What do you think?


কি কি রা #9
হলুদ পালক বাঁধা তীর
104 pages, Hardcover
First published January 1, 1994
About the author
Bimal Kar
136 books38 followersBimal Kar (Bengali: বিমল কর) was an eminent Bengali writer and novelist. He received 1975 Sahitya Akademi Award in Bengali, by Sahitya Akademi, India's National Academy of Letters, for his novel Asamay.
বিমল কর-এর জন্ম ৩ আশ্বিন ১৩২৮। ইংরেজি ১৯২১। শৈশব কেটেছে নানা জায়গায়। জব্বলপুর, হাজারিবাগ, গোমো, ধানবাদ, আসানসোল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। কর্মজীবন: ১৯৪২ সালে এ. আর. পি-তে ও ১৯৪৩ সালে আসানসোলে মিউনিশান প্রোডাকশন ডিপোয়। ১৯৪৪-এ রেলওয়ের চাকরি নিয়ে কাশী। মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘পরাগ’ পত্রিকার সহ-সম্পাদক, পরে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ পত্রিকা ও ‘সত্যযুগ’-এর সাব-এডিটর। এ-সবই ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যে। ১৯৫৪-১৯৮২ সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮২-১৯৮৪ ‘শিলাদিত্য’ মাসিক পত্রিকার সম্পাদক। বহু পুরস্কার। আনন্দ পুরস্কার ১৯৬৭ এবং ১৯৯২। অকাদেমি পুরস্কার ১৯৭৫। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার ১৯৮১। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহদাস পুরস্কার ১৯৮২। ‘ছোটগল্প—নতুন রীতি’ আন্দোলনের প্রবক্তা।
প্রয়াণ: ২৬ আগস্ট ২০০৩।
বিমল কর-এর জন্ম ৩ আশ্বিন ১৩২৮। ইংরেজি ১৯২১। শৈশব কেটেছে নানা জায়গায়। জব্বলপুর, হাজারিবাগ, গোমো, ধানবাদ, আসানসোল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। কর্মজীবন: ১৯৪২ সালে এ. আর. পি-তে ও ১৯৪৩ সালে আসানসোলে মিউনিশান প্রোডাকশন ডিপোয়। ১৯৪৪-এ রেলওয়ের চাকরি নিয়ে কাশী। মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘পরাগ’ পত্রিকার সহ-সম্পাদক, পরে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ পত্রিকা ও ‘সত্যযুগ’-এর সাব-এডিটর। এ-সবই ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যে। ১৯৫৪-১৯৮২ সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮২-১৯৮৪ ‘শিলাদিত্য’ মাসিক পত্রিকার সম্পাদক। বহু পুরস্কার। আনন্দ পুরস্কার ১৯৬৭ এবং ১৯৯২। অকাদেমি পুরস্কার ১৯৭৫। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার ১৯৮১। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহদাস পুরস্কার ১৯৮২। ‘ছোটগল্প—নতুন রীতি’ আন্দোলনের প্রবক্তা।
প্রয়াণ: ২৬ আগস্ট ২০০৩।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
October 20, 2021
ঘাটশিলায় গিয়ে সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এক ব্যবসায়ী। অনেকের সন্দেহ হয় এটা হত্যার চেষ্টা। কিকিরা নামেন তদন্তে,এবং ক্রমেই উঠে আসে একের পর এক সত্য। শেষ পর্যন্ত ঘটনাটি কি সত্যিই হত্যার চেষ্টা নাকি স্ট্রোক সেটা সামনে আসে।
গল্প টানটান,প্লটে কোথাও অতিকথন নেই। তবে উপসংহারটা আরেকটু টানা গেলে এমন কিছু ক্ষতি হতো না।
গল্প টানটান,প্লটে কোথাও অতিকথন নেই। তবে উপসংহারটা আরেকটু টানা গেলে এমন কিছু ক্ষতি হতো না।
January 5, 2025
নাম শুনে মনে হচ্ছিল কোন সিরিয়াল কিলিং গোছের কাহিনি হবে। সিরিয়াল কিলার হয়তো খুন করে যাওয়ার পরে নিশানি হিসেবে হলুদ পালক বাঁধা তীর রেখে যায়। কিন্তু না!
ঘাটশিলায় হোটেল করতে চান রত্নেশ্বর। তারই কাজের তদারকি করতে গিয়ে সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃতপ্রায় পঙ্গু হয়ে ঘরে ফেরেন রত্নেশ্বর। একটা ফাউল প্লে-এর গন্ধ বেরোতে শুরু করলে কিকিরার ডাক পড়ে। ঘাটশিলা টু নিমতলা তদন্ত এগোয়। সমাধান বেরোয়।
কিকিরার গল্পে বরাবরই দেখছি কথোপকথনই বেশি। ক্লু খোঁজা, অন্যান্য অ্যাকশন কম। অকারণ মারপ্যাঁচ নেই। সামারি করে বললে এক অনুচ্ছেদেই কাহিনি ব্যক্ত করা যাবে। সেটিকেই খেলিয়ে বিস্তারে লেখা। গোয়েন্দা কাহিনি জমে এইভাবেই।
তবে আরেকটু অ্যাকশন কিংবা কিকিরার ম্যাজিক বাস্তবসম্মতভাবে কাজে লাগলে আরও জোরদার হত। তবে যা আছে তা মন্দ নয়।
ঘাটশিলায় হোটেল করতে চান রত্নেশ্বর। তারই কাজের তদারকি করতে গিয়ে সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃতপ্রায় পঙ্গু হয়ে ঘরে ফেরেন রত্নেশ্বর। একটা ফাউল প্লে-এর গন্ধ বেরোতে শুরু করলে কিকিরার ডাক পড়ে। ঘাটশিলা টু নিমতলা তদন্ত এগোয়। সমাধান বেরোয়।
কিকিরার গল্পে বরাবরই দেখছি কথোপকথনই বেশি। ক্লু খোঁজা, অন্যান্য অ্যাকশন কম। অকারণ মারপ্যাঁচ নেই। সামারি করে বললে এক অনুচ্ছেদেই কাহিনি ব্যক্ত করা যাবে। সেটিকেই খেলিয়ে বিস্তারে লেখা। গোয়েন্দা কাহিনি জমে এইভাবেই।
তবে আরেকটু অ্যাকশন কিংবা কিকিরার ম্যাজিক বাস্তবসম্মতভাবে কাজে লাগলে আরও জোরদার হত। তবে যা আছে তা মন্দ নয়।
November 25, 2021
হঠাৎই স্ট্রোক হয় রত্নেশ্বরবাবুর। কিন্তু সন্দেহ হয়, সত্যি কি স্ট্রোক? নাকি খুন?
শেষ পর্যন্ত কিকিরা উদ্ঘাটন করতে নামে। নটুমহারাজ নিজেই নিজের ভাই সহদেবকে মারতে গিয়ে বিষমাখানো তীরের ফলা মেরে রত্নেশ্বরকে আহত করে ফেলেছিল। এরপর চেয়েছিল সহদেবকে খুনের দায়ে ফাঁসাতে।
শেষ পর্যন্ত কিকিরা উদ্ঘাটন করতে নামে। নটুমহারাজ নিজেই নিজের ভাই সহদেবকে মারতে গিয়ে বিষমাখানো তীরের ফলা মেরে রত্নেশ্বরকে আহত করে ফেলেছিল। এরপর চেয়েছিল সহদেবকে খুনের দায়ে ফাঁসাতে।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews




