Jump to ratings and reviews
Rate this book

কলাবতী #7

কলাবতীর শক্তিশেল

Rate this book

110 pages, Hardcover

First published January 1, 2005

14 people want to read

About the author

Moti Nandi

86 books67 followers
Moti Nandi was a sports journalist and worked as a sports editor in Anandabazar Patrika. He was awarded the Lifetime Achievement award (2008) at a glittering ceremony to mark the grand finale of the maiden edition of the Excellence in Journalism Awards.

In his novels, he is noted for his depiction of sporting events and many of his protagonists are sports-persons. His first short story was published in Desh weekly on 1957. His story for Pujabarshiki was in Parichoy Magazine on 1985.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
11 (28%)
4 stars
15 (39%)
3 stars
11 (28%)
2 stars
1 (2%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
285 reviews22 followers
December 13, 2025
কাঁকুড়গাছি উচ্চচমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্ল্যাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে স্কুলের মেয়েদের নিয়ে নানারকম অনুষ্ঠান করার কথা ভেবেছে মলয়া মুখার্জি। সে এই স্কুলের হেডমিস্ট্রেস। মলয়া ঠিক করেছে সবাইকে নিয়ে গনতান্ত্রিক উপায়ে আয়োজন হবে। সে বলল, ”আমরা সব টিচার, গার্জেনরা, ম্যানেজিং কমিটির মেম্বাররা মিলে ঠিক করব। এজন্য একটা মিটিং ডাকতে হবে।"

স্কুলের মিটিংয়ের দিন সবার নানান মতামত শুনতে শুনতে অতিষ্ট মলয়া ছাত্রীদের তরফ থেকে উপস্থিত কলাবতী ধূপছায়াকে জিজ্ঞেস করলো, ”কলাবতী, ধূপছায়া, তোমরা কিছু বলবে?”

ধূপছায়া দাঁড়িয়ে উঠে বলল, ”বড়দি, মেয়েদের নিজেদের কিছু অনুষ্ঠান থাকা উচিত। বাইরের লোক এনে কিছু করলে লোকের ধারণা হবে এই স্কুলের মেয়েরা পড়া ছাড়া আর কিছুই পারে না। আমরাও যে অনেক কিছু পারি সেটা দেখাবার সুযোগ দেওয়া হোক।”

মলয়া তার হতাশা কাটিয়ে উঠে আগ্রহী স্বরে বলল, ”নিশ্চয় তোমরা অনুষ্ঠান করবে। কী করবে, সেটা ভেবেছ?” কলাবতী বলল, ”আমরা সায়েন্স এগজিবিশন করব, নাটক করব।” কলাবতী বলল, ”নিজেরা নাটক লিখে নিজেদের পরিচালনায় অভিনয় করব।”

’অবাক জলপান’ আবার করা যায়।” মিটিং এ বসা কলাবতীর কাকা সত্যশেখর বলে উঠল। ”তা কেন! সুকুমার রায়ের তো আরও নাটক আছে, ‘লক্ষ্মণের শক্তিশেল’ করা যায়।” কলাবতী থামামাত্র মলয়া বলল, ”কিন্তু এই যে বললে, নিজেরা নাটক লিখে অভিনয় করবে?”

অপ্রস্তুত কলাবতী কথাটা শুধরে নেওয়ার জন্য তাড়াতাড়ি বলল, ”’লক্ষ্মণের শক্তিশেল’ই যে করব এমন কোনও কথা নেই। ওটা তো আশি—নব্বই বছর আগের লেখা, তাকে অবলম্বন করে আর একটা আধুনিক শক্তিশেল তো লেখা যায়।”

”কে লিখবে, তুমি?” মলয়া বলল।

”শুধু আমি কেন, সবাই মিলে লিখব।”

”বেশ। তবে মজাটা যেন থাকে।” মলয়া রাজি হয়ে গেল।

রাতে খাওয়ার টেবলে সত্যশেখর রাজশেখরকে বলল, ”জানো বাবা, কালু নাটক লিখবে।” রাজশেখর রুটি ছিঁড়ে লাউঘন্ট দিয়ে পুঁটলি বানাচ্ছিলেন। চোখ বিস্ফারিত করে ছেলের দিকে তাকিয়ে বললেন, ”বটে! কী নিয়ে?” ”সুকুমার রায়ের ‘লক্ষ্মণের শক্তিশেল’—এর আধুনিক সংস্করণ। তাই তো রে, কালু?”

কলাবতী চামচে করে শুধুই লাউঘন্ট খাচ্ছিল, রুটি প্লেটেই পড়ে আছে। কাকার কথা যেন কানেই যায়নি। আচমকাই কলাবতী প্রশ্ন করল, ”আচ্ছা দাদু, শক্তিশেল জিনিসটা কী?”

রাজশেখরকে অপ্রতিভ দেখাল। আমতা—আমতা করে বললেন, ”রামায়ণে অবশ্য এক্সপ্লেন করে বলা নেই। শক্তি মানে তো জানিসই, পাওয়ার, জোর, স্ট্রেংথ, আর শেল মানে…অপুর মা, চট করে বাংলা অভিধানটা নিয়ে এসো তো।”

এখন কলাবতীর দাদু কাকা ওকে নাটক লিখতে কতটা সাহায্য করে দেখা যাক। শেষমেশ কলাবতীর নাটকটা কেমন হবে এবং দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখতে হলে বাকিটা তো পড়তেই হবে।


------------পাঠ প্রতিক্রিয়া-----------

মতি নন্দীর লেখা "কলাবতীর শক্তিশেল" শেষ করে আসলে বাকি বইগুলোর মতো অতটা মজা পেলাম না এবারও। এই বইটাও আসলে আমার কাছে মিডিয়াম লাগলো। অন্যান্যগুলোর মতো ভালো লাগার রেশটা শেষ পর্যন্ত রইলো না তেমন। মোটামুটি কাজ চালিয়ে নেয়া যায়। কলাবতী স্টেজে নাটকের পরিচালক হয়েছে স্কুলে কিন্তু আমার মনে হয় তারপরও আরো কিছু ইন্টারেস্টিং কাহিনী বা বিষয় এড করা যেত। এবং যথারীতি আমার মনে হলো এই বইটাও অন্যান্য বইয়ের প্লটের তুলনায় একটু ধীর গতিতে এগিয়েছে।

এই বইয়ে কলাবতীর স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মলয়া মুখার্জির ভূমিকা অবশ্য ভালোই ছিলো। কলাবতীর কাকা সত্যশেখর ও কমিক টাইম ধরে রেখেছেন মোটামুটি। যদিও এই বইয়ে স্টেজে নাটকের কারণে কলাবতীর বাড়ির অংশ কম ছিলো। শেষে গিয়ে পুরো নাটকটা লাইন বাই লাইন সংলাপ দেয়ার এমন দরকার ছিলো কী না জানি না তবে আমার বেশ বিরক্ত লেগেছে। স্কিপ করে পড়েছি।

মতি নন্দীর লেখা সবসময় ভালো লাগে আমার। আমি আসলে বলবো না বইটি খারাপ। তবে ধীর গতির এবং দূর্বলতা ছিল বর্ণনায়। সবমিলিয়ে যদি বলি এই বইটি একবারের বেশি দ্বিতীয়বার ভালো লাগার মতো নয়।

🍂বইয়ের নাম: "কলাবতীর শক্তিশেল"
🍂 লেখক: মতি নন্দী
Profile Image for Yeasmin Nargis.
197 reviews3 followers
January 5, 2026
ফিলিং নস্টালজিক, নিজের স্কুল জীবনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও এর প্রস্তুতি সহ আনুষঙ্গিক অনেক কিছু মনে পড়ে গেলো ।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.