Jump to ratings and reviews
"রেবেকা-কে আমি ভালোবাসতাম গভীরভাবে। প্রায় ৫ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো আমাদের, বিয়ের কথাও চলছিলো। কিন্তু তিলে তিলে গড়া সেই স্বপ্নের প্রাসাদ ধ্বংস হয়ে গেলো এক নিমিষেই! একদিন রেবেকা আমাকে বললো, ''যদি সত্যিই আমাকে ভালোবেসে থাকো, তাহলে কথা দাও- আমাকে ভুলে যাবে, আজকের পর আর কোনোদিন আমার সামনে এসে দাঁড়াবে না!' কষ্টের পাথর চেপে আমি সেদিন রেবেকা-কে কথা দিয়েছিলাম। তবে সেই কথা আমি পুরোপুরি রাখতে পারিনি। সেদিনের পর আর রেবেকার সামনে গিয়ে দাঁড়াইনি সত্যি, কিন্তু ওকে আমি কখনো ভুলতে পারিনি! অবশ্য আমি কথা দিয়েছিলাম জীবিত রেবেকা-কে। আজ যখন খবর পেলাম রেবেকা কার-অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেছে, নিজেকে আমি আটকে রাখতে পারিনি। ছুটে গিয়েছিলাম ওকে শেষবারের মতো একটু দেখতে। কিন্তু ওকে দেখে আমি প্রচন্ড শক খেলাম। ওটা রেবেকার লাশ ছিলো না! ওরা সবাই রেবেকার নাম দিয়ে অন্য একটা মেয়েকে দাফন করে ফেলেছে। আমি জানি না আমার রেবেকা এখন কোথায়? তাই আপনার কাছে এসেছি। মনসুর হালিম সাহেব, আপনি তো একজন নামকরা ডিটেকটিভ, অনেক মানুষের উপকার করছেন। আমার রেবেকাকে খুঁজে দেবেন, প্লিজ?"

Unknown Binding

Published April 15, 2024

Loading...
Loading...

About the author

Nazim Ud Daula

27 books152 followers
নাজিম উদ দৌলার জন্ম ১৯৯০ সালের ৪ নভেম্বর নানাবাড়ি কেরানীগঞ্জে। পৈত্রিক নিবাস যশোর জেলায় হলেও বেড়ে উঠেছেন ঢাকার আলো বাতাসের মাঝে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করে বেশ কয়েক বছর বিজ্ঞাপনী সংস্থায় চাকরি করেছেন।বর্তমানে দেশের প্রথম সারির প্রডাকশন হাউজ আলফা আই-এ ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। লেখালেখির চর্চা অনেক দিনের। দীর্ঘসময় ধরে লিখছেন ব্লগ, ফেসবুক সহ বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে। ২০১২ সালে প্রথম গল্প “কবি” প্রকাশিত হয় কালান্তর সাহিত্য সাময়িকীতে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৫-তে প্রকাশিত হয় তার প্রথম থ্রিলার উপন্যাস “ইনকারনেশন”। একই বছর আগস্টে প্রকাশিত হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার “ব্লাডস্টোন” তাকে এনে দেয় বিপুল পাঠকপ্রিয়তা। এ পর্যন্ত ৬টি থ্রিলার উপন্যাস ও ৩টি গল্পগ্রন্থ লিখেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট লেখায় মনোনিবেশ করেছেন। সাম্প্রতিককালে তার চিত্রনাট্যে নির্মিত "সুড়ঙ্গ" সিনেমাটি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। শান, অপারেশন সুন্দরবন, দামাল, বুকের মধ্যে আগুন, দ্যা সাইলেন্স, লটারি-এর মতো বেশি কিছু আলোচিত সিনেমা ও ওয়েব সিরিজের চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনি। অবসর সময় কাটে বইপড়ে, মুভি দেখে আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে। সদালাপী, হাসি খুশি আর মিশুক স্বভাবের এই মানুষটি স্বপ্ন দেখেন একটি সুন্দর বাংলাদেশের, যেখানে প্রত্যেকটি এক হয়ে মানুষ দেশ গড়ার কাজে মন দেবে।

Ratings & Reviews

What do you think?

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
7 (6%)
4 stars
21 (18%)
3 stars
57 (51%)
2 stars
20 (18%)
1 star
6 (5%)
Displaying 1 - 20 of 20 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,148 reviews1,213 followers
April 4, 2025
গাদাখানেক প্লটহোলে ঠাসা প্যানপ্যানে বাংলা সিনেমার স্ক্রিপ্ট ছাড়া আমার কাছে আর কিছু মনে হয়নি। শেষ টুইস্টটা প্রত্যাশিত, নাজিম উদ দৌলা ভাই যা হামেশায় দিয়ে থাকেন। এজন্যই ১ টা তাঁরকা বেশি।
Profile Image for Fatima  Tuz Saifa.
49 reviews30 followers
June 29, 2026
সামনে এক্সাম। একাডেমিক পড়তে পড়তে প্রচণ্ড বিরক্ত লাগছিল তাই মাথা হালকা করতে শেলফ থেকে ছোটখাটো এই বইটা তুলে নিলাম। ফান রিড কিংবা মাইন্ড ডাইভার্ট করতে হলে বইটা ভালোই কাজে দিবে। একেবারেই হালকা প্রকৃতির। ছোট বই। পড়তে ত্রিশ মিনিটের বেশি লাগার কথা না। তবে সমস্যাটা হচ্ছে, কাহিনীটা অতিরিক্ত প্লটহোলে ঠাসা। নাজিম উদ দৌলার ম্যাক্সিমাম বইয়েরই ক্ষেত্রেই এমন অভিজ্ঞতা আমার। প্লট হোল নইলে অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো। আর এই বইয়ে দুটোই ছিল। সিনেমাটিক আবহটা অনেক বেশি, টুইস্ট, টার্নিং পয়েন্ট গুলোও অনুমেয়। তো সব মিলে পাঠ অভিজ্ঞতা হচ্ছে গিয়ে, ঐযে যা বললাম আরকি। মাইন্ড ডাইভার্ট হিসেবে ঠিকাছে। যে উদ্দেশ্যে বইটা হাতে নিয়েছিলাম তাও সফল। তবে আমার পাঠক হৃদয়কে এই বই তৃপ্তি দিতে পারলো না একটুও। হতাশ। :))
Profile Image for Avishek Bhattacharjee.
401 reviews87 followers
June 29, 2026
সব আগেই বুঝে ফেলসি। ঝরঝরে লেখার জন্য দুই তারা।
92 reviews11 followers
May 15, 2025
কাহিনি শেষ হওয়ার আগেই শেষে কী হবে বুঝে ফেললে আর মজা থাকে না। 🥲
Profile Image for Tashin Abdullah .
150 reviews2 followers
July 25, 2024
নাজিম উদ দৌলা সাহেবের সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার 'কুহেলিকা' পড়লাম। সরকারি গোয়েন্দা মনসুর হালিমকে নিয়ে লেখা নাজিম উদ দৌলা সাহেবের দ্বিতীয় উপাখ্যান। বইটি পড়তে নেওয়ার আগে ভেবেছিলাম এটি বোধহয় 'প্রহেলিকা'র স্যিকুয়েল হবে, কিন্তু না আমার ধারনা ভুল। দুটি সম্পুর্ন আলাদা কাহিনি। যেকোনো একটি আগে পড়লে কোন সমস্যা নেই।

কুহেলিকার প্লটও চমৎকার, প্রহেলিকার মত এতে অত খুনোখুনির ব্যাপার নেই কিন্তু একটা জমাট রহস্য আছে। কাহিনির অন্যতম প্রধান চরিত্র মনোবিদ আযহার- উয- জামানের জবানিতে কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। প্রথম দিকে কাহিনি একটু স্লো এগিয়েছে। যদিও প্রথমেই একটা কিডন্যাপের সিন। তারপর কাহিনি ফ্লাশব্যাক করে এক মাস আগে পিছিয়ে গেছে, এবং ঐ জায়গা থেকে ঘটনা ধারাবাহিক ভাবে এগিয়েছে।

আযহার-উয-জামানের প্রেমিকা হঠাৎ ই তাকে ছেড়ে এক বড়লোকের ছেলেকে বিয়ে করে। অথচ,আযহার কোনদিন স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি যে তার প্রেমিকা রেবেকা তার সাথে এরকম আচরণ করবে। সে রেবেকার সাথে মৌখিক ভাবে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে কিন্তু মন থেকে কখনোই রেবেকাকে ভুলতে পারেনি। তাইতো একদিন যখন পত্রিকায় রেবেকার মৃত্যুর সংবাদ দেখে, সে আর স্থির ভাবে বসে থাকতে পারেনি, ছুটে যায় রেবেকার শ্বশুর বাড়ি, কিন্তু লাশ দেখে সে তো তাজ্জ্বব। এ তো রেবেকার লাশ নয়, তাহলে আসল রেবেকা কোথায়? কি রহস্য আছে এর ভিতর? রেবেকাকে কি খুঁজে পাবে আযহার? রেবেকার সন্ধানেই এই কেসের সাথে যুক্ত হয় মনসুর হালিম।

গল্পের একেবারে শেষে একটা অপ্রত্যাশিত টুইস্ট আছে। যদিও এই টুইস্টের ব্যাপারটা আমি আগেই ধরে ফেলেছিলাম। বইয়ের প্রত্যেক চাপ্টারের শুরুতে একটা করে স্কেচ আছে, স্কেচ গুলো অনেকটা হিন্দি সিনেমার ক্যারেক্টরদের মত দেখতে। যাইহোক, শুরুর থেকে গল্পের শেষের অংশটাই আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছিলো। এক বসায় পড়ে ওঠার মত একটা থ্রিলার, যারা অল্প সময়ে থ্রিলারের স্বাধ নিতে চায়, তাদের কাছে বইটি ভালো লাগবে।
Profile Image for Farhan Dioxide.
16 reviews
March 17, 2025
প্রহেলিকা সিরিজের ২য় বই কুহেলিকা। নাজিম উদ দৌলার এই সিরিজের মূল চরিত্র এএসপি মনসুর হালিম। সিরিজের তিনটি বইয়ের মধ্যে দুটি পড়ার ভাগ্য হয়েছে। এই দুটো গল্পের প্লটে একটা বিষয় কমন ছিলো। সেটি হচ্ছে, প্রেমে বিচ্ছেদ। যাকে নিয়ে গল্প তার বিচ্ছেদ হওয়া, প্রেমিকার অন্য কারো সাথে বিয়ে হয়ে যাওয়া। প্রথমেই বলে রাখি, যেখানে 'গল্পের কিছু অসঙ্গতি' নিয়ে আলোচনা করেছি সেখানে স্পয়লার আছে।

• প্লট: আযহার উজ-জামান পেশায় মনোবিজ্ঞানী (?)। রেবেকা নামের এক তরুণীর সাথে তার সম্পর্ক ছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন রেবেকা তাকে ছেড়ে গিয়ে অন্য একজনকে বিয়ে করে। আযহার সাহেব সে দুঃখ বুকে চেপে কাটিয়ে দেন পাঁচটি বছর। পাঁচ বছর পর হঠাৎ একদিন এক দূর্ঘটনায় রেবেকার মৃত্যু হয়। কিন্তু রেবেকার লাশ দেখতে গিয়ে তিনি লক্ষ্য করেন সে আসল রেবেকা নয়। তবে এ কথা কেউ স্বীকার করে না। তার কাছে সবকিছু কেমন তালগোল পাকিয়ে যায়, গভীর এক রহস্যের জালে আটকে যান আযহার সাহেব। শেষ পর্যন্ত মনসুর হালিমের শরণাপন্ন হতে হয় তাকে। দুজনে নেমে পড়েন রেবেকার খোঁজে।

• পাঠ প্রতিক্রিয়া: প্রহেলিকা পড়ে অনেক হতাশ হয়েছিলাম। সে হিসেবে কুহেলিকার প্লট যথেষ্ট ভালো। তবে বইটা পড়ে আমি তৃপ্ত নই। পল্ট, সাসপেন্স, টুইস্ট এসব ভালই ছিলো তবে গল্পের সেটিংস ভালো লাগেনি আর গল্পের শেষটা অনেক প্রেডিক্টেবেল ছিলো। রেবেকার বিষয়টা গল্পের অর্ধেকে এসেই যে কোনো পাঠক খুব সহজেই আন্দাজ করতে পারবেন।

লেখকের লেখা সাবলীল ছিল। তবে আমার কাছে গল্প বলার ধরণ খুব সাধারণ মনে হয়েছে। যেন শুধু প্লটের ঘটনা গুলো পরপর জুড়ে দেওয়া হয়েছে। লেখায় সাহিত্যের ছাপ নেই বললেই চলে।

আবহ বর্ণনায় তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, পরিবেশ নিয়ে তেমন অবজারভেশনও নাই, যে চরিত্র গুলো সামনে আসছে তাদের নিয়েও তেমন অবজারভেশন নেই। এক কথায় বললে বর্ণনা আরো একটু প্রাণবন্ত হলে আর গল্পের সেটিংস আরো উন্নত হলে বইটি পড়ে আরো তৃপ্তি পাওয়া যেত। মনোবিজ্ঞানীর জবানিতে গল্প আরো বিচিত্র হতে পারতো।

• গল্পের কিছু অসঙ্গতি: লেখক ভূমিকায় বলেছেন বইতে কিছু স্কেচ নিজে এঁকেছেন তবে আমার কাছে সবগুলো ছবিই এআই দিয়ে বানানো মনে হয়েছে। ছবি গুলো শুধু অধ্যায়ের কন্টেক্সটা ধরে রেখেছে তাছাড়া ছবি গুলো পুরোপুরিই বেমানান এবং খাপছাড়া লেগেছে। ছবি গুলোতে বাংলাদেশের থেকে ইন্ডিয়ান এলিমেন্ট বেশি ছিলো। লেখক কী প্রম্পট দিয়ে জেনারেট করেছেন সেটা ভাবতেই হাসি পাচ্ছে। একটা ছবিতে মনোচিকিৎসকে আঁকা হয়েছে সাধারণ ডাক্তারের মতো।

গল্পে এক জায়গা বলা হয়েছে আযহার সাহেব রেবেকার হাত দেখলেই তাকে শনাক্ত পারবেন অথচ কন্ঠ আর মুখের সামান্য পরিবর্তনের কারণে এতোদিন রেবেকাকে চোখের সামনে এতো কাছে থেকে দেখেও মনে সামান্য সন্দেহ পর্যন্ত জাগলো না? কেমন মনোবিজ্ঞানী আযহার সাহেব?

গল্পের শুরুতে লেখক বলেছেন আযহার সাহেব মনোবিজ্ঞানী। কিন্তু মনোবিজ্ঞানী (সাইকোলজিস্ট) আর মনোচিকিৎসক (সাইকিয়াট্রিস্ট) এক নয়।

বইয়ের এক জায়গা (৯৪ পৃ:) 'পল্লবীকে' 'মৃত্তিকা' বলা হয়েছে, আবার পরের অংশে পল্লবী। এছাড়া এই বইতে বানান ভুল তেমন একটা চোখে পড়েনি।

• প্রকাশনী বিষয়ে: লেখকের কথা জানি না তবে প্রিমিয়ামের অন্যান্য বইগুলোতেও একটা সাধারণ বিষয় খেয়াল করেছি, তারা বই সম্পাদনায় তেমন গুরুত্ব দেন না। পাঠকের রিভিউ দেখেও যদি কিছু পয়েন্ট টুকে নিয়ে ঠিকঠাক করতেন তাতেও বইয়ের সম্পাদনা অনেক ভালো হতো। আপনি খেয়াল করলে দেখবেন তাদের বই নিয়ে ২ বছর আগের একটা রিভিউতে যে অসঙ্গতি নিয়ে কথা হয়েছে বর্তমানেও পাঠক ঠিক একই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করবে।

• শেষ পর্যন্ত বলব, নতুন পাঠক হলে বইটি পড়ে ভালো লাগবে।
আমি এই সিরিজ বাদে লেখকের অন্য কোনো বই পড়িনি। আমার অনেক ইচ্ছা তার আগের বই গুলো পড়া, কারণ আমার মনে হয় লেখক আরো ভালো লেখেন। লেখকের লেখক সত্তা নিয়ে আমার কোনো প্রশ্ন নেই। বই পড়ে নিরপেক্ষ ভাবে রিভিউ দিয়েছি। ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ।

• বই সম্পর্কিত তথ্য:

বই: কুহেলিকা
লেখক: নাজিম উদ দৌলা
জনরা: থ্রিলার
প্রকাশনী: প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স
প্রথম প্রকাশ: মার্চ ২০২৪
পৃষ্ঠা: ১১২
প্রচ্ছদ মূল্য: ১৭৫ টাকা
ব্যক্তিগত রেটিং: ২.৯/৫
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Pearl.
22 reviews
Read
June 8, 2024
স্টার্টিং ভালো বাট ফিনিশিং ভালো লাগে নি।
কাফনের কাপড় হেচকা টানে একজন পর্দানশীন মহিলার পর্দা নষ্ট করার জন্য দুই গালে দুইটা লাগাই দিতে ইচ্ছা করতেছিলো। আর এমন একটা ব্যাপার আনার জন্য লেখককেও এপ্রিশিয়েট করতে পারলাম না। 🙂
বাকি গল্প ঠিক ঠাক চলনসই। তবে আমার মতো মানুষদের জন্য প্রেডিকটেবল গোয়েন্দাগিরি।
আরেকটা বিষয়, সাইকোলজিস্ট বা মনোবিজ্ঞানী আর সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ চিকিৎসক এর মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে। একজন সাইকোলজিস্টের কাঁধে স্টেথোস্কোপ আর পরনে এপ্রোন পড়ে থাকার কোনো হেতু খোঁজে পাচ্ছি না। ধন্যবাদ।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Jannatul Runa.
15 reviews1 follower
August 27, 2025
ভুলে যেতে বললেই চট করে কোনো কিছু স্মৃতি থেকে মুছে ফেলা যায় না। সৃষ্টিকর্তা আমাদের মস্তিষ্কে এমন কোনোকিছুর ব্যবস্থা দেননি যাতে ইচ্ছে করলেই 'ডিলিট' অপশনে ক্লিক করে ইচ্ছে অনুযায়ী কারো স্মৃতি ভুলে যাওয়া যায়। তবে অতীত সবসময় অতীতেই সীমাবদ্ধ থাকে না কখনো কখনো তা বাস্তবেও হাতছানি দেয়।

◼️ কাহিনী সংক্ষেপ -

৫ বছরের প্রণয়ের সম্পর্কের পর হুট করে একদিন রেবেকা আযহারকে বললো, 'কথা দাও, আমাকে ভুলে যাবে'। অতঃপর দীর্ঘ প্রণয়ের ইতি ঘটিয়ে রেবেকা হয়ে গেলো অন্যের ঘরের ঘরণী। ভুলে যেতে বললেই ভুলে যাওয়া এতো সহজ নয়। মনোবিজ্ঞানী আযহার অন্যের মনের অসুখ সারাতে পারলেও পারেনি নিজের মনের অসুখ সারাতে। রেবেকাকে আজও মনে মনে ভালোবাসে। হুট করে একদিন খবর পায় রেবেকা এক্সিডেন্টে মারা গিয়েছে। প্রিয় মানুষকে দূর থেকে শেষবারের মতো একবার ছুটে যায় মনসুর রেবেকার শশুর বাড়িতে। সেখান গিয়ে আযহার হতবাক। এটা এতো রেবেকা নয়, অন্য কেউ। তাহলে আসল রেবেকা কোথায়? রেবেকার পরিচয়ে অন্য কেউ কেনো এখানে ছিল এতোদিন? আসল রেবেকা বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে, আর কেনো-ই বা সে মনসুরের জীবন থেকে চলে গেলো?

এতো গুলো প্রশ্ন নিয়ে আযহার যখন দিগ্বিদিক অবস্থা তখন সে এই রহস্য সমাধানের জন্য শরণাপন্ন হয় ডিটেক্টিভ মনসুর হালিমের। বিচক্ষণ এই ডিটেক্টিভ কি পারবে আসল রহস্য ভেদ করতে?

◼️ পাঠ প্রতিক্রিয়া ও পর্যালোচনা -

'ডিটেক্টিভ মনসুর হালিম' সিরিজের ১ম বই 'প্রহেলিকা' শুরুতে পড়ার কারণে এই বই নিয়ে আশাবাদী ছিলাম মনসুর হালিমের কারণে। রহস্য সমাধানে তার কর্মকাণ্ড উপভোগ করার মতো। ক্রাউন সাইজের বইটিতে শুরু থেকেই লেখক রহস্য ধরে রেখেছেন। প্লট, টুইস্ট, শব্দ গঠন, বাক্যগঠন সবকিছু মিলিয়ে বইয়ের এক পৃষ্ঠা থেকে আরেক পৃষ্ঠা পড়ার আগ্রহ বাড়িয়ে দিচ্ছিলো। মনসুর হালিম চমৎকারভাবে রহস্যের পেছনে ছুটে চলে, পুরো বইয়ে এই চরিত্রটার প্রত্যেকটা মুভমেন্ট কখনো উপভোগ্য লেগেছে আবার কখনো কৌতুহল জাগিয়েছে। বিশেষ করে মনসুর ও আযহারের কথোপকথন সবচেয়ে উপভোগ্য ছিল।

থ্রিলার বই হলেও থ্রিলারের থেকে ভালোবাসার কাহিনী বেশি স্থান পেয়েছে। লেখকের বোধহয় গল্প শেষ করার তাড়াহুড়ো ছিল। অন্তত আমার কাছে তেমনটাই মনে হয়েছে, খুবই তাড়াহুড়ো করে এন্ডিং টানা হয়েছে। প্রত্যেকটা চরিত্র যেখানে তুলে ধরা হয়েছিল আর একটু বাড়িয়ে আস্তে ধীরে শেষ করলে আরো চমৎকার কিছু পাওয়া যেতো।

◼️ প্রোডাকশন ও অন্যান্য -

ছোট্ট এই বইটিতে এআই দিয়ে কয়েকটি চরিত্রের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। পড়ার মাঝে মাঝে এগুলো দেখতে ভালোই লাগছিল। বানান ভুল নেই কোনো। একই সিরিজের বই হলেও প্রহেলিকা ও কুহেলিটা বই দুটি কানেক্টেড নয়। তবে 'কুহেলিকা' পড়ার আগে 'প্রহেলিকা' পড়ে নিলে এই বইটা ভালো উপভোগ করতে পারবেন।

◼️ বই পরিচিতি -

বই: কুহেলিকা
লেখক: নাজিম উদ দৌলা
জনরা: সাসপেন্স থ্রিলার
প্রকাশনী: প্রিমিয়াম পাবলিকেশনস
মুদ্রিত মূল্য: ১৭০টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১২
ব্যক্তিগত রেটিং: ৩.৫/৫
রিভিউ: জান্নাতুল ফেরদৌসী রুনা
6 reviews
May 8, 2026
কুহেলিকা মনসুর গোয়েন্দা সিরিজের ২য় কিস্তি। নাজিম উদ দৌলার ছোট আকারের থ্রিলার গুলা আসলে বেশ ভালই, মানুষ হুদাই সাইজ নিয়া বাজে কথা বলে।
এই গল্পটা আসলে বাকী দুইটার তুলনায় খুব দুর্বল। স্টোরিলাইন যেভাবে আগাচ্ছিল তা যথেষ্ট ভাল লেগেছে আর থ্রিল টা জমেছিল, কিন্তু শেষেরদিকে অনেকটা গুলিয়ে গেছে। যেমন সার্জারীই যে করিয়েছে তার ওষুধ খাইয়ে ভোলানোর দরকার কি, ফুল চেঞ্জ করিয়ে নিলেই হয়!
আর এই গল্পটা বাকিদের তুলনায় এন্ডিং এর টুইস্ট টা একদমই বুঝা যায় কিছুক্ষন ভাবলে, কারণ প্লাস্টিক সার্জারীর কথা উঠার পরই এটা মাথায় আসবে সে নিশ্চয়ই দূরে থাকবেনা কাছেই থাকতে পারে। হয় বাবা মা বা তার প্রেমিকের কাছাকাছি কোথাও। বাবা মার কাছে আসতে পারবেনা অবভিয়াস কারণে, তবে প্রেমিক আযহারের কাছে থাকলে কেউ সন্দেহ নাও করতে পারে। আর এটা ভাবলে এবং রিসেপশনিস্ট মেয়েটার বিহেভিয়র মাথায় নিলে একটা উত্তরই আসে, কারণ বইয়ে তেমন আর কোন নারী ক্যারেক্টার নাই। এটা একটা উইক পয়েন্ট।
তবে একটা জিনিশ - বাকী দুইটার তুলনায় দুর্বল হলেও এটা গল্পের দিক থেকে যথেষ্ট ভাল - সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Ridhima .
5 reviews
July 9, 2024
#প্রহেলিকা পড়ার পর এক প্রকার উত্তেজিত হয়ে ছিলাম যে এটা কেমন হবে। পড়ার সময় বেশ ভালো লাগছিলো। পেইজ এগিয়ে যেতে যেতে ইন্টারেস্ট ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছিলো। গল্পটা যেহেতু ছোটো তাই রহস্য তেমন ছিলো না। এক পেইজে রহস্য তার কিছু পেইজের পরেই রহস্যের সমাধান ।

সত্যি বলবো কাহানীটা মোটামুটি ছিলো। কিন্তু শেষে একটা আচমকা টুইস্ট আছে৷ পড়ার সময় কেও কল্পনাও করতে পারে না শেষে এমন কিছু ঘটবে। যদিও টুইস্টটাও আমার খাপছাড়া মনে হয়েছে। এমন টুইস্ট ফিল্মেই মানায়৷ আর যেহেতু এটা সম্পূর্ণ কাল্পনিক কাহানী তাই টুইস্টটাও মেনে নিলাম।

ওভারঅল মোটামুটি ছিলো।
Profile Image for Modassir Hasan.
8 reviews
January 1, 2025
খুবই সাধারণ প্লট, টুইস্ট কম ছিল আর অনেকটাই প্রেডিক্টেবল ছিল ঘটনাটা।

মনসুর হালিমের সময় ছিলনা আযহার এর কথা details এ শুনার। আযহার ৫ মিনিট চেয়ে নিলো তারপর মনসুর সেই আযহার কে নিয়ে ইমিডিয়েটলি কফিশপ এ গেলেন তার কথা শুনতে? হঠাৎ সে ব্যস্ততা শেষ? হুট করে তিনি প্রাইভেট ডিটেক্টিভ হয়ে গেলেন যেন।

যে আযহার রেবেকার হাত দেখে চিনে নেওয়ার কথা, সে গত ২ বছর যাবত তার চোখ দেখেও চিনতে পারেনি? স্মৃতি ভোলানোর ওষুধ তো আর শুরুতে এফেক্ট করেনি।

ইলাস্ট্রেশন এ AI ব্যবহৃত ছবিগুলো মানানসই মনে হয়নি।

রেটিং: ৩/৫
Profile Image for Azizul Hakim.
31 reviews
August 3, 2025
আমার মতে প্রহেলিকা সিরিজের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো বই। আমি তিনটি বই পড়েছি।
গল্পের মাঝখান পর্যন্ত বা অনেকটা সময় ধরে বুঝা যায় নাই আসলে ঘটনা কি ঘটছে। কিন্তু যখন মোল্লাদের কাহিনী আসলো তখনই বুঝা যাইতে শুরু করে কাহিনী কি ঘটতে পারে। আর ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্টের কাহিনী মোল্লাদের কাহিনী পরই বুঝতে পেরেছিলাম।
লেখনী ভালো ছিল কিন্তু ক্রাইম থ্রিলার হিসেবে আরও ডিপ আরও পেছানো কিছু আশা করেছিলাম।
Profile Image for Tahin.
8 reviews
October 10, 2024
ডিটেকটিভ টাইপ ছোট বই। এভারেজ লেগেছে আমার কাছে।
গতানুগতিক ধারার মতোই।
ডিটেকটিভ জনরার বই পছন্দ হলে দেখতে পারেন।

ধন্যবাদ🖤
Profile Image for Subrna Akter.
60 reviews
June 4, 2025
ছোট একটি বই পড়ে যতটুকু ভালো লাগবে আশা করেছিলাম তার চেয়ে বেশি বিরক্ত হয়েছি। বইটির মধ্যে নাটকীয়তা ভরপুর ছিল।
Profile Image for Mst Afrin.
30 reviews
March 29, 2026
অনেক অনেক সুন্দর একটা বই। দারুন লেগেছে সম্পূর্ণ বইটা। সবাই পড়তে পারেন।
Profile Image for Sunflower.
4 reviews
October 9, 2024
The 2nd book of the world of Detective Monsur, KUHELIKA was better then PROHELIKA. Story was good. Thrilling was good. You can guess the point about Rebeka's existence (who is the lover of story teller) on 2nd chapter from last & the last twist was good. But I got some printing mistakes & timing mistake on the whole book of this edition. The idea of AI sketches at starting of every chapter wasn't good to me. Yeah, sketches idea was good idea, but if the sketches wasn't AI then it was best.

Personal rating: 3 for story & 0.5 for cover of book ;)
Profile Image for Farhana Zaman.
11 reviews
September 9, 2025
যারা নতুন নতুন বই পড়া শুরু করেছে, তাদের কাছে ভালো লাগবে হয় তো। কিন্তু আমাদের মতো বই পড়ুয়াদের কাছে এটা একেবারেই এক তারকা পাওয়া বই হবে। কেনো যে এই বইগুলোর এতো হাইপ এটাই মাথায় আসে না।
Displaying 1 - 20 of 20 reviews