মেয়েটির শখ ছিল বুড়িগঙ্গায় নৌকায় ভাসতে ভাসতে ছবি আঁকবে। নদীটি তার জন্য অপেক্ষা করছে। মেয়েটি যেতে পারছে না, নাকেমুখে নল নিয়ে সে হাসপাতালে যুদ্ধ করছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে এ যুদ্ধে জেতা সম্ভব নয়। এরপরও তার মধ্যবিত্ত বাবা লড়াই করে যাচ্ছেন তাকে বুড়িগঙ্গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। সেখানে তাঁর রাজকন্যা ছবি আঁকবে। বাবার আশা কি পূরণ হবে? মেয়েটি কি জিতবে এ লড়াইয়ে? আঁকতে পারবে সেই অপূর্ব ছবি?
"জলে ডোবা সূর্যাস্ত" এক ক্যান্সার আক্রান্ত তরুণীর গল্প। যে গল্পের পরতে পরতে মিশে আছে ঘাত-প্রতিঘাত, আশা-নিরাশা। কখনও বাস্তবতার নিষ্ঠুর রূপ প্রদর্শন আবার কখনও কাকতাল- তবুও সবশেষে গল্পটা মায়ার; আশায় বুক বাঁধার।
বাদল সৈয়দের প্রতিটা গল্প/উপন্যাসেই অতিনাটকীয়তার দেখা মেলে; তবে দমবন্ধ এই ম্যাটেরিয়ালিস্টিক বাস্তবতার জগতে যে গল্প পজিটিভিটি ছড়ায়, স্বপ্ন দেখায়- তার ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো এড়িয়ে যাওয়া যায়।