Jump to ratings and reviews
Rate this book

গহিন হৃদয়

Rate this book

160 pages, Hardcover

4 people are currently reading
58 people want to read

About the author

Suchitra Bhattacharya

162 books243 followers
Her writing focuses on contemporary social issues. She is a perceptive observer of the changing urban milieu and her writing closely examines the contemporary Bengali middle class. Crisis in human relationships and the changing values of the present era along with degeneration of the moral fibre of the society in the backdrop of globalisation and consumerism are depicted in her prose. Exploitations and sufferings of women regardless of their social or economic identities find a distinct voice in her writing. While she is famous for her writing on women's issues, she does not consider herself as a feminist. She took up many odd jobs in her early youth and finally joined the public service which she left in 2004 to become a fulltime writer. Her long career is reflected in many of her stories and novels.

Over the past two decades, Suchitra has written about 24 novels and a large number of short stories in different leading Bangla literary magazines. Some of her acclaimed novels are Kachher Manush (Close to Me), Dahan (The Burning), Kacher Dewal(The Wall Of Glass), Hemonter Pakhi(Bird of Autumn), Neel Ghurni, Aleek Shukh(Heavenly happiness), Gabhir Ashukh (A Grave Illness), Uro Megh(Flying Cloud), Chhera Taar, Alochhaya(Shadows Of Light), Anyo Basanto(Another Spring), Parabas, Palabar Path Nei, Aami Raikishori, Rangin Pritibi and Jalchhobi among others. Her novels and short stories have been translated into many Indian languages such as Hindi, Tamil, Telugu, Malayalam, Oriya, Marathi, Gujarati, Punjabi and English. She also writes novels and short stories for children. Her novel Dahan was made into a movie by famous Bengali director, Rituparno Ghosh.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
5 (9%)
4 stars
15 (27%)
3 stars
25 (46%)
2 stars
7 (12%)
1 star
2 (3%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for Ashkin Ayub.
464 reviews231 followers
May 5, 2017
কারো কারো একসাথে থাকা হয়না। সবাই কাছের মানুষ হয় না, কেউ কেউ হয়। মানুষের সম্পর্কের টানাপড়েনে জীবনের সমীকরণটা মাঝে মধ্যে পাল্টে যায়। সবাই কাছের মানুষ হতে পারে না, যদিও সে জন্য কোনো সাধনা করতে হয় না ঠিক কিন্তু হৃদয়ের দুয়ার খুলে দিতে হয়, ভালোবাসতে হয় মানুষকে। মানুষকে উজাড় করে ভালোবাসলে কোনো ক্ষতি হয়না, ক্ষতি শুধু ঘৃণায় আর বিদ্বেষে।

স্বামী-স্ত্রী এবং তৃতীয় এক ব্যক্তি, তাদের সম্পর্কের টানাপড়েন এবং জীবনে হঠাৎ নেমে আসা বিপর্যয়; এই নিয়েই সুচিত্রা ভট্টাচার্যের উপন্যাস ‘গহিন হৃদয়’। সোহিনী ভাস্করের দাম্পত্যের একঘেয়েমি বেয়ে ঢুকে পড়ে ভাস্করের বন্ধু অনুপম। স্বামীকে নিয়ে অখুশি সোহিনী আকৃষ্ট হয় অনুপমে। শেষ পর্যন্ত যখন বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয় তারা, তখনই ভাস্করের ভয়ংকর ক্যানসার ধরা পড়ে। কী হবে সোহিনী-অনুপমের সম্পর্ক? ভাস্করের মৃত্যু কি কোনও মুক্তি আনবে সোহিনীর জীবনে?

উপন্যাসে ডিটেলিং যেমন লক্ষণীয় তেমনি তার গদ্যরীতি। বিষয়ের মধ্যে থেকেও যেন বিষয়ের বাইরে চলে যাওয়া। কখনো কবিতার লালিত্যময় কিন্তু কাব্যাক্রান্ত এলায়িতের ভঙ্গি নেই কোথাও। এই উপন্যাস শুধু মেয়েদের কথা নিয়ে নয়, তাদের জীবনের সঙ্গে জড়ানো মধ্যবিত্ত বাঙালি পুরুষদের নিয়েও, তাদের যাপিত জীবন, প্রেম-ভালোবাসার কথা, মানবিক সম্পর্ক নিয়ে। বইয়ে এক ধরনের Picturesque বৈশিষ্ট্যে লক্ষ্য করা যায়। প্রাথমিক পাঠেই যেন পাঠকের মনে একটা পূর্ণ ছবি তৈরি হয়ে যায়। হয়তো এই জন্যই গহিন হৃদয় নিয়ে চলচিত্র তৈরি হয়েছে। যদিও চলচ্চিত্রক সম্পূর্ণ পৃথক একটা শিল্পমাধ্যম।

১২ই মে, ২০১৫ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লিখে গেছিলেন রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। ইচ্ছে প্রকাশ করতেন, লিখতে লিখতেই যেন মৃত্যু হয় তাঁর; তাই হয়েছে। এই অকাল মৃত্যুর ঘটনা থেকে নর্মান মেলরের একটা উক্তির কথা মনে পড়ে যায়, 'আমি চাই যে বই পাঠরত অবস্থায় যেন আমার মৃত্যু হয়।'
কি অদ্ভুত সুন্দর !

Profile Image for Shotabdi.
827 reviews207 followers
November 5, 2022
কখনো কখনো খুব চেনা মানুষটি বলে আমরা যাকে ভেবে বসে থাকি, সে আসলে হয় সবচেয়ে অচেনা। অন্যকে বাদ দিলেও, নিজেকেই বা কতটা চিনি আমরা? কতটা বুঝি আসলে কী চাই? চাওয়ার মধ্যে বারবার চলে আসে মানুষ, সমাজ, পাছে লোকে কিছু বলে-এমন ভাবনা।
সুচিত্রা ভট্টাচার্য এর ভাষা এবং মধ্যবিত্ত সমসাময়িক সমাজের মানুষের মমনস্তত্ত্ব-এই দুই বিষয়েই দারুণ মুন্সিয়ানা রয়েছে। ফলে মানবমনের বিচিত্র গতিপ্রকৃতিকে কলমের আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলতে তাঁর যেমন বেগ পেতে হয় না, তেমনি সাবলীল ভাষা আর সুন্দর গল্প বলার ধরনে পাঠকেরাও এক বসায় বইগুলি শেষ করতে পারেন।
উপন্যাসটির থিমটি খুব একটা আকর্ষণীয় নয়, পরকীয়া৷ কিন্তু পরকীয়া আসলে উপন্যাসটি মূল বিষয় নয়, মূল বিষয় সম্পর্ক। সম্পর্কের জটিল ঘূর্ণাবর্তে পড়ে মানুষের অনুভূতি কতটা বদলে যায়- উপন্যাসটির মূল চরিত্রগুলোর মাধ্যমে লেখক তাইই বলতে চেয়েছেন।
ভাস্কর, সোহিনী এবং অনুপম- উপন্যাসের মূল তিন চরিত্র। ভাস্কর একজন সাধারণ মানুষ, অলস, খুশিয়াল, ভালোমানুষ গোছের। সোহিনী তার স্ত্রী, স্ত্রীকে সে ভালোবাসে দশটা সাধারণ পুরুষের মতোই। অফিসফেরত অসুস্থ স্ত্রীকে তাই চাটা করে দিতে বলতেও বাধে না, আবার সোহিনী ছাড়া খুব একটা ভরসাও সে পায় না।
সোহিনী আর ভাস্করের আর্থসামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অবস্থান ঠিক সমান নয়। সোহিনীর পরিবারটি একটু বেশি স্বচ্ছল, সে নিজে একটি ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার আবার গানবাজনার দিকেও ঝোঁক। ফলে ভাস্করের অতি সাধারণ আচরণগুলো মেনে নিতে তার কষ্ট হয়। আকর্ষণীয় মনে হয় ভাস্করেরই বন্ধু, ডিভোর্সী, এক কন্যার পিতা অনুপমকে।
অনুপম সুদর্শন, নরম স্বভাবের, মহানুভব মানুষ। ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। সোহিনীর সাথে তার রুচিবোধ ও চমৎকার মিলে যায়। আড্ডা, ঘোরাফেরার ফাঁকে তাই সম্পর্কটা অবধারিতই হয়ে দাঁড়ায়। যখন ভাস্করকে ছেড়ে অনুপমের হাত ধরবে বলে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে সোহিনী তখনই বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো ভাস্করের ধরা পড়ল ফোর্থ স্টেজ লাং ক্যান্সার।
এবার কী করবে সোহিনী আর অনুপম? মূল গল্প আসলে এর পর থেকেই শুরু। একজন ক্যান্সার রোগীকে আশ্বাস দিয়ে, চিকিৎসা করিয়ে, সর্বক্ষণ পাশে থেকে সেবা করে সারিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করে সোহিনীসহ পরিবারের সবাই। অনুপম ও প্রাণ দিয়েই পাশে থাকে৷ ভাস্কর এর প্রতি কর্তব্য থেকেই হোক বা চোরা টান থেকেই হোক এই লড়াইটা চালিয়ে যায় সোহিনী। এই পরিস্থিতিতেই কী মনে চলে আসে এক বিরাট পরিবর্তন? প্রতিটা সম্পর্ক রূপ পালটায়, শ্বাশুড়ি থেকে ননদ, অনুপম থেকে ভাস্কর, সবার সাথেই সোহিনীর সম্পর্কের এক আশ্চর্য পরিবর্তন ঘটে যায়। শেষটা তাই মর্মান্তিক হয়েই দাঁড়ায়।
নিছক শরীরী প্রেম আর গৎবাঁধা পরকীয়া সম্পর্কের বাইরে গিয়ে এই টানাপোড়েনগুলো ভাবায়। ভাবায় জীবনের অত্যাশ্চর্য বিফলতাগুলো। মনে হয় জীবন যে কাকে কোন পথে নিয়ে যাবে কেউ জানে না।
সুচিত্রা জীবনের এক জটিল গল্প বলে গেছেন সরল ভাবে।

ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৩.৫/৫
Profile Image for Mahabuba Arobe.
60 reviews7 followers
November 7, 2022
খুব বিরক্তকর জিনিসটার প্রতি ও একটা সময় মায়া জন্মায় তাই না?আর মানুষের বেলায়, সে কি শুধুই মায়া? ঘুণে খাওয়া সম্পর্কের মাঝেও হেলায় ফেলায় যে টান টা রয়ে যায় তাও কি কেবল কর্তব্য? তবুও ত মানুষ নিজের মত করেই বাঁচতে চায়। আকঁড়ে ধরতে চায়,তাকেই যাকে সে নিজের করে পায়। অথচ পিছু টান? সে কি ও ঝেড়ে ফেলা যায় একেবারে?

সুচিত্রা ভট্টাচার্যের লিখা "গহিন হৃদয়" এক ত্রিকোণ সম্পর্কের গল্প। ভাস্কর, সোহিনী, অনুপম এর গল্প। ভাস্করের বিদেশ ফেরত বন্ধু অনুপম। সংসারের পাট চুকিয়ে নতুন করে জীবন চালনায় যখন উদ্যোগ মুখী তখনই সোহিনীর আগমন। অন্য দিকে ভাস্কর আর সোহিনীর ১২ বছরের সংসার জীবনে সোহিনী যা পায়নি তার সবটাই যেনো অনুপমের মাঝেই পেলো। অনুপমের বন্ধু ভাস্করের স্ত্রী সোহিনীর সঙ্গে ক্রমে গড়ে ওঠে তার বিশেষ অন্তরঙ্গতা । অখন্ডময় জীবন একত্র করার সিদ্ধান্ত নেয়। দাম্পত্য জীবনের বিষাদ টুকু ঝেড়ে সােহিনী ভাস্করকে জানিয়ে দিতে চায় , সে পাপানকে(ভাস্কর -সোহিনীর একমাত্র ছেলে) নিয়ে চলে যাবে এবার । এমন গল্প তো আশেপাশে অহরহ। কিন্ত লিখিকা নিছক পরিকিয়ার গল্প করেই রেখে দেয়নি। সামান্য মাথা ব্যাথার ছুতোয় ক্যান্সার ধরা দেয় ভাস্করের শরীরে। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে সােহিনীর । অনুপম তাকে আশ্বস্ত করে । মরণাপন্ন ভাস্করের ব্যয়বহুল চিকিৎসা – পর্বে দায়িত্বশীল স্ত্রীর ভূমিকায় জড়িয়ে পড়ে সােহিনী ।
কী হবে সােহিনী – অনুপমের সম্পর্ক ? ভাস্করের মৃত্যু কি কোনও মুক্তি আনবে ক্লান্ত – বিধ্বস্ত সােহিনীর জীবনে ? সোহিনী আর অনুপম ঠিক কিত চেয়েছিলো?

সুচিত্রা ভট্টাচার্যের লিখা "কাছের মানুষ" বইটা আমি পড়েছি। আমার প্রিয় বই গুলো মধ্যেই একটি। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের লিখার ধরণ ভিন্ন। সহজ সরল ভ��বে বাস্তবতা তুলে ধরেন।
Profile Image for Arpita Patra.
30 reviews2 followers
February 18, 2024
মাঝে মাঝে কথারা নিখোঁজ হয়ে যায়, কথা বলতে গেলে কথা খুঁজতে হয়।
পড়তে পড়তে আমি নিজেই হারিয়ে যাচ্ছিলাম এক গহিন হৃদয়তলে । যেখান থেকে ফিরে আসার পথ অনিশ্চিত।
উপন্যাসটি বারবার ছুঁয়ে যায় এক অদ্ভুত প্রশ্নকে , যার কোনো উত্তর নেই।
সোহিনী - ভাস্করের দাম্পত্য একঘেয়েমি জীবনে শীতল স্রোতের মতো ঢুকে পড়ে ভাস্করের বন্ধু অনুপম । তৃতীয় ব্যক্তি নিজে থেকে আসেনা , আসে সম্পর্কে থাকা কোনো একটা মানুষের প্রশয়ে । সোহিনী কোনোদিন ভাস্করকে আবিষ্কার করেনি , সে নিজেতে মত্ত। ভাস্করের সাথে সাংস্কৃতিক-আর্থসামাজিক মেলবন্ধন ঘটেনি। ভাস্কর আর পাঁচটা মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের ছেলে - আয়েশি , অলস , ছাপোষা। অন্যদিকে অনুপম সুদর্শন, চৌকষ, ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। বিদেশে মারিয়ার সাথে বিয়ে ভেঙে যাওয়াই দেশে স্থিতু হয় । মেয়ে লীনার দায়ভার পায় স্ত্রী। অনুপম- সোহিনীর সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। ঠিক সেই সময় ভাস্করের ক্যান্সার ধরা পড়ে।
পরিস্থিতি মানুষকে বদলে দেয়। সোহিনী প্রানপন দিয়ে চেষ্টা করে ভাস্করকে সুস্থ করার। অনুপম ভরসা জোগায় , বন্ধুকে মনোবল জোগাতে রোজ দেখা করে। সোহিনী রং সাথে সবার সম্পর্কের আমূল পরিবর্তন ঘটে - শাশুড়ি,‌ননদ , অনুপম, ভাস্কর। মানুষের সম্পর্কের টানাপোড়েনে মাঝে মাঝে জীবনের সমীকরণ পাল্টে যায়।
কিন্তু বিধি- বাম। সব সত্যিকে , সব আশাকে মিথ্যে করে বললাম নেওয়ার সময় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় ভাস্করের। ভাস্করের মৃত্যু কি কোনো মুক্তি এনেছিল ক্লান্ত-বিধস্ত সোহিনীর জীবনে‌?‌ কিন্তু অনুপমের জীবনে‌‌ এনেছিল...."এক অপরূপ মুক্তির বাতাস....!" এই উপন্যাসে মৃত্যুর গহিন গন্ধ ছায়া ফেলে আছে সম্পর্ক -জটিল হৃদয়ের উপর । এক সামাজিক পটচিত্র তৈরি হয়েছে, তাই তৈরি হয়েছে চলচিত্র।
Profile Image for Rajashree.
23 reviews5 followers
December 25, 2025
কিছু গল্প চুপচাপ বুকের ভেতর ঢুকে যায় । গহিন হৃদয় তেমনই এক গল্প - যেখানে না বলা কষ্ট, দায়িত্ব আর নিজের মতো করে বাঁচার লড়াই আছে ।
“আমাকে আমার মতো থাকতে দাও”
- এই লাইনটাই যেন পুরো গল্পের সারকথা ।

'গহিন হৃদয়' বইটিতে মানুষের মনের ভেতরের অনুভূতি খুব সহজভাবে দেখানো হয়েছে। গল্পের চরিত্রগুলো আমাদের চারপাশের মানুষের মতোই। ভালোবাসা, কষ্ট, দায়িত্ব আর সম্পর্কের জটিলতা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ভাষা সহজ, তাই পড়তে ভালো লাগে। বইটি পড়লে মনে হয় জীবনের অনেক সত্য কথা এখানে বলা হয়েছে।
তবে গল্পটা আর একটু ভালো হতে পারত, যদি কিছু জায়গায় আরও গভীরতা বা স্পষ্টতা থাকত।
• কিছু চরিত্রের অনুভূতি আর সিদ্ধান্ত একটু তাড়াহুড়ো করে দেখানো হয়েছে - এগুলো ধীরে এগোলে পাঠকের সাথে সংযোগ আরও বাড়ত।
• গল্পের কিছু অংশ আরও বিস্তারিত হলে চরিত্রগুলোর মনের পরিবর্তন পরিষ্কার বোঝা যেত।
• শেষটা যদি একটু বেশি শক্তিশালী বা মনে থেকে যাওয়ার মতো হতো, তাহলে প্রভাব আরও গভীর হতো।
তবু বলতে হয়, গল্পের আবেগ আর বাস্তবতার ছোঁয়ার জন্য 'গহিন হৃদয়' পড়তে ভালো লাগে এবং ভাবতে বাধ্য করে।
Profile Image for Shaila Shahreen.
12 reviews
October 6, 2023
মৃত্যু কত সহজ, আবার কত কঠিন। বইটা পড়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো মৃত্যুকেই খুব কঠিন মনে হতো। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, চুপচাপ, শান্তির মৃত্যুও একটা আশীর্বাদ। পরিবারের কাউকে যদি খুব ভয়ংকর কোনো রোগ আক্রমণ করে বসে, তা যে একেকজনকে কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যায় সেটা চিন্তারও বাইরে। ভাস্কর ও তার পরিবারের অসহনীয় স্ট্রাগল এত ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে সুচিত্রা ভট্টাচার্য বর্ণনা করেছেন, তা প্রশংসা করার মতোই। যদিও বইয়ের মূখ্য আকর্ষণ সোহিনী-অনুপমের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, তবুও আমার কাছে ক্যান্সারের সাথে লড়াই করা কিছু মানুষের একটুখানি শান্তির জন্য আকুতিটাই সবচেয়ে টাচিং বিষয় মনে হয়েছে।
Profile Image for Fahmeda 🌿.
79 reviews
December 14, 2025
ক্যান্সার এর রোগীর ট্রিটমেন্ট কত কষ্টের,
রোগীর কত শারীরিক আর মানসিক কষ্ট হয়, পাশাপাশি তার পরিবার কিসের মধ্যে যায় দারুন ভাবে তুলে ধরেছেন লেখিকা।
সুচিত্রা ভট্টাচার্য বরাবর এ আমার পছন্দের লেখিকা। নিরাশ হই নি 🌿
Displaying 1 - 9 of 9 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.