What do you think?


অংশ
Bengali
109 pages, Hardcover
Published January 1, 1997
About the author
Ramapada Chowdhury
58 books36 followersরমাপদ চৌধুরীর জন্ম ২৮ ডিসেম্বর ১৯২২। কৈশোর কেটেছে রেল-শহর খড়গপুরে। শিক্ষা: প্রেসিডেন্সি কলেজ। ইংরেজি সাহিত্যে এম.এ.। গল্প-উপন্যাস ছাড়াও রয়েছে একাধিক প্রবন্ধের বই, স্মৃতিকথা এবং একটি অত্যাশ্চর্য ছড়ার বই। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন সাম্মানিক ডি লিট, ১৯৯৮৷ ১৯৮৮-তে পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান জগত্তারিণী স্বর্ণপদক ১৯৮৭। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র পদক ও পুরস্কার ১৯৮৪। শরৎসমিতির শরৎচন্দ্র পুরস্কার ১৯৯৭। রবীন্দ্র পুরস্কার ১৯৭১। আনন্দ পুরস্কার ১৯৬৩৷ তাঁর গল্পসমগ্র বইটিও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃক পুরস্কৃত। হিন্দি, মালয়ালাম, গুজরাতি ও তামিল ভাষায় অনূদিত হয়েছে তাঁর বহু উপন্যাস ও গল্প। প্রকাশিত হয়েছে বহু রচনার ইংরেজি, চেক ও জার্মান অনুবাদ। তিনিই একমাত্র ভারতীয় লেখক, যাঁর গল্প সংকলিত হয়েছে আমেরিকা থেকে প্রকাশিত লিটারারি ওলিম্পিয়ানস গ্রন্থে, অনুবাদ করেছেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনটন বি সিলি৷ উপন্যাস খারিজ প্রকাশিত হয়েছে ইংরেজিতে।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
June 15, 2026
৩.৫/৫ 🍃
বইয়ের নামটা পারফেক্ট।আমরা কিংবা আমাদের জীবন—মূলত কতগুলো অংশের সমষ্টি মাত্র।
কোনো অংশেই নিজেকে পুরোটা দেয়ার কিংবা হাত ভরে পুরোটা পাওয়ার মতো সুযোগ আমাদের হাতে থাকে না কখনোই।আমরা নিজেকে টুকরো টুকরো করে নানা সম্পর্কের মধ্যে বিলিয়ে দিতে চাই অথচ অন্যের কাছে আশা করি তার পুরো অংশটা জুড়ে যেনো শুধু আমিই থাকি।কি অদ্ভুত!
রমাপদ চৌধুরী আমার একজন প্রিয় লেখক।উনার লেখনীতে সমাজ, সংসার কিংবা মানুষের মনকে দেখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে।
বইয়ের কিছু লাইন এত বেশি ভালো লেগেছে যে সরাসরি তুলে না দিলে শান্তি পাচ্ছি না।
“…এটাই বোধহয় মানুষের সব চেয়ে বড় কষ্ট।একজনের কান্না আরেকজনের বুকে পৌঁছে দেওয়া যায়না।ব্যথা কোথায় দেখানো যায় না।অদৃশ্য কাঁটা কেউ দেখতেই পায় না, সমবেদনার আঙুলে সেটা তুলে দেবে কী করে”
“…মেয়েদের গুণ জিনিসটা কারও শুনতে ভালো লাগে না।এমন কী মেয়েদেরও নয়”
“…সমাজ ঠিক যেমনটি তোমার চরিত্র বাতলে দিয়েছে সেভাবে নিজের অস্তিত্ব ভুলে সমাজের একটা ছোট্ট অংশ হয়ে থাকতে পারলে তুমি সামাজিক।তোমাকে সকলে স্বীকার করে নেবে।তুমি ব্যক্তি হয়ে উঠতে পাবে না।হতে গেলেই তুমি আলোচনার বস্তু।”
বইয়ের নামটা পারফেক্ট।আমরা কিংবা আমাদের জীবন—মূলত কতগুলো অংশের সমষ্টি মাত্র।
কোনো অংশেই নিজেকে পুরোটা দেয়ার কিংবা হাত ভরে পুরোটা পাওয়ার মতো সুযোগ আমাদের হাতে থাকে না কখনোই।আমরা নিজেকে টুকরো টুকরো করে নানা সম্পর্কের মধ্যে বিলিয়ে দিতে চাই অথচ অন্যের কাছে আশা করি তার পুরো অংশটা জুড়ে যেনো শুধু আমিই থাকি।কি অদ্ভুত!
রমাপদ চৌধুরী আমার একজন প্রিয় লেখক।উনার লেখনীতে সমাজ, সংসার কিংবা মানুষের মনকে দেখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে।
বইয়ের কিছু লাইন এত বেশি ভালো লেগেছে যে সরাসরি তুলে না দিলে শান্তি পাচ্ছি না।
“…এটাই বোধহয় মানুষের সব চেয়ে বড় কষ্ট।একজনের কান্না আরেকজনের বুকে পৌঁছে দেওয়া যায়না।ব্যথা কোথায় দেখানো যায় না।অদৃশ্য কাঁটা কেউ দেখতেই পায় না, সমবেদনার আঙুলে সেটা তুলে দেবে কী করে”
“…মেয়েদের গুণ জিনিসটা কারও শুনতে ভালো লাগে না।এমন কী মেয়েদেরও নয়”
“…সমাজ ঠিক যেমনটি তোমার চরিত্র বাতলে দিয়েছে সেভাবে নিজের অস্তিত্ব ভুলে সমাজের একটা ছোট্ট অংশ হয়ে থাকতে পারলে তুমি সামাজিক।তোমাকে সকলে স্বীকার করে নেবে।তুমি ব্যক্তি হয়ে উঠতে পাবে না।হতে গেলেই তুমি আলোচনার বস্তু।”
January 6, 2025
চমৎকার একটা উপন্যাস পড়লাম।
উপন্যাস থেকে হুবহু কিছু লাইন তুলে দিচ্ছি, এটা পড়লে উপন্যাসের থিম সম্পর্কে অনেকটাই জানা হয়ে যাবে।
"মানুষে মানুষে সম্পর্ক জিনিসটা বড় অদ্ভুত। এক একজনের সঙ্গে সম্পর্ক মানে একজন মানুষের ছোট ছোট অনেকগুলো অংশ। টুকরো টুকরোভাবে কেউ বাবার, কেউ মায়ের, কখনও স্বামীর কিংবা স্ত্রীর, কখনও সন্তানের, কখনও বন্ধুর, কখনও সহকর্মীর। আরও কত রকমের সম্পর্ক আছে। এই সম্পর্ক গুলো থেকে একজন মানুষের এক এক টুকরো পৃথক চরিত্র বেরিয়ে আসে। তার কোনও একটিকে দিয়ে মানুষটিকে বিচার করা যায় না। সম্পর্ক যত গাঢ় আর অন্তরঙ্গ হোক না কেন গোটা মানুষটার ওপর আমাদের কোনও অধিকারই নেই। সেই সম্পর্কটুকুর বাইরে তার আলাদা একটা অস্তিত্ব থাকে, কিন্তু কেউ সেটা মনে রাখে না। সেই অস্তিত্ব আসলে একজন মানুষের আরও অনেক টুকরো টুকরো অংশ। [...] মুশকিল হল এই যে, কেউই সে কথা বোঝে না। সম্পর্ক যাই হোক না কেন, সে গোটা মানুষটাকেই নিজের করে নিতে চায়। যেন তার নিজস্ব সম্পত্তি। আমার সঙ্গে তোমার এই সম্পর্কের বাইরে তোমার আর কোনও অস্তিত্ব থাকতে পারবে না।"
উপন্যাস থেকে হুবহু কিছু লাইন তুলে দিচ্ছি, এটা পড়লে উপন্যাসের থিম সম্পর্কে অনেকটাই জানা হয়ে যাবে।
"মানুষে মানুষে সম্পর্ক জিনিসটা বড় অদ্ভুত। এক একজনের সঙ্গে সম্পর্ক মানে একজন মানুষের ছোট ছোট অনেকগুলো অংশ। টুকরো টুকরোভাবে কেউ বাবার, কেউ মায়ের, কখনও স্বামীর কিংবা স্ত্রীর, কখনও সন্তানের, কখনও বন্ধুর, কখনও সহকর্মীর। আরও কত রকমের সম্পর্ক আছে। এই সম্পর্ক গুলো থেকে একজন মানুষের এক এক টুকরো পৃথক চরিত্র বেরিয়ে আসে। তার কোনও একটিকে দিয়ে মানুষটিকে বিচার করা যায় না। সম্পর্ক যত গাঢ় আর অন্তরঙ্গ হোক না কেন গোটা মানুষটার ওপর আমাদের কোনও অধিকারই নেই। সেই সম্পর্কটুকুর বাইরে তার আলাদা একটা অস্তিত্ব থাকে, কিন্তু কেউ সেটা মনে রাখে না। সেই অস্তিত্ব আসলে একজন মানুষের আরও অনেক টুকরো টুকরো অংশ। [...] মুশকিল হল এই যে, কেউই সে কথা বোঝে না। সম্পর্ক যাই হোক না কেন, সে গোটা মানুষটাকেই নিজের করে নিতে চায়। যেন তার নিজস্ব সম্পত্তি। আমার সঙ্গে তোমার এই সম্পর্কের বাইরে তোমার আর কোনও অস্তিত্ব থাকতে পারবে না।"
May 2, 2024
এই লেখার সাথেই রমাপদ চৌধুরীর সাথে পরিচয়। কিছু জায়গায় গল্পের গতি খুব শ্লথ এবং কিছু কথা একাধিকবার, একইভাবে বলা হয়েছে। কোথাও মনে হবে নামকরণের সার্থকতার জন্যেই যেন কথাগুলো বারবার ঘুরে-ফিরে আসছে। যদিও গল্পের বিষয়ভাবনা পাঠককে অনেকক্ষণ ভাবাবে। গল্পের বেশ কিছু অংশ বেশ ভালো, ধৈর্য ধরে পড়লে ওঁনার পরবর্তী লেখা সম্পর্কে কৌতুহল জন্মাবে বলেই বিশ্বাস।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews




