সঞ্জনা নামের এক একাকিনীর জীবনের গল্প কিছু বিষাদ হোক পাখি। ছোটবেলা থেকে বড়বেলা পর্যন্ত পোড় খাওয়া টুকরো টুকরো দিনের গল্প গুলোকে এক সুঁতোয় বেঁধেছেন লেখক। মুলত; দিন শেষে মানুষ একা, একা তার দিনরাত্রিত গল্প গুলোও আর সেই গল্পগুলোকে কলমের আঁচড়ে বইয়ের পাতায় ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক।
আমার ব্লগ নিক একুয়া রেজিয়া। মূল নাম, মাহরীন ফেরদৌস। ২০১৩ সাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে, বর্তমানে একটা ডিজিটাল ক্রিয়েটিভ ফার্মে কাজ করছি। ২০১০ সাল থেকে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে লেখালেখির জগতে আসা হলেও, জীবনে প্রথম গল্প লিখেছিলাম মাত্র ক্লাস ফোরে পড়ার সময়। সাহিত্য নিয়ে জুড়ে ছিলাম স্কুল ও কলেজ ম্যাগাজিন, মহাকাশ বার্তা, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র এবং ছায়ানটে। আমি স্বাধীনচেতা, অন্যমনা। ভালোবাসি স্বপ্ন দেখতে, মানুষকে নিয়ে ভাবতে। আবুল হাসান আর জীবনানন্দ দাশের কবিতায় জীবন খুঁজে পাই। আর রবিঠাকুরের কবিতাই পাই প্রেম ও প্রার্থনা। বিদেশি লেখকদের মধ্যে প্রিয়র তালিকায় আছেন মাক্সিম গোর্কি, ও হেনরি এবং পাওলো কোয়েলহো। বইয়ের জগতে আত্মপ্রকাশ একুশের বইমেলা ২০১৩ তে, ছোটগল্প সংকলন “নগরের বিস্মৃত আঁধার” এর মাধ্যমে। ২০১৪ তে প্রকাশিত হয় আমার দ্বিতীয় বই এবং প্রথম উপন্যাস “কিছু বিষাদ হোক পাখি”। সেই উপন্যাসটি অনেক পাঠকপ্রিয় হবার পর ২০১৫ সালে বইমেলায় প্রকাশিত হয় আমার তৃতীয় বই ও দ্বিতীয় উপন্যাস “এই শহরে মেঘেরা একা”। যা কিনা আরও বেশি জয় করে নেয় পাঠকদের মন। চার সপ্তাহ জুড়ে টানা বইমেলায় টপলিস্টে থাকে এই উপন্যাসটি। আমার তিনটি বই-ই প্রকাশিত হয়েছে অন্যপ্রকাশ থেকে। এছাড়াও ঢাকা এবং কলকাতা মিলিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও সংকলনে লেখা প্রকাশিত হয়েছে আশিটির মতো।
আমার জীবনে কিছু 'কোটেশন' আমাকে শক্তি এবং আশা দিয়ে যায়। যেমন-
আকাশ তো ছুঁইনি, তবু আকাশের মাঝে তো মেঘ হয়ে ভেসে আছি। বেঁচে আছি, দিব্যি জেগে আছি। রোদকে আমায় ভেদ করে স্পর্শ করতে দিচ্ছি। এই তো আমি...
'If a writer falls in love with you, you can never die'- Mik Everett
“And, when you want something, all the universe conspires in helping you to achieve it.”
-Paulo Coelho, The Alchemist
Writing means sharing. It's part of the human condition to want to share things - thoughts, ideas, opinions.
-Paulo Coelho
The most important thing is to enjoy your life - to be happy - it's all that matters.
-Audrey Hepburn
“This life is yours. Take the power to choose what you want to do and do it well. Take the power to love what you want in life and love it honestly. Take the power to walk in the forest and be a part of nature. Take the power to control your own life. No one else can do it for you. Take the power to make your life happy.”
যারা মুখবইয়ে 'ভালবাসার গল্প' পেজের সদস্য এবং সেখানে প্রকাশিত লেখার নিয়মিত পাঠক তাদেরকে একুয়া রেজিয়া আপুর লেখা সম্পর্কে বলা আমার জন্য ধৃষ্টতা।বর্তমানে ছোট গল্পের শক্তিশালী লেখক লেখিকার তালিকা করতে বললে আমি চোখ বুজে ওনার নাম প্রথম ৫ জনে রাখবো। বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা মাত্র ৭৮। এই ৭৮ টা পৃষ্ঠা যে কোন মায়াজালে আটকে রেখেছিল পুরো ১ ঘণ্টা তা বলার মতো শব্দ খুঁজে পেতে কষ্ট হচ্ছে। কষ্ট হয় এই ভেবে যে এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল কেন গল্পটা! আপাতত তিনটি শব্দে 'কিছু বিষাদ হোক পাখি' কে আমি প্রকাশ করতে পারি-'সহজ, সত্য এবং সুন্দর'। সহজ বলছি কারণ বইটা পড়ে আরাম পেয়েছি সবদিক দিয়ে, চোখেও যেমন মনেও তেমন।কাহিনী সরল, জায়গায় জায়গায় অনর্থক দর্শনের কথা নেই।মূল কাহিনী বাদে অন্য কথা বা এনিগমাগুলো যেখানে ঠিক যতটুকু দরকার ঠিক ততটুকু খুবই সরলভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাঠককে জটিল চিন্তায় ফেলে দেবার কোন ষড়যন্ত্র নেই।এক জায়গা একবারের বেশি তিন চারবার পড়ে ভাবতে হয়না না বুঝতে পারবার জন্য।যদি কেউ তিন চারবার পড়েও সেটা সম্পূর্ণভাবে নিজের ভাল লাগা থেকে পড়ে।সত্য এই কারণে যে পুরো বইটা পড়ে এক জায়গায়ও কোনরকম কোন খটকা লাগেনি যে গল্পটা বানানো, নাটকীয়তায় ভর্তি।বরং বইয়ের চরিত্রের মুখের সংলাপ থেকে শুরু করে তাদের ভাবনা চিন্তা এমনকি পারিপার্শ্বিক পরিবেশ-পরিস্থিতি বর্ণনাও অনেক বাস্তবসম্মত।এই বইয়ের সবচেয়ে বড় পজেটিভ দিক হলো ভিতরের প্রত্যেকটা টুকরো টুকরো ঘটনা বর্ণনার সাথে পাঠকরা নিজেদের কোন না কোন দিক দিয়ে মিল খুঁজে পেতে সক্ষম।একটা বই উপভোগ করার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় কল্পনাশক্তি।পাঠকের কল্পনা করার শক্তি যত বেশি ভাল হবে সে তত বেশি কোন বইকে আপন করে নিয়ে উপভোগ করতে পারবে। 'কিছু বিষাদ হোক পাখি'র ক্ষেত্রে বলতে পারি লেখিকার নিজের জাদুকরী ক্ষমতা আছে যা দিয়ে তিনি পাঠকের কল্পনাশক্তি উশকে দিতে পারার সামর্থ্য রাখেন।তার লেখার ভঙ্গী এতটাই সাবলীল যে কিছু কিছু সময় মনে হয়েছে আমার কল্পনা করবার শক্তি না থাকলেও চলতো। উপরে এত কথা বলবার পর সুন্দর কেন বলেছি তা আর বিশদভাবে বলবার প্রয়োজন দেখিনা।যদি কেউ আমাকে শুধু একটি কারণও দেখাতে বলে সুন্দর বলার পিছে আমি বলবো আটপৌরতা,সাধারণ থেকেও অসাধারণতা যা মুগ্ধ করে। ছোট একটা পরিবারের সাধারণ একটা গল্প,অনেকের মাঝে থেকেও একা হবার গল্প,দিন শেষে ভিন্ন ভিন্ন সত্ত্বার সকলের এক অনুভূতির মালিক হবার গল্প,মিল খুঁজে পাবার গল্প, বিষাদগুলোকে পাখি করে দেবার গল্প-শুধু ভাল লেগেছে বললেও সেটা মনে হয় কম বলা হবে। কনটেমপোরারি গল্প পড়ে পড়ে যারা বিরক্ত তাদের কাছেও ভাল লাগতে বাধ্য কেননা প্রধান চরিত্রের অনুভূতিগুলোর সাথে নিজের মিল খুঁজে পাওয়া যায় কোন কষ্ট না করে।পড়তে পড়তে একসময় নিজের কষ্টগুলোকেও পাখি করে উড়িয়ে দিতে ইচ্ছা করে, পরে অবশ্য মনে হয় সব বিষাদ কি আর পাখি হয়?তবুও কোথাও না কোথাও কিছু আশা লুকানো থাকে। বইটা শেষ করে তাই মেঘদলের গানের লাইন গুলোই মাথায় ঘুরে - কিছু বিষাদ হোক পাখি নগরীর নোনা ধরা দেয়ালে কাঁচপোকা সারি সারি নির্বাণ, নির্বাণ ডেকে যায় ।। কিছু ভুল রঙের ফুল ফুটে আছে আজ পথে কিছু মিথ্যে কথার রং আমাদের হৃদয়ে ।।
জন্মকাল থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি সময় কেউ না কেউ অথবা কারো চিন্তা আমাদের ঘিরে রাখে, তবুও দিন শেষে মানুষ বড্ড একা, বড্ড নিঃসঙ্গ। আমাদের প্রতিদিনের জীবন নানা ছোট ছোট গল্পের সমন্বয় আর সেই গল্প গুলোকে একডোঁরে বাঁধা হয়েছে যেই উপন্যাসে তার নাম কিছু বিষাদ হোক পাখি। আর তাই পিতৃহারা সঞ্জনার প্রতিদিনের গল্পের ফাঁকে নিজেকেই খুঁজে পেয়েছি কখন তা খেয়াল করা হয়ে উঠেনি। হুট করে আদীবার চলে যাওয়া,মোক্তারের নির্মোহতা, মণিপার সংগ্রাম , সঞ্জনার মায়ের দীর্ঘশাসের আবডালে পাঠকের মন ও বিষাদগ্রস্থ হতে বাধ্য।মোহগ্রস্তের মত একটানে পড়ে ফেলা যায় সুপাঠ্য বইটি। প্রথম উপন্যাস হিসেবে লেখিকা পুরোপুরি সফল তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। লেখিকার মত করেই লেখিকাকে বলতে ইচ্ছে করে আপনি সবুজ থাকুন, সবুজ থাকুক আপনার লেখার পাতা,কালি ও কলম।
আসলে আমার জন্য এটা ৫ হবে বোধ হয়। কারণ আমি বইয়ে ডুবে গেছিলাম, কারণ আমার পড়তে ভালো লেগেছে, কারণ দুঃখগুলো খুব বেশি স্পর্শ করছিল কেন জানি। আরেকটু পড়তে পারলে ভালো লাগত বেশি। :|
লেখিকার একটা বিষয় আমার ভালো লেগেছে। উনি চরিত্রগুলোর নামকরণ বেশ ভালোমত করেছেন। মানে stereotyping করেন নি। কিছু সাধারণ নামকে যেমন বেঁধে রাখেন নি কোন stereotype এ, তেমনি uncommon নাম ব্যবহারেও করেন নি কার্পণ্য।
কিছু কিছু গল্প পড়ার সময় গল্পের কিছু চরিত্র ও পরিবেশ আপন মনে হতে থাকে। মনে হয় যেনো চেনা-জানা সব গল্প। পড়া যতো এগোয় গল্পের কিছু চরিত্রের প্রতি মায়া ততো বাড়তে বাড়তে থাকে। একটা সময় এসে গল্প শেষ হয়ে যায়। একটা বই, তার শেষ তো হবেই। কিন্তু পাঠক থামতে চায়না। একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বই বন্ধ করতে হয়। কিন্তু অনুভুতির কিছু রেশ আরো অনেকক্ষন থেকে যায়। এই বইটা সেরকমই একটা বই। মন খারাপ করে দেওয়ার মতো সুন্দর। বইটা যখন পড়তে শুরু করেছিলাম, তখনও মনে হয়নি যে পড়ে এতো ভালো লাগবে।
বইটা পড়ার সময় মনে হয়েছে বইয়ের চরিত্র গুলো একদম আমাদের আশেপাশেই ঘুরাঘুরি করছে,যেনো একদম চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি। "কিছু বিষাদ হোক পাখি"- ছোট্ট এক পরিবারের খুব সাধারণ গল্প, সঞ্জনার অনেকের মাঝে থেকেও একা থাকার গল্প, ছোট্ট মেয়ে আদিবার গল্প, মুন্নীর গল্প, নাদিয়ার গল্প। আদিবা আর মুন্নীর জন্য ভীষণ খারাপ লেগেছে। পৃথিবীর সকল আদিবা আর মুন্নীরা ভালো থাকুক। এমন একটা পৃথিবী হোক যেখানে আদিবা আর মুন্নীরা কোনোরকম বৈষম্য ছাড়া ই বড় হবে। একসাথে থাকবে। আদিবার মায়ের ব্যাপারে পড়ে একটা কথা ই মনে হলো - আমরা কেউ ই যাতে কখনো এমন কোনো কাজ না করে বসি, যার জন্য সারাজীবন নিজের কাছেই নিজেকে ছোট হয়ে থাকতে হয়, আমার জন্য কারো জীবন এই সুন্দর পৃথিবী থেকে ঝড়ে গেলো নিজের মনে এরকম এক বোঝা নিয়ে কাউকেই যাতে বেঁচে থাকতে না হয়।
দেরী করে হলেও এই বইয়ের নাদিয়ার মতো পৃথিবীর সকল নাদিয়ারা নিজেকে বুঝতে শিখুক। নিজেকে আবার ভালোবাসুক।নিজেদের ডানা কেটে ফেলতে না দিক।নিজেদের ডানা কেটে গেলেও আবার সেই ডানা গজাতে নিজেকেই নিজে সাহায্য করুক।কাউকে খুব গভীরভাবে ভালোবেসে ও কেন অবহেলা আর কষ্ট পেলো সেটা ভেবে বারবার নিজেকে দোষ না দিক। নিজের মূল্য বুঝতে শিখুক। সঞ্জনার বাবার তার মেয়েদেরকে বই উপহার দেওয়া আর বইয়ের সাথে চিরকুট লিখে দেওয়ার ব্যাপা���টা ভীষণ সুন্দর। সঞ্জনার মাধ্যমেই আবারও বুঝতে পারলাম মানুষ একা। বড্ড একা। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অনেক মানুষ আমাদের ঘিরে রাখে, অনেকের মাঝে আমরা ছোট থেকে বড় হই। কিন্তু তাও আমরা একা। বড্ড একা।
কিছু বই থাকে না যেগুলো শেষ হয়ে গেলে মনে হয় কেন শেষ হলো? একদম নবীন লেখকদের মধ্যে যাদের লেখা পড়েছি, একুয়া রেজিয়ার লেখা আমার সবচেয়ে পছন্দের। এর আগে মনোসরণি আর কাকতাড়ুয়ার আকাশ পড়েছি। দুটো বইই অসাধারণ লেগেছিল। খুব সাধারণ কিছু মানুষের গল্প, দুঃখবিলাসী সঞ্জনা, বাস্তববাদী মোক্তার, সাধারণ মেয়ে নাদিয়া এরকম কিছু মানুষকে ঘিরে পুরো উপন্যাসটি। খুব ছোট একটা বইয়ে কি এক সমুদ্র অনুভূতি ধারণ করা যায়? হ্যাঁ যায়। "কিছু বিষাদ হোক পাখি", সেই এক সমুদ্র অনুভূতি ধারণ করে বসে আছে।
মেঘদল ব্যান্ডের গান দিয়ে বইয়ের শিরোনাম এবং কবি আবুল হাসান (Abul Hasan) এর কবিতা দিয়ে উপন্যাসের সমাপ্তি! অসাধারণ! পড়তে গিয়ে এতটুকু খারাপ লাগে নি। অন্যরকম একটা ভাল লাগা ছিল।
আসলেই... মানুষের জীবনের বিষাদগুলো যদি পাখির মতোন উড়ে চলে যেতো! কি ভালোই না হতো!
বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া সঞ্জনা আর তার জীবনের গল্প বলেছে বইটাতে। তার জীবনের গল্প বলেছে। তার জীবনে চারপাশে যে সব মানুষের সাথে সে মিশেছে, তাদের বন্ধন, সম্পর্কের টানা পোড়েন, কিংবা নিতান্তই বন্ধুত্বের সংজ্ঞাকে নতুন ভাবে ভাবিয়েছে...
কিছু গল্প থাকে, পড়তে শুরু আশপাশের পরিবেশ-গল্পের চরিত্র সবকিছুই আপন মনে হয়। গল্পের সাথে সাথে চরিত্রগুলোর প্রতি মায়া বাড়তে থাকে। একসময় গল্প শেষ হয়, লেখককে থেমে যেতে হয়। পাঠক থামতে চায় না, একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে মোড়ক বন্ধ করতে হয়। এখানেই লেখকের সফলতা। সঞ্জনা, মুক্তার, আদিবা, নাদিয়া আর সঞ্জনার মা - অল্পকটা চরিত্র নিয়ে চমৎকার একটি মন খারাপ করানো জীবন ঘনিষ্ট একটি উপন্যাস। কাহিনীর সাবলিল উপস্থাপনের কারণে উপন্যাস পড়ে মনেই হয়নি এটি একুয়া রেজিয়ার প্রথম উপন্যাস ছিলো।
অন্যদের কাছে কেমন লেগেছে জানি না, তবে আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়েছে লেখনীতে হুমায়ূন আহমেদের প্রভাব প্রবল। আসলে সত্যি বলতে কি, কেউ যদি লেখিকার নাম না দেখে পড়া শুরু করে, কিছুদূর পড়ার পর সে নিশ্চিতভাবেই ধরে নেবে যে সে হুমায়ূন আহমেদের কোন বই পড়ছে!
একুয়া ভালই লিখে। ওর লেখার মাঝে একধরনের দুঃখবিলাস কাজ করে। এই দুঃখ বিলাস কেবল হুমায়ূন আহমেদ ই তৈরি করতে পারতেন। অনেকেই হুমায়ূন আহমেদের মত করেই লিখে। কিন্তু উনার মত পুরোটা জুড়ে হয়ত একুয়ার মত কেউ আটকে রাখতে পারেনি। এই বইটাও তেমন।