What do you think?
Rate this book


96 pages, Hardcover
First published January 1, 1970
“বাগডোগরা বলতে অনেকেই মনে করবে, আমরা হয়তো দার্জিলিং কিম্বা কালিম্পং যাচ্ছি। আসলে তা নয়। আমরা যাচ্ছি সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকে। এর আগে গ্রীষ্মের ছুটিতে দুবার দার্জিলিং গেছি; এবারও প্রথমে দার্জিলিং-এর কথাই হয়েছিল, কিন্তু শেষ মূহূর্তে ফেলুদা গ্যাংটকের নাম করল। বাবার হঠাৎ ব্যাঙ্গালোরে একটা কাজ পড়ে গেল বলে উনি আর এলেন না। বললেন, ‘তুই পরীক্ষা দিয়ে বসে আছিস, ফেলুরও ছুটি পাওনা হয়েছে – দিন পনেরোর জন্য ঘুরে আয়। কলকাতায় বসে ভ্যাপসা গরমে পচার কোনও মানে হয়না।’”
Feluda is one of those characters that we all grew up reading or watching movies about, Bengal's very own Sherlock. Just like other books of Satyajit Ray, loved this one too, short, fun and engaging, a perfect book to read during this cloudy weather.
The story is simple and short, which helped to spend the cloudy and chill weather of March. Though it still took me two days, just because I have gotten lazy. Sadly, there isn't a huge twist in here; the culprit, for the most part, is guessable once you read enough books of this genre, but what makes it work is how Satyajit Ray writes and makes us enjoy reading the book, be it a funny moment or character or the chemistry between the characters. That being said, this is the book which comes to mind when you think of Feluda, calm and collected but cunning and sharp. In short, Feluda has that AURA with him.
ফেলুদা সেইসব কাল্পনিক চরিত্রদের মধ্যে একজন, যাদের নিয়ে আমরা সবাই কম বেশি বই পড়ে বা সিনেমা দেখে বড় হয়েছি, বাংলার নিজস্ব শার্লক হোমস। সত্যজিৎ রায়ের অন্যান্য বইয়ের ন্যায় 'গ্যাংটকে গণ্ডগোল'ও খুব ভালো লেগেছে আমার। বইটি ছোট, মজার এবং আকর্ষণীয়, এই মেঘলা ও ঠান্ডা আবহাওয়ায় পড়ার জন্য একদম উপযুক্ত একটি বই।
গল্পটি বেশ সহজ ও ছোট, যা এই মার্চের মেঘলা আর ঠান্ডা আবহাওয়ায় পড়ে ভালোই লেগেছে । যদিও আমার আলসেমির কারণে এটা শেষ করতে দুদিন লেগে গেছে। দুঃখের বিষয়, গল্পে তেমন কোনো বড় টুইস্ট নেই। এই জনরার যথেষ্ট বই পড়ে থাকলে অপরাধীকে অনেক সময় অনুমান করেই বের করা যায়, কিন্তু সত্যজিৎ রায়ের লেখনী বইটিকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলে এবং পড়তে মজা লাগে, তা হোক কোনো মজার মুহূর্ত, চরিত্র বা চরিত্রগুলোর মধ্যকার কেমিস্ট্রি ইত্যাদি। সে যাই হোক, ফেলুদার কথা ভাবলেই এই বইটির কথাই মনে আসে—শান্ত ও ধীরস্থির, কিন্তু একই সাথে ধূর্ত ও তীক্ষ্ণ। সংক্ষেপে, ফেলুদার মধ্যে সেই বিশেষ আউরা আছে বলতেই হবে।