Jump to ratings and reviews
Rate this book

পঞ্চাশটি গল্প

Rate this book
গত চল্লিশ বছরেরও বেশি কাল ধরে বাংলা ছোটগল্পের জগতে এক সম্ভ্রমজাগানো ব্যক্তিত্ব – বিমল কর। একদিকে, প্রথমাবধি স্বতন্ত্র পথসন্ধানী এই লেখকের নিজস্ব সৃষ্টির ক্ষেত্রে অজস্র সার্থক পরীক্ষানিরীক্ষা, অন্যদিকে, বাংলা ছোটগল্পের ঐতিহ্যময় ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করার জন্য তাঁর অক্লান্ত উদ্যোগ-আয়োজন – বস্তুতই বিরল ঘটনা। এহেন বিমল করের সমূহ গল্পসম্ভার থেকে এক খণ্ডের প্রতিনিধিমূলক সংগ্রহ প্রকাশ খুব সহজ কাজ নয়। সম্ভবত সেই কারণেই এর আগে প্রকাশিত কোনও গল্প-সংকলনেই ধরা পরেনি গল্পকার বিমল করের সৃষ্টিবৈচিত্রের পূর্ণাঙ্গ পরিচয়।
সেদিক থেকে ‘পঞ্চাশটি গল্প’ বহুপ্রতীক্ষিত এবং ব্যক্তিক্রমী এক সংযোজন। প্রথম জীবনের সেই আত্মজা, আঙুরলতা, সুধাময়, জননী থেকে শুরু করে মধ্যজীবনের সুখ, তুচ্ছ, হেমন্তের সাপ পেরিয়ে এই পরিণত জীবনের সাড়া-জাগানো উপাখ্যানমালা পর্যন্ত ছোটগল্পের মহত্তম রূপকার বিমল করের সৃষ্টিতে যত বাঁক আর যত পালাবদল – তার পূর্ণ প্রতিচ্ছবি স্বয়ং লেখনির্বাচিত এই গল্পসংগ্রহে।

সূচীপত্র –

ইঁদুর
বরফসাহেবের মেয়ে
মানবপুত্র
বকুলগন্ধ
পার্ক রোডের সেই বাড়ি
দুই বোন
আত্মজা
উদ্ভিদ
পালকের পা
পিঙ্গলার প্রেম
জানোয়ার
শূন্য
পলাশ
শীতের মাঠ
অশ্বত্থ
আঙুরলতা
যযাতি
বাঘ
সুধাময়
ত্রিলোচন নন্দীর নামে ছড়া
নিষাদ
গগনের অসুখ
জননী
উদ্বেগ
অপেক্ষা
সোপান
সংশয়
বন্ধুর জন্য ভূমিকা
আমরা তিন প্রেমিক ও ভুবন
বসন্ত বিলাপ
র‍্যাটকিলার
আর-এক জন্ম অন্য মৃত্যু
সম্পর্ক
অপহরণ
মোহনা
সহচরী
আয়োজন
সে
ওরা
সুখ
তুচ্ছ
নিগ্রহ
দূরে বৃষ্টি
এরা ওরা
গুণেন একা
হেমাঙ্গর ঘরবাড়ি
হেমন্তের সাপ
বিচিত্র সেই রামধনু
সত্যদাস
নদীর জলে ধরা-ছোঁওয়ার খেলা

728 pages, Hardcover

First published April 1, 1995

13 people are currently reading
154 people want to read

About the author

Bimal Kar

131 books35 followers
Bimal Kar (Bengali: বিমল কর) was an eminent Bengali writer and novelist. He received 1975 Sahitya Akademi Award in Bengali, by Sahitya Akademi, India's National Academy of Letters, for his novel Asamay.

বিমল কর-এর জন্ম ৩ আশ্বিন ১৩২৮। ইংরেজি ১৯২১। শৈশব কেটেছে নানা জায়গায়। জব্বলপুর, হাজারিবাগ, গোমো, ধানবাদ, আসানসোল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। কর্মজীবন: ১৯৪২ সালে এ. আর. পি-তে ও ১৯৪৩ সালে আসানসোলে মিউনিশান প্রোডাকশন ডিপোয়। ১৯৪৪-এ রেলওয়ের চাকরি নিয়ে কাশী। মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘পরাগ’ পত্রিকার সহ-সম্পাদক, পরে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ পত্রিকা ও ‘সত্যযুগ’-এর সাব-এডিটর। এ-সবই ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যে। ১৯৫৪-১৯৮২ সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮২-১৯৮৪ ‘শিলাদিত্য’ মাসিক পত্রিকার সম্পাদক। বহু পুরস্কার। আনন্দ পুরস্কার ১৯৬৭ এবং ১৯৯২। অকাদেমি পুরস্কার ১৯৭৫। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার ১৯৮১। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহদাস পুরস্কার ১৯৮২। ‘ছোটগল্প—নতুন রীতি’ আন্দোলনের প্রবক্তা।

প্রয়াণ: ২৬ আগস্ট ২০০৩।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
13 (43%)
4 stars
11 (36%)
3 stars
1 (3%)
2 stars
2 (6%)
1 star
3 (10%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,670 reviews440 followers
August 9, 2022
৪.৫/৫

শেষ হয়ে গেলো! এক মাসের বেশি সময় ধরে ধীরেসুস্থে পড়ছি, বইটার প্রতি মায়া জন্মে গেছে। বিমল কর বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান গল্পকার। "পঞ্চাশটি গল্প" এর প্রথম গল্প "ইঁদুর" এর প্রকাশকাল ১৯৫২ আর শেষ গল্প "নদীর জলে ধরা-ছোঁয়ার খেলা" বেরিয়েছে ১৯৯১ সালে। বিমল করের সুদীর্ঘ ৪০ বছরের লেখকজীবনের বিষয়, বিশ্বাস, বিস্ময় ও বিবর্তন ধরা আছে এই ৫০টি গল্পে। মধ্যবিত্তদের নিয়ে প্রায় কখনোই রোমান্টিক না হওয়া গুটিকয় লেখকের একজন তিনি।নবীন গল্পকার বিমল কর রীতিমত নির্মম। রোমান্টিকতা তাকে আচ্ছন্ন করতে পারেনি, ভাবালুতা সযত্নে পরিহার করেছেন, কোনো চরিত্র বা ঘটনার মধ্যে বাড়তি রঙ চড়িয়ে মেলোড্রামা তৈরিতেও কোনো ঝোঁক নেই বিমল করের। তিনি নিবিড়ভাবে দেখেছেন মানুষ ও তার সমকাল। বাইরের সব মুখোশ ছিঁড়ে ফেলে মানুষের ও সমাজের অন্তরাত্মা উন্মোচন করেছেন তিনি। ঠিক যেমন দেখেছেন চারপাশটা তেমনটাই লেখায় তুলে এনেছেন বিপুল শ্রমে। তার গল্প পড়তে পড়তে কখনো চাবুকের ঘা খেতে হয়, কখনো বিস্ময়ে অভিভূত হতে হয়, কখনো নিজেদের দিকে নতুনভাবে তাকাতে হয়। প্রায় প্লটবিহীন গল্পেও তিনি সঞ্চার করতে পারেন চিরন্তনের বোধ।
বরফসাহেবের মেয়ে, অশ্বত্থ, আয়োজন, জননী, মানবপুত্র, আমরা তিন প্রেমিক ও ভুবন, আঙুরলতা-র মতো গল্প বাংলা সাহিত্যে বিরল।
বয়স হওয়ার সাথে সাথে অবশ্য কিছুটা ভাবালুতা তার গল্পে প্রশ্রয় পেয়েছে। শেষদিকের ৮/১০ টা গল্প চমৎকার হলেও প্রথামাফিক।
বিমল কর বর্তমানে অনেকটাই আড়ালে চলে গেছেন। অরূপ না বললে আমি নিজেও তার গল্প আগ্রহ নিয়ে পড়তাম না। অথচ তার লেখা এখনো ধারালো, এখনো আকর্ষণীয়, এখনো প্রাসঙ্গিক, আজো চমৎকার!! "পঞ্চাশটি গল্প" তাই বহুল পঠিত হওয়া প্রয়োজন।
Profile Image for Tiyas.
473 reviews128 followers
December 14, 2024
বাংলা ছোট-গল্প বলতেই যে কটা নাম পর পর মাথায় খেলে যায়, তার মধ্যে বিমল করের অবস্থান রবীন্দ্র-বিভূতিদের ভিড়ে, একান্তই ভুলে মেরে দিলে কাউকে খুব একটা দোষ দেবো না আমি। শুধু অনুরোধ করবো পড়ার পরিধিটুকু যৎসামান্য বাড়িয়ে লেখকের পঞ্চাশটি গল্প চটজলদি পড়ে ফেলতে। অবশ্য, এর দ্বারা, আমি এমনটাও দাবি করছি না যে লেখক হিসেবে বিমল কর বীভৎস রকমের আন্ডাররেটেড। সহৃদয় পাঠক মাত্রই ওনার লেখনীর সাথে পরিচিত, সেটা জানি। তবে কেবল খড়কুটো, উড়ো খই, কিকিরা বা বালিকা বধূ'র বাইরেও মানুষটিকে অন্বেষণ করা প্রয়োজন। যার তাৎপর্য, লেখকের মৃত্যুর প্রায় দুই দশক বাদে আরও বেশি করে প্রাসঙ্গিক।

আমি অবশ্য চটজলদি পড়তে বলেই খালাস। আমি নিজেও কি আর এ বই একদিনে শেষ করেছি? প্রায় বছরখানেক ধরে টুকুর টুকুর করে গরুর গাড়ি চালিয়ে আজ এইখানেতে এসে দাড়ালাম। এ যে লেখকের সাহিত্য জীবনের চল্লিশ বছরের দলিল। নিজে হাতে বেছে নিয়ে সাজানো ফুলের সাজি। এসব জিনিস অত তাড়াহুড়ো করে পড়তে নেই। ছাই আর রিভিউ লিখি তাই।

কেবল এক অজ্ঞ পাঠক হিসেবে আশ্চর্য হয়ে রই।

আর পাঁচটা গল্পগ্রন্থের তুলনায় এই বইটির তুলনামুলক ওজন অনেক বেশি। মানগত অবস্থান, অনেক ওপরে। হয়তো বা সমস্ত গল্প আমার মনে ধরেনি। হয়তো কি, এসব গ্রন্থে সব লেখা ভালো লাগবে না, সেটাই স্বাভাবিক। তবুও, উঁচুদরের সাহিত্যের সতেজ সংস্পর্শে এসে কোনো ম্যাজিক শো-এর ফ্রন্ট রোতে আসীন এক বালকের ন্যায় মাথা চুলকে গেলাম, স্বাচ্ছন্দ্যে। ইন্দ্রজালের মায়ায় স্বেচ্ছায় হার শিকারের গৌরব বোধ করলাম পড়তে পড়তে। সেই কোন বছরের শুরুর দিকে, 'বরফসাহেবের মেয়ে' পড়ে গুম মেরে বসে থাকা। তারপর একে একে, 'ইঁদুর', 'পার্ক রোডের সেই বাড়ি', 'আত্মজা', 'পলাশ', 'অশ্বত্থ', 'যযাতি', 'আঙুরলতা', 'জননী', 'আয়োজন', 'সুখ', 'সত্যদাস'... কাকে ছেড়ে কাকে দেখাই?

কোথাও ন্যারেটিভের প্রকোপে নৈর্ব্যক্তিক গল্পকথন। কোথাও আবার খেলুড়ে মেজাজে ফ্রি-ফর্ম নিরীক্ষা। তারই মাঝে বারংবার উঠে আসা মধ্যবিত্ত হাহাকার। কষ্ট, কারুণ্য ও সামঞ্জস্যের টিমটিমে উদগার। লেখকের শক্তি ওনার নিস্পৃহতায়। কলম হাতে তিনি সাক্ষাৎ ভগবান। সূক্ষ্ম। নিরাকার। নিষ্ঠুর। স্ক্যালপেলধারী এক অহংহীন ব্যক্তিত্ব। সৃষ্টিবৈচিত্র্যের তাড়নায় যিনি হয়ে ওঠেন কাছের মানুষ। অশেষ দক্ষতায় অ্যাবস্ট্রাক্ট মাঝে মিলিয়ে দেন দৈনন্দিনের প্রতিচ্ছবি। অবশ্য, এই করতে গিয়ে যে একেবারে ভাবুক মেলোড্রামার ধারেকাছে চলে যান না, তেমনটা নয়। কিন্তু মোক্ষম সময়ে, কথা বলে ওঠে ওনার সংযমী কলম।

আধুনিক লেখকেরা পারলে এ জিনিস কোর্স-বুকের মত পড়ে, সংযম আয়ত্তে আনুন। শিখে নিন, নিরীক্ষণের পাঠ। দেখুন কি ভাবে এক কথাসাহিত্যিক তারুণ্য ও প্রবীনতার সিঁড়ি বেয়ে, কমফোর্ট জোনের হাউস-অ্যারেস্ট উপেক্ষা করেছেন বারংবার। প্রবেশ করেছেন বিক্ষণাগারে। ভেঙে, গুড়িয়ে, পাল্টে ফেলার চেষ্টা করেছেন, বছরের পর বছর। নিজেকে। ছোট-গল্পকে। বাংলা সাহিত্যের মানচিত্রকে। অক্লান্ত উদ্যোগে, অবিরত।

কুর্নিশ জানানোটা আমাদের দায়িত্বই বটে।

(৪.২৫/৫ || ২০২৪)
Profile Image for Nishat Monsur.
191 reviews18 followers
September 2, 2023
ছোটগল্প বরাবরই পছন্দের লিটারেরি ফরম্যাট। যদি একটানা বেশিক্ষণ পড়ার সময় সুযোগ কম মেলে, তবে ছোটগল্প পড়াটা বেশ কাজের একটা স্ট্র‍্যাটেজি হতে পারে। বইটা পড়া শুরু করার অনেকদিন পরে গুডরিডসে লিস্ট করা হয়েছে। পড়ছি অনেক দিন ধরে আস্তে ধীরে একটু একটু করে৷ বেশ ভালো লাগলো অনেকগুলো গল্পই। বাংলা ভাষার সাহিত্যে বিমল কর বেশ আন্ডাররেটেড, আরেকটু বেশি আলোচনা বোধহয় তাঁর প্রাপ্য ছিল। শরীর বিশেষ ভালো নয়, তাই সংক্ষেপে আলাপ মুড়ে রাখলাম।
2 reviews2 followers
June 4, 2021
বিমল করের পঞ্চাশটি গল্প - মদির আবেশমাখা অবচেতনের খেলা; পড়া শেষ করলে মনে হয় এ তো খুবই বাস্তব, জীবন্ত সময়ের উপাখ্যান। কিন্তু বাস্তবতা কে ও কার্যত ছাপিয়ে জেগে থাকে অন্য কোন গহীন অনুভব, যা একাধারে চেনা এবং অচেনা। এ যেন শাল-মহুয়ার অরণ্যে একাকী হাঁটতে হাঁটতে তন্নিষ্ঠ পাঠকের ভাবনার রহস্যময় অভিযান, তার পাশাপাশি পথ করে ক্ষীণস্রোতে বয়ে চলে নিজেকে খুঁজে নেওয়ার দ্বন্দ্বদীর্ণ আনন্দের ফল্গুধারা।
Profile Image for Bubun Saha.
201 reviews6 followers
May 18, 2025
পঞ্চাশটি গল্প
বিমল কর
আনন্দ পাবলিশার্স
মম : ৭০০/-

আনন্দ jewellers। হ্যা, আমরা কম-বেশি এই বলেই সম্বোধন করি, আমি নিজেও। সোনার দাম বাড়লে লোকে আরো সোনা কেনে, বইয়ের দাম বাড়লেই সমালোচনা। তা অনেক ভেবে বলছি, সত্যি jewelllers ই বটে আনন্দ। এমন সব বইয়ের স্বত্ব আছে তাদের কাছে।

আমি অন্য সব বইয়ের কথা বাদ দিলাম। এই বইটা নিয়ে কথা হোক। বইটির পাতা সংখ্যা ৭২৫।
৫০ টি গল্প হিসেবে ধরলে এক একটি গল্প গড়ে ১৪-১৫ পাতার হবে। আনন্দ বলেই এগুলোকে তারা গল্প বলেছেন। বাধ্য হয়েছেন হরফ ছোট করতে, যাতে এক মলাটে ৫০ টা গল্প হয়ে যায়, কিন্তু তাও বেশ ভালোভাবে পড়া যায়। পাতার কোয়ালিটি নিয়ে তো কিছু না বলাই শ্রেয়। আমি বলবো বইটির বাধাই নিয়ে। ২ বছর ধরে বইটি পড়ছি, শুয়ে-বসে-হেলে-দুলে। বই ধরার অ্যাঙ্গেল ও সেভাবে চেঞ্জ হয়েছে বহুবার, কখনো তো একহাতে, কখনো টেবিলের ওপর সোজাসুজি বসিয়ে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়েই বলছি, আনন্দ সহ খুব কম সংখ্যক প্রকাশনার বাইন্ডিং এমন মজবুত। বেশিরভাগ প্রকাশনা এগুলোকে দিব্বি উপন্যাসিকা বলে চালিয়ে দিতেন, ৪-৫ টা গল্প নিয়ে একটা উপন্যাসিকা সংকলন বের করে তার দাম রাখতেন ৩০০-৪০০ টাকা। আচ্ছা, আনন্দ এই সব বইয়ের স্বত্ব বহু আগে নিয়ে রেখেছে, মানে সেই সময় তাদের ইনভেস্টমেন্টও ছিল সেরকম। তা থেকে যদি তারা এখন রিটার্ন দাবি করে তাতে খারাপ টা কি ! তাদের দূরদর্শিতাকে আমরা খাটো করার কে!

এবার আসি এই বইটি সম্পর্কে। বিমল করের লেখার সাথে আমার প্রথম পরিচয় সরস গল্প বই। কিকিরা পড়েছি কিছু, তেমন ভালো লাগেনি। পঞ্চাশটি গল্প বইটি তুলনাহীন। আনন্দর যে কোটা পঞ্চাশটির গল্পের সেট আছে, তার মধ্যে এটি মাস্ট। সামাজিক, রাজনৈতিক, নৈতিক সব স্তরের সমস্ত ধাপ তিনি এঁকে দিয়েছেন এই দুই মলাটের ক্যানভাসে। সরস গল্প সমগ্রের দুটি গল্প এই বইতে পাওয়া যায়, বসন্ত বিলাপ আর ratkiller। প্রশ্নপত্রে common কিছু এলে যেমন আনন্দ হয়, তেমনি এই দুটো গল্প এই বইতে পেয়ে বোনাস পেয়েছি বলেই মনে হয়েছে।

এই বইটি পড়া শুরু করেছিলাম ২০২৩ এ। সাম্প্রতিক গল্প সংকলন হলে বড়োজোর ৩-৪ সপ্তাহে শেষ করে ফেলতাম। বিমল কর বলেই ২ বছর লেগেছে। এক একটা গল্প ভাবতে বাধ্য করবে, রেশ ছেড়ে যাবে। এরপর আনন্দকে ট্রল করার আগে আমি ভাববো, আপনিও ভাববেন।

**মতামত সম্পূর্ণ নিজস্ব।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.