Jump to ratings and reviews
Rate this book

গুজব বনাম বিজ্ঞান

Rate this book
মাঝে মাঝে ওরা পৃথিবীতে নেমে আসে, উড়ন্ত সসারে চড়ে। টুপ করে ধরে নিয়ে যায় কয়েকটা মানুষ। কিংবা ধরুন, এরিয়া ফিফটি ওয়ানের ভেতর নাকি বিজ্ঞানীদের সঙ্গে মিলিয়ে গবেষণাও করে। মিশরের পিরামিডগুলোই বা কীভাবে তৈরি করেছিল সে যুগের মানুষ? স্টোনহেঞ্জ তৈরিতেও কী এলিয়েনের হাত ছিল? ক্রপ সার্কেলের ফসলগুলো কারা কাটে? নাজাকার রেখাচিত্রগুলোই বা কারা এঁকেছিল? বিজ্ঞান কী বলে?

ফারাও তুতেনখামেনের অভিশাপই বা কতটুকু সত্যি? সত্যি যদি না-ই হবে এত এত মানুষের মৃত্যুই বা হলো কেন?

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল কেন ডেডলি এরিয়া হয়ে উঠেছে?

এসবের ব্যাখ্যা বিজ্ঞান কীভাবে দেয়?

মানুষ কি চাঁদে সত্যিই গিয়েছিল?

ফিলাডেলফিয়া এক্সপেরিমেন্টের কথাই বা মার্কিন নৌবাহিনী?

দুনিয়া কাঁপানো দশটি গুজবের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আর বিশ্লেষণ দিয়েই সাজানো হয়েছে এ বই।

183 pages, Hardcover

Published February 1, 2024

3 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (33%)
4 stars
2 (66%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Zakaria Minhaz.
261 reviews25 followers
June 15, 2024
#Book_Mortem 173

#গুজব_বনাম_বিজ্ঞান

পৃথিবীর দশটা আলোচিত রহস্যের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে সাজানো হয়েছে এই বইটা। উন্মোচন করার চেষ্টা করা হয়েছে এই রহস্য তৈরীর পিছনের কারিগরদেরকে। আসুন জেনে নেই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল, ইউএফও, নাজকা লাইন, স্টোনহেঞ্জ, পিরামিড কিংবা তুতেনখামেনের অভিশাপ গুলোর ব্যাপারে বিজ্ঞান কি বলে সেটা।

বইটি শেষ করার পর প্রথম যে কথাটা মাথায় এসেছে তা হলো লেখক এলিয়েন কিংবা ভিনগ্রহীদের প্রতি প্রবল অবিশ্বাস ধারণ করেন। প্রতিটা গুজবকে ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি এলিয়েন তত্ত্বকে বারবার রীতিমতো তুড়ি দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। যতদিন পর্যন্ত চাক্ষুষ প্রমাণ না থাকছে ততদিন পর্যন্ত এটা অবিশ্বাস করাই উচিত যদিও, তবুও এ ব্যাপারে লেখক মনে হয়েছে যেন একটু বেশীই কঠোর। ব্যাপক জল্পনা কল্পনার ১০টি ঘটনা নিয়ে প্রচলিত গুজবের শুরু কীভাবে আর গুজবগুলো কী কী তা নিয়ে লেখা শুরু করেছেন লেখক। এরপর দিয়েছেন সেগুলোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। ধরে নিচ্ছি আপনারা সবাই এই ১০টি রহস্যের ব্যাপারে জানেন। তাই আমি শুধু রহস্যের ব্যাখ্যাগুলো আমার কাছে কেমন মনে হয়েছে তা বলি:

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল: বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ব্যাপারে অল্পবিস্তর জানা ছিল। এর ব্যাখ্যাও পড়েছিলাম আগেই। তাই এই পর্বটা আমার জন্য তেমন নতুন কিছু নিয়ে আসেনি। যেসব ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে তারপর বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল আসলে অতি স্বাভাবিক একটা জায়গা বলেই মনে হবে। তবে বইতে অস্টিন নামের একটা জাহাজের ঘটনা বলা হয়েছে। যেখানে জাহাজের নাবিকরা মাঝ সমুদ্রে অন্য আরেকটা পরিত্যাক্ত জাহাজ খুঁজে পান। জাহাজের সবই অক্ষত, শুধু জাহাজে নেই কোনো মানুষ। সেই জাহাজটা দখল করে নেয় অস্টিনের কিছু নাবিক মিলে। এরপর একই সাথে দুটো জাহাজ রওনা দেয়। কিন্তু কিছু সময় বাদেই সদ্য পাওয়া জাহাজটা হারিয়ে যায়। খোঁজাখুঁজির পর আবার যখন তা পাওয়া যায়, তখন দেখা যায় এবার তাদের যে দলটা সে জাহাজে ছিল তারাও বেমালুম হাওয়া হয়ে গিয়েছে!! বইয়ে বেশকিছু গুজবের ব্যাখ্যা দেয়া হলেও, এই ঘটনাটার কোন ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। এমনটা যদি আসলেই ঘটে থাকে, তাহলে বারমুডা নিয়ে রহস্য কিন্তু রয়েই যায়। এছাড়া বারমুডার মাঝে প্লেটোর বলা হারানো আটলান্টিসের দাবীকেও লেখক পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন কোন ব্যাখ্যা ছাড়াই। এটা নিয়ে আরো বিস্তারিত জানালে ভালো হতো।

ইউএফও: চাকতি আকৃতির বাহনে চড়ে ভিনগ্রহীরা এসে ঘুরে যায় আমাদের পৃথিবীতে; বহুল চর্চিত ব্যাপার। যেসব ঘটনা থেকে এই ইউএফও তত্ত্ব শুরু হয়েছে তা বিস্তারিত জানতে পারলাম এই বই থেকে। আগে এতো ডিটেইলস জানা ছিল না। ইউএফও দেখার বা পাওয়ার এত এত দাবীর কোনো সত্যতা আজ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি। তাই এটা পুরোটাই গুজব বলে দাবী করেছেন লেখক। এমনকি কিছুদিন পূর্বে খোদ আমেরিকা "আনআইডেন্টিটিফাইড ফ্লায়িং অবজেক্ট" দেখার সত্যতা স্বীকার করে নিলেও। তা যে কোনো এলিয়েন কান্ড নয়, বরং অন্য কোনো দেশেরই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সেটাই বলেছেন লেখক। লেখকের এই দাবীর সাথে আমিও একমত।

এরিয়া ৫১: মার্কিনীদের সবচেয়ে বড় গোপনীয়তা। বারাক ওবামা ২০১৩ সালে প্রথমবারের মত এর অস্তিত্ব স্বীকার করে নিলেও, এ ব্যাপারে আর কিচ্ছুটি বলেনি তারা। আর স্বাভাবিকভাবেই অজানা বিষয় নিয়ে ডালাপালা মেলেছে অনেক গুজব। এ গুজবগুলোর যে ব্যাখ্যা বইয়ে দেয়া হয়েছে সেটা মেনে নেয়া ছাড়া উপায় নাই। ধোঁয়াশায় মোড়ানো এই বিশাল অঞ্চল জুড়ে কি ঘটছে তা যেহেতু এখন পর্যন্ত অজানা। তাই উপায় হলো, হয় গুজবের ডালাপালাগুলোকে মেনে নাও আর নয়তো মেনে নাও বইয়ে দেয়া ব্যাখ্যা। আমি ব্যাখ্যাটাই মেনে নিলাম।

ক্রপ সার্কেল: ফসলের ক্ষেতে এক রাতের মধ্যেই কারা যেন তৈরি করে যাচ্ছে বিশালাকার সব জ্যামিতিক নকশা। কাজটা এলিয়েনদের এমনটাই দাবী অনেকের। কিন্তু বিজ্ঞান কি বলে? বিজ্ঞান যা বলেছে তা অত্যন্ত যৌক্তিক। এই রহস্যের ব্যাখ্যাগুলো এতো গুছানো যে ক্রপ সার্কেলের এলিয়েন তত্ত্ব তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়াই যায়। শুধু একটু খচখচানি থেকে যায় স্টোনহেঞ্জে আধা ঘন্টার মধ্যে তৈরী হওয়া ক্রপ সার্কেলটা নিয়ে। সেটার উল্লেখ থাকলেও কোনো ব্যাখ্যা কিন্তু দেয়া হয়নি বইয়ে।

পিরামিড: এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রহস্য এই পিরামিড। কতো অসংখ্য মিথ, গল্প আর উপকথা জড়িয়ে আছে এই পিরামিড নিয়ে তার হিসেব রাখাও দায়৷ লেখক তাই সেসব দিকে ফোকাস করেননি। বরং পিরামিড তৈরির রহস্যটাকেই ব্যাখ্যা করতে চেয়েছেন। পিরামিড নিয়ে এক আধটু খোঁজ খবর রাখা মানুষজন যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পেয়ে থাকেন, সেটাকেই সুন্দরভাবে এক্সপ্লেইন করেছেন লেখক। তবে সমস্যা হচ্ছে সবটাই আসলে থিয়োরি। ভেলা বানিয়ে পানি পথে পাথর টেনে আনা, র‍্যাম্প করে করে উঠানো, তামার তৈরী যন্ত্রে আর্সেনিক মিশিয়ে পাথর কাটা, রশি দিয়ে টেনে টেনে পাথর উপরে তোলা ব্যাপারগুলা বলা যতো সহজ, করা কি ততটাই সহজ? আমার মনে হয় না। কেনো না ১৯৭৮ সালে নিজেদের এক টিভি চ্যানেলের অর্থায়নে এই থিয়োরি অনুসারে মিশরের গিজাতেই একটা পিরামিড বানানোর উদ্যোগ নিয়েছিল জাপান। তাদের মূল টার্গেট ছিল আধুনিক কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার না করেই প্রায় ৫ হাজার বছর আগের নিয়মে পিরামিড বানানো। তারা শেষ পর্যন্ত বাচ্চা সাইজের নড়বড়ে একটা পিরামিড বানাতে সক্ষম হলেও, সেখানে আধুনিক কিছু যন্ত্র এবং জাহাজ ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে। মানে থিয়োরি অনুসারে কাজটা তারা করতে পারেনি। তাই এই বইয়ে দেয়া ব্যাখ্যাটাও মেনে নেয়ার মতো মনে হয়নি আমার কাছে। একটা জাতি যারা এমনকি লোহার ব্যবহারও জানতো না, তারা ২৫-৮০ টনের পাথর কোন সে ভেলায় করে এনেছে? কীভাবে কেটে কেটে এই শেইপ এনেছে? কোনো ধরণের টেলিস্কোপ ছাড়া কী করে অমন পূঙ্খানুপুঙ্খভাবে আকাশের তারার সাথে মিলিয়ে পিরামিডগুলো বানিয়েছে? যত থিয়োরিই দেয়া হোক, আমার মনে হয় না এই রহস্যের কোনো সমাধান আদৌ করা সম্ভব? লেখক যথারীতি আক্রমণ করেছেন এলিয়েন থিওরিকে। উড়িয়ে দিয়েছেন এলিয়েনদের সম্পৃক্ততার আলাপ। প্রমাণ যেহেতু নেই তাই আমিও বলি, এলিয়েনরা জড়িত নয় এই মহাযজ্ঞে। মানুষই করেছে। অন্তত বেশ অনেক অংশে মানুষের সম্পৃক্ততা ছিল। কিন্তু এর পাশাপাশি অবশ্যই প্রাচীন মিশরীয়দের এমন কোনো গুপ্তজ্ঞান ছিল যা এই অসাধ্য সাধন করেছে। বিজ্ঞান যেখানে থেমে যায়, আমি সেখানে ধর্মের আশ্রয় নেই। আর ধর্মীয় বই পুস্তক থেকে যা জানা যায় সে সময়ে যাদুমন্ত্রের ব্যবহার বেশ ভালোভাবেই ছিল মিশরে। জানি না, জাদু কিংবা কী ধরণের ক্ষমতা বা প্রযুক্তি ছিল তাদের? তবে যাইই থাকুক তা হয় আমরা এখনো এচিভ করতে পারিনি, কিংবা খুব যত্ন নিয়েই তারা তাদের সে ক্ষমতা বা রহস্য আড়াল করে ফেলেছে আমাদের কাছ থেকে। তাই আমার মনে হয় না পিরামিড রহস্যের কোনো বিশ্বাসযোগ্য সমাধান কখনো পাওয়া যাবে। ওহ হ্যা, পিরামিডের চেম্বারের গায়ে আঁকা বিভিন্ন ইউএফও সদৃশ যন্ত্র বা হেলিকপ্টারের ছবি সে সময়ে তারা কীভাবে এঁকেছিল সেই চিন্তা করতে গেলে অবশ্য আর দিন দুনিয়ার উপ্রেই বিশ্বাস থাকে না 😑!

স্টোনহেঞ্জ: এটার ব্যাপারেও আগে অল্প স্বল্প জানা ছিল। তবে দেড় হাজার বছর ধরে এই স্টোনহেঞ্জ তৈরী করা হয়েছে এই তথ্যটা নতুন আমার জন্য এবং অবাকও হয়েছি জেনে। স্টোনহেঞ্জ কীভাবে তৈরী করা হয়েছে সেই ব্যাখ্যায় অনেকটা পিরামিড থিওরিই দেখিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে পাথর আনা নেয়া বা উপরে উঠানোর ব্যাপারে। কিন্তু পাথর কাটা বা খাঁজ তৈরী করার কোনো ব্যাখ্যা এখনো কেউ দিতে পারেনি৷ পিরামিডের চেয়েও পুরোনো প্রায় ১০ হাজার বছর আগের মানুষ এই অসাধ্য সাধন করেছে এবং এটার কোনো প্রপার ব্যাখ্যা নেই কিছু থিয়োরি ছাড়া। অতএব এই রহস্যেটাও অমীমাংসিত থেকে গিয়েছে।

ফিলাডেলফিয়া এক্সপেরিমেন্ট: এটার ব্যাপারে আমার জানা ছিল না। পুরো লেখাটাই তাই আমার কাছে নতুন। এবং লেখক এই গুজবের ব্যাখ্যায় বৈজ্ঞানিক অনেক টার্মস ব্যবহার করেছেন, সর্বোচ্চ উপায়ে চেষ্টা করেছেন গুজবটাকে গুজব হিসেবে প্রমাণ করার জন্য। ভালো এবং বেশ যৌক্তিক ব্যাখ্যা মনে হয়েছে আমার কাছে। বিজ্ঞানের যেসব সূত্র দেখিয়েছেন এরপর এটাকে না মেনে উপায় নেই।

তুতেনখামেনের অভিশাপ: আরো একটা পিরামিড সংক্রান্ত রহস্য। মাত্র ১৮ বছর বয়সে রহস্যজনক মৃত্য ঘটা ফারাও তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কার করার পর থেকেই এর সাথে সম্পৃক্ত অসংখ্য মানুষ মারা যেতে শুরু করেন অদ্ভুত সব উপায়ে। সবাই বলে সমাধির শান্তি নষ্ট করার কারনেই এটা হয়েছে। অভিশাপ লেগেছে ফারাও এর। এই বইতে সে অভিশাপ খন্ডনের চেষ্টা করা হয়েছে৷ প্রতিটা মৃত্যু ঘটনার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন লেখক। এবং সেগুলো যৌক্তিক বলে মেনে নিতেই হবে। তবুও এভাবে টানা একের পর এক এতোগুলো মৃত্যুর ঘটনাও কেমন অদ্ভুত ঠেকে। আর কার্নাভানের ওই কুকুরের মৃত্যুটা? সেটার ব্যাখ্যা কি আসলে?

রহস্যের নাম নাজকা লাইন: আরো একটা রহস্য যার ব্যাখ্যায় কিছু জোড়াতালি দেয়া থিয়োরি ছাড়া আর কিছুই নেই। তবে পিরামিড বা স্টোনহেঞ্জের মতো নাজকা লাইন নিয়ে লেখকও অতো শক্তভাবে কিছু বলেননি। এটা যে এখন অমীমাংসিত এক রহস্য তা স্বীকার করে নিয়েছেন। এবং প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত এলিয়েন তত্ত্বকেও যে মেনে নেয়া উচিত হবে না সেটাও বলেছেন। লেখকের সাথে এ জায়গায় একমত না হয়ে উপায় নেই।

মানুষ কি চাঁদে গিয়েছিল?: সম্ভবত সবকিছুতে মার্কিনীদের ষড়যন্ত্র খোঁজা বাঙালিদের সবচেয়ে প্রিয় টপিক্স এটাই। হাজার বছরের পুরোনো কোনো রহস্য না, এই আধুনিক সময়ের রহস্য, অনেক প্রশ্ন আর অসংগতি; জমজমাট না হয়ে উপায় আছে? তবে কি না বইটা পড়লে আর সকল প্রশ্ন এবং অসংগতির উত্তর জানার পরে এটা আর কন্সপিরেসি হিসেবে ধোপে টিকবে না। চাঁদে পতাকা উড়ার রহস্য, পায়ের ছাপ, আকাশে তারা না থাকা এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে দিয়েছেন লেখক।

ব্যক্তিগত রেটিং: ৭.৫/১০ ( বইটা যে আশা নিয়ে পড়া শুরু করেছিলাম। তার অনেকটাই পূরণ হয়েছে। ফান রিডিং। লেখক বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ। পৃথিবীতে রহস্য বলতে কিছু নেই এটাই উনি বারবার বলতে চেয়েছেন। ব্যাখ্যা থাকবেই, হয়তো এখন নেই কিন্তু ভবিষ্যতে জানা যাবে, এমনটাই উনার দাবী। তবে আমার মতে পৃথিবী অপার রহস্যের আধার। অবশ্যই এমন অনেক কিছু রয়েছে যা কখনো বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করতে পারবে না। এলিয়েনের সম্পৃক্ততা না থাকলেও, অলৌকিক ব্যাপার স্যাপার অবশ্যই রয়েছে)

প্রোডাকশন: বইয়ের প্রোডাকশন কোয়ালিটি ভালো হয়েছে বলা যাবে না। ছাপা কেমন যেন ঘোলাটে, ঝাপসা। প্রচুর প্রচুর বানান ভুল। সম্পাদনা বা প্রুফিং এর বালাই যে ঘটেনি তা সহজেই বলে দেয়া যায়। প্রচ্ছদ মোটামুটি লেগেছে।

🪤 লেখক: আবদুল গাফফার রনি
🪤 প্রচ্ছদ: আদনান আহমেদ রিজন
🪤 প্রকাশনী: আদী প্রকাশন
🪤 পৃষ্টা সংখ্যা: ১৮২
🪤 মূদ্রিত মূল্য: ৩৮০ টাকা
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.