অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকারের সৃষ্ট প্রাইভেট ডিটেক্টিভ আদিত্য মজুমদার।পিলে চমকে দেওয়া থ্রিল পেতে চাইলে এ বই হয়তো হতাশ ই করবে।তবে লেখকের ওয়ার্ল্ড বিল্ডিং,লেখনীতে সে বিষয়টা উৎরে যায়।টিকটিকি আদিত্য জুতার সোলের নিচে সাইন দেখে অপরাধী শনাক্ত করার মতো গোয়েন্দা নন।তিনি চরিত্রদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে টেপ রেকর্ডারের মাধ্যমে ইন্টারভিউ রেকর্ড করেন।বাড়ি বসে মাথা খাটিয়ে সেসব থেকে জাল ছাড়ানোর উপকরণ বের করেন।সে প্রক্রিয়া ধীর,স্থির,শান্ত-কিন্তু ইফেক্টিভ।কিছু জায়গায় তথ্যের পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করা যায় যেটা অনেক পাঠক হয়তো উইল নট বি দা হ্যাপিয়েস্ট-তবে আমার কাছে মনে হয়েছে এই পুনরাবৃত্তি গুলো কাহিনিটাকে ধারণ করতে হেল্প করেছে।সব মিলিয়ে নতুন গোয়েন্দা এক্সপ্্লোর করতে চাইলে আদিত্য মজুমদারকে অপশন হিসেবে হাতে রাখাই যায়।
(৭/১০) চৌধুরী এন্টারপ্রাইজের মালকিন মন্দাকিনী চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টা চলছে বলে সন্দেহ। কেসটা হাতে পেলেন প্রাইভেট ডিটেকটিভ আদিত্য। একেবারে আন প্রেডিক্টেবল তা বলবো না, তবে গল্পটার টুইস্ট সাজানো আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার অডিওবুকে Mirchi Bangla এবারও হতাশ করেনি।
অডিওবুক হিসেবে শুনে ফেললাম অভিরূপ সরকারের লেখা গোয়েন্দা কাহিনী "চৌধুরী বাড়ির রহস্য"। গোয়েন্দা গল্প হিসেবে খুব উচুমানের না হলেও, বেশ ভালোই লেগেছে আমার। বিশেষ করে শেষের টুইস্টটা দারুন ছিল। ৪ তারা!