What do you think?


Feluda #5
কৈলাসে কেলেঙ্কারি
বাদশাহী আংটির রহস্য উদ্ঘাটনের পর একের-পর-এক কত-না রহস্যের জট খুললেন ফেলুদা। সেসব রহস্য যেমন জটিল, তেমনই বৈচিত্র্যময়। ‘কৈলাসে কেলেঙ্কারি’র রহস্যের জালও নতুন ধরনের। এর পটভূমি নতুন, অপরাধ অন্য ধরনের, রহস্য উন্মোচনের পদ্ধতিও অভিনব। এলোরার বিখ্যাত কৈলাস মন্দির ও তেত্রিশটি গুহায় এক আন্তঃরাজ্য মূর্তিচোর দলের কীর্তিকলাপের জট খুলতে গিয়ে কী ধরনের অভিজ্ঞতা হল ফেলুদার, তারই বিস্ময়-জাগানো বর্ণনা এই উপন্যাসে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রচণ্ড উত্তেজনায় ভরা, এক মুহূর্তের জন্যও অন্যমনস্ক হতে দেয় না।
92 pages, Hardcover
First published January 1, 1973
About the author
Satyajit Ray
693 books1,596 followersSatyajit Ray (Bengali: সত্যজিৎ রায়) was an Indian filmmaker and author of Bengali fiction and regarded as one of the greatest auteurs of world cinema. Ray was born in the city of Calcutta into a Bengali family prominent in the world of arts and literature. Starting his career as a commercial artist, Ray was drawn into independent filmmaking after meeting French filmmaker Jean Renoir and watching Vittorio De Sica's Italian neorealist 1948 film, Bicycle Thieves.
Ray directed 36 films, including feature films, documentaries and shorts. He was also a fiction writer, publisher, illustrator, calligrapher, graphic designer and film critic. He authored several short stories and novels, primarily aimed at children and adolescents.
Ray's first film, Pather Panchali (1955), won eleven international prizes, including Best Human Documentary at the Cannes Film Festival. This film, Aparajito (1956) and Apur Sansar (1959) form The Apu Trilogy. Ray did the scripting, casting, scoring, and editing, and designed his own credit titles and publicity material. Ray received many major awards in his career, including 32 Indian National Film Awards, a number of awards at international film festivals and award ceremonies, and an Academy Award in 1992. The Government of India honoured him with the Bharat Ratna in 1992.
Early Life and Background:
Ray's grandfather, Upendrakishore Ray Chowdhury was a writer, illustrator, philosopher, publisher, amateur astronomer and a leader of the Brahmo Samaj, a religious and social movement in nineteenth century Bengal. Sukumar Ray, Upendrakishore's son and father of Satyajit, was a pioneering Bengali author and poet of nonsense rhyme and children's literature, an illustrator and a critic. Ray was born to Sukumar and Suprabha Ray in Calcutta.
Ray completed his B.A. (Hons.) in Economics at Presidency College of the University of Calcutta, though his interest was always in Fine Arts. In 1940, he went to study in Santiniketan where Ray came to appreciate Oriental Art. In 1949, Ray married Bijoya Das and the couple had a son, Sandip ray, who is now a famous film director.
Literary Works:
Ray created two of the most famous fictional characters ever in Bengali children's literature—Feluda, a sleuth in Holmesian tradition, and Professor Shonku, a genius scientist. Ray also wrote many short stories mostly centered on Macabre, Thriller and Paranormal which were published as collections of 12 stories. Ray wrote an autobiography about his childhood years, Jakhan Choto Chilam (1982). He also wrote essays on film, published as the collections: Our Films, Their Films (1976), Bishoy Chalachchitra (1976), and Ekei Bole Shooting (1979).
Awards, Honors and Recognitions:
Ray received many awards, including 32 National Film Awards by the Government of India. At the Moscow Film Festival in 1979, he was awarded for the contribution to cinema. At the Berlin Film Festival, he was one of only three to win the Silver Bear for Best Director more than once and holds the record for the most Golden Bear nominations, with seven. At the Venice Film Festival, he won a Golden Lion for Aparajito(1956), and awarded the Golden Lion Honorary Award in 1982. In 1992 he was posthumously awarded the Akira Kurosawa Award for Lifetime Achievement in Directing at the San Francisco International Film Festival.
Ray directed 36 films, including feature films, documentaries and shorts. He was also a fiction writer, publisher, illustrator, calligrapher, graphic designer and film critic. He authored several short stories and novels, primarily aimed at children and adolescents.
Ray's first film, Pather Panchali (1955), won eleven international prizes, including Best Human Documentary at the Cannes Film Festival. This film, Aparajito (1956) and Apur Sansar (1959) form The Apu Trilogy. Ray did the scripting, casting, scoring, and editing, and designed his own credit titles and publicity material. Ray received many major awards in his career, including 32 Indian National Film Awards, a number of awards at international film festivals and award ceremonies, and an Academy Award in 1992. The Government of India honoured him with the Bharat Ratna in 1992.
Early Life and Background:
Ray's grandfather, Upendrakishore Ray Chowdhury was a writer, illustrator, philosopher, publisher, amateur astronomer and a leader of the Brahmo Samaj, a religious and social movement in nineteenth century Bengal. Sukumar Ray, Upendrakishore's son and father of Satyajit, was a pioneering Bengali author and poet of nonsense rhyme and children's literature, an illustrator and a critic. Ray was born to Sukumar and Suprabha Ray in Calcutta.
Ray completed his B.A. (Hons.) in Economics at Presidency College of the University of Calcutta, though his interest was always in Fine Arts. In 1940, he went to study in Santiniketan where Ray came to appreciate Oriental Art. In 1949, Ray married Bijoya Das and the couple had a son, Sandip ray, who is now a famous film director.
Literary Works:
Ray created two of the most famous fictional characters ever in Bengali children's literature—Feluda, a sleuth in Holmesian tradition, and Professor Shonku, a genius scientist. Ray also wrote many short stories mostly centered on Macabre, Thriller and Paranormal which were published as collections of 12 stories. Ray wrote an autobiography about his childhood years, Jakhan Choto Chilam (1982). He also wrote essays on film, published as the collections: Our Films, Their Films (1976), Bishoy Chalachchitra (1976), and Ekei Bole Shooting (1979).
Awards, Honors and Recognitions:
Ray received many awards, including 32 National Film Awards by the Government of India. At the Moscow Film Festival in 1979, he was awarded for the contribution to cinema. At the Berlin Film Festival, he was one of only three to win the Silver Bear for Best Director more than once and holds the record for the most Golden Bear nominations, with seven. At the Venice Film Festival, he won a Golden Lion for Aparajito(1956), and awarded the Golden Lion Honorary Award in 1982. In 1992 he was posthumously awarded the Akira Kurosawa Award for Lifetime Achievement in Directing at the San Francisco International Film Festival.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 64 reviews
July 25, 2018
ফেলুদার গল্পগুলোর বেশিরভাগই সত্যজিৎ রায় লিখেছিলেন কোন ব্যক্তিবিশেষ কিংবা পরিবারকে ঘিরে কোন রহস্যকে নিয়ে – যেমনটা আমরা পাই "এবার কাণ্ড কেদারনাথে" কিংবা "ছিন্নমস্তার অভিশাপ" এর মত গল্পগুলোতে। "কৈলাসে কেলেঙ্কারী" সেদিক দিয়ে একটু আলাদা – এই গল্পে ফেলুদাকে লড়তে হয় এমনই একটি চক্রের সাথে, যাদের নাগাল ভারতের প্রতিটি কোণে, আর যাদের কাছ থেকে নিজেকে ও তোপসেদের মুক্ত রাখতে প্রায় পুরো গল্পজুড়েই ফেলুদাকে থাকতে হয় আমাদের অগোচরে। পাঠকদের একটু সুড়সুড়ি দেওয়ার জন্যে গল্প থেকে দুটো অনুচ্ছেদ তুলে দেই –
আর এটা ফেলুদার –
অমূল্য প্রত্নসম্পদ, সঙ্ঘবদ্ধ পাচারকারী ও গোয়েন্দা প্রদোষ চন্দ্র মিত্র… তিন ‘প’তে মিলে পাঠকদের জন্যে ফেলুদার আরেকটি দুর্দান্ত গল্প – কৈলাসে কেলেঙ্কারী ।
“কেন মুশকিল কেন?… তবে একটা কথা বলি – একটা অ্যাডভাইস, অ্যাজ এ ফ্রেন্ড – এই সব র্যাকেটের পেছনে মাঝে মাঝে এক একটা দল থাকে – গ্যাং – এবং তারা বেশ পাওয়ারফুল হয়। গায়ের জোর বলছি না। পয়সার জোর। পোজিশনের জোর। শিক্ষিত অবস্থাপন্ন লোকেরা যখন নোংরা কাজে নামে, তখন সাধারণ ক্রিমিনালদের চেয়ে তাদের বাগে আনা অনেক বেশি শক্ত হয়, জানেন তো?”
আর এটা ফেলুদার –
“(এটা) আরও বেশি প্রেশাস। চুনি পান্না পৃথিবীতে হাজার হাজার আছে, ভবিষ্যতে সংখ্যায় আরও বাড়বে। কিন্তু কৈলাসের মন্দির বা সাঁচির স্তূপ বা এলিফ্যান্টার গুহা – এসব একটা বই দুটো নেই। হাজার-দু হাজার বছর আগে আমাদের আর্ট যে হাইটে উঠেছিল সে হাইটে ওঠার কথা আজকের আর্টিস্ট ভাবতেই পারে না। সুতরাং সে যুগের আর্ট দেশে যা আছে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। যারা তাকে নষ্ট করতে চায় তারা ক্রিমিন্যাল। আমার মতে ভূবনেশ্বরের যক্ষীকে হত্যা করা হয়েছে। যে করেছে তার কঠিন শাস্তি হওয়া দরকার।”
অমূল্য প্রত্নসম্পদ, সঙ্ঘবদ্ধ পাচারকারী ও গোয়েন্দা প্রদোষ চন্দ্র মিত্র… তিন ‘প’তে মিলে পাঠকদের জন্যে ফেলুদার আরেকটি দুর্দান্ত গল্প – কৈলাসে কেলেঙ্কারী ।
August 14, 2023
নাহ, ঠিক জমলো না। কৈলাসের কেলেঙ্কারিটাকে সাধারণ বলেই মনে হল। এমনিতেই ফেলুদার মধ্যে ‘ডু নট টেল’ ব্যাপারটা বেশি। এই কেসে সেটা আরও প্রকট লাগলো। আর কেন যেন ফেলুদার অন্যান্য কেসগুলোর মত উত্তেজনা পাইনি। একবারের জন্যও অপরাধীকে ফেলুদার থ্রেট বলে মনে হয়নি। সত্যজিৎ রায় না হয়ে অন্য কারোর লেখা হলে হয়তো শেষও করতে পারতাম না। যদিও শেষে একটা টুইস্ট আছে ভালোই। তবে গল্প না জমলে টুইস্ট ভালো লাগে না অতটা। ব্যক্তিগতভাবে ফেলুদার সেরা পাঁচটা কাহিনীর মধ্যেও থাকবে না এটা।
March 9, 2017
মধ্যমনারায়ন তেল! ভুলে গিয়েছিলাম একদম এই জিনিসের কথা। বান্দার>বান্দর নহে, বান্দার> পোর্ট ❤️ আরেকটা কি ছিল? ওহ.. দাঁত-খড়কে। এখানে জটায়ূ ইংলিশটা জানতেন না। আমি জানতাম না বাংলাটা। ইংলিশ হল টুথপিক। আর? আর ‘দারুন সাসপিশাস’ লোকেদের মধ্যে এখানে ফেলুদাও রহস্যময়! ফেলুদার এই কীর্তি আমি বারবার পড়ি। ফাঁকফোকরহীন টানটান এই কাহিনীতে ফেলুদার চেয়ে জটায়ূই বেশি জায়গা জুড়ে। তার জোরালো উপস্থিতি ঘটতে থাকা চুরি, খুন, প্লেন ক্র্যাশ ও কার চেসের মধ্যেও পাঠককে সিরিয়াস হবার সুযোগ দেয় না। আরো একটা ব্যাপার মজার, নির্মাতা সত্যজিৎ লেখক সত্যজিৎ হয়ে এখানে কৈলাসে সিনেমার ক্রু আসায় ফেলুদার মুখ দিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন এই বলে যে এমন জায়গায় টাকা খাইয়ে শুটিং এর অনুমতি বের করে এরা। তখন মনে হয় যে সত্যজিৎ একারনেই সত্যজিৎ! ছবি বানানোর নামেও আইনকে কাঁচকলা দেখানো মনে হল তিনি পছন্দ করতেন না।
ফেলুদা পুন:পাঠে নতুন করে মনে পড়ে যায় অনেক কিছু। ওদিকে মনে আছে যা তাও বইয়ের পাতায় অক্ষত আছে, দেখে একধরনের শান্তি পাওয়া যায়। সবারই তো পথের পাঁচালীর দু্র্গার ‘পুতুলের বাক্স’ এর মতো একটা বাক্স থাকে। সেটা অনেকদিন পর বড়বেলায় খুলে সব ঠিকঠাক আছে দেখলে যেমন ভালো লাগে, ফেলুদার সব কান্ডকারখানা তেমনি মনের এক পুতুলের বাক্সে তোলা। মেলাদিন পর পর ধুলো ঝেড়ে দেখতে ইচ্ছা করে যে তোপসে কি তিব্বতে টিনটিন পড়ছিল? মিষ্টিটার নাম কি ডায়মন্ডা ছিল? ওম মনি পদ্মে হুম জপযন্ত্রের ভিতরে একটা কাগজে লেখা থাকতো না? মোলাকর্ডই তো নাম ছিল বাদ্যযন্ত্রটির? ক্যাপ্টেন স্পার্ক জানি কে ছিল? এরকম আরো কতো কি!
যাক, এবছর অন্তত একটা ফেলুদায় ফিরে যাওয়া হল। আবার কোনদিন কৈলাসে তোপসে, ফেলুদা আর লালমোহনবাবু কি কেলেঙ্কারির মুখোমুখি হয়েছিলেন তা আরো একবার একদিন জানতে ইচ্ছা হলে ফিরে আসব এতে।
ফেলুদা পুন:পাঠে নতুন করে মনে পড়ে যায় অনেক কিছু। ওদিকে মনে আছে যা তাও বইয়ের পাতায় অক্ষত আছে, দেখে একধরনের শান্তি পাওয়া যায়। সবারই তো পথের পাঁচালীর দু্র্গার ‘পুতুলের বাক্স’ এর মতো একটা বাক্স থাকে। সেটা অনেকদিন পর বড়বেলায় খুলে সব ঠিকঠাক আছে দেখলে যেমন ভালো লাগে, ফেলুদার সব কান্ডকারখানা তেমনি মনের এক পুতুলের বাক্সে তোলা। মেলাদিন পর পর ধুলো ঝেড়ে দেখতে ইচ্ছা করে যে তোপসে কি তিব্বতে টিনটিন পড়ছিল? মিষ্টিটার নাম কি ডায়মন্ডা ছিল? ওম মনি পদ্মে হুম জপযন্ত্রের ভিতরে একটা কাগজে লেখা থাকতো না? মোলাকর্ডই তো নাম ছিল বাদ্যযন্ত্রটির? ক্যাপ্টেন স্পার্ক জানি কে ছিল? এরকম আরো কতো কি!
যাক, এবছর অন্তত একটা ফেলুদায় ফিরে যাওয়া হল। আবার কোনদিন কৈলাসে তোপসে, ফেলুদা আর লালমোহনবাবু কি কেলেঙ্কারির মুখোমুখি হয়েছিলেন তা আরো একবার একদিন জানতে ইচ্ছা হলে ফিরে আসব এতে।
October 9, 2021
"গোয়েন্দাগিরিতে ফেল মারলে সার্কাসের চাকরি নিশ্চিত"- জটায়ুর কথাটায় খুব মজা পেয়েছি। বলাই বাহুল্য, আমাদের ফেলু মিত্তির ফেল মারেন নি!
আর এখানে জটায়ুর "তিনশো ছাপ্পান্ন মেগাটন খাস মিলিটারি স্মোক বম্ব" এর স্পেশাল মেনশন হবে! ;)
আর এখানে জটায়ুর "তিনশো ছাপ্পান্ন মেগাটন খাস মিলিটারি স্মোক বম্ব" এর স্পেশাল মেনশন হবে! ;)
December 17, 2025
এই ভালো গল্পটা নিয়ে সন্দীপ রায়ের করা ছবিটা একদম ভালো না। এটা নিয়ে কোন ভালো পরিচালক একটা ওয়েব সিরিজ করলে খুব ভালো হত।
August 5, 2023
ফেলুদা সিরিজের যা যা পড়লাম, একটা ব্যাপার কমন..ফেলুদার সাথে পাঠকের কানেকশনটা কম। গল্পের মোড় কোনদিকে যাচ্ছে, ফেলুদা কি গোয়েন্দাগিরি করলো বা তার মস্তিষ্ক কিভাবে কাজ করছে এইটা আমরা তোপসের বয়ানে যেহেতু জানতে পারি, সেজন্য গল্পের শেষে যেয়ে টুইস্টের মত করে রহস্য উন্মোচিত হয়৷ ফেলুদা আগেই সন্দেহ করেছেন, বা আসামীদের ধরতে ফেলুদা এইভাবে এইভাবে ফাঁদ পেতেছেন কিন্তু দেখা যায় জটায়ু-তপসে তা জানে না। যেহেতু তারা জানে না, তাই পাঠকও জানতে পারে পরে৷
ভালো লাগে সত্যজিৎ রায়ের লেখার গুণে। পড়তে পড়তে একটা ভ্রমণকাহিনীর ফিল পুরোদমে পাওয়া যায়। ডিরেক্টরের চোখে লেখা গল্পই যেন, চোখের সামনে ভাসে কৈলাস।
ভালো লাগে সত্যজিৎ রায়ের লেখার গুণে। পড়তে পড়তে একটা ভ্রমণকাহিনীর ফিল পুরোদমে পাওয়া যায়। ডিরেক্টরের চোখে লেখা গল্পই যেন, চোখের সামনে ভাসে কৈলাস।
April 24, 2021
জটায়ুর সঙ্গে আনা অস্ত্র প্রত্যেকবারই কাজে লাগে😀
November 19, 2020
এন্টিক জিনিসপত্রের চোরা কারবারি যেমন আগেও ছিল, এখনও আছে।
হ্যা। কৈলাসে কেলেঙ্কারি এন্টিক জিনিসের চোরা কারবারি নিয়েই যার পেছনে কাজ করছে একটি বড় চক্র। মন্দির থেকে যক্ষীর মাথা উধাও। এমন আরও অনেক চুরি হয়েছে। ফলস্বরূপ দেশীয় কারুকাজ বিদেশের মাটিতে বহুমূল্য শো পিস হিসেবে শোভা পায়।
সিধু জ্যাঠার কথায় ফেলুদা এবার এই চক্রের পিছু নিল, সাথে সঙ্গী তোপসে আর জটায়ু।
হ্যা। কৈলাসে কেলেঙ্কারি এন্টিক জিনিসের চোরা কারবারি নিয়েই যার পেছনে কাজ করছে একটি বড় চক্র। মন্দির থেকে যক্ষীর মাথা উধাও। এমন আরও অনেক চুরি হয়েছে। ফলস্বরূপ দেশীয় কারুকাজ বিদেশের মাটিতে বহুমূল্য শো পিস হিসেবে শোভা পায়।
সিধু জ্যাঠার কথায় ফেলুদা এবার এই চক্রের পিছু নিল, সাথে সঙ্গী তোপসে আর জটায়ু।
December 8, 2020
Felu and his faithful sidekicks solve a murder mystery in the majestic realms of Kailash. Action-packed and full-on brain chops from Felu is going to leave the reader quite satisfied.
My Rating - 4/5
My Rating - 4/5
July 22, 2023
এবারের গল্পটি ফেলুদার আগের গল্পগুলো থেকে বেশ আলাদা।আলাদা তো হবেই, এর আগে ফেলুদা মূলত ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিষয় নিয়ে তদন্ত করেছেন, কিন্তু এবার ফেলুদার লক্ষ্য ভারতের প্রাচীন শিল্পকর্ম চোরাকারবারিদের হাত থেকে বাঁচানো।
জুনের মাঝামাঝি বেশ অলস সময় পার করছিলো তোপশে আর ফেলুদা। এমন সময় সিধু জ্যাঠা এলেন একটা রহস্য নিয়ে। একটা মন্দির থেকে মূর্তির খন্ডিত মস্তক নিয়ে বিদেশ পাড়ি দিচ্ছেন এক সাহেব। কিন্তু ভাগ্যক্রমে বা দুর্ভাগ্যক্রমে সেই প্লেন ক্রাশ করে। ফেলুদা ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারেন তারা আসার কিছু সময় আগেই আরেকজন মূর্তি নিয়ে চলে গেছেন। তার পিছন পিছন তারা উপস্তিত হন কৈলাসে।
এবারের গল্পে আমরা অন্য এক ফেলুদাকে দেখতে পাই, বেশিরভাগ সময় ফেলুদা ছিলেন লোকচক্ষুর আড়ালে বা ছদ্মবেশে। এন্টিক শিকারি দের ধরবেন আর কসরত করতে হবে না, তাই কি হয়। গল্পে ফেলুদা কে তাই খাটতেও হয়েছে বেশ। জটায়ু'র এই উক্তিটি একেবারে আমার মনের কথা, "গোয়েন্দাগিরিতে ফেল মারলে সার্কাসের চাকরি নিশ্চিত"। তবে ফেলুদা ফেল মারবেন না, তা তো জানা কথা। এ গল্পে আরেকজন গোয়েন্দা ছিলেন ফেলুদার সাথে, তবে তার নাম বলতে পারছি না।
একটি গল্পে অনুপস্থির পর জটায়ু আবার হাজির হয়েছেন এই গল্পে। এবার তার সাতে যেনতেন অস্ত্র না, আছে রীতিমতো মিলিটারি বোম্ব। গল্প যে জমে গেছে তা তো বুঝতেই পারছেন...
জুনের মাঝামাঝি বেশ অলস সময় পার করছিলো তোপশে আর ফেলুদা। এমন সময় সিধু জ্যাঠা এলেন একটা রহস্য নিয়ে। একটা মন্দির থেকে মূর্তির খন্ডিত মস্তক নিয়ে বিদেশ পাড়ি দিচ্ছেন এক সাহেব। কিন্তু ভাগ্যক্রমে বা দুর্ভাগ্যক্রমে সেই প্লেন ক্রাশ করে। ফেলুদা ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারেন তারা আসার কিছু সময় আগেই আরেকজন মূর্তি নিয়ে চলে গেছেন। তার পিছন পিছন তারা উপস্তিত হন কৈলাসে।
এবারের গল্পে আমরা অন্য এক ফেলুদাকে দেখতে পাই, বেশিরভাগ সময় ফেলুদা ছিলেন লোকচক্ষুর আড়ালে বা ছদ্মবেশে। এন্টিক শিকারি দের ধরবেন আর কসরত করতে হবে না, তাই কি হয়। গল্পে ফেলুদা কে তাই খাটতেও হয়েছে বেশ। জটায়ু'র এই উক্তিটি একেবারে আমার মনের কথা, "গোয়েন্দাগিরিতে ফেল মারলে সার্কাসের চাকরি নিশ্চিত"। তবে ফেলুদা ফেল মারবেন না, তা তো জানা কথা। এ গল্পে আরেকজন গোয়েন্দা ছিলেন ফেলুদার সাথে, তবে তার নাম বলতে পারছি না।
একটি গল্পে অনুপস্থির পর জটায়ু আবার হাজির হয়েছেন এই গল্পে। এবার তার সাতে যেনতেন অস্ত্র না, আছে রীতিমতো মিলিটারি বোম্ব। গল্প যে জমে গেছে তা তো বুঝতেই পারছেন...
September 24, 2020
ফেলুদাকে প্রায়ই তদন্তের ব্যাপারে বাইরে যেতে হয়, তাই ওর একটা আলাদা সুটকেসে কিছু জরুরি জিনিস আগে থেকেই প্যাক করে রেডি করা থাকে। তার মধ্যে ওষুধপত্র, ফাস্ট-এড বক্স, মেক-আপ বক্স, বাইনোকুলার, ম্যাগনিফাইং গ্লাস, ক্যামেরা, ইস্পাতের তৈরি পঞ্চাশ ফুট টেপ, একটা অল-পারপাস নাইফ, নানারকম সরু সরু তারা-যা দিয়ে দরকার হলে চাবি ছাড়াই তালা-টালা খোলা যায়, একটা নিউম্যান কোম্পানির ব্র্যাড্ শ-বা রোল-প্লেন-বাসের টাইম টেবল, একটা রোড ম্যাপ, একটা লম্বা দড়ি, এক জোড়া হান্টিং বুট। এতে জায়গা যে খুব একটা বেশি নেয় তা নয়; তাই একই সুটকেসে ওর বাকি জিনিসও ধরে যায়। জামা-কাপড় বেশি নেয় না। এককালে পোশাকের শখ ছিল, এখন কমে গেছে। সিগারেট খাওয়াও দিনে বিশটা থেকে দশে নেমে গেছে। স্বাস্থের ব্যাপারে ওর চিরকালই যত্ন। যোগব্যায়াম করে, একগাদা খায় না, তবে নতুন গুড়ের সন্দেশ বা খুব ভাল মিহিদানা পেলে সংযমের তোয়াক্কা রাখে না।
November 11, 2020
জুন মাসের গরমে অলস সময় পার করছিল তাপসে আর ফেলুদা। এমন সময় রহস্য নিয়ে হাজির হন লালমোহন বাবু ওরফে জটায়ু। একটা চক্র পুরা ভারত বর্ষের বিভিন্ন মন্দিরের গা থেকে মুর্তির মাথা খুলে নিয়ে পাচার করে দিচ্ছে বিদেশীদের কাছে। অলস সময় কাটানো ফেলুদা লুফে নেয় কেসটা। কেস নিয়ে আগাতে গিয়ে ফেলুদা আর তার গ্যাং পাচারকারীকে ফলো করে চলে যায় কৈলাসে। সেখানে ঘটে আবার খুন। জমে ওঠে কাহিনী।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ বই পড়ার অভ্যাস একবারে নষ্ট হয়ে গেছে। ৩ দিনের ছুটিতে বাসায় এসে এক টানে পড়ে ফেললাম ফেলুদার ৯ নাম্বার বইটা। একবারও মনে হল না যে ব্লকে ভুগছি।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ বই পড়ার অভ্যাস একবারে নষ্ট হয়ে গেছে। ৩ দিনের ছুটিতে বাসায় এসে এক টানে পড়ে ফেললাম ফেলুদার ৯ নাম্বার বইটা। একবারও মনে হল না যে ব্লকে ভুগছি।
May 8, 2017
A Stolen Yakshi Head. A Plane Crash. A Vandal On The Loose In Ellora and An American Buys A Yakshi Head Stolen From A Bhubaneshwar Temple And Subsequently Dies In A Plane Crash. Endeavoring To Prevent The Smuggling Of Priceless Sculptures Out Of India, Feluda, Topshe And Jatayu Follow The Lead Of The Yakshi To The Ellora Caves. In any case, The Appearance Of A Bollywood Film Crew And A Sudden Murder Complicate Matters, And Feluda Must Draw On All His Investigative Skills To Solve The Case Before The Vandal Strikes Again.
September 16, 2026
এতো এতো রহস্য রোমাঞ্চ আর গোয়েন্দা গল্প পড়ার পরেও ফেলু মিত্তির যেহেতু রোমাঞ্চ অনুভব করাতে পারছে তবে তার আর রিভিউ দেওয়াই কেনো বাপু? এসব বই নিয়ে কথা বলার ধৃষ্টতা দেখাবো না; শুধু একটা কথাই বলবো, নিঃসন্দেহে পড়ে ফেলার মতো বই।
July 14, 2025
Absolute Cinema 🙌
September 29, 2021
সেরা সেরা !! ফেলুদার যত গুলো বই পড়েছি সবগুলো থেকে সেরা । সত্যজিতের এই স্টাইলটা ভাল্লাগে -- বইয়ের শেষে টুইস্ট আর গল্পের সামারি বিশ্লেষণ । এছাড়া কৈলাস মন্দির -- এলোরা গুহা -- প্রাচীন ভারত সম্পর্কে সুন্দর তথ্য পড়লাম।
September 1, 2020
কৈলাসে কেলেঙ্কারি ফেলুদা সিরিজের ৯ নং গল্প। ভুবনেশ্বরের একটি মন্দির থেকে যক্ষী এর মূর্তির মাথা হঠাৎ উধাও। সেই মূর্তির মাথা কিনলেন একজন বিদেশী। কিন্তু সেই বিদেশি মারা গেলেন প্লেন ক্র্যাশে। সেই মূর্তির মাথা হল আবার উধাও। এর পেছনে কি কোন একটি ব্যক্তির হাত নাকি সমস্ত ব্যাপারটা পেছনে রয়েছে একটি অক্টোপাস যে তার পা গুলো ছড়িয়ে দিয়েছে চারিদিকে? এই রহস্যের সমাধান করবেন এবার ফেলুদা, সঙ্গে থাকবেন তোপসে আর লালমোহন বাবু ওরফে জটায়ু।
.
গল্পটা প্রথম দিক থেকেই খুব ইন্টারেস্টিং লেগেছে, কেমন জানি একটা এডভেঞ্চারের গন্ধ। ডিটেক্টিভ স্টোরি থেকে অ্যাডভেঞ্চার নভেল বললে বেশি ভালো হয়। প্রত্যেকটি জায়গায় যেভাবে ফেলুদা একটা রহস্য ও সাসপেন্স তৈরি করতে করতে গল্পে এগোচ্ছিলেন সেটা প্রশংসনীয়। তবে গল্পে প্রথম থেকেই বুঝতে পারছিলাম অপরাধী কে, সেই অর্থে বলতে গেলে বইটা অনেকটাই প্রেডিক্টেবল। তবে যেভাবে গল্পের প্লট সাজানো হয়েছে এবং ছক কাটা হয়েছে সেটা খুবই সুন্দর। লালমোহন বাবু কে এখানে অনেক বেশি ভূমিকায় লক্ষ্য করা গেছে।
.
গল্পটা প্রথম দিক থেকেই খুব ইন্টারেস্টিং লেগেছে, কেমন জানি একটা এডভেঞ্চারের গন্ধ। ডিটেক্টিভ স্টোরি থেকে অ্যাডভেঞ্চার নভেল বললে বেশি ভালো হয়। প্রত্যেকটি জায়গায় যেভাবে ফেলুদা একটা রহস্য ও সাসপেন্স তৈরি করতে করতে গল্পে এগোচ্ছিলেন সেটা প্রশংসনীয়। তবে গল্পে প্রথম থেকেই বুঝতে পারছিলাম অপরাধী কে, সেই অর্থে বলতে গেলে বইটা অনেকটাই প্রেডিক্টেবল। তবে যেভাবে গল্পের প্লট সাজানো হয়েছে এবং ছক কাটা হয়েছে সেটা খুবই সুন্দর। লালমোহন বাবু কে এখানে অনেক বেশি ভূমিকায় লক্ষ্য করা গেছে।
August 12, 2020
ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্য হল মন্দির। এসব মন্দিরে অপূর্ব সব কারুকাজ যা পশ্চিমা বিশ্বকে অভিভূত করে। এসবের মধ্যে খুব বিখ্যাত হল প্রাচীন মূর্তি যা অনেক দামে এন্টিক হিসেবে বিক্রি হয়। এবারের গল্প এসব এন্টিকের চুরি আর চোরের দল নিয়ে। ফেলুদা সিধু জ্যাঠার অনুরোধে লাগে চোরের দলের পেছনে। চলে যায় কৈলাসের বিখ্যাত মন্দিরে। সাথে তোহ তোপসে আর জটায়ু আছেই। কৈলাসের লাশ আর চোরের রহস্য উৎঘাটিত হয় ফেলু মিত্তিরের হাতে।
August 21, 2023
কিছু ভালো না লাগলে অনায়াসে ফেলুদা নিয়ে বসে পড়া যায়। সময়টা কাটে ভালোই। কৈলাসে কেলেঙ্কারিতেও সময়টা জম্পেশ কেটেছে।
হ্যাপি রিডিং💙
হ্যাপি রিডিং💙
February 28, 2017
3.5 stars
May 24, 2016
Feluda was originally written by Satyajit Ray for the children’s magazine ‘Sandesh’. The popularity of the series was such that Ray went on to include a few adult themes in the later stories when he realized that even adults were enjoying the series.
I actually read Feluda before Agatha Christie and as such Feluda was my introduction to detective fiction. The best part of the stories is the evergreen manner of Ray’s narrative. I remember reading ‘Baadhshahi Angti’ which was written in 1960s and when I visited Lucknow in 1990s, I could still recognize the places described in the book. The other thing that I loved about the series was that in every story we learned something new – be it about geometry or about telepathy.
Absolutely and irrevocably in love with Feluda and his adventures – forever a fan.
I actually read Feluda before Agatha Christie and as such Feluda was my introduction to detective fiction. The best part of the stories is the evergreen manner of Ray’s narrative. I remember reading ‘Baadhshahi Angti’ which was written in 1960s and when I visited Lucknow in 1990s, I could still recognize the places described in the book. The other thing that I loved about the series was that in every story we learned something new – be it about geometry or about telepathy.
Absolutely and irrevocably in love with Feluda and his adventures – forever a fan.
August 3, 2021
অতি আবেগী, অতি নাটুকে, অতি কাকতালীয় ঘটনার ঘনঘটায় ভরপুর কোন থ্রিলার সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়লাম যেন!
বাদশাহী আংটি, গ্যাংটকে গন্ডগোল কিংবা সোনার কেল্লা'র 'প্রদোষ সি মিটার' প্রখর বুদ্ধি আর ব্যক্তিত্বের ধার ছাপিয়ে যেন হয়ে উঠেছে কোনো বানিজ্যিক চলচ্চিত্রের অতি 'ভাগ্যবান', অতি ক্যারিশমাটিক হিরো!
ভাগ্যিস কিছু 'জটায়ু মুহুর্ত' ছিল, ওটাই যা সান্ত্বনা।
কৈশোরের 'হিরো' ফেলুদার গল্পগুলো এই বড়বেলায় একদম শুরু থেকে ক্রমিক অনুযায়ী পড়তে গিয়ে টের পাচ্ছি ভালোলাগার সংজ্ঞা সময়ের সাথে কেমন বদলে যায়।
তো দেখা যাক পরের কিস্তিতে (রয়েল বেঙ্গল রহস্য) ফেলুদার কি হালচাল...
বাদশাহী আংটি, গ্যাংটকে গন্ডগোল কিংবা সোনার কেল্লা'র 'প্রদোষ সি মিটার' প্রখর বুদ্ধি আর ব্যক্তিত্বের ধার ছাপিয়ে যেন হয়ে উঠেছে কোনো বানিজ্যিক চলচ্চিত্রের অতি 'ভাগ্যবান', অতি ক্যারিশমাটিক হিরো!
ভাগ্যিস কিছু 'জটায়ু মুহুর্ত' ছিল, ওটাই যা সান্ত্বনা।
কৈশোরের 'হিরো' ফেলুদার গল্পগুলো এই বড়বেলায় একদম শুরু থেকে ক্রমিক অনুযায়ী পড়তে গিয়ে টের পাচ্ছি ভালোলাগার সংজ্ঞা সময়ের সাথে কেমন বদলে যায়।
তো দেখা যাক পরের কিস্তিতে (রয়েল বেঙ্গল রহস্য) ফেলুদার কি হালচাল...
June 24, 2019
'कैलास में गोलमाल' सत्यजित राय जी का फेलूदा श्रृंखला का एक उपन्यास है।
कैलास में गोलमाल एक अच्छा रोमांचक जासूसी उपन्यास है। अगर आप जासूसी उपन्यासों के शौक़ीन हैं तो यह आपको निराश नहीं करेगा।
मेरे विस्तृत विचार आप निम्न लिंक पर जाकर पढ़ सकते हैं:
कैलास में गोलमाल
कैलास में गोलमाल एक अच्छा रोमांचक जासूसी उपन्यास है। अगर आप जासूसी उपन्यासों के शौक़ीन हैं तो यह आपको निराश नहीं करेगा।
मेरे विस्तृत विचार आप निम्न लिंक पर जाकर पढ़ सकते हैं:
कैलास में गोलमाल
May 28, 2020
খানিকটা রহস্য , খানিকটা রোমানচ্চ,খানিকটা অজানা .... বেশ ভাল 😃
September 24, 2023
একটি পাথর, বলা যায় এক মহামূল্যবান পাথর। যে পাথর পাওয়া গিয়েছিল আফ্রিকার চাঁদ দেশের গহীন অরণ্যের কোনো এক পরিত্যক্ত মন্দিরের মূর্তির কাছে। ভাবতেই পারেন এ পাথরের দাম বেশ আকাশচুম্বী হবে তাহলে, হতেই পারে। আবার ৫০-৬০ বছরের কোনো এক ডাকটিকিট যা অন্য সব ডাকটিকিট থেকে আলাদা। হতেই পারে এ ডাকটিকেটের দাম ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এই পাথর আর ডাকটিকিট পেতে চায় কোনো এক ব্যাক্তি। কে সেই ব্যাক্তি ?
এ গল্পের নামকরণ একেবারেই মানানসই। কৈলাসবাবুর পাওয়া এক পাথর নিয়ে ঘটনা শুরু হয়। সেই পাথর দেয়ার জন্য হুমকি দেয়া চিঠি আসে কৈলাসবাবুর কাছে। এই পাথরকে অবলম্বন করেই ঘটে পুরো ঘটনা। তাই এ গল্পের নামকরণ সার্থক।
এ গল্পে অল্প কিছু চরিত্রের দেখা মেলে।তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কতিপয় চরিত্র নিম্নরূপঃ
ফেলুদাঃ
আসল নাম প্রদোষ মিত্র। ডিটেকটিভ সাহিত্য পড়ে পড়ে এখন নিজেই ডিটেকটিভ বনে গিয়েছে। যেখানেই যায় সেখানে ঘটে যায় অদ্ভুত কিছু। বয়স প্রায় সাতাশ হবে।
তোপসেঃ
ফেলুদার খুড়তুতো ভাই। আসল নাম তোপেসচন্দ্র। কিশোর ছেলে। ফেলুদার প্রধান সহকারী। কিশোর ছেলে। স্বভাবতই রহস্যের প্রতি তার থাকবে অগাধ কৌতুহল। আর সেই কৌতুহল বাড়িয়েছে ফেলুদার মতো রহস্যপ্রেমী শখের ডিটেকটিভ। এ গল্পের উপস্থাপক।
কৈলাস চৌধুরীঃ
গায়ের রঙ ফর্সা। নাকের তলায় সরু গোঁফ। রাজশাহীতে জমিদারি ছিল। কলকাতায় বাড়ি ছিল। পাকিস্তান হবার পর এখানে চলে এসেছে। পেশা ওকালতি। তাছাড়া শিকারী হিসেবে নামডাক আছে। দুখানা শিকারের বই লিখেছেন। এই কিছুদিন আগে জলদাপাড়া রিজার্ভ ফরেস্টে এক পাগর হাতিকে মেরে এলেন।
অবনীশঃ
কৈলাস চৌধুরীর ভাগ্নে। পাঁচ বছর হয়েছে কৈলাসবাবুর বাসায় থাকে। ডাকটিকিট সংগ্রহ করা তার প্রধান নেশা।
কেদারবাবুঃ
কৈলাসবাবুর জমজ ভাই। বিদেশে থাকতো। অনেকটা ভবঘুরে ও অমিতব্যয়ী স্বভাবের। একদম কৈলাসবাবুর বিপরীত।
কৈলাসবাবুর আফ্রিকার চাঁদ দেশের এক পরিত্যক্ত মন্দিরে পাওয়া পাথর পেতে হুমকি ভরা চিঠি আসে। সেই ঘটনার তদন্ত করার জন্য তিনি ডাকেন গোয়েন্দা প্রদোষ চন্দ্র মিত্র ওরফে ফেলু মিত্তিরকে। ঘটে যায় নানা ঘটনা। আর শেষের দিকে ভরা শুধুমাত্র টুইস্টে।
ফেলুদা সিরিজের এ গল্পটি বেশ ভালো লাগলো। কম পরিসরের হয়েও বইটি যে পরিমাণ থ্রিল দিয়েছে তা খুবই ভালো লেগেছে। আর শেষের দিকের টুইস্ট বুঝতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে।
সত্যজিৎ রায় এর লিখনশৈলী আমার কাছে অসাধারণ ঠেকে। এ গল্পে তিনি এমন কোনো অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করেননি যা পাঠকের পড়তে অধিক সময় লাগাবে। এককথায় সত্যজিৎ রায়ের লেখা দুর্দান্ত।
বইয়ের সম্পাদনা মোটামুটি ভালোই। তবে কিছু বানান ভুল রয়েই গেছে। আশা করি পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হবে। আর বইয়ে ইলাস্ট্রেশন ব্যবহার করায় বইটি আরো বেশি প্রাণবন্ত হয়েছে।
বইটির প্রোডাকশন ভালোই। তবে জ্যাকেটটি আরো কিছুটা শক্ত করলে ভালো হতো। আর প্রচ্ছদ আরো বেশি আকর্ষণীয় করলে পড়তে ভালো লাগতো।
🔹ব্যাক্তিগত রেটিংঃ ৪.৯ /৫
📌এক নজরে বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি-
🔹বইয়ের নামঃ কৈলাসবাবুর পাথর
🔹লেখকঃ সত্যজিৎ রায়
🔹জনরাঃ ডিটেকটিভ উপন্যাস
🔹প্রকাশনীঃ আনন্দ পাবলিশার্স
🔹পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৮
এ গল্পের নামকরণ একেবারেই মানানসই। কৈলাসবাবুর পাওয়া এক পাথর নিয়ে ঘটনা শুরু হয়। সেই পাথর দেয়ার জন্য হুমকি দেয়া চিঠি আসে কৈলাসবাবুর কাছে। এই পাথরকে অবলম্বন করেই ঘটে পুরো ঘটনা। তাই এ গল্পের নামকরণ সার্থক।
এ গল্পে অল্প কিছু চরিত্রের দেখা মেলে।তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কতিপয় চরিত্র নিম্নরূপঃ
ফেলুদাঃ
আসল নাম প্রদোষ মিত্র। ডিটেকটিভ সাহিত্য পড়ে পড়ে এখন নিজেই ডিটেকটিভ বনে গিয়েছে। যেখানেই যায় সেখানে ঘটে যায় অদ্ভুত কিছু। বয়স প্রায় সাতাশ হবে।
তোপসেঃ
ফেলুদার খুড়তুতো ভাই। আসল নাম তোপেসচন্দ্র। কিশোর ছেলে। ফেলুদার প্রধান সহকারী। কিশোর ছেলে। স্বভাবতই রহস্যের প্রতি তার থাকবে অগাধ কৌতুহল। আর সেই কৌতুহল বাড়িয়েছে ফেলুদার মতো রহস্যপ্রেমী শখের ডিটেকটিভ। এ গল্পের উপস্থাপক।
কৈলাস চৌধুরীঃ
গায়ের রঙ ফর্সা। নাকের তলায় সরু গোঁফ। রাজশাহীতে জমিদারি ছিল। কলকাতায় বাড়ি ছিল। পাকিস্তান হবার পর এখানে চলে এসেছে। পেশা ওকালতি। তাছাড়া শিকারী হিসেবে নামডাক আছে। দুখানা শিকারের বই লিখেছেন। এই কিছুদিন আগে জলদাপাড়া রিজার্ভ ফরেস্টে এক পাগর হাতিকে মেরে এলেন।
অবনীশঃ
কৈলাস চৌধুরীর ভাগ্নে। পাঁচ বছর হয়েছে কৈলাসবাবুর বাসায় থাকে। ডাকটিকিট সংগ্রহ করা তার প্রধান নেশা।
কেদারবাবুঃ
কৈলাসবাবুর জমজ ভাই। বিদেশে থাকতো। অনেকটা ভবঘুরে ও অমিতব্যয়ী স্বভাবের। একদম কৈলাসবাবুর বিপরীত।
কৈলাসবাবুর আফ্রিকার চাঁদ দেশের এক পরিত্যক্ত মন্দিরে পাওয়া পাথর পেতে হুমকি ভরা চিঠি আসে। সেই ঘটনার তদন্ত করার জন্য তিনি ডাকেন গোয়েন্দা প্রদোষ চন্দ্র মিত্র ওরফে ফেলু মিত্তিরকে। ঘটে যায় নানা ঘটনা। আর শেষের দিকে ভরা শুধুমাত্র টুইস্টে।
ফেলুদা সিরিজের এ গল্পটি বেশ ভালো লাগলো। কম পরিসরের হয়েও বইটি যে পরিমাণ থ্রিল দিয়েছে তা খুবই ভালো লেগেছে। আর শেষের দিকের টুইস্ট বুঝতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে।
সত্যজিৎ রায় এর লিখনশৈলী আমার কাছে অসাধারণ ঠেকে। এ গল্পে তিনি এমন কোনো অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করেননি যা পাঠকের পড়তে অধিক সময় লাগাবে। এককথায় সত্যজিৎ রায়ের লেখা দুর্দান্ত।
বইয়ের সম্পাদনা মোটামুটি ভালোই। তবে কিছু বানান ভুল রয়েই গেছে। আশা করি পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হবে। আর বইয়ে ইলাস্ট্রেশন ব্যবহার করায় বইটি আরো বেশি প্রাণবন্ত হয়েছে।
বইটির প্রোডাকশন ভালোই। তবে জ্যাকেটটি আরো কিছুটা শক্ত করলে ভালো হতো। আর প্রচ্ছদ আরো বেশি আকর্ষণীয় করলে পড়তে ভালো লাগতো।
🔹ব্যাক্তিগত রেটিংঃ ৪.৯ /৫
📌এক নজরে বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি-
🔹বইয়ের নামঃ কৈলাসবাবুর পাথর
🔹লেখকঃ সত্যজিৎ রায়
🔹জনরাঃ ডিটেকটিভ উপন্যাস
🔹প্রকাশনীঃ আনন্দ পাবলিশার্স
🔹পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৮
Read
January 25, 2021দেশের সম্পদ ও ঐতিহ্যকে যারা বিদেশে নিয়ে পাচার করে, তাদের কি সত্যিই ক্ষমা করা যায়? কখনই না!
কে বা কারা যেন ভারতীয় বিখ্যাত স্থাপত্যকর্ম চুরি করে পাচার করছে বিদেশে! সিধুজ্যাঠার ধারণা, খুব সম্ভবত এটি কোন সংঘবদ্ধ অপরাধী দলের কাজ, আর এই ভাবনার অবকাশ ঘটতে না ঘটতেই ভুবনেশ্বরের রাজারানী মন্দিরের গা থেকে চুরি হয়ে যায় মূল্যবান যক্ষীমূর্তিটি, যার সূত্র ধরে ফেলুদার পরবর্তী গমন আওরঙ্গাবাদ, কৈলাস মন্দির! আর বরাবরের মতই তার সঙ্গী হল তোপসে ও জটায়ু!
এই গল্পে ফেলুদার সুতীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ফুটে উঠেছে তার দেশপ্রেম ও দেশদ্রোহীদের প্রতি ক্ষিপ্রতাও। পাশাপাশি কেসের প্রয়োজনে নিয়েছেন বেশ কিছু ছদ্মবেশ, যা ক্রিমিনালদের চোখ ফাঁকি দিতে তাকে সাহায্য করেছিল সফলতার সাথেই। ব্যক্তিগতভাবে তোপসের ভূমিকাটা অন্যান্য গল্পের তুলনায় এই গল্পে কিছুটা ফিকে মনে হলেও জটায়ু তথা লালমোহন গাঙ্গুলী ছিলেন তার নিজস্বতায় উজ্জ্বল, কেননা বরাবরের মতই তিনি দারুণ কমিক রিলিফ এনেছেন পুরো গল্পজুড়ে, এবং কৈলাস কথাটার যে দারুণ শ্লেষালঙ্কার (pun) তিনি করেছেন কৈলাস= কই+লাশ হিসেবে, তা কতখানি সফল হল এই এডভেঞ্চারে তা পুরোটাই জানা যাবে এই গল্প পড়ে।
কে বা কারা যেন ভারতীয় বিখ্যাত স্থাপত্যকর্ম চুরি করে পাচার করছে বিদেশে! সিধুজ্যাঠার ধারণা, খুব সম্ভবত এটি কোন সংঘবদ্ধ অপরাধী দলের কাজ, আর এই ভাবনার অবকাশ ঘটতে না ঘটতেই ভুবনেশ্বরের রাজারানী মন্দিরের গা থেকে চুরি হয়ে যায় মূল্যবান যক্ষীমূর্তিটি, যার সূত্র ধরে ফেলুদার পরবর্তী গমন আওরঙ্গাবাদ, কৈলাস মন্দির! আর বরাবরের মতই তার সঙ্গী হল তোপসে ও জটায়ু!
এই গল্পে ফেলুদার সুতীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ফুটে উঠেছে তার দেশপ্রেম ও দেশদ্রোহীদের প্রতি ক্ষিপ্রতাও। পাশাপাশি কেসের প্রয়োজনে নিয়েছেন বেশ কিছু ছদ্মবেশ, যা ক্রিমিনালদের চোখ ফাঁকি দিতে তাকে সাহায্য করেছিল সফলতার সাথেই। ব্যক্তিগতভাবে তোপসের ভূমিকাটা অন্যান্য গল্পের তুলনায় এই গল্পে কিছুটা ফিকে মনে হলেও জটায়ু তথা লালমোহন গাঙ্গুলী ছিলেন তার নিজস্বতায় উজ্জ্বল, কেননা বরাবরের মতই তিনি দারুণ কমিক রিলিফ এনেছেন পুরো গল্পজুড়ে, এবং কৈলাস কথাটার যে দারুণ শ্লেষালঙ্কার (pun) তিনি করেছেন কৈলাস= কই+লাশ হিসেবে, তা কতখানি সফল হল এই এডভেঞ্চারে তা পুরোটাই জানা যাবে এই গল্প পড়ে।
September 1, 2023
The fact that Satyajit Ray was a master filmmaker shines through these stories as well. Some of the key scenes are so rich in their description, they seem more vivid than the actual film. The older I get the more I appreciate the writing - for its subtle humour, the ambience of the scenes, the plots.
An iffy point though, in this one, is how utterly unnatural Topshe's reaction is when faced with death. It's borderline cruel, how he is so unconcerned with someone's death, especially when that someone is not a bona fide criminal. I can see how to him, Feluda seems unfazed about it - Feluda is older, more focused on his work, and most importantly, his emotions are guarded nearly all the time. Topshe, in contrast, is a young boy, and the narrator of the story - whose emotions are pretty well articulated for us readers. For him to jump straight to how someone's death would make their job "easier" is just ... wrong, or disturbing.
An iffy point though, in this one, is how utterly unnatural Topshe's reaction is when faced with death. It's borderline cruel, how he is so unconcerned with someone's death, especially when that someone is not a bona fide criminal. I can see how to him, Feluda seems unfazed about it - Feluda is older, more focused on his work, and most importantly, his emotions are guarded nearly all the time. Topshe, in contrast, is a young boy, and the narrator of the story - whose emotions are pretty well articulated for us readers. For him to jump straight to how someone's death would make their job "easier" is just ... wrong, or disturbing.
October 31, 2020
সিধুজ্যাঠা ফেলুদার কাছে এসেছে একটা অনুরোধ নিয়ে। আওরঙ্গবাদের কৈলাসে প্রাচীন মূর্তির মাথা কেটে বিদেশীদের কাছে চড়া মূল্যে বিক্রি করছে কিছু ব্যবসায়ী। তাদের দমানোর জন্য ফেলুদাকে অনুরোধ করলো সিধুজ্যাঠা। একটি মাথার খোজ পাওয়া যায়। সেই মাথা নিয়ে বিদেশী দেশ থেকে উড়াল দিলেও প্ল্যান ক্র্যাশ করায় আবার নতুন সম্ভাবনা দেখা দেয়। সিদিকপুর ক্র্যাশ এর জায়গায় গিয়ে ফেলুদা আবিষ্কার করলো তার আগেই একজন লোক সেই মাথা নিয়ে গেসে । সেই লোক এর দেখাও মিলে রাস্তায়। রাস্তায় গাড়ি পাংচার হয়ে যাওয়ায় তার দেখা মিললো। সেই লোক এর নাম মি. মল্লিক। আওরঙ্গবাদ ভ্রমণ হয়। সেখানেও দেখা মিলে মল্লিক এর। সাথে মি. রক্ষিত আর শুভোঙ্কর বোস এর সাথেও পরিচয় হয় ফেলুদাদের। শুভোঙ্কর বোস এর মৃত্যু হয়, কেউ তাকে খুন করে মল্লিকের শার্টের হাতা পাওয়া যায়। হোটেল থেকে পালানোর সময় মল্লিককে মাথা সহ ধরা হয়। জানা যায় তিনি চোর না, তিনিও গোয়েন্দা। এরপর মি. রক্ষিতকে ধরা হয় যিনি শুভোঙ্কর বোস এর খুনও করে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
February 1, 2021
গল্পটা বেশ জমেছে বলা চলে...মন্দির এর পুরাকীর্তী সরিয়ে অন্যত্র পাচার করে অঢেল টাকা কামায় করার যে চক্র তাদের কে নিয়েই মূলত গল্পের প্লট। ফেলুদা অনেকটা নিজের কর্তব্য মনে করে সিধু জ্যাঠার কথা শোনার পর থেকেই রহস্য উন্মোচনে লেগে পড়েন।
প্ল্যান ক্র্যাশ এর ঘটনাস্থল থেকেই কাহিনীর বেড়াজালের বিস্তার শুরু আর এখানেই ফেলুদা সেই কুচক্রী দল কে সামদ্রিক অক্টোপাসের সঙ্গে তুলনা করে বুঝিয়ে দিয়েছেন অনেক কিছু...।
জটায়ু ও তপসে বেশ সাহসী ভূমিকা রেখেছে আর এই গল্পে ফেলুদার ছদ্মবেশ টাও বেশ রোমাঞ্চকর তুলেছে গল্পটা।
শেষ টায় একটা টুইস্ট আছে।
পড়লে বেশ মজা পাবেন।
প্ল্যান ক্র্যাশ এর ঘটনাস্থল থেকেই কাহিনীর বেড়াজালের বিস্তার শুরু আর এখানেই ফেলুদা সেই কুচক্রী দল কে সামদ্রিক অক্টোপাসের সঙ্গে তুলনা করে বুঝিয়ে দিয়েছেন অনেক কিছু...।
জটায়ু ও তপসে বেশ সাহসী ভূমিকা রেখেছে আর এই গল্পে ফেলুদার ছদ্মবেশ টাও বেশ রোমাঞ্চকর তুলেছে গল্পটা।
শেষ টায় একটা টুইস্ট আছে।
পড়লে বেশ মজা পাবেন।
December 28, 2023
ফেলুদা সিরিজের নবম কিস্তি এই উপন্যাস, এবং যথারীতি মনোমুগ্ধকর। প্রত্যেকটি উপন্যাসেই নতুন চমক। এ যাত্রায় টিনটিনের উল্লেখ রয়েছে। আর আছে ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দিরের বিস্তর কথা। জানবার কথা কিনা জানি না, তবে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে একটা ভ্রমণ করা হয়ে যায়। যারা ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসে, তাদের একজনও সত্যজিৎ রায়ের প্রসংশক না হয়ে থাকতে পারে না।।
Displaying 1 - 30 of 64 reviews































