানসিক অবসাদে ভুগতে হয়!
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.