এটা অনেক ভাল লাগার গল্প। গোয়েন্দাসিরিজ হলেও খটমটে না, হাসি-মজা আনন্দ আছে! আর যেহেতু এই গল্প খুব বছর দশেক আগের মাত্র তাই পাঠকেরও ভাল লাগবে। পড়া উচিৎ। বিশেষ করে কিশোর বয়সের মানুষের জন্য বেশ উপযোগী।
মিতিন, পার্থ, টুপুর আর বুমবুম সিঙ্গাপুর ঘুরতে যায় ‘ছকটা সুডোকুর’ উপন্যাসে। ভারতীয় সেনা বিভাগের গোপন তথ্য বিদেশে পাচার করে দিচ্ছিল এক চক্র। মিতিনের হস্তক্ষেপে এই সমস্যার সমাধান হয়। সিঙ্গাপুরে মিতিন আর টুপুর কে নানা রকম বিদেশী ডিশ টেস্ট করতে দেখা গেছে। যেমন বাটার টোস্ট, টার্কি সসেজ, স্ক্রাম্বলড এগ, পিৎজা, পাস্তা, নাশিং গোরে, শুশি, স্কুইড ভাজা। শুধু রেস্টুরেন্ট এর মালকিনকে বোঝানো গেল না বলে বেবি অক্টোপাস আর চাখা হল না। তবে পার্থর মুখে বিদেশী খাবার বিশেষ রোচে না। প্রত্যেকটা উপন্যাসেই জমিয়ে খাওয়া দাওয়ার বর্ণনা। মনে হয় সুচিত্রা ভট্টাচার্য নিজেও খাদ্য রসিক ছিলেন। তাই মিতিন, পার্থ, টুপুরও ভালো খেতে ভালবাসে। এর আগে মতি নন্দীর কলাবতী সিরিজে খাওয়া দাওয়ার অনেক বর্ণনা পাওয়া যায়। পাঠকদের জিভে জল সামলে রাখা বেশ কঠিন হয়ে যায়।