Jump to ratings and reviews
Rate this book

তারে আমি চোখে দেখিনি

Rate this book
কালোদুঙ্গারের ঘোড়সওয়ার- ১০২৬ সাল। সোমনাথ মন্দির লুঠ করে ফিরে যাওয়ার পথে সিন্ধু নদের তীরে তাঁবু ফেলেছেন গজনির সুলতান মাহমুদ। শুষ্ক জলহীন মরুভূমিতে পথনির্দেশক হয় সঙ্গে এসেছেন হিন্দু রাজা ভীমদেবের নিয়োজিত দুই গুপ্তচর শামসুদ্দিন ফারুকি ও আব্দুল ওয়াহিদ। পাহাড়ের কাছে অশরীরী ঘোড়সওয়ারকে দেখেছিল গুল মহম্মদ। সে কি তার চোখের ভুল? দিনে-রাতে সোনার মুদ্রার স্বপ্ন দেখে হেমরাজ মালধারি, কিন্তু তার পেছনে ধাওয়া করে আসা তিনটে নেকড়ে কি কোন অশুভ সংকেত বহন করছে? যক্ষিণী সাধক- গড় জঙ্গলে ইছাই ঘোষের দেউলে বেড়াতে এক ভবঘুরে লোকের পাল্লায় পড়ে কৃশানু। কৃশানুর কপালে এঁকে দিয়েছিল রক্ষাকবচ। বাড়িটা একটু অদ্ভুত, ওই বাড়িতেই হারিয়ে গিয়েছিল বিষ্ণুদা, আর ফেরেনি। অমৃতা বাড়ির দেওয়ালে লাল রক্তের পায়ের ছাপ দেখেছিল সেগুলো কার? হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যাওয়া অমৃতাকে কি বাঁচাতে পারবে ভাস্কর আর কৃশানু? বহুবছর আগে তন্ত্র সাধনা করে শিশু বলি দিতে গিয়ে ধরা পড়েছিল রুদ্র নামের এক কিশোর। রক্তচাঁদ- কৌতূহলবশত প্ল্যানচেট করতে বসে জয়, ইন্দ্রজিত, নুপুর, ঝুমুর আর ইরাবান কিন্তু সফল হয় না। তাহলে ঝুমুরের শরীরে যে প্রেত বাসা বেঁধেছে সে কীভাবে এল? শিবানন্দ কি এই প্রেতকে চেনেন? প্রতি পূর্ণিমায় আসানসোল শহরের হাসপাতাল নার্সিংহোম থেকে চুরি যাচ্ছে সদ্যজাত শিশু।দুটি ঘটনা কি পরস্পর যুক্ত? ইরাবান যে হাসপাতালের নার্স সেখান থেকেও হারিয়ে যায় এক সদ্যজাত। অন্যদিকে ইন্দ্রজিতের বাবা নীলমণি বাড়ির চিলেকোঠায় কাউকে ঢুকতে দেন না। কী রহস্য গোপন করে রেখেছেন সেখানে?

216 pages, Hardcover

Published November 1, 2023

Loading...
Loading...

About the author

Dipika Majumdar

8 books2 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (50%)
4 stars
1 (25%)
3 stars
1 (25%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 1 of 1 review
Profile Image for SOUROV DUTTA.
70 reviews3 followers
June 1, 2024
তিনটে কাহিনী। নাতিদীর্ঘ উপন্যাসসম। তিনটেই সুখপাঠ্য। বেশ সুলিখিত। শেষ পর্যন্ত ক্লাইম্যাক্স ধরে রেখেছে। অপ্রাকৃতিক ব্যাপারটাও বেশ বিশ্বাসযোগ্য করে পরিবেশিত হয়েছে। মনকে ভাবিয়ে তোলে। শিরদাঁড়া দিয়ে একটা ঠান্ডা স্রোত নেমে আসে পড়তে পড়তে। বেশ গা ছমছমে একটা অনুভুতি হয়। লেখিকা দীপিকা মজুমদারের লেখনিও চমৎকার। লেখনীর গুণে তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়া যায়। প্রতিটা গল্পই শুরু করলে শেষ না করে ছাড়া যায় না।
Displaying 1 - 1 of 1 review