এ উপন্যাস এক কিশােরের লেখা হাজার কিশােরের কাহিনি। সমবয়সীরা আয়নায় দেখবেন যার যার নিজের মুখ। আর মা-বাবা-স্বজনরা জানবেন কেমন করে ভাবে, কী নিয়ে ভাবে তাদের সন্তানরা। একটি উঠতি তরুণ অনন্য সাধারণ সহজ ভাষায় বলে গেছেন- মা-বাবা-সমাজসংসার-রাজনীতি এসব নিয়ে কী খেলা করে তাদের মনে। কৈশােরে দাঁড়িয়ে থেকে কৈশােরকে তুলে ধরা বাংলাসাহিত্যে প্রায়-বিরল ঘটনা। বিক্রমাদিত্য সেই বিরল ঘটনার স্রষ্টা।
রঙবাহার উপন্যাস টি এক কিশোরের আত্নজীবনী লাগব হয়ত বেশি,১৬-১৭ বছর বয়সী এক চিন্তাধারায় আপনি যদি পড়তে বসেন বইটা তাহলে হয়ত নিজেকেই দেখতে পাবেন। বা ২৫ এর পরে বসলে হয়ত নিজের পার করা সোনালী শৈশব, বইটি লেখার সময় লেখক নিজেই ছিলো এক কিশোর, তাই কিশোর চিন্তা ধারা অনেক সুন্দর করেই সাবলীল ভাবে উঠে এসেছে বইটিতে...