What do you think?


কিশোর উপন্যাস (আনন্দ) #10
রাবণের মুখোশ
167 pages, Hardcover
Published January 1, 1997
About the author
Bimal Kar
136 books38 followersBimal Kar (Bengali: বিমল কর) was an eminent Bengali writer and novelist. He received 1975 Sahitya Akademi Award in Bengali, by Sahitya Akademi, India's National Academy of Letters, for his novel Asamay.
বিমল কর-এর জন্ম ৩ আশ্বিন ১৩২৮। ইংরেজি ১৯২১। শৈশব কেটেছে নানা জায়গায়। জব্বলপুর, হাজারিবাগ, গোমো, ধানবাদ, আসানসোল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। কর্মজীবন: ১৯৪২ সালে এ. আর. পি-তে ও ১৯৪৩ সালে আসানসোলে মিউনিশান প্রোডাকশন ডিপোয়। ১৯৪৪-এ রেলওয়ের চাকরি নিয়ে কাশী। মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘পরাগ’ পত্রিকার সহ-সম্পাদক, পরে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ পত্রিকা ও ‘সত্যযুগ’-এর সাব-এডিটর। এ-সবই ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যে। ১৯৫৪-১৯৮২ সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮২-১৯৮৪ ‘শিলাদিত্য’ মাসিক পত্রিকার সম্পাদক। বহু পুরস্কার। আনন্দ পুরস্কার ১৯৬৭ এবং ১৯৯২। অকাদেমি পুরস্কার ১৯৭৫। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার ১৯৮১। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহদাস পুরস্কার ১৯৮২। ‘ছোটগল্প—নতুন রীতি’ আন্দোলনের প্রবক্তা।
প্রয়াণ: ২৬ আগস্ট ২০০৩।
বিমল কর-এর জন্ম ৩ আশ্বিন ১৩২৮। ইংরেজি ১৯২১। শৈশব কেটেছে নানা জায়গায়। জব্বলপুর, হাজারিবাগ, গোমো, ধানবাদ, আসানসোল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। কর্মজীবন: ১৯৪২ সালে এ. আর. পি-তে ও ১৯৪৩ সালে আসানসোলে মিউনিশান প্রোডাকশন ডিপোয়। ১৯৪৪-এ রেলওয়ের চাকরি নিয়ে কাশী। মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘পরাগ’ পত্রিকার সহ-সম্পাদক, পরে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ পত্রিকা ও ‘সত্যযুগ’-এর সাব-এডিটর। এ-সবই ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যে। ১৯৫৪-১৯৮২ সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮২-১৯৮৪ ‘শিলাদিত্য’ মাসিক পত্রিকার সম্পাদক। বহু পুরস্কার। আনন্দ পুরস্কার ১৯৬৭ এবং ১৯৯২। অকাদেমি পুরস্কার ১৯৭৫। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার ১৯৮১। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহদাস পুরস্কার ১৯৮২। ‘ছোটগল্প—নতুন রীতি’ আন্দোলনের প্রবক্তা।
প্রয়াণ: ২৬ আগস্ট ২০০৩।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
October 17, 2021
দারুণ! গল্পের শুরু থেকে শেষ একটা অসাধারণ আঙ্গিকে লেখা। যদিও প্রেক্ষাপট ইংরেজ আমলের,তবুও যেন মনে হলো এই কালকের ঘটনা,একটি পল্লীগ্রামের এমনই সুনিপুণ ছবি এঁকেছেন বিমলবাবু। ডাকাতকে ধরতে গ্রামের জমিদারের বলিষ্ঠ ভূমিকাও এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়। রাবণের মুখোশ একটি সর্বাঙ্গসুন্দর রচনা।
May 15, 2026
ডাকাত-কাহিনি বাংলা সাহিত্যে যেভাবে, বা যে কনসেপ্টে গড়ে ওঠে; এটিও হুবহু তাই। কোনও পার্থক্য নেই শেষ অবধি।
এবং যতই মরমিয়া আখ্যান থাকুক না কেন, আমি কোনও ডাকাত চরিত্রের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারি না। ...এহেন কাহিনির পঠন-সার্থকতাই হারিয়ে যায় তাতে।
প্রিয় লেখক বিমল করের লেখার ক্ষেত্রে যেটা সবচেয়ে পছন্দের, সেটা হল গতিময় গদ্য। এবারে সেটাও সেরকম পেলুম না। বরং, কিছু-কিছু জায়গা কেমন যেন অসম্পাদিত বলেই মালুম হল।
গ্রাম্য মেলার সুন্দর বিবরণ, এবং চরিত্রগুলিকে প্রতিষ্ঠা করার নেপথ্যে যথেষ্ট নিষ্ঠা-ই এইবারের পাওনা।
ডাকাত-কাহিনি আগে খুব বেশি পড়া না থাকলে অবশ্য সার্বিক ভালো লাগার পরিমাণটা বাড়লেও বাড়তে পারে।
এবং যতই মরমিয়া আখ্যান থাকুক না কেন, আমি কোনও ডাকাত চরিত্রের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারি না। ...এহেন কাহিনির পঠন-সার্থকতাই হারিয়ে যায় তাতে।
প্রিয় লেখক বিমল করের লেখার ক্ষেত্রে যেটা সবচেয়ে পছন্দের, সেটা হল গতিময় গদ্য। এবারে সেটাও সেরকম পেলুম না। বরং, কিছু-কিছু জায়গা কেমন যেন অসম্পাদিত বলেই মালুম হল।
গ্রাম্য মেলার সুন্দর বিবরণ, এবং চরিত্রগুলিকে প্রতিষ্ঠা করার নেপথ্যে যথেষ্ট নিষ্ঠা-ই এইবারের পাওনা।
ডাকাত-কাহিনি আগে খুব বেশি পড়া না থাকলে অবশ্য সার্বিক ভালো লাগার পরিমাণটা বাড়লেও বাড়তে পারে।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews



