Jump to ratings and reviews
Rate this book

বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে #1

বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে

Rate this book
প্লট ১। দিন প্রতিদিন দিব্যেন্দুকে রুমা পড়তে পারল না। দিব্যেন্দুর সঙ্গে সংসার করা যেন সমুদ্রের মধ্যে তাকে কেউ চুলের মুঠি ধরে জলে মাথা চুবিয়ে দিয়েছে। সে হাঁসফাঁস করছে, অথচ মুক্তির পথ নেই। প্রথম প্রেম প্রত্যুষদার নাম্বার তার কাছে আছে। প্রত্যুষদার ফোন তাকে পেতেই হবে। কিন্তু যতবার সে ফোন করে, বলে ‘ফোন সুইচড অফ’। একদিন সে ফোন বাজল। একজন ধরল। প্রত্যুষদা তো নয়... কে সে?

প্লট ২। অপারেশন ট্রেইটর রাণা প্রফেশনাল কিলার। তাকে ঢাকা পাঠানো হল একজন বিশ্বাসঘাতককে নিকেশ করতে। ঢাকা পৌঁছে রাণা জড়িয়ে পড়তে লাগল একটার পর একটা ঘটনায়। শেষ অবধি রাণা কী করবে?
অভীক দত্ত-র দুরন্ত কলমে আন্তর্জাতিক পটভূমিতে দুই প্লট মিলেমিশে রোমহর্ষক স্পাই থ্রিলার বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে।

324 pages, Hardcover

Published December 24, 2023

Loading...
Loading...

About the author

Abhik Dutta

80 books79 followers
জন্ম ১০ই অক্টোবর ১৯৮৫।

মফস্বল শহর অশোকনগরে বেড়ে ওঠা। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন হেরিটেজ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে। ছোটবেলা থেকেই পড়ার বইয়ের পাশাপাশি গল্পের বইয়ের নেশা ছিল। লেখার নেশা জাঁকিয়ে বসে কলেজে পড়াকালীন৷ ওই সময়েই "আদরের নৌকা" লিটল ম্যাগ প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্য জগতে প্রবেশ। প্রথম বই ২০০৮ সালের বইমেলাতে প্রকাশিত হয় , "এক কুড়ি গল্প"। পরবর্তী কালে অফিস থেকে ফিরে ফেসবুকে লিখতে বসা এবং ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পাওয়া।

গান গাইবার পাশাপাশি ঘুরতে, ফটোগ্রাফি করতে ভালবাসেন লেখক।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
35 (39%)
4 stars
28 (31%)
3 stars
19 (21%)
2 stars
5 (5%)
1 star
1 (1%)
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
Profile Image for Ratika Khandoker.
341 reviews39 followers
June 26, 2026
দারুণ একটি স্পাই থ্রিলার।
পাকিস্তান-ভারতের চিরকালীন দ্বন্দ্ব আর এই দু'দেশের মাঝের আনফরচুনেট নেটওয়ার্ক হাব বাংলাদেশ।
এই গল্পে শেখের বেটি ও আছে।তার এই উপস্থিতি থাকায় গল্পটিকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে হয়তো বলাই যায় "This did not age well" কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি গল্পে উল্লেখ্য তার রাজাকার বিরোধী কঠোর মনোভাব নিজেও পোষণ করি।তাই প্লট নিয়ে আমার কোনো কমপ্লেইন নাই।
June 28, 2024
#QOTD: আপনার পছন্দের থ্রিলার বইয়ের নাম কি?

মানব সমাজে অপরাধ নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু দিনে দিনে অপরাধের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যেমন ধর্ষণ এবং পারিবারিক নির্যাতন এক ভয়ঙ্কর অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছে। বিশেষ করে নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা ইদানীং মহামারী আকার ধারণ করেছে। এ নিয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে এর কোনো প্রতিকার হবে বলে মনে হচ্ছে না। নারী নির্যাতন মানবতার এক ভয়ংকর নিগ্রহ। সামাজিক অধঃপতনের চূড়ান্ত পর্যায়ে এদেশে এখন অহরহ ঘটছে নারী ও শিশু ধর্ষণ। বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের খবর সব সময় পত্রিকায় বেরুচ্ছে না। অথচ এই অসহায় নির্যাতিত নারী ও শিশুকে সমাজে অসতী বা খারাপ বলে গণ্য করে ধিক্কার দিচ্ছে সমাজপতিরা আর অপরদিকে ধর্ষণকারী বা নির্যাতনকারীরা আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাচ্ছে। এমন কি যৌতুক, প্রেম প্রত্যাখ্যান, কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়া, স্বামীকে দ্বিতীয় বিয়েতে অনুমতি না দেয়ায় নৃশংসভাবে হত্যা করাসহ জীবন ভর নারী বিনা অপরাধে শারীরিক ও মানসিক শাস্তি ভোগ করছে, কিন্তু কেন? চরম দারিদ্র্য আর সামাজিক ও পারিবারিক অত্যাচারের বলি হয়ে একজন মেয়েকে বাধ্য হয়ে বেছে নিতে হয় পতিতাবৃত্তির মতো ঘৃণ্য জীবন অথচ মেয়ে পতিতাকে ঘৃণা করে সবাই কিন্তু পুরুষ পতিতারা (যারা মেয়ে পতিতার কাছে যায়) সমাজে সবার চোখে সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে অনেক ক্ষেত্রেই। চোরের মার বড় গলা’র মতো তারাই মেয়ে পতিতাদের গালি দিচ্ছে এবং ফতোয়া দিয়ে উচ্ছেদ করে পুণ্যবান হয়।বাংলাদেশে পরিবারের মধ্যে বিশেষত স্বামীর মাধ্যমে নারী নির্যাতনের যে চিত্র তা বেশ ভয়াবহ।শারীরিক, মানসিক, আর্থিকসহ বিভিন্ন ধরণের নির্যাতনের মধ্যেই দিনের পর দিন অনেকেই জীবন পার করলেও এ নিয়ে অভিযোগ বা প্রতিবাদের চিত্র খুব একটা দেখা যায় না।এ নিয়ে সচেতনতাও কম। আবার নিজ পরিবারেও নির্যাতনের মুখে পড়েন অনেকে।এই অনেক মেয়েদের মধ্যে নির্যাতিত রুমাও একজন ,যাকে আমরা দেখতে পাই "বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে বইটিতে।
যাই হোক আমি যেই বই নিয়ে কথা বলছি ,লেখক অভীক দত্তের "বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে।" এটি একটি স্পাই থ্রিলার।

▪️প্লটঃ-
সাধারণত সব বইয়েই যে কোনো একটি প্লট নিয়ে লিখা হয়ে থাকে কিন্তু মজার বিষয় হলো বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে বইয়ে মূলত প্লট দুইটি এবং প্লট দুটো দুই নামে নামকরণ করা হয়েছে।প্রথম প্লট "দিন প্রতিদিন এবং দ্বিতীয় "অপারেশন ট্রেইটর"।
প্রথম গল্পের শুরুতে এক দম্পত্তিকে যতটুকু পড়ছিলাম তাদেরকে বেশ সুখী মনে হচ্ছিলো তবে আস্তে আস্তে যখন গল্পের ভেতরে এগুচ্ছিলাম তখন আর বুঝতে বাকি রইলো না কোনো কিছুই।বুঝে গেলাম লোক দেখানো সুখীভাব আর ভিতরে ভিতরে ঢুকরে মরা এক অসহায় গৃহবধূর গল্প এটা। নিজ পরিবার যখন রুমাকে বোঝা মনে করে তার কথা কোনোটাই বিশ্বাস করেনা, মেয়েটার মাথার উপর একটা ভরসার ছায়াও নেই অপরদিকে পশু স্বামীর নানান ধরনের অত্যাচার ,যে কিনা চিন্তায় বিভোর হয়ে থাকে নিজের বৌ'কে নতুন কোন পদ্ধতিতে অত্যাচার করা যাবে?আর রুমা বেচারি কি যে অসহনীয় দিন পার করছিল।দিনের পর দিন রুমা এটাই ভাবতো দিব্যেন্দুর হাত থেকে সে কিভাবে মুক্তি পাবে?দিব্যেন্দুর কথা নিজ পরিবারকে জানিয়েও রুমা কোনো গতি করতে পারেনি ওল্টো রুমার পরিবার এসব কিছুই বিশ্বাস করেনি।নিজের মুক্তি পাবার আশা যেখানে থেমে গেলো ঠিক তখনই রুমা নতুন এক আশার আলো খুঁজে পেলো।তবে সে আলো কেমন ছিলো? ভালো নাকি খারাপ? নাকি এই আলোই আবার রুমাকে নিয়ে ঠেলে ফেলে দিল ঘন অমাবস্যায়?

▪️প্লট ২(অপারেশন ট্রেইটর):
দেশে আই এস এর এজেন্ট ছড়িয়ে পরছে চারদিকে। কোনো চক্র চাচ্ছে বাংলাদেশটাকে পাকিস্তান হিসেবে গড়ে তুলতে। চাইল্ড ট্রাফিকিং দিয়েই শুরু করেছিলো।দেশের বিভিন্ন জায়গায় বোম ব্লাস্টের পরিকল্পনায় মেতে ছিলো তারা।কিছু মানুষ দেশের মানুষ হয়েই দেশের ক্ষতি করা নিয়ে ব্যস্ত ছিলো আবার কেউ কেউ ইন্ডিয়া থেকে লোক ইনক্লুড করছে এ দেশকে রক্ষা করতে।কিছু মানুষ দেশের বিরুদ্ধে আবার কিছু মানুষ জীবন দিয়েও দেশকে রক্ষা করার একটা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলো নীরবে।দেশের শত্রুদের আটক করার কিংবা বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে নেমে পরেছিলো তারা।কিন্তু একি কান্ড!হুট করে আমরা দেখতে পাই এই প্লটে রুমা এসে উপস্থিত।কিন্তু কিভাবে?

▪️পাঠ- প্রতিক্রিয়াঃ
সত্যি কথা বলতে গেলে আমার এই লেখকের বই আগে কখনোই পড়া হয়নি।লেখক অভীক দত্তের লেখার সাথে পরিচয় আমার এই বইয়ের মাধ্যমে এবং এই বই পড়ে শেষ করার পর সিদ্ধান্ত নিলাম লেখকের অন্য বই থাকলে খুঁজে বের করে অবশ্যই পড়বো।আমার থ্রিলার পড়তে বেশ মজা লাগে আর এই বইতো সাসপেন্সে ভরা। প্লট দু'টো হওয়ায় বইয়ে অনেক বেশিই সাসপেন্স রয়েছে যা বইটা টান টান উত্তেজনার মাধ্যমে শেষ করতে পেরেছি। বইয়ের শুরু থেকে শেষ অব্দি পুরোটা সময় আপনার মনোযোগ কেড়ে নিবে এই বই।প্রথম থেকেই কি যে ভয়ংকর ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সে ভরা এই বইটা। দুই প্লট মিলেমিশে দারুণ এক লোমহর্ষক স্পাই থ্রিলার এটি। থ্রিলার কল্পকাহিনীর একটি ধারা যেখানে অপরাধ , হরর এবং গোয়েন্দা কল্পকাহিনী সহ অসংখ্য, প্রায়শই ওভারল্যাপিং, সাবজেনার রয়েছে । থ্রিলারদের বৈশিষ্ট্য এবং সংজ্ঞায়িত করা হয় তারা যে মেজাজগুলি প্রকাশ করে, তাদের শ্রোতাদের সাসপেন্স , উত্তেজনা , বিস্ময় , প্রত্যাশা এবং উদ্বেগের উচ্চতর অনুভূতি দেয়। যা এই বই আমাকে দিয়েছে।একটি থ্রিলার সাধারণত তার শ্রোতাদের "তাদের আসনের প্রান্তে রাখে কারণ প্লটটি একটি ক্লাইম্যাক্সের দিকে তৈরি হয় । গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কভার আপ একটি সাধারণ উপাদান। প্লট টুইস্ট ছিলো দুর্দান্ত এবং লেখকের গল্প বলার ধরণটা ছিলো সাবলীল। পড়তে একদমই কোনো অসুবিধে হয়নি। তবে যে জায়গায় একটু বিরক্তি লেগেছে অসংখ্য চরিত্রের আর্বিভাব আবার কখনো একই চরিত্রের ডাবল নাম মাঝে মাঝে গুলিয়ে ফেলতাম। আর বইয়ের প্রচ্ছদটাও গল্পের মত দারুণ। বই বাধাই ,বইয়ের কাগজের মান বেশ উন্নত।

বইঃ বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে
লেখকঃ অভীক দত্ত
ধরনঃ স্পাই থ্রিলার
রেটিংঃ ৫/৫
Profile Image for Shimanti Banerjee.
131 reviews4 followers
February 14, 2026
This is literally the Bengali dhurandhar based in Dhaka! Truly a well written, fast paced thriller
Profile Image for Saoirse.
630 reviews12 followers
July 24, 2024
The story was so convulated that by the time it resolved itself, I just did not care.
There was a mystery element in this thriller which was done competently but otherwise it was a bland book.
Profile Image for Rohit Sarkar.
47 reviews1 follower
May 9, 2026
📕 বই~ বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে
✒️ লেখক~ অভীক দত্ত
🖼️ প্রচ্ছদ~ সুদীপ্ত দত্ত
🎨অলংকরণ~ আশিস ভট্টাচার্য
🖨️ প্রকাশনা~ পত্রভারতী
💷 মুদ্রিত মূল্য~ ৪৯৫/-
📋 পৃষ্ঠা~ ৩২৪


📝 পাঠ প্রতিক্রিয়া

যেই গতিতে অভীক স্যারের স্পাই সিরিজ পড়ছি, তাতে একবার মন লেগে গেলে, আর সেই বইটা ছাড়তে ইচ্ছা করছে না যতক্ষণ না বইটা শেষ হচ্ছে। “বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে” বইটাও তার ব্যতিক্রম নয়। আসুন, এবার মূল স্রোতে ফিরে আসা যাক।
বইটিতে দুটি কাহিনী রয়েছে, কাহিনী না বলে প্লট/ স্পাই ফিকশন বলাই ভাল।
I.দিন প্রতিদিন
II.অপারেশন ট্রেইটর

১.দিন প্রতিদিন :- এই গল্প রুমার গল্প, রুমা ও দিব্যেন্দুর দাম্পত্য জীবনের গল্প। রুমা এক সাধারণ ঘরের জ্যেষ্ঠ মেয়ে, কাজেই যা হয় একদিকে পরিবারের ভার ও অন্যদিকে পরিস্থিতির চাপেই তার বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের প্রথম দিন থেকে স্বামীকে ঈশ্বরতুল্য মনে করেছিল রুমা, বলে দিয়েছিল তার বিবাহ জীবনের পূর্বের সব সত্যি কথা। ভদ্র মানুষের মুখোশধারী জন্তু দিব্যেন্দু তার উপরে নিত্যনতুনভাবে প্রত্যহ আঘাত হানতো , কখনো রাগের বশে কখনো নিছক খেয়ালী মনে। রুমা সব সহ্য করতো, প্রতিরোধের ভাষা তার জানা ছিল না, রুমার পরিবারও তাকে বিশ্বাস করত না। কোন সত্যি কথা রুমা দিব্যেন্দুকে বলে ফেলেছিল? আর এই হঠাৎ করেই রুমা জড়িয়ে পড়ল এক সিক্রেট মিশনে, স্পেশাল ট্রেনিং হল তার। কিসের সিক্রেট মিশন? এত স্পেশাল ট্রেনিং কেন? সাদিক কে? রুমাকে বাংলাদেশে কেন পাঠানো হলো?

২.অপারেশন ট্রেইটর:- "ট্রেইটর", নামের মধ্যেই অনেকখানি যথার্থতা রয়েছে, অনেকটা উত্তর লুকিয়ে রয়েছে। এই শব্দের অর্থ হলো বিশ্বাসঘাতক, এমন বিশ্বাসঘাতক যারা হয়তো বন্ধু বেশেই নিজেদের মধ্যে মিশে থাকে, আর সমস্ত তথ্য অন্য কোন চক্র, গ্যাং, দেশ এমনকি কোন গুপ্ত অর্গানাইজেশনকেও লিক(পাচার) করতে থাকে, অন্যদিকের মানুষটি/জন ভ্রুণাক্ষরেও বুঝতে পায় না, আসলে তাদের অলক্ষে কি হচ্ছে!

এই গল্প আবার রাণার, অমলের, আর বেশ কিছু বরাহ*মুখো কুত্তা তো রয়েইছে; এটি বলার একমাত্র কারণ আপনারা পড়লেই বুঝতে পারবেন, এটা কতটা মর্মান্তিক হতে পারে! এরা এমনই একটা চরিত্র যাদের 'সারমেয়','বরাহ' এদের সঙ্গে তুলনা করলে, ওদেরকেই ছোট করা হবে, তাই ভালো শব্দ হয়তো মুখে আসছে না। রাণা, যে আসলে একজন কন্ট্রাক্ট কিলার। তাকে টার্গেট করা হয়েছে উপরমহল থেকে, বলা ভালো নাম না জানা কোন এক ব্যক্তির তরফ থেকে। সে তারেক রহমান নামের এক আততায়ীকে রাণা খুন করেছিল, কিছু না বুঝেই। তাই তাকেই বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। এই উচ্চপদস্থ ব্যক্তি হলেন অনিল শেখাওয়াত। তারও এক অতীত রয়েছে। অমল রয়েছে বাংলাদেশে , তাকেও কাজে লাগিয়েছে অনিল, বলা হয়েছে সাদিকের বিশ্বাস অর্জন করতে এবং রুমান ওরফে অমল সেটা পেরেওয়েছে। কিন্তু অমলকে সরাতেই রাণাকে বাংলাদেশে পাঠানো। ওদিকে অমল নিজের কভার নিয়েও বেশ চিন্তিত, কারণ রাণার খুব মাথা গরম। এদিকে রুমা ওরফে সাকিনা বিবিকেও ধরে নিয়ে গেছে ত্রাস গিয়াস। কে এই গিয়াস? লতিফ কে? কুড়িটা জলজ্যান্ত বাচ্চা কিভাবে দিনের আলোয় অপহরণ হয়ে গেল? সব উত্তর জানতে গেলে পড়তে হবে “বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে”।

✨ ব্যক্তিগত মতামত/ থিম বর্ণনা:-
১.এই বইটির মধ্যে প্রচুরভাবে Domestic Violence এর বাস্তব চিত্র উঠে এসেছে। শুধুমাত্র গল্পেই যে এমনটা হয় তা নয়, এর প্রতিচ্ছবি কিন্তু বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যায়, কোথাও সংখ্যাটা কম কোথাও সংখ্যাটা বা বেশি।
২.পড়তে গিয়ে বারবার মনে হচ্ছিল যেন চরিত্রগুলোকে অনেকটা করে স্পেস দেওয়া হয়েছে, রুমার ক্ষেত্রে তা তো অনেকটা বেশিই, অবশ্যই এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। কারণ প্রথম প্লটে (দিন প্রতিদিন) তো লেখক পুরোটাই রুমার ক্যারেক্টার বিল্ড আপে লাগিয়ে দিয়েছেন। একদিক থেকে ভালো, পাঠকের পড়তে স্বচ্ছতা তৈরি হয়, তবে এটা অনেকটাই Slow Burned মনে হল।
৩.আইসিসের সক্রিয়তা, স্লিপার সেলের ভয়াবহতা কেমন হতে পারে তা আরো একবার লেখক দেখিয়েছেন।
৪.একদল ভেকধারীদের নামমাত্র নারীদের সম্মান, সম্মানের আড়ালে কুকাজ,পর্দাপ্রথা, নারীদেরকে শুধুমাত্র একটা Sex Toy আকারে ছিঁড়ে খাওয়া ও সন্তান তৈরির কারখানায় পরিণত করা, এগুলোর Original Conflict ফুটে উঠেছে লেখায়।
৫.চরম পাকিস্তানবাদ, হিংসা-বিদ্বেষ, Corruption ,Human Trafficking তো আছেই, তার সাথে যুক্ত হয়ে যায় Suicidal Squad।
৬.কিছু কিছু জায়গায় প্রচন্ড ডিস্টার্বিং লেগেছে,
রুমার চরিত্র বর্ণনা করতে গিয়ে যেভাবে তাকে পরিবারের দিক থেকে প্রত্যাখ্যান ,স্বামীর থেকে চূড়ান্ত লাঞ্ছনা সহ্য করতে হয় সেগুলো একদিকে যেমন মনে ব্যথার সৃষ্টি করে সে রকমই প্রচন্ড ক্রোধের সৃষ্টি করে, যে সামনে পেলে এই শয়তানগুলোকে কুপিয়েই মেরে ফেলি।
৭.কতগুলি শুক্রানু-ডিম্বাণু যুদ্ধের পরে,একটা মেয়ে পৃথিবীর আলো দেখে, সমাজের উচিত তাকে রানী করে রাখা, উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়া, পরিবেশ দেওয়া, উচ্চশিক্ষার কারিগর বানানো, সেখানে তাকে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে, পাঠানো হচ্ছে ব্রথেলে, জানা যাচ্ছে সে হয়তো এরকমই কোনো এক জঙ্গির ফসল, আর বছর কয়েক পরে সে তারই মিলনসঙ্গিনী হবে, সেভাবেই তাকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। তাদের ভাষায় নারীর একমাত্র উদ্দেশ্যই হচ্ছে পুরুষকে সুখ দেওয়া। কেন? নারীর অধিকার এতটাই ঠুনকো? এ প্রশ্নগুলো করতে চাই!

✨ এই পাঠ হয়তো আমার ভালো লাগছে সেই জন্যই সিরিজটা কন্টিনিউ করে যাচ্ছি, কিন্তু বিশেষ করে এই বইটি আমার ভালোলাগার দিককে তুলে ধরলেও,কিছু কিছু বিশেষ দৃশ্য আমার বিরক্তির কারণও বটে!


✍🏻লেখায়~ রহিত
33 reviews
June 23, 2026
বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে
অভীক দত্ত
প্রকাশক: পত্রভারতী
মূল্য: ৪৯৫/-

অভীক দত্তের “বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে” এমন এক স্পাই থ্রিলার, যা কেবলমাত্র রুদ্ধশ্বাস অ্যাকশন বা রহস্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সমাজের গভীরে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার বাস্তবতাকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণভাবে তুলে ধরে। এই উপন্যাসটি পড়তে গেলে প্রথমেই বোঝা যায়—এটি শুধুমাত্র একটি থ্রিলার নয়, বরং মানবজীবনের দুই বিপরীত প্রান্তের এক অসাধারণ মেলবন্ধন। একদিকে ব্যক্তিগত জীবনের নিপীড়ন, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতি, গুপ্তচরবৃত্তি ও ষড়যন্ত্র—এই দুই ধারার গল্পকে লেখক এমনভাবে জুড়ে দিয়েছেন যে আমাদের মতোন পাঠক শেষ পর্যন্ত এক অদ্ভুত টান অনুভব করেন।

উপন্যাসের প্রথম প্লট “দিন প্রতিদিন” মূলত রুমার জীবনের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই অংশটি পড়তে পড়তে পাঠক এক ভয়ংকর বাস্তবতার মুখোমুখি হন—যেখানে একটি মেয়ের বিয়ের পরের জীবন সুখের বদলে হয়ে ওঠে এক অবিরাম দুঃস্বপ্ন। দিব্যেন্দুর চরিত্রটি এখানে নিছক একজন স্বামী নয়, বরং সমাজে লুকিয়ে থাকা সেইসব মানুষের প্রতীক, যারা ভদ্রতার মুখোশ পরে থেকে ভিতরে ভিতরে নৃশংসতা লালন করে। রুমার প্রতি তার নির্যাতন কেবল শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও তাকে ভেঙে চুরমার করে দেয়। রুমার অসহায়তা আরও প্রকট হয়ে ওঠে যখন তার নিজের পরিবারও তার পাশে দাঁড়ায় না; বরং তাকে সহ্য করার পরামর্শ দেয়। এই অংশে লেখক অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের নির্মম চিত্র এঁকেছেন, যা পড়তে গিয়ে পাঠকের মনে ক্ষোভ, দুঃখ এবং অসহায়তার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়।

তবে এই প্লটটি কেবল নির্যাতনের বর্ণনায় আটকে থাকে না। ধীরে ধীরে রুমার জীবনে এক নতুন মোড় আসে—তার অতীত, তার প্রথম প্রেম, এবং এক অজানা রহস্য তাকে এমন এক পথে নিয়ে যায় যা তাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগতে ঠেলে দেয়। এই পরিবর্তনটি প্রথমে ধীর গতির মনে হলেও, আসলে এটি পুরো গল্পের ভিত্তি তৈরি করে। লেখক এখানে চরিত্র গঠনে অনেক সময় নিয়েছেন, যা একদিকে গল্পকে গভীরতা দিয়েছে, অন্যদিকে কিছু পাঠকের কাছে এটি ‘স্লো বার্ন’ বলে মনে হতে পারে।

দ্বিতীয় প্লট “অপারেশন ট্রেইটর” সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার। এখানে গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রাণা—একজন প্রফেশনাল কন্ট্রাক্ট কিলার, যার কাজই হলো নির্দিষ্ট টার্গেটকে নির্মূল করা। তাকে ঢাকায় পাঠানো হয় এক বিশ্বাসঘাতককে খুঁজে বের করে হত্যা করার জন্য। কিন্তু গল্প যত এগোতে থাকে, ততই পরিষ্কার হয় যে বিষয়টি এতটা সরল নয়। রাণা নিজেই জড়িয়ে পড়ে এক জটিল ষড়যন্ত্রের জালে, যেখানে প্রতিটি চরিত্রের পরিচয় সন্দেহজনক, আর প্রতিটি পদক্ষেপে লুকিয়ে থাকে বিপদ। এই অংশে লেখক আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সন্ত্রাসবাদ, স্লিপার সেল, মানব পাচার ইত্যাদি বিষয়কে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে গল্পের মধ্যে এনেছেন।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো—দুটি সম্পূর্ণ আলাদা প্লট কীভাবে ধীরে ধীরে একে অপরের সঙ্গে জুড়ে যায়। প্রথমে মনে হয় এই দুই গল্পের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই, কিন্তু শেষের দিকে এসে যখন সবকিছু একত্রিত হয়, তখন আপনারা সত্যিই বিস্মিত হবেন। এই সংযোগটি লেখকের কাহিনি নির্মাণের দক্ষতার একটি বড় প্রমাণ।

লেখকের ভাষা অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল, যা গল্পকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। বিশেষ করে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোর বর্ণনা এতটাই জীবন্ত যে পড়তে পড়তে মনে হয় যেন কোনো সিনেমা বা ওয়েব সিরিজ দেখা হচ্ছে। শেষের দিকের ঘটনাপ্রবাহ তো একেবারে চোখের সামনে ভিজ্যুয়াল হয়ে ওঠে—এমন অনুভূতি তৈরি হয় যেন একের পর এক দৃশ্য কাট হয়ে এগিয়ে চলেছে। আর সত্যি বলতে, বইটির শেষ অংশ পড়তে পড়তে ঠিক এই অনুভূতিটাই আসে—যেন একটা টানটান ওয়েব সিরিজ দেখছি। বিশেষ করে একটি সংলাপ তো একেবারে চমকে দেয়—“আদর করে আপনার দেশের লোকেরা আমায় বাজ বলে”। উফফফ, সেই ভাইব্!! একেবারে গায়ে কাঁটা দেওয়া মুহূর্ত।

তবে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। যেমন—চরিত্রের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় মাঝে মাঝে গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার কিছু চরিত্রের একাধিক নাম থাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়তো হতে পারে। এছাড়া প্রথম প্লটের কিছু অংশ কিছুটা দীর্ঘায়িত মনে হতে পারে, যেখানে নির্যাতনের বর্ণনা কিছুটা পুনরাবৃত্ত হয়েছে বলেও মনে হতে পারে। তবে এই বিষয়গুলো অনেকটাই পাঠকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও ধৈর্যের উপর নির্ভর করে।

তবুও এই উপন্যাসের সবচেয়ে বড় শক্তি তার বিষয়বস্তু। নারী নির্যাতন, সামাজিক ভণ্ডামি, ধর্মীয় উগ্রতা, মানব পাচার—এইসব গুরুতর বিষয়কে লেখক শুধুমাত্র তথ্য হিসেবে দেননি, বরং গল্পের মাধ্যমে অনুভব করিয়েছেন। রুমার চরিত্রটি একদিকে সমাজের নির্যাতিত নারীদের প্রতীক, অন্যদিকে তার পরিবর্তন ও সংগ্রাম পাঠকের মনে এক ধরনের আশার আলো জাগায়। অপরদিকে স্পাই থ্রিলারের অংশটি দেখায়—দেশের নিরাপত্তা রক্ষার পেছনে কতটা জটিল ও বিপজ্জনক লড়াই চলে, যা সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালেই থেকে যায়।

সব মিলিয়ে “বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে” এমন একটি উপন্যাস, যা একই সঙ্গে মনোরঞ্জন এবং মনন—দুই দিকেই সমানভাবে শক্তিশালী। এটি যেমন থ্রিলারপ্রেমীদের জন্য রোমাঞ্চকর, তেমনি সমাজের বাস্তব চিত্র নিয়ে ভাবতে ভালোবাসেন এমন পাঠকদের জন্যও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বইটি পড়ে শেষ করার পরেও এর চরিত্র, ঘটনাপ্রবাহ এবং প্রশ্নগুলো দীর্ঘ সময় ধরে মনে থেকে যায়—আর সেই দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবই প্রমাণ করে, এই গল্প শুধুই পড়ার জন্য নয়, অনুভব করার জন্য লেখা।
Profile Image for   Shrabani Paul.
397 reviews28 followers
May 25, 2024
🎯🎭ব‌ইয়ের নাম - বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে🎭🎯
✍🏻লেখক - ‌অভীক দত্ত
🖨️প্রকাশক - পত্রভারতী
💰মূল্য - 495/-

⛳ কি ভাবছেন বইটা কেমন হবে? বইটা কি কেনা যাবে? কী আছে এই বইতে? আসুন দেখে নিই.......

🍃📖সদ্য পড়ে শেষ করলাম সাহিত্যিক অভীক দত্ত মহাশয়ের লেখা 'বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে' উপন্যাসটি। উপন্যাসের শুরুতেই দেখা যায় এক অত্যাচারিত নারীর। আমরা বাস্তব এ দেখি নারীদের‌ ওপরে অত্যাচার, খুবই খারাপ লাগে। যখন কোন নারীকে অত্যাচারিত হতে দেখি। আসলে এই নারীই তো আমাদের সকলের উর্দ্ধে। আসুন দেখে নিই কি ঘটতে চলেছে এই উপন্যাসে...........

🍃📖বাড়ির মতামতে দিব্যেন্দুকে বিয়ে করে রুমা। বিয়ের পরে প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাক‌ই চলছিল কিন্তু যতো দিন গড়িয়েছে দিব্যেন্দুর আসল রূপ বেড়িয়ে এসেছে। দিব্যেন্দুর সাথে সংসার করতে করতে রুমা যেন হাঁফিয়ে উঠেছে। প্রতিদিনের অত্যাচার সে আর মেনে নিতে পারছেনা। রুমা একদিন তার মাকে বলে দিব্যেন্দুর কথা, রুমার মা বলে মেয়েদের মানিয়ে নিয়েই থাকতে হয় রে মা দেখবি একদিন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। সত্যি‌ই কি একদিন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে?
এই ভাবে চলতে চলতে একদিন রুমার প্রথম প্রেম প্রত্যুষদার কথা মনে পড়লো। প্রত্যুষদার সাথে কোনভাবে যোগাযোগ করতেই হবে। কিন্তু কথায় আছে যখন সময় খারাপ যায় তখন সবদিক থেকেই কোনঠাসা হতে হয়। রুমা প্রত্যুষদাকে যতোবার‌ই ফোন করে,বলে ফোন সুইচড অফ্।
হঠাৎ একদিন ফোনে রিং হলো প্রত্যুষদার একজন ফোন ধরলো। প্রত্যুষদা তো নয় ....কে সে ?
এক রাতে দিব্যেন্দু দেখে রুমা বাড়িতে নেই। সে রাতের অন্ধকারে বাড়ি ছেরে চলে গেছে। কোথায় গেল রুমা ....কার সাথে গেল? দিব্যেন্দুর হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সে বাড়ি ছেরে বেড়িয়ে গেল। নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো রহস্য? রুমা কি পাবে মুক্তি ?

🍃📖অন্যদিকে পরিচয় হলো এণাক্ষীর সাথে। খুব ভাগ্যবতী এই মহিলা স্বামী অরিত্র খুব ভালোবাসে কখনো চোখের আড়াল করেনা। এণাক্ষী ভীষন জেদী। টিভিসিরিয়ালে অভিনয় করা নিয়ে একদিন অশান্তি শুরু হলো অরিত্র চায়না এণাক্ষী এই ধরনের কাজ করুক। এণাক্ষী অরিত্র কথা না শুনে একদিন রাতে বাড়ি ছাড়লো। কোথায় গেল এণাক্ষী ?
অনেক খোঁজাখুঁজি করেও অরিত্র এণাক্ষীকে কোথাও পেল না। অবশেষে থানায় রিপোট করলো......
এণাক্ষীকে কি অরিত্র খুঁজে পাবে শেষ পর্যন্ত?

🍃📖এই উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র প্রফেশনাল কিলার ‘রাণা’। তাকে ঢাকা পাঠানো হল একজন বিশ্বাসঘাতক কে নিকেশ করতে। কে পাঠালেন রাণাকে ঢাকা? ঢাকা পৌঁছে রাণা জড়িয়ে পড়তে লাগল একটার পর একটা ঘটনায়। শেষ অবধি রাণা কি করবে? তাকে কোন উদ্দেশ্য এর জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছিলো? এই সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে বইয়ের পাতায়। জানতে হলে অবশ্য‌ই পড়তে হবে এই উপন্যাস.........

✍🏻⛳ব্যক্তিগত মতামত
বইটি দুটি খন্ডে বিভক্ত, 🔞 লেখা। উপন্যাসটি পড়ে বেশ ভালো লেগেছে। এখানে একটা কথা বলতেই হয় নানান ধরনের লেখা হয়। কিছু লেখার মধ্যে পারিপার্শ্বিক ঘটনাবলি সরাসরি দেখা যায় না। সেই সঙ্গে লেখকের চিন্তাধারার মিশেল ঘটে লেখাটিকে একটা আলাদা মাত্রা দেয়। লেখকের চিন্তাধারার মধ্যে দিয়ে ঘটনাবলি যখন পাঠকের চোখের সামনে হেঁটে চলে বেড়ায়, তখনই সেই লেখা পাঠকের মনে রসের সঞ্চার করে। পুরো উপন্যাস জুড়ে লেখক প্রত্যেকটি চরিত্রকে সুনিপুণ হাতে বিশ্লেষণ করেছেন। যেটা আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। লেখকের লেখনীশৈলী ভীষণ ভালো। বইটি হার্ড কভার, ভালো কাগজ, ঝকঝকে ছাপা ও আকর্ষণীয় প্রচ্ছদ সমৃদ্ধ। লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার লেখার দীর্ঘায়ু কামনা করি। ভালো থাকবেন........

প্রকৃত বাস্তব কথা 👇🏻
📍সবার কি আর সে ভাগ্য হয়? কেউ অনেক টাকা রোজগার করে দামি বাড়ি বানিয়েও শান্তিতে থাকতে পারে না। কেউ কম টাকা রোজগার করে ভাড়ার ঝুপড়িতে থেকেও সুখী।

📥🗒️2024 Book Review ~ 53
যদি এই বইটি পূর্বেই কেউ পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাদের ব্যক্তিগত মতামত জানাবেন। এছাড়াও আমার রিভিউ কেমন লাগছে সেটাও জানাবেন নিচের কমেন্ট বক্সে। যদি কিছু ভুল ত্রুটি হয় সেটাও জানতে ভুলবেননা।
🍀 আবারো দেখা হবে পরের রিভিউতে। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন আর অনেক অনেক বই পড়ুন। 🙂
🙏🏻 !! ধন্যবাদ !! 🙏🏻

#বিশ্বাসঘাতকের_সন্ধানে #পত্রভারতী #উপন্যাস
#গল্প #অভীক_দত্ত #পাঠক_প্রতিক্রিয়া Patra Bharati
Profile Image for boikit Jeet.
82 reviews22 followers
August 29, 2024

🔹অভীক দত্ত এর কলমে এক অনবদ্য স্পাই থ্রিলার। বইটি লাস্ট বইমেলা থেকে কিনেছিলাম । বাজ এর বইগুলির ক্রোনোলজি ওয়াইস যদিও এটি শেষ বই তবুও এটিই আগে পড়লাম, ব্লু ফ্লাওয়ার ও বাজ সিরিজ ১ এর আগে।

🔹পাঠ প্রতিক্রিয়া জানানোর আগে এই বইটি কেনার একটা মজার গল্প বলি। গত বইমেলা তে পত্রভারতী এর ষ্টল এ ঘুরছি। হটাৎ একজন ক্রেতা এসে বললেন নারায়ণ সান্যাল এর বিশ্বাসঘাতক আছে? স্টলের দাদা ও সেলস প্রিচ দিয়ে দিলেন। বলল ওটা আমাদের এখানে নেই তবে এটা আছে (বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে), দারুণ সেল হচ্ছে। সেই দেখে বইটি হাত এ নিই, ব্লার্ব পড়ে ভালো লাগায় কিনে নিই।

🍂এবার আসি বইটা পড়ে আমার কেমন লাগল সে কথায়। এই সম্পূর্ণ উপন্যাসটি দুটি প্লট এ ভাগ কড়া। দিনপ্রতিদিন ও অপারেশন ট্রেইটর। প্রথম প্লট এ তিনি এই গল্পের একটা পটভূমি তৈরি করেছেন। রুমা ও দিব্যেন্দু এর কাহিনী, ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এর কাহিনী। ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স নিয়ে যা বর্ণনা আছে সেসব পড়লে তড়াক করে নিজের ই মাথা গরম হয়ে যাবে। একদম রিয়ালিস্টিক ভাবে সব কিছু লেখক ফুটিয়ে তুলেছে নিজের কলমের ছোঁয়ায়। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল উঠে গিয়ে দুম করে কেলিয়ে আসি দিব্যেন্দু কে, তবে নিজে কেলাতে না পারলেও লেখক গল্পের মধ্যেই এই সাধ পূরণ করে দিয়েছেন। তবে প্রথম প্লট টা পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিল এই ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এর কিছু সিন বা বর্ণনা রিপিট হয়েছে, মানে ওই যাকে ড্র্যাগ করা বলে আর কী। প্লট এষ্টেবলিশ করতে গিয়ে বড্ড বেশি টানাটানি হয়ে গেছে আর কী। আর প্লট ১ টা যখন এন্ড হচ্ছে একটা এক্সাইটমেন্ট তৈরি হয়েও যেন নিভে গেছে মনে হলো।

যাইহোক প্লট ১ শেষ করে প্লট ২ (অপারেশন ট্রেইটর) স্টার্ট করলাম। প্রফেশনাল কিলার রানা কে পাঠানো হয়েছে ঢাকা তে।কিন্তু কেন ? কাকে মারতে রানা কে বাংলাদেশ যেতে হলো। এই প্লট এর ও শুরুতে তেমন কোনো এক্সাইটমেন্ট পাচ্ছিলাম না। আমি ভাবছি আমি কী বই পড়ার মুড এ নেই না বইটা পড়তে ইচ্ছা করছে না। না লেখক অভীক দত্ত নয়, অন্য কাউ কে দিয়ে লেখানো। খুব রাগ ও হচ্ছিল লেখক এর ওপর(বলে রাখি আমি লেখকের লেখার খুব বড় ফ্যান)। শেষ মেশ জোর করেই পাতা ওল্টালাম এবং আস্তে আস্তে উত্তেজনা বাড়তে থাকল। মোটামুটি ৭০% গল্পের পর থেকে আসল স্পাইথ্রিলার এর মজা শুরু। সোজা বাংলাতে অ্যাকশন শুরু যাকে বলে। মার কাটারি সব সিন। যেন মনে হচ্ছে প্রাইম এ বা নেটফ্লিক্স এ কোন ওয়েব সিরিজ দেখছি। রুদ্ধশাস অ্যাকশন এন্ড হোয়াট এ এন্ডিং। এতো ভালভাবে সব জটলা গুলো কী সুন্দর মেলানো হয়েছে। তবে গল্প বুঝতে একটুও বেগ পেতে হবে না খুব সহজ সরল লেখা, পাতার পর পাতা ওল্টানো এর মতো। গল্প টা শেষ করে একটা ঘোর এর মধ্যে ছিলাম। মানে এই বইটা শেষ করে পাঠ প্রতিক্রিয়া লেখার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তাই মাঝে আর একটা উপন্যাস শেষ করে এটা লিখতে বসলাম। অভীক দত্ত আপনি গুরুদেব 🙏🏻

‼️যারা গল্পটি পড়েননি এর পরে আর পড়বেন না।

#হালকা_স্পয়েলর

🔹বলছিলাম না এই বইটি এর শেষটা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল যেন একটা ওয়েব সিরিজ দেখছি। আর একটা লাইন এ তো পুরো চমকে গেছি - “আদর করে আপনার দেশের লোকেরা আমায় বাজ বলে” । উফ্ফ আলাদাই ভাইব এন্ড স্যাটিসফ্যাক্সন। মনে হচ্ছে SRK ডায়লগ টা বলছে ❤️। আমি তো বইটা পড়ে ক্যারেক্টার কাস্টিং ও করে ফেলেছি মনে মনে 😅 -
অমল - SRK
রানা - ভিকি কৌশল
রুমা - আলিয়া ভাট
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Antara Dey.
30 reviews
March 12, 2026
অভীক দত্ত অত্যন্ত পছন্দের একজন লেখক, কখনও হতাশ করেননা আর স্পাই থ্রিলার যদি হয় তাহলেতো কোন কথাই নেই।স্পাই থ্রিলার এ অভিক দত্ত একক এবং অদ্বিতীয়।
Profile Image for Rohini.
90 reviews
June 21, 2026
লেখক ঘটনার ঘনঘটায় একেবারে জর্জরিত করে ফেললেন। ছিল রুমাল হয়ে গেল বেড়াল মার্কা গল্প। বিশেষ ভালো লাগল না।
Displaying 1 - 12 of 12 reviews