ওয়ারউলফ অর্থাৎ বিশেষ বিশেষ রাতে মানুষের নেকড়ে হয়ে যাওয়ার কাহিনি নয়, আবার ব্রাম স্টোকারের অবিস্মরণীয় রক্তচোষা ‘ড্রাকুলা’ও নয়। পিশাচ কোনও মানুষ বা অপমানুষের কথা নয়, হঠাৎ-হঠাৎ স্বাভাবিক মানুষ থেকে ভয়ংকর রক্তপিপাসু পিশাচ হয়ে ওঠার হাড় হিম করা সব কাহিনি! অনীশ দেব অসামান্য দক্ষতার শীর্ষে পৌঁছে গেছেন তাঁর ’পিশাচ’ সিরিজের কাহিনিগুলিতে, যা পত্রপত্রিকায় বা বই হয়ে বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর অসংখ্য গুণগ্রাহী পাঠক-পাঠিকা ঝাঁপিয়ে পড়তেন। মোট ছয়টি ‘পিশাচ’কাহিনি― আমি পিশাচ, তুমি পিশাচ, পিশাচ প্রহর ১, ২ ও ৩ এবং পিশাচের রাত একত্রিত হয়ে ‘পিশাচ সমগ্র’ এই প্রথম। এই বই সাহসী প্রাপ্তমনস্ক পাঠকের জন্য!
Anish Deb (22 October 1951 – 28 April 2021) was an Indian Bengali writer and academic. He was noted for his writings in the science fiction and thriller genre. He received several literary awards including Vidyasagar Award in 2019.
Anish Deb was born in 1951 in Kolkata. He completed his B.Tech. (1974), M.Tech. (1976) and Ph.D. (Tech.) with 1 silver and 2 university gold medals in Applied Physics from the Rajabazar Science College campus of University of Calcutta.
Anish Deb started his writing career in 1968. He also edited a number of collections of popular fictions, novels and detective stories. Some of his notable writings are: Ghaser Sheesh Nei, Saper Chokh, Teerbiddho, Teish Ghanta Shat Minute, Hate Kalome Computer, Bignyaner Dashdiganto, Jibon Jokhon Phuriye Jay.
"আমি একজন পিশাচ। এ ছাড়া অন্য কোনও পরিচয় আমার নেই। কবে আমি কীভাবে আমার জন্ম, তা জানি না। আমার বয়েস কত তাও জানা নেই। শুধু জানি, রক্ত আমার একমাত্র খাদ্য। রক্তের পিপাসা আমাকে এক জায়গা থেকে আর-এক জায়গায় তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। এখনও যে পথ চলছি সেও ওই রক্তের টানে। পিপাসায় বুক শুকিয়ে আসছে আমার..."
পত্রভারতী থেকে প্রকাশিত অনীশ দেবের পিশাচ সমগ্রে স্থান পেয়েছে মোট ছয়টি ‘পিশাচ’কাহিনি― আমি পিশাচ, তুমি পিশাচ, পিশাচ প্রহর ১, ২, ৩ এবং পিশাচের রাত। কোন মানুষ বা অপমানুষের কথা নয়, স্বাভাবিক মানুষ থেকে ভয়ংকর রক্তপিপাসু পিশাচ হয়ে ওঠার গল্প! ’পিশাচ’ সিরিজের কাহিনিগুলো বিভিন্ন সময়ে কিশোর ভারতী, শুকতারা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে; আলাদা বই হিসেবে বা সংকলনেও স্থান পেয়েছে একাধিকবার। তবে এক মলাটে সিরিজের সবগুলো উপন্যাস একসাথে সংকলিত হলো এই প্রথমবার।
ফ্ল্যাপে ''প্রাপ্তমনস্কদের জন্য' উল্লেখ করা থাকলেও সবগুলো কাহিনি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নয়। আমি পিশাচ, তুমি পিশাচ এবং পিশাচের রাত- এই তিনটি কিশোর উপযোগী উপন্যাসিকা। আবার পিশাচ প্রহর ১,২,৩ নির্দ্বিধায় প্রাপ্তমনস্কদের উপযোগী। যৌনতা এবং "Gore content" এর উল্লেখ থাকায় 'পিশাচপ্রহর ১' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
আমি পিশাচ, তুমি পিশাচ, পিশাচের রাত- তিনটি গল্পেরই পটভূমি স্কুল; মূল চরিত্রগুলো স্কুল পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী আর শিক্ষক/শিক্ষিকা। গা ছমছমে উপাখ্যান হিসেবে পড়তে চাইলে হতাশ হতে হবে, যেহেতু গল্পগুলো শিশুতোষ। তবে
'আমি পিশাচ'- এ দেখা যায় এক বয়েজ স্কুলের অঙ্ক স্যার সত্যবান টিকটিকির মতো দেয়াল বেয়ে উঠে যাচ্ছেন। স্বাভাবিক অবস্থা থেকে বদলে গিয়ে ঘটিয়ে চলেছেন একের পর এক হত্যাকাণ্ড। তারই সাথে পিশাচের কবলে পড়েছেন স্কুলের হেডস্যার৷ অচ্যুত আর তার বন্ধুরা মিলে কি এই নারকীয় আতঙ্ককে রুখে দিতে পারবে?
'তুমি পিশাচ' উপন্যাসিকায় পটভূমি একটি গার্লস স্কুল। পিশাচের কবলে পড়ে রক্তপিপাসু হয়ে উঠছেন স্কুলের শিক্ষিকারা। ইলিনা, সজনী আর ওদের বান্ধবী অনুষ্কা মিলে নামে এক ভয়ঙ্কর অভিযানে। রক্তলোভী পিশাচের সাথে ভ্যাম্পায়ারের লড়াইয়ে জিত হবে কার?
কিশোর উপযোগী উপন্যাসগুলোর ভেতর আমার পছন্দের গল্প "পিশাচেত রাত।" কোচিং থেকে ফেরার পথে রাতের বেলা চিকু এক ভয়ঙ্কর খুনের সাক্ষী হয়, সেই সাথে দেখতে পায় রোমশ এক হিংস্র প্রাণীকে। এরপর থেকেই পূর্ণিমার রাতে একের পর এক খুন শুরু হয় জাঙ্গিয়াকূলে। ওদিকে বাংলা কোচিং শিক্ষক হরিহরবাবু আর তার স্ত্রী ঘুরতে গিয়ে আলাপ জমিয়েছিলেন উপজাতি সম্প্রদায়ের এক মানুষের সাথে, যে কিনা উল্কি কেটে এক পশুর ছবি এঁকে দিয়েছিল হরিহরবাবুর বাম বাহুতে। তারপর থেকেই হরিহরবাবু মাঝে মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
চিকু আর ওর বান্ধবী প্রিয়াঙ্কা হঠাৎ করেই আবিষ্কার করে ফেলে এক ভয়ঙ্কর ওয়্যারউলফের প্রকৃত পরিচয়৷ পূর্ণিমার রাতে জীবন বাজি রেখে তার সাথে দেখা করতে যায় ওরা। ঘটতে শুরু করে একের পর এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা!
'পিশাচপ্রহর ১' পুরোদস্তর প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। ড্রাকুলা, ওয়্যারউল্ফ কিংবা ভ্যাম্পায়ার নয়, বরং মানুষের পৈশাচিক প্রবৃত্তিই এখানে মূল উপজীব্য। ভারতের নামি এক তেল কোম্পানিতে চাকরির সূত্রে মিডল ইস্টের কাল্পনিক শহর কাহরেইন-এ যাওয়ার দায়িত্ব বর্তায় হিতেশ কাপুরের কাঁধে। সহকর্মী মোহন খান্নার সাথে নিজের একমাত্র বোন রোমিলা কাপুরকেও যাত্রার সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয় সে। কাহরাইনে দিন যাপনের সময় হঠাৎ একদিন সেখানকার শেখ, শেখ হারিদ তাদেরকে নিয়ে যায় অদ্ভুত এক স্থানে। প্রাসাদের পেছনে বিস্তীর্ণ এক খোলা মাঠ, পাথরের টুকরো গাঁথা উঁচু পাঁচিলের গায়ে সবুজ লতানো গাছের ঝাড়। প্রকাণ্ড ভারি লোহার দরজায় সশস্ত্র প্রহরা৷ শেখের ভাষ্যমতে সেই বাগানে তাত পোষা পাখিরা বাস করে। হিতেশ আর মোহন ভেতরে ঢুকে আবিষ্কার করে এ যেন স্বর্গের উদ্যান। নন্দনকানন জুড়ে সুন্দরী তরুণীর ঝাঁক; কেউ পায়চারি করছে, কেউ দিঘিতে সাঁতার কাটছে, কেউ শুয়ে আছে দেবদারুর ঘন ছায়ায়, আর কেউবা ঘাসের ওপর রোদ পোহাচ্ছে। সবাই নগ্ন। শেখ হারিদ দুই বিস্মিত যুবককে জানান, এই জায়গাটি তার হারেম নয়। এই সুন্দরী তরুণীরা শেখ কিংবা রাজ্যের বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণের জন্য বন্দী। আতিথেয়তার নিদর্শনস্বরূপ দুই বন্ধুকে শয্যাসঙ্গিনী হিসেবে দুই তরুণীকে বেছে নেয়ার প্রস্তাব দেন। সঙ্গিনী বেছে নেয়ার পর আলাদাভাবে জানতে চান, সেই তরুণীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গ কোনটি? হিতেশ এবং মোহন যথাক্রমে তাদের সঙ্গিনীর হাত এবং পায়ের কথা উল্লেখ করে। মোহাচ্ছন্ন রাত্রিযাপনের কালে হিতেশ জানতে পারে: শেখ যখন বাগানের কোন নারীকে অতিথি আপ্যায়নের জন্য পাঠায়, তার পরদিন সেই নারী আর বাগানে ফেরে না; নিখোঁজ হয়ে যায় চিরতরে। সেই রাতের পর ঘটনাচক্রে একদিন হিতেশ তার শয্যাসঙ্গিনী আলেয়াকে খুঁজে পায় রক্তাক্ত অবস্থায়। ওর হাতদুটো বাহু থেকে কেটে নেয়া হয়েছে। মোহনের সাথে মিলে শেখকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করে সে। জানা যায় শেখ হারিদের এক পৈশাচিক প্রবৃত্তির কথা। কাহরেইনের অতিথিদের ওপর নেমে আসে ভয়ানক বিপদের ছায়া। "পিশাচপ্রহর ১" যৌনতা এবং ভায়োলেন্সে ভরা এক উপাখ্যান। খুব সম্ভবত বিদেশি গল্পের ছায়া অবলম্বনে লেখা। এই যুগে এমন গল্প মানানসই না হলেও পড়তে খারাপ লাগেনি।
"পিশাচপ্রহর ২"- উপন্যাসিকায় ঠাকুর্দার আমন্ত্রণে দীঘার এক রহস্যময় বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয় বিনতা। একা যাবার আমন্ত্রণ পেলেও একরকম জোর করেই যাত্রার সঙ্গী হয় অ্যাথলেট স্বামী চিরদীপ। রায়ভিলার বাসিন্দা অঘোরচন্দ্র রায়, ঠাকুরদা হলেও বিনতার সাথে আগে কখনও দেখা হয়নি তার। হবে কীভাবে? বিনতার বাবাকে খুব ছোটবেলাতেই যে ত্যাজ্যপুত্র করেছিলেন তিনি! চিঠির মাধ্যমে নিজের একমাত্র বংশপ্রদীপকে রায়ভিলায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। বিপুল সম্পত্তি-বৈভবের উত্তরাধিকার হিসেবে বিনতাকেই বেছে নিয়েছেন।
রায়ভিলায় উপস্থিত হয়ে যখন শয্যাশায়ী অঘোরচন্দ্রের সাথে বিনতার দেখা হয়, তখনই জানা যায় সম্পত্তির লোভে হাজির হয়েছে আরও চারজন। তবে বিনতার স্বামী চিরদীপের উপস্থিতির কথা শুনে রেগে যান বৃদ্ধ। ঘোষণা করেন, আর কাউকে চান না তিনি, সব ধনরত্ন শুধু বিনতার জিম্মায় র্রেখে যেতে চান। পরদিন রাতে একের পর এক দু:স্বপ্ন দেখে চিরদীপ। বিনতার সাথে ঝগড়া করে ভৌতিক বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে চায়। কিন্তু বিনতা ওর ঠাকুর্দার ডাক উপেক্ষা করতে পারে না, এক অমোঘ আকর্ষণে বারবার হাজির হয় দাদুর ঘরে৷ এই সুযোগে গাড়িতে করে পালিয়ে যেতে চায় চিরদীপ৷ কিন্তু গোলকধাঁধার মতো একই পথ ঘুরে বারবার রায়ভিলাতেই এসে পৌঁছায় সে। বিনতার কাছে আকুল আবেদন জানাতে গিয়ে সে আবিষ্কার করে বিশ্রি পচা একটা ভ্যাপসা গন্ধ আসছে৷ অসংখ্য ভাজ পড়া সবুজ ছত্রাকে আক্রান্ত একটা জীর্ণ শীর্ণ হাত দেখা যায়। এক কর্কশ পুরুষালী স্বর হেসে বলে ওঠে, 'আর কাউকে আমার প্রয়োজন নেই, কাউকে আমি চাই না।" "পিশাচপ্রহর ২" এর অভিশপ্ত বাড়ি এবং চরিত্রের বদল ভয়ের আবহ জাগাতে সক্ষম। তবে আরও বড় পরিসরে হলে তৃপ্তি পাওয়া যেতো বলে মনে করি। "পিশাচপ্রহর ৩" এ তন্দ্রাকাকিমা মারা যাবার পর তার মফস্বলের বাড়িটা উত্তরাধিকারসূত্রে এক আত্মীয়ের মালিকানায় যায়। প্রাচীন, কুৎসিত, জীর্ণ সেই বাড়িটাকে বিক্রি করে দেয়ার আগে এক মেঘলা বিকেলে বাড়িটা ঘুরেফিরে দেখার জন্য হাজির হয় সে। দোতলায় ওঠার সময় সিঁড়ির পাশের একটা দরজা খুলে আরেকটা নিচে নেমে যাওয়া আরেকটা সিড়ির সন্ধান মেলে, নামলেই হয়তো একটা পাতালঘর রয়েছে। দোতলার একটিমাত্র ঘরে ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে খুঁজে পাওয়া যায় বাধানো এক হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি। এরই মাঝে লোডশেডিং হয়। মোমের আলোতে সেই দিনিলিপি পড়তে শুরু করে পাঠক। তন্দ্রাকাকীর স্বামীর লেখা সেই বিস্ময়কর দিনলিপিতে উঠেছে এক পিশাচের আত্মকথন। অথচ এর আগে জানা ছিল, তন্দ্রাকাকীর স্বামী নাকি পাগল ছিলেন! ডায়েরি পড়া শেষ করে সে সম্মোহিতের মত পা বাডায় পাতালঘর বরাবর। মরচে ধরা খিল খুলে আবিষ্কার করে দরজায় বিরাট তালা ঝুলছে। কোণের দিকে সরে দাড়াতেই চোখে পড়ে সিমেন্ট বালি খসে পড়া একটা ফুঁটো। তালার চাবি খুঁজতে সিড়ির ওপরে ওঠা অবস্থাতেই সিঁড়িটা ভেঙে পড়তে শুরু করে। কোনমতে সদর দরজা খুলে ঝড় বৃষ্টির ভেতর দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে ছুটতে থাকে আগন্তক।
বইটি মূলত মোট ছয়টি গল্পের সংকলন: 1) আমি পিশাচ 2) তুমি পিশাচ 3) পিশাচের প্রহর ১, ২ এবং ৩ (মোট তিনটি গল্প) 4) পিশাচের রাত
এর মধ্যে আমি পিশাচ, তুমি পিশাচ এবং পিশাচের রাত, এই তিনটি গল্পই মূলত কিশোর বয়সী পাঠক পাঠিকাদের জন্য লেখা। অথচ আমি এগুলো পড়লাম এই তিরিশোর্ধ বয়সে এসে। ফলে স্বভাবতই যতটা ভালো লাগা উচিত ছিল ততটা না লাগলেও, এটুকু বলতে পারি ওই ১১ কি ১২ বছর বয়সে এগুলো পড়লে বেশ ভালোই গা ছমছমে লাগতো।
পিশাচের প্রহর গল্প তিনটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য লেখা। মুশকিল এই তিনটে গল্প নিয়েই। প্রতিটি গল্পের core idea ভীষণ ভালো, কিন্তু তাদের execution আমার একদম মনঃপূত হয়নি। গল্পগুলো যেন শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। চরিত্রের বিন্যাস, প্লটের বুনোট, ভয়ের বিষয়গুলো, কোনোটাই সেভাবে ফুটে উঠলো না। অথচ এগুলো যদি একটু ধৈর্য্য নিয়ে, আরেকটু বড় করে, আরেকটু বিস্তারিতভাবে লেখা হত তাহলে নিঃসন্দেহে দুর্দান্ত প্রাপ্তবয়স্ক horror উপন্যাস হতে পারতো। কিন্তু যা হয়েছে সে জিনিস আমার একেবারেই পছন্দ হয়নি। অনীশ দেবের ভয়পাতাল বইতেও এই একই জিনিস দেখেছিলাম, উপন্যাসের শুরু অসাধারণ, রীতিমত আগ্রহের সাথে পড়ছি, কিন্তু সমাপ্তিপর্বে এসে এত হাস্যকরভাবে ঘটনার সমাপতন হলো যে এতক্ষণ যা ইম্প্রেশন তৈরি হয়েছিল, এক মুহূর্তেই তা ভেঙে পড়লো হুড়মুড় করে। এখানেও ঠিক তাই। যাইহোক, সব মিলিয়ে বইটাকে পাঁচে তিনের বেশি দিতে পারছি না, আর এই তিনের মধ্যেও বেশিরভাগটাই ওই কিশোর কেন্দ্রিক গল্পগুলোর জন্য, যেগুলো অল্পবয়সে পড়লে বেশ ভালো লাগতো বলেই মনে হয়।