আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ! ব্রিটিশদের কুখ্যাত বন্দি উপনিবেশ। যৌনতার রাজনীতি করে সেখানে নির্বাসিত অসংখ্য মহিলা বন্দিদের মর্মন্তুদ জীবন আলেখ্য এই রোমহর্ষক ঐতিহাসিক উপন্যাসের পটভূমি।
আন্দামানে গ্রাম গড়ার তাগিদে দাগী আসামীদের শয্যাসঙ্গিনী হতে নিয়ে যাওয়া হত সেই মেয়েদের। মর্মন্তুদ বিস্মৃতপ্রায় সেই কাহিনীর সমান্তরালে চলেছে বিংশ শতকের গোড়ার অবিভক্ত বাংলার উত্তাল সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলন।
সেলুলার জেল। বিপ্লব। বিশ্বাসঘাতকতা। প্রেম। প্রতারণা। প্রতিশোধ। একদল সাহসী বাঙালি। আর সেই হারিয়ে যাওয়া বন্দিনীরা। মর্মন্তুদ সেই কাহিনীর সমান্তরালে চলেছে বিংশ শতকের গোড়ার অবিভক্ত বাংলার উত্তাল সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলন। দামাল উল্লাসকর। ইন্দুভূষণ। বারীন ঘোষ। হেমচন্দ্র কানুনগো। অরবিন্দ ঘোষ। আরো অনেকে।
... এই সমস্ত কিছুর ভিড়ে কালাপানির তীর ধরে এই সুবিশাল উপন্যাসের আদি থেকে অন্তে বয়ে চলেছে মানবতার আদি ও অকৃত্রিম করুণ জয়গাথা!
Debarati Mukhopadhyay is presently one of the most popular and celebrated authors of Bengali Literature and a TED Speaker having millions of readers worldwide.
A young Government Officer by profession and awarded with several accolades like Indian Express Devi Award 2022, Tagore Samman, 2022, Literary Star of Bengal etc, she has written 25+ bestselling novels in West Bengal from leading publishing houses. Global publishers like Harper Collins, Rupa Publication have published her English works worldwide.
A no. of novels are already made up into movies starting Nusrat Jahan, Mithun Chakraborty, Dev etc by big production houses like SVF, Eskay etc. Her stories are immensely popular in Sunday Suspense, Storytel etc.
Her Novel ‘Dasgupta Travels’, has been shortlisted for ‘Sahitya Akademi Yuva Pursakar, 2021’.
Her Novel ‘Shikhandi’ created a history when it was acquired for film by SVF within 24 hours of it’s publication. Beside this, she contributes in Bengal’s prominent literary magazines and journals regularly.
She has been selected as Country's only Bengali Literature Faculty for the esteemed Himalayan Writing Retreat.
An excellent orator, Debarati motivates people through her way of positive thinking, voluntarily guides aspirants for Government job preparation in leisure.
She’s a regular speaker in eminent institutions like Ramakrishna Mission and other educational seminars and often considered as youth icon of Bengal. She’s extremely popular in Bengal and having more than 5,00,000+ followers in Social media.
প্রিয় লেখিকা "দেবারতি মুখোপাধ্যায়", গত ১০ তারিখে হাতে পেয়েছি "কৃষ্ণসিন্ধুকী" আর শেষ করেছি ১২ তারিখে....আর আজ ১৫ তারিখ লিখতে বসেছি পাঠ-প্রতিক্রিয়া | দ্বিতীয়বার শেষ করার পরে...কি যে লিখি!!! অতীত দিয়েই শুরু করি...ছোট্টবেলা থেকে আমার মা-কে বরাবরই দেখেছি যেকোনো জায়গা যাওয়ার হলে, কোনো এক অজানা কারণে আন্দামান বাতিলের তালিকায় থাকতো| বড়ো হয়ে কর্মসূত্রে পৃথিবীর অনেক দেশের মাটি ছুঁলেও, সেই একই কারণে আমি আজও আন্দামানের মাটি স্পর্শ করিনি| "কৃষ্ণসিন্ধুকী" সেই ইচ্ছায় সীলমোহর লাগিয়ে দিলো| তবে আন্দামান না গিয়েও সেই পবিত্র মাটি-কে স্পর্শ করলাম হৃদয় দিয়ে, দুই চোখের নোনতা উষ্ণতায় বইয়ের পাতা ভিজিয়ে... কোথা থেকে আর কি দিয়ে যে শুরু করি? দুই মলাটের ভিতরের বস্তুর বাইরে যা কিছু তা দিয়েই বরং শুরু করা যাক| "কৈফিয়ত": রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজ থেকেই লেখকের কৈফিয়ত আমার বড়ো প্রিয়-এতেও তার ব্যতিক্রম নেই| মূল গল্পে যাওয়ার আগে ঐটুকু আমি বেশ তারিয়ে পড়ি| আর এবারের কৈফিয়ত তো শুধুই শব্দ নয়- সম্ভাব্য অনেক বিষাক্ত তীর সামলাবার তথ্য-বর্ম ও বটে! প্রতিটি ফুট-নোট, লেখকের "Poetic License", স্বেচ্ছা-Anacronism শুধু যথোপযুক্ত তাই নয়, এ যেন কৃষ্ণসিন্ধুর শুক্তিবিন্দু| বিশেষত:,মোহনবাগানের বিজয়ের দিন কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় গানটি| চরিত্র:আপনার লেখনী অনুযায়ী কিছু চরিত্র কাল্পনিক-কিন্তু তাই কি ?নীলামনি, পুষ্প,গৌরীপ্রসন্ন, মকবুল, রহমানরা কোন অদ্ভুত জাদুকাঠিতে তবে মিলে গেলো ইন্দুভূষণ-উল্লাসকর-লীলা-বিপিনচন্দ্র পাল এই সব ভীষণ জীবন্ত ঐতিহাসিক চরিত্রের সাথে ? আর ইন্দুভূষণের যন্ত্রনা? গাছের আঠা ছেঁচতে গিয়ে হাতভর্তি বিষাক্ত ক্ষত নিয়ে মৃত্যুর উদ্বন্ধনে জড়িয়ে পড়া উনিশ বছরের ছেলেটা? এও কি কল্পনা!!! জানেন, ওই জায়গাটা পড়ার পরে দু'দিন খেতে পারিনি| লজ্জা করছিলো নিজের দিকে তাকাতে| বাঙালি পাঠকদের কি উপহার দিয়েছেন আপনি, তা আপনি জানেন না ! আধুনিক "Aquarium Literature" এর জগতে আপনার "কৃষ্ণসিন্ধুকী" আর তার চরিত্রেরা একটি সশব্দ ও জ্বলন্ত প্রতিবাদ| লীলা?? সেও তো ছিল শিক্ষিত বাঙালি মেয়ে-আর আমরা? আপনি ঠিক বলেছেন - আমরা শুধু আত্মবিস্মৃত নই, আত্মঅধঃপতিতো ও বটে! আপনার লেখনী নিয়ে বলার স্পর্ধা আমার নেই, তবে, শেষের দিকে মানে ২৩৮ পৃষ্ঠার পরে যেন মনে হলো হঠাৎ করে সবকিছু একটা সমাপতনের দিকে এগোতে চাইছে| আর একটু কি বিস্তার ঘটানো যেত না? জানি, পাঠকের তৃপ্তি আর কিছুতেই হয় না- তারা "বসতে পেলে, শুতে চায়" এর প্রজাতি| তবু আবদার টুকু রাখলাম| আর হ্যাঁ, নীলা, শেখর, গৌরীপ্রসন্ন বাবু আর লীলার দেখা হোক আবার...এই কথা আপনি নিজেই দিয়েছেন "কৈফিয়ত"-এ| অপেক্ষায় রইলাম| স্বাক্ষরিত বই না পাওয়ার একটা অভিমান ছিল, কিন্তু এখন নেই| কারণ, কোনো এক আগামীতে দেখা যে করতেই হবে| আজ তবে এইটুকু থাক | খুব ভালো থাকবেন,শরীরের খেয়াল রাখবেন| আর কলম থামানো চলবেনা...মা সরস্বতী আপনাকে "সোনার কলম" দিন, এই শুভেচ্ছা রইলো....
খুব বেশিদিন ও নয় , আবার খুব বেশি বই ও নয় , এই বারের বইমেলায় পত্রভারতী এর স্টল থেকে নিয়ে এসেছিলাম ডাকাতরাজা উপন্যাস। কিছুদিনের মধ্যে শেষ করে আবার ছুটে গিয়েছিলাম ঐ ষ্টলে ।দেবারতিদি এর আর কিছু বই আছে ?? একজন বিক্রেতা বলল নারাচ বই টা নিয়ে যাও খুব সুন্দর। কিনলাম নারাচ সঙ্গে ফ্রী এলো ডেঙ্গু । জ্বরের কবলে পড়ে যখন রাতে ঘুম আসত না সেই সময় কাটালাম নারাচ পড়ে ,বিশ্বাস করুন ডেঙ্গু নিয়ে মাত্র দুরাতেই শেষ করেছিলাম বইটা। আর সেটা পড়েই হয়েছিলাম এই দশকের সেরা লেখিকার( আমার কাছে ) ভক্ত। এবার আসি কৃষ্ণসিন্ধুকীর কথায়,কৃষ্ণসিন্ধুকী বুক করেছিলাম 1 তারিখ,হাতে পেয়েছিলাম 9 তারিখ আপনার সাক্ষর সমেত। ধৈর্য ধরতে হলো 3 দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল সেমিস্টার এর জন্য । গত পরশু রাতেই শেষ করে এখন লিখতে বসেছি পাঠপ্রতিক্রিয়া। ইতিহাস নিয়ে যারা একটু আধটু হলেও জানে তাদের সামনে আন্দামান নাম নিলেই একইসাথে সমচ্চারিত হবে সেলুলার জেলের কথা । সত্যিই গা শিউরে ওঠার মতো যেনো এক রোহমর্ষক ছবি । প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, বিদ্রোহ,বিপ্লব কি ছিলনা সেখানে ! সবথেকে বড় কথা মানুষ ছিল যে ।
প্রেম ... এই নীলার মনে দেশের জন্য প্রেম যতটা ছিল , ততটাই ছিল তার ইন্দ্রদার প্রতি। তাই তো সে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে ইন্দ্রর জন্য , ভালোবাসায় এর থেকে বেশি আর কি চাই ? আবার ঠিক রহমান চাচা ও দিনবাঈ এর অসমাপ্ত প্রেম কাহিনী ।
একটা জিনিষ দেখুন সমাজের বুকে যেমন লালমোহন সাহা, খোয়েদাদ খা , ব্যারি এর মত অত্যাচারীরা আছেন ঠিক তাদের কে প্রশমিত করতে ওপরওয়ালা উল্লাসকর,রহমান,জুলিয়া এদের মত মানুষদেরও সৃষ্টি করেছেন । বার বার যেন তিনি বলছেন সবার আগে মানুষ হও। সত্যিই অসাধারন লাগলো দিদি আপনার এই উপন্যাস পড়ে । আগামী দিনে আরো কিছু ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখার জন্য আবদার রইলো । আপনি ও আপনার পরিবারের সকলেই ভালো থাকুন । যা মাথায় এলো সেটুকুই লিখলাম কোথাও কোনো ভুল হলে ছোট ভাই হিসেবে মার্জনা করবেন ।ধন্যবাদ।
বছরের ১৬ নম্বর বই একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস, দেবারতি মুখোপাধ্যায় এর লেখা "কৃষ্ণসিন্ধুকী"।। বইটি আসলে ২৪ সালে পাওয়া ভাইফোঁটার উপহার।। বইটি পড়ে শেষ করলাম দুদিন আগে।। বইটির ব্লারব এর লেখা পড়ে বোঝা যায় বইটি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের সেলুলার জেল এর পটভূমিতে লেখা একটি উপন্যাস।। এই উপন্যাসে সমান্তরাল ভাবে দেখানো হয়েছে ভারতে স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লব সঙ্গে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের সেলুলার জেলের সময়কাল।। আমি লেখিকার লেখা কোনো ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস পড়িনি, এইটাই প্রথম, এই বইগুলি পড়ার আগে ভয় লাগে শুধুমাত্র ইনফোডাম্প নিয়ে, সেক্ষেত্রে এই বই বেশ ভালো মার্কসেই পাস করেছে।। বইটির প্রচ্ছদ খুব সুন্দর এবং ইন্টারেস্টিং।। বইটির নামকরণের কারণ হিসেবে লেখিকা বলেছেন - "'সিন্ধুকীরা কী করত জানো?' 'কী?' 'যে বাড়িতে সুন্দরী গুণবতী মেয়ে থাকত, তাদের লুঠ করে নিয়ে যেত।' নীলা থামল, 'আমাদেরও তো সিন্ধুকীরাই এখানে এনেছে বলো চাঁদুমাসি। আমরা কেউই তো এখানে স্বেচ্ছায় আসিনি! আমার সোয়ামি এই দ্বীপের একটা নাম দিয়েছেন, জানো!' 'কী নাম?' 'কৃষ্ণসিন্ধুকী। আন্দামান তো কালাপানি। কালো মানে কৃষ্ণ। আবার সিন্ধু মানে সাগর। আন্দামানে তো আমাদের লুঠই করে এনেছে বলো। আমাদের এখানে এনেছে বলেই এই কালাপানিতে গ্রাম হচ্ছে। ফুল ফুটছে।'
🔰🔰 আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ! ব্রিটিশদের কুখ্যাত বন্দি উপনিবেশ।। যৌনতার রাজনীতি করে সেখানে নির্বাসিত অসংখ্য মহিলা বন্দিদের মর্মন্তুদ জীবন আলেখ্য এই রোমহর্ষক ঐতিহাসিক উপন্যাসের পটভূমি।। আন্দামানে গ্রাম গড়ার তাগিদে দাগী আসামীদের শয্যাসঙ্গিনী হতে নিয়ে যাওয়া হত সেই মেয়েদের।। মর্মন্তুদ বিস্মৃতপ্রায় সেই কাহিনীর সমান্তরালে চলেছে বিংশ শতকের গোড়ার অবিভক্ত বাংলার উত্তাল সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলন।। সেলুলার জেল, বিপ্লব, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রেম, প্রতারণা, প্রতিশোধ, আর একদল সাহসী বাঙালি আর সেই হারিয়ে যাওয়া বন্দিনীরা।। মর্মন্তুদ সেই কাহিনীর সমান্তরালে চলেছে বিংশ শতকের গোড়ার অবিভক্ত বাংলার উত্তাল সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলন।। দামাল উল্লাসকর, ইন্দুভূষণ, বারীন ঘোষ, হেমচন্দ্র কানুনগো, অরবিন্দ ঘোষ। আরো অনেকে। ... এই সমস্ত কিছুর ভিড়ে কালাপানির তীর ধরে এই সুবিশাল উপন্যাসের আদি থেকে অন্তে বয়ে চলেছে মানবতার আদি ও অকৃত্রিম করুণ জয়গাথা!
🔰🔰 পাঠ প্রতিক্রিয়া -
আন্দামানের প্রেক্ষাপটে রোমাঞ্চকর ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস এই কৃষ্ণসিন্ধুকী।। সেলুলার জেল, বিপ্লব, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রেম, প্রতারণা, প্রতিশোধ, একদল সাহসী বাঙালি।। আর সেই হারিয়ে যাওয়া বন্দিনীরা।।লেখিকা একটি উপন্যাস বুনেছে ইতিহাসে ঘটে যাওয়া একটি আন্দোলন কে কেন্দ্র করে, গল্পের কিছু চরিত্র উঠে এসেছে ইতিহাস থেকে, আর বাকি চরিত্র লেখিকার কল্পনাপ্রসূত।। উপন্যাসটি টানটান পড়তে ভালো লেগেছে, কিছু কিছু চরিত্র বড়ই আলগা ধরনের লেগেছে, লেখিকা চাইলে আরেকটু আলোকপাত করতে পারতেন।। উপন্যাসটি লিখতে যথেষ্ট পড়াশুনা করতে হয়েছে তা বইটি পড়ে বোঝা যায়।। লেখিকা সমান্তরালে দুটি সময় দেখতে চেয়েছেন, স্বদেশী আন্দোলন বাংলায় আর আন্দামানে সেলুলার জেলের বন্দীদের জীবন।। প্রত্যেক চরিত্র এরই নিজস্ব অতীত তুলে ধরেছেন লেখিকা, কয়েকটি ছাড়া।। বইটি পড়তে মোটামুটি লেগেছে, একবার পড়ার জন্য বইটি ঠিক আছে।। দীপ প্রকাশন এর কাজ বেশ ভালো, শুধুমাত্র একটি জায়গায় নীলা আর লীলা এই দুটি নামের মধ্যে প্রিন্টিং এ গোলমাল হয়েছে।।
Today I finished reading 'krishnasindhuki'. I could not stop myself from writing this email. Firstly please accept my heartfelt gratitude for writing such an excellent story with proper historical information. This book was not only a mere history based novel. This was an emotion with a captivating plot and believable characters. I cannot exactly tell you what I am feeling right now. Since my childhood days my favorite subject has been History. i always search for different historical topics but i now feel somewhere i failed myself to ignore such a thought provoking topic of Andaman cellular Jail and the captives specially the political prisoners during the colonial India.
I visited the cellular jail in 2022 with no intention of researching history since it was my first honeymoon so i was busy in merrymaking and it was just a mere sightseeing for me. I greatly appreciate the light and sound show which is created to educate the visitors about the forgotten history of Indian freedom struggle. but trust me i could not feel the pain or even never tried to feel the pain of the political prisoners back then. But your powerful narration helped me to foster a deeper understanding. I felt ashamed of my ignorance of not knowing Ullashkar Dutta and Indubhushan Roy back then. for not understanding the pain of the prisoners solitary confinement. but with your meticulous character depiction and developement you have successfully planted these names to your readers like me.
this is not the first time that I am reading your books. before this I have read your another remarkable novel ' Narach '. But i have finished reading 'krishnashindhuki ' within 5 days which is an achievement for me since i am not a voracious reader. i cannot exactly tell you what made me fell in love with this novel or made me cry. but i felt a guilt of not knowing many young freedom fighters who gave up their entire life to secure freedom for us. they ended up in jails so that we can see the sun rise of British free India. Until today only Maitreyee Devi's " Na Hanyate" deeply resonated with me I could not hold back my tears. but today there is a new addition specially the incident of Indubhushan's suicide (or better to say planned murder).
you made me write this letter to you. I didnt hesitate penning down my emotions. Thank you for giving your readers this opportunity to write to you. lastly I will love to add that today I didnt read something... I feel i have lived it.
ছোট থেকে বরাবরই গোয়েন্দা থ্রিলার টাইপ জনরার বইগুলো আমায় সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করত। বড় হওয়ার সাথে সাথে কম বেশি অনেক লেখক লেখিকাদের রচিত ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের রহস্য গল্প উপভোগ করে এসেছি। কলেজ লাইফে থাকাকালীন আমার এক বান্ধবীর (মণীষা পাল) সহযোগিতায় প্রথম আপনার উপন্যাসগুলির সন্ধান পাই। একে একে প্রতিটা উপন্যাস পড়তে থাকি (হারিয়ে যাওয়া খুনিরা, গ্লানির্ভবতী ভারত)। গত ১৫ ই সেপ্টেম্বর এই উপন্যাসটি (কৃষ্ণসিন্ধুকি) আমি হাতে পাই । বইটির কভারে থাকা সারাংশ টি পড়ে ব্রিটিশ আমলের তৈরি এই সেলুলার জেলের ব্যাপারে জানার খিদেটা একটু বেড়ে গেছিল। কোন কিছু না ভেবেই পড়া শুরু করে দি এবং দীর্ঘ ৩০০+ পেজের এই উপন্যাসটি এক নিঃশ্বাসে শেষ করি।
ছোট থেকেই বাবার কাছে শুনে এসেছিলাম আন্দামানের অবস্থিত এই সেলুলার জেলের কুখ্যাত ঘটনার কথা। বাবা ছিলেন এক প্রাইমারি স্কুলের ইতিহাসের শিক্ষক। তখন হয়তো বোঝার ক্ষমতাটা হয়নি কিন্তু বাবার মুখে কথাগুলো শুনে অনেকটাই আগ্রহ জন্মেছিল। আজ হয়তো সেই আগ্রহের পরিসমাপ্তি ঘটলো।
উপন্যাসটি শেষ করার পর প্রায় দুদিন ঘোরের মধ্যে কাটিয়েছি। আপনার লেখা প্রতিটি বর্ণনা জাস্ট প্রশংসনীয়। উপন্যাসের প্রতিটা লাইন আমাকে পদে পদে ভাবিয়ে তুলেছে। নীলা, পুষ্প, চাদুমাসি থেকে শুরু করে ইন্দ্রভূষণ, উল্লাস, শেখর, দীনবাই প্রত্যেকটা চরিত্রই যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে, পড়তে পড়তে ক্রমশই যেন চোখে ভাসতো তাদের নিত্য দিনের কৃতকর্মের ঘটনা। বর্বর এই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কূটনীতির তলায় বারীন ঘোষ, অরবিন্দ ঘোষ এর মত না জানি কতই বিপ্লবীদের প্রতিবাদের ভাষা চাপা পড়ে গিয়েছিল। কত অগণিত নারীরা না জানি তাদের সম্মান বিক্রিত করেছিল তাদের কাছে। আজ তারাই হয়তো রুখে না দাঁড়ালে এই পরাধীন ভারতে স্বাধীনতার আলোয় এসে পৌঁছাতো না। খুব জানতে ইচ্ছা করে কি হয়েছিল উল্লাসের শেষ পরিণতি। ব্রিটিশ রাজের এই কুখ্যাত প্রবঞ্চনার মাঝেও নীলামনি ও ইন্দ্র ভূষণের যে অসমাপ্ত প্রেমের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে তা সত্যি অতুলনীয়। নীলা মণি যেমন তার দেশভক্তির প্রতি অঙ্গীকার ছিল, ঠিক ততটাই সে তার প্রিয় ইন্দ্রদার প্রতিও দুর্বল ছিল, তাই তো শেষে পালিয়ে যাওয়ার সময়ও সে শেষবারের জন্য ইন্দ্রদার প্রতীক্ষা করেছিল।
সর্বশেষে বলতে গেলে আপনার লেখনী একদমই ভিন্ন প্রকৃতির। জানিনা নিজের মতামত সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পেরেছি কিনা। আপনার লেখনী না পড়লে হয়তো আজ ইতিহাসের কত অজানা তথ্যই চোখের আড়ালে থেকে যেত। আমার প্রিয় লেখক লেখিকাদের মধ্যে আজ আপনি অন্যতম। ভবিষ্যতে এমন আরো ঘটনার সাক্ষী থাকার জন্য শুভকামনা রইল।
"'সিন্ধুকীরা কী করত জানো?' 'কী?' 'যে বাড়িতে সুন্দরী গুণবতী মেয়ে থাকত, তাদের লুঠ করে নিয়ে যেত।' নীলা থামল, 'আমাদেরও তো সিন্ধুকীরাই এখানে এনেছে বলো চাঁদুমাসি। আমরা কেউই তো এখানে স্বেচ্ছায় আসিনি! আমার সোয়ামি এই দ্বীপের একটা নাম দিয়েছেন, জানো!' 'কী নাম?' 'কৃষ্ণসিন্ধুকী। আন্দামান তো কালাপানি। কালো মানে কৃষ্ণ। আবার সিন্ধু মানে সাগর। আন্দামানে তো আমাদের লুঠই করে এনেছে বলো। আমাদের এখানে এনেছে বলেই এই কালাপানিতে গ্রাম হচ্ছে। ফুল ফুটছে।' নীলা চোখ বন্ধ করল, 'দেকবে মাসি, পরের জন্মে তুমি রাজরানি হবে।'" - দেবারতি মুখোপাধ্যায়, কৃষ্ণসিন্ধুকী
আন্দামানের প্রেক্ষাপটে রোমাঞ্চকর ঐতিহাসিক উপন্যাস এই কৃষ্ণসিন্ধুকী। সেলুলার জেল, বিপ্লব, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রেম, প্রতারণা, প্রতিশোধ, একদল সাহসী বাঙালি। আর সেই হারিয়ে যাওয়া বন্দিনীরা। উপন্যাসটা শেষ করার পর প্রায় দু'দিন ঘোরের মধ্যে কাটিয়েছি। এর আগে লেখিকার অন্যান্য বই পড়েছি, কিন্তু এটা যেন সব কিছুকে ছাপিয়ে গেছে�� এমন দুর্দান্ত লেখনশৈলীকে কুর্নিশ। নীলা, পুষ্প, চাঁদুমাসি থেকে শুরু করে ইন্দ্রভূষণ, উল্লাস, শেখর, দীনবাই প্রত্যেকটা চরিত্রই যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে। তাদের মুখের সংলাপ যেন কানে এসে স্পষ্ট ধরা দিচ্ছে। এই নিঃশ্বাস বন্ধ করা গল্প নীলামণির। এই গল্প যমুনার। এ গল্প বারীন, হেমচন্দ্র, উল্লাসকরদের! কালাপানির কালো জগতে আজও হাহাকার শোনা যায় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের। সময়ের দলিল হয়ে যুগান্তরের সাক্ষী থেকে যাবে এই উপন্যাস বছরের পর বছর ধরে। এভাবে সমৃদ্ধ করার জন্য, এভাবে সব আবেগকে ছুঁয়ে যাওয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ, শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা জানাই Debarati দি। ভালো থাকুন, ভালো লিখুন। এরকমই আরও অনেক দুর্দান্ত সৃষ্টির অপেক্ষায় রইলাম ভীষণ ভাবে।
অনেক প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গতকাল সম্পূর্ণ পড়া শেষ করলাম,আপনার বহুল আলোচিত ইতিহাস উপন্যাস কৃষ্ণ সিন্ধুকী। এক কথায় বলতে গেলে দুর্দান্ত এই উপন্যাস।এই উপন্যাস না পড়লে জানতেই পারতাম না আমাদের বাঙালি বিপ্লবীদের আন্দামান জেলের মধ্যে ঘটে যাওয়া ব্রিটিশ সরকারের ভয়াবহ অত্যাচার, দিনের পর দিন শোষণের বর্বরতা আরও অনেক কিছুই লিখেও শেষ হবে না। আন্দামান সম্পর্কে অনেক কিছু অজানা থেকে যেতো যদি না এই উপন্যাস পড়তাম।এই উপন্যাস লেখার জন্য আপনাকে মনের আন্তরিকতার সাথে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনি ৩০৯ পৃষ্ঠাতে লিখেছেন,"উপন্যাস এর শেষে নীলামনির পরিণতি কি হলো, তা হয়ত পাঠককে ভাবাবে । ভাবাবে উল্লাসকরদের পরবর্তী জীবন অভিমুখ ও"।---- খুব খুব ভালো করে ভাবিয়েছে।জানার খুব ইচ্ছে আছে নীলার পরবর্তী জীবনের অভিমুখ কথায় গিয়ে দাঁড়াবে আর উল্লাসকর কি পারবে তার ভালোবাসার মানুষ লীলার কাছে পৌঁছাতে। ঈশ্বরের কাছে এই প্রার্থনা করি, ঈশ্বর আপনার স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সহায় রাখুক। যাতে করে আপনি দ্বিতীয় পর্ব খুব তাড়াতাড়ি নিয়ে আসতে পারেন।সেই অপেক্ষায় রইলাম।
ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।।।
This entire review has been hidden because of spoilers.
পড়া শেষ করলাম! টানা পড়তে পারিনি, দুদিন লাগলো! একরাশ মুগ্ধতা , বিস্ময় ও ঘোর লেগে আছে! প্রথমেই আপনার একশো বছর নীরোগ আয়ু কামনা করি, আমাদের স্বার্থে, বাংলা সাহিত্যের স্বার্থে! আপনি থাকলে আপনার সৃষ্টি ও থাকবে! আন্দামান আমি গেছি! সেলুলার জেল আমার মনে গভীর চিহ্ন ফেলেছিল! আন্দামান যে কয়দিন ছিলাম রোজ ই সেলুলার জেল এ যেতাম! হয়তো প্রণাম জানাতেই! অসাধারণ এক ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস! এমন কি সবুজ দ্বীপের রাজা সিনেমাটা ও মনে পড়ছিল আপনার এই লেখা পড়ে! আমার ধারনা একদিন আপনার এই লেখা নিয়ে ছবি তৈরি হবে! অনেক গবেষণা করে, খেটে লেখা এই উপন্যাস! আমার আর এক প্রিয় অতি প্রিয় লেখক নারায়ণ সান্যাল মহাশয় কে মনে পড়ে যায়!
কুখ্যাত সেলুলার জেল। আন্দামানে বেড়াতে যাওয়ার অনেক আগে থেকেই এই জেলখানা সম্পর্কে নিজের আগ্রহে কিছুটা জেনেছিলাম। নিজের চোখে যখন দেখলাম এই জেলখানা আর নিজের কানে শুনলাম এর প্রতিটি অন্ধ কুঠুরিতে ঘটে যাওয়া নৃশংসতার ইতিহাস, কিভাবে প্রতিদিন পলে পলে ভেঙে দেওয়া হত বন্দী বিপ্লবীদের সাহসী শিরদাঁড়াগুলো, বাক্ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আজ আবার অনেক দিন পরে আপনার এই উপন্যাসটি আমাকে দাঁড় করিয়ে দিল সেই একই সময়ে। জলভরা চোখে নিজেকে যেন খুঁজে পেলাম সেই কুখ্যাত জেলখানার হতভাগ্য বন্দীদের সামনে। ইতিহাস না হয়েও এই উপন্যাসটি হয়ে উঠেছে ভারতের এক অন্ধকারময় ইতিহাসের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। এর দ্বিতীয় অধ্যায় কি আসবে? তার প্রতীক্ষায় থাকলাম অধীর আগ্রহে। ভালো থাকবেন। এরকম আরও অনেক লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
অপেক্ষার অবসান হল দুই দিন আগে। হাতে পেলাম কৃষ্ণসিন্ধুকী। আজ শেষ হল পড়া। প্রতিটি চরিত্র মনকে ছুয়ে গেছে। বিশেষত নীলা চরিত্রটি।নীলার সাথে আমিও অপেক্ষায় ছিলাম ইন্দ্রভূষণের সাথে দেখা করার। কিন্তু নীলা যে সবার সয় না। ভীষণ দুঃখ পেয়েছি।আর রাগ হয়েছে নিজের উপর।কত জীবন বলিদানের পর আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে- অথচ আজ আমরা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত।তোমার এই লেখাটি তাদের প্রতি যথার্থই শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। শুভেচ্ছা রইল আর তার সাথে অনেক আশা রইল -আরো অনেক এরকম লেখা লেখো।অপেক্ষায় থাকি ও থাকবো।
My senior colleague introduced me with her writing last year. I just have completed the story "Krishna Sindhuki". I was so much engrossed in the story that I've completed it within 24hrs 😁. I love "Neela", "Ullas". Neela's resilience, patience impressed me. The name "Ullas" is literally suitable to the person. He was so much full of life.
Looking forward to the 2nd part of this if she can continue with Ullas and Leela.
অসাধারন বললেও কম বলা হবে। প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শেষ পৃষ্ঠা পযর্ন্ত পৌঁছনোর আগে পড়া থামানো যাবে না। স্বদেশি আন্দোলন এর এক রুদ্ধ শ্বাস দলিল। পড়তে পড়তে চোখ ভিজে যায় সেইসব বিপ্লবীদের জন্য যারা আমাদের জন্য নীরবে আত্মত্যাগ করেছেন কি অসহনীয় যন্ত্রণা সহ্য করেছেন। সবার একবার পড়া উচিৎ বইটা