Jump to ratings and reviews
Rate this book

অর্জুন #4

জুতোয় রক্তের দাগ

Rate this book
Jutay Rakter Daag

176 pages, Hardcover

First published April 1, 1989

4 people are currently reading
118 people want to read

About the author

Samaresh Majumdar

338 books706 followers
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".

Some of his famous characters are:

1. Animesh & Madhabilata (Animesh Quartet)
2. Arjun - Fictional sleuth.
3. Dipaboli (Saatkahon)

সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।

মৃত্যু : ৮ মে, ২০২৩

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
25 (13%)
4 stars
51 (27%)
3 stars
77 (41%)
2 stars
25 (13%)
1 star
6 (3%)
Displaying 1 - 13 of 13 reviews
Profile Image for Tiyas.
473 reviews134 followers
May 29, 2023
অর্জুনের সর্ববৃহৎ অভিযানের একটি। পুরোটাই ঘটে বিদেশের মাটিতে। অনেকদিন আগে পড়া, কিস্যু মনে ছিল না সেভাবে। এবারে আবার নতুন করে আবিষ্কার করলাম যেন। কম বয়সে অনেক বেশি ভালো লেগেছিল। এবারেও মন্দ লাগলো না, তবে ত্রুটিগুলো চোখে পড়লো বেশি করে। মেজরকে এমনিতে বেশি পরিমাণে ভালো না লাগলেও, এই উপন্যাসে দিব্যিই লেগেছে। মানুষটাই ইন্টারন্যাশনাল মেজাজের। বড়ো পরিধির গল্পে ভালো মানিয়ে যান। তবে গপ্পোটিকে অহেতুক টেনে হিচড়ে বড় করাতে উত্তেজনায় ভাটা পড়ে মাঝেমাঝেই। তবুও খারাপ নয়। অর্জুনের অনুরক্ত পাঠকদের ভালোই লাগবে। কোনো জটিল জমাটি রহস্যের খোঁজে তো আমরা কেউ অর্জুন পড়ি না। পড়ি এক লাজুক সরল সত্যসন্ধানীর ঢিমেতালের অভিযানের আমেজে। এ গল্পে সেটা মিলবে। এই যথেষ্ট।

৩ তারা।
Profile Image for Aishu Rehman.
1,118 reviews1,100 followers
October 29, 2024
আরাম করে কফি আর অর্জুন এই দুটো নিয়ে সময়টা এখন দারুণ কাটাচ্ছি। অর্জুনকে আমি শুধু একটামাত্র গল্পে আটকে রাখতে চাই না। অর্জুনের সমস্ত রহস্য অ্যাডভেঞ্চারগুলোকে একটা পুতির মালা হিসেবে আমি দেখি, যার এক একটা পুতি এক একটা গল্প। আর সম্পূর্ণ মালাটাই আরেকটা বৃহৎ গল্প। অর্জুনের গল্প।

'জুতোয় রক্তের দাগ' এখন পর্যন্ত পড়া সবচেয়ে বৃহৎ অর্জুন অ্যাডভেঞ্চার। অ্যাডভেঞ্চার, রহস্য এসবের কমতি না থাকলেও শেষটা নিয়ে একটু অসন্তোষ থেকেই যায়। মনে হয় গল্পটা শেষ হলো না। একটা তীব্র আকাঙ্খা রয়ে যায়। তবে যেহেতু ঘটনাটা বিদেশের মাটিতে সম্পূর্ণ ঘটে তাই সেখানকার কাউকে চাইলেই যে হাতের মুঠোয় নেওয়া যায় না সেটা আমার কাছে মোটামুটি যুক্তিসঙ্গতই মনে হয়েছে।
Profile Image for Mahrufa Mery.
207 reviews117 followers
April 3, 2023
অ্যাভারেজ। অত জোস টাইপ কিছুনা। এমনিতেও বুড়া বয়সে এমন বেসিক লেভেল ইনভেস্টিগেটর টাইপ গপ্পো পড়ে মজা কম পাই।
Profile Image for Sourav Anando.
133 reviews5 followers
March 17, 2020
এতক্ষনে অর্জুন বাবু গোয়েন্দা হয়ে উঠিলেন ।
.
আসলেই আগের ৩টা পার্ট এ যে রহস্য বা রোমাঞ্চ খুঁজে পাচ্ছিলাম না তা এই বই টা সেই আশা কিছুটা হলেও পূরণ করতে পেরেছে ।
.
শেষের অতৃপ্তি টা একটু হলেও খারাপ লেগেছে কিন্তু অর্জুন এর বই পড়তে গিয়ে প্রথম বার একটু মজা পেলাম তাই অনেক । 3.5/5
Profile Image for Koly Sheikh.
27 reviews5 followers
October 5, 2024
গল্পের শুরু অর্জুন এবং মেজর ইংল্যান্ডের মাটিতে পা দেয়ার পর থেকে। মেজর একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে এক জোড়া সেকেন্ড হ্যান্ড বুট কেনেন। কিনে বাড়িতে নেয়ার পর সেই বুট জুতোতে অর্জুন শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ দেখতে পায়, এছাড়া আরও কিছু দেখতে পায় যা থেকে অদ্ভুত এক রহস্যের শুরু হয়। শুরু হয় হলা ঠিক হচ্ছে না, আসলে শুরু অনেক আগেই হয়েছিল। রহস্যের মাঝে তারা জড়িয়ে পড়ে বলা যায়।

গল্পটা মেদবহুল মনে হয়েছে আমার কাছে। অনেক জায়গায় ঘটনা অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘায়িত করা হয়েছে। এ কারণে টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়নি, বরং ঢিলেঢালা উত্তেজনায়ও ভাটা পড়েছে মাঝেমধ্যে। বেশ কষ্ট করেই বইটা শেষ করতে হয়েছে।
Profile Image for Muntasir Al Anam.
62 reviews24 followers
February 13, 2023
বই জুড়ে থলথলে মেদ।লেখনী যত ভালোই হোক, এভাবে টেনে বড় করা মেদবহুল গল্পে মনোযোগ ধরে রাখা খুব কঠিন।বইয়ের কাহিনী এবং চরিত্রগুলো টিনটিন থেকে অনুপ্রাণিত।যদিও বইয়ে ছোট্ট করে একবার টিনটিনের নাম নেওয়া হয়েছে,তবুও একটা চরিত্রকে প্রায় হুবহু ক্যাপ্টেন হ্যাডকের আদল দেওয়ার চেষ্টা,রহস্য রচনায় টিনটিনের একটা বইকে বেশ ভালোভাবেই অনুসরণ করা এবং ক্লাইম্যাক্সে গিয়ে আবারও অর্জুনের অজ্ঞান হয়ে যাওয়া (বিরক্তিকরভাবে) শুধু বইয়ের আবেদনই কমিয়েছে।
Profile Image for Aritra  Dasgupta.
527 reviews12 followers
February 6, 2025
Ends so suddenly without any proper conclusion. The villains get away, the mystery is unresolved. The entire story itself hasn't been so exciting to write anything particular about. A myriad of characters flit in and out of the story without any positive lasting impact. Brown is nice. But Major is quite irritating by the end. Unsatisfied.
Profile Image for Mrinmoy Bhattacharya.
226 reviews36 followers
April 7, 2023
কিশোর কাহিনী হিসেবে ঠিক আছে, বড়ো বয়সে পড়ছি বলে বোধহয় অতটাও 'জমজমাট' লাগেনি । কিছু কিছু জায়গা বড্ড বেশি টেনে বাড়ানো হয়েছে বলে মনে হয় । আবার কিছু কিছু চরিত্রের সাথে অন্য একটি বিখ্যাত গল্প-উপন্যাসের চরিত্রের বেশ মিল আছে ।
Displaying 1 - 13 of 13 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.