অধিনায়ক আর দশটা প্রন্থের মতো নয়। এটি সমকালীন তারুণ্যের মনোভূমির নবেন্যাস। ভিন্নধর্মী দর্শনের প্রাথমিক বয়ান। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের পুনর্গঠি। চলতি সমাজের চালচিত্র। বিকল্প রাষ্ট্র ও বিশ্বভাবনার সূত্রপাত। সর্বোপরি বিশ্ব অঙ্গনে বাঙালির উত্থান পর্বের প্রাথমিক নৈবেদ্য। এটি একটি নির্দেশিকা সংগঠনের রাষ্ট্রগঠনের কিংবা বিশ্বমানব হয়ে ওঠার। ২০১৪ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের কয়েকটা দিনের ক্যানভাসে নির্মিত এই নন্যোসের ভিত্তি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। মধ্যবিত্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে বড়ো হওয়া এক জোড়া তরুণীর দেশনির্মাণভাবনাকে উপজীব্য করে এর আখ্যানগুলোর বিস্তার এবং সেই প্রমীলা-প্রজ্ঞার ঝরনার মতো প্রবহমান জীবনের ঘাত- প্রতিঘাত-ঝঞাসম্ভূত চিন্তা-বিচিন্তার ভাষান্তর এই অধিনায়ক। কিন্তু কোনো চরিত্র নির্মাণের চেষ্টা এখানে নেই। নেই কোনো চরিত্র ধ্বংসের বিবরণ। ক্ষণিকের জন্য চকিতে হাজির হওয়া তারুণ্যমাখা অসংখ্য চরিত্র এই উপন্যাসের চালিকাশক্তি। হয়তো বিহারি পিতার সন্তান আদম চরিত্রটি এই কাহিনিমালার মণিহার বা লোশর জন্য প্রাণ দেওয়া মেজর রাশেদ এর নায়ক কিংবা অন্য কেউ।