Jump to ratings and reviews
Rate this book

নির্ঝর ও একটি হলুদ গোলাপ

Rate this book
• ফ্ল্যাপ:

এক গভীর রাতে আহসান বারান্দায় এসে দেখল-নির্ঝরের লাগানো গোলাপ গাছে একটি হলুদ গোলাপ ফুটেছে। বাতাসে দুলছে।

বাবা!

হুম, বল।

তোমার প্রিয় ফুল কী?

হলুদ গোলাপ।

আমারও প্রিয় ফুল হলুদ গোলাপ। আমার অনেক ভালো

লাগে।

তাই?

হুম। আচ্ছা বাবা, তুমি রোজ সকালে মা'কে হলুদ গোলাপ বলে ডাকতে কেন?

তোমার মা'কে আমি অনেক ভালোবাসি, সে জন্য ডাকতাম। মা'কে সত্যিই হলুদ গোলাপের মতো লাগত। কী সুন্দর করে হাসত, গাল দুটো তখন হলুদ হয়ে উঠত। মনে হতো হলুদ গোলাপ বাতাসে দুলছে। বাবা!

হুম।

তুমি মা'কে অনেক ভালোবাসতে, তাই না?

হ্যাঁ, এখনো বাসি।

আমিও মা'কে অনেক ভালোবাসি। মা'র প্রিয় ফুল কি জানো? মা'র প্রিয় ফুল-হলুদ গোলাপ। বাবা আমাকে একদিন একটা হলুদ গোলাপ গাছ এনে দিবে? আমি বারান্দায় লাগাব। যখন গাছে ফুল ফুটবে তখন তুমি আর আমি একসঙ্গে তার সুবাস টেনে নিব।

আহসানের পাঁজরের হাড়গুলো ভেঙে ভেঙে যেতে লাগল।

সে বুক ভরে গোলাপের গন্ধ টেনে নিল।

128 pages, Hardcover

First published February 1, 2024

2 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
1 (33%)
1 star
2 (66%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
August 2, 2024
বিভিন্ন জায়গায় দেখলাম এটাকে কেউ কেউ উপন্যাস হিসেবে লিখেছেন। সত্যি কথা বলতে কি এটা উপন্যাস না বলে একটা বড় গল্প বলাটাই উত্তম হবে। আমার কাছে উপন্যাসের কোনো ক্যাটাগরিতে পরে বলে মনে হয়নি। বইয়ের প্লট খুবই সাধারণ। এতটাই সাধারণ যে বই শুরু থেকে পড়া শুরু করলে কিছু পৃষ্ঠা পড়ে যাওয়ার পরেই আন্দাজ করে নেওয়া যায় বইয়ের গল্পের প্লট কোন দিকে যাবে। লেখক বেশি কষ্ট করেননি এই প্লট তৈরি করতে।
এই বইয়ের প্লটে চরিত্র থেকে শুরু করে সবকিছু খুব পজিটিভলি লেখা হয়েছে। অর্থাৎ মানুষের জীবন, আচার আচরণ ও পছন্দ সবকিছু স্বপ্নের মতো সাজানো গুছানো মনে হবে। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটা মানুষের জীবন আসলে কিছুটা কঠিন ও রূঢ় হয়। বইতে যেভাবে সবকিছু এত সুন্দর ও সহজভাবে সমাধান দেখানো হয়েছে এভাবে সবকিছু মানুষের জীবনে সম্ভব হয় না। শুধুমাত্র গল্প উপন্যাসে এই সমস্ত অলীক ঘটনা দেখানো সম্ভব।
লেখকে লেখার ভেতরে ইচ্ছাকৃতভাবে বিশেষ একজন লেখককে অনুসরণ করে কিছু লেখার চেষ্টা করেছেন বলেই মনে হলো। তবে উনি যাকে ফলো করেছেন, তার লেখার গভীরতা আরো অনেক বেশি। খুব তুচ্ছ একটা কাহিনীতেও কেউ উনি আচমকা এমন একটা দৃশ্য/ট্যুইস্ট সৃষ্টি করেন যেটা পাঠককে বহুদিন তার বইয়ের কথা মনে করিয়ে দিতে বাধ্য করে। কিন্তু‌ দুঃখজনক হলেও এই বইতে আসলে এইরকম এমন কোনোকিছুই আমার চোখে পড়েনি। সম্ভবত কয়েকদিন পরেই আমি বইয়ের কাহিনি আমি ভুলে যাব।‌ কারণ এখানে আসলে মনে রাখার মতো তেমন কিছু নেই।
শুরুতে বইটা প্রথম দশ বা বারো পৃষ্ঠা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েছিলাম।‌ আমি একজন খুব ধীরস্থির ধরনের পাঠক। এমন একজন পাঠক, যে বই পড়ার সময় পেন্সিল নিয়ে বসে এবং প্রয়োজনীয় লাইনগুলো আন্ডারলাইন করে রাখে পরবর্তীতে আবার ফিরে এসে পড়ার জন্য। আমি বইয়ের এক চতুর্থাংশ পড়ার পরে পেন্সিলটা রেখে দিয়েছি, কারণ মনে হলো এই বইতে আসলে দাগ দেওয়ার মতো তেমন কোনো জায়গা নেই।‌
সব লেখকরা সাধারণত এমন একটা প্রোটাগনিস্ট চরিত্র সৃষ্টি করতে চান, যেটা পড়ার পরে পাঠকের মনে দাগ সৃষ্টি করবে। শতভাগ নিঁখুত চরিত্র কখনো পাঠকের মনে দাগ সৃষ্টি করে না, কারণ মানুষ কখনো শতভাগ নিখুঁত হয় না। মানুষ তার জীবনে যা চায় তা পুরোপুরি পায় না। আর সব মানুষের জীবনই এইসব অসম্পূর্ণ নিয়েই ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে সামনের দিকে। কিন্তু লেখক এই বইতে প্রায় সব চরিত্রকেই শতভাগ নিখুঁত হিসেবে দেখানো হয়েছে। অনেকটা বারবি ডলের মতো।
বই লেখার জন্য লেখক এমন কিছু ঘটনাকে বেছে নিয়েছেন যেটা প্রায় অবাস্তবের কাছাকাছি। চাকরি নেই, বাবা-মা নেই- ভালো কোনো পরিচয় নেই, এমন একটা ছেলের সাথে একজন অধ্যাপক লেভেলের মানুষ তার একমাত্র সন্তানকে হাসিমুখে বিয়ে দেবেন না। এটাই বাস্তব। পালিয়ে গিয়ে বিয়ে দেখালোও হতো। ধুমধাম করে, সানাই বাজিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান দেখিয়েছে যেখানে বরপক্ষ ছিল শুধুমাত্র নায়কের মেসের লোকজন। ইচ্ছা করলে আপনি গল্প উপন্যাসে যে কোনোকিছু লিখতে পারেন, এটা লেখকের লেখার স্বাধীনতা। তবে সেটা পড়ার সময় বাস্তবতার সাথে যথেষ্ট অমিল থাকার কারণে পাঠকরা গ্রহণ করবে কি করবে না সেটা পাঠকের নিজের স্বাধীনতা।

১২৭ পৃষ্ঠার এই বইটা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার পর আমার যা মনে হলো, এটা সর্বোচ্চ একটা বড় গল্প হতে পারে। প্রেমের গল্প কিংবা বিরহের গল্প বলা যেতে পারে। সর্বোচ্চ ২০০০ থেকে ২৫০০ শব্দের। ফেসবুকের বিভিন্ন সাহিত্য গ্রুপে এই সমস্ত গল্প অহরহই দেখা যায়। অস্বীকার করবো না, বইটা পড়ার সময় আমি ইচ্ছা করেই স্কিপিং করেছি যেন দ্রুত বইটা শেষ করা যায়। কারণ কিছু কিছু জায়গাতে উনি টেনে টেনে ইচ্ছাকৃতভাবে আগের কাহিনি এনে বড় করেছেন, বিরক্ত লাগছিল একই জিনিস বারবার পড়ে যেতে। বইটা যদি উপহার হিসেবে না পেতাম, সম্ভবত এই বইটা আমি নিজের টাকা কিনতাম না।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Easir Al Saief.
78 reviews6 followers
August 20, 2024
১.৫/৫

হুট করেই পারিবারিকভাবে আহসানের সাথে বিয়ে হলো সুমির। তাদের একমাত্র সন্তান নির্ঝর। গল্পে বিশেষ চরিত্রে আছে আহসানের মামাও। হুটহাট চরিত্রের মারা যাওয়া কিংবা রোম্যান্টিক দৃশ্যায়নে সব ক্ষেত্রেই যে লেখক হুমায়ূন আহমেদের ছাপ রেখে করেছেন, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সেসব ফুটিয়ে তুলতে পারেন নি ঠিকভাবে। অহেতুক উপন্যাসটা লম্বা করা হয়েছে। কিছু অংশে গল্পটাকে কয়েকদিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিলো। কিন্তু লেখকের মূল ফোকাস শুধুই রোমান্টিকতা নিয়ে। আশা রাখবো, লেখক এসব ত্রুটি কাটিয়ে উঠতে পারবেন।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.