‘উপন্যাসসমগ্র’-এর এই ষষ্ঠ খণ্ডে রয়েছে রমাপদ চৌধুরীর লেখা শ্রুতকীর্তি ছ’টি উপন্যাস। এই খণ্ডে রয়েছে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস ‘বাড়ি বদলে যায়’। রয়েছে ‘সাদা দেয়াল’, ‘অহঙ্কার’ এবং ‘পাওয়া’। এছাড়া ‘স্বার্থ’ এবং ‘জৈব’। এর প্রত্যেকটিতে সমাজ ও ব্যক্তিমানুষের প্রতি অন্তর্ভেদী উন্মোচন-ঘটানো সেই দৃষ্টি, যা প্রকাশ করেছে চিরায়ত বাস্তবকে। জীবনের তুচ্ছ একটি বালুকণা কুড়িয়ে নিয়ে কত সহজেই না একটি ভুবন রচনা করে তোলেন রমাপদ চৌধুরী!
রমাপদ চৌধুরীর জন্ম ২৮ ডিসেম্বর ১৯২২। কৈশোর কেটেছে রেল-শহর খড়গপুরে। শিক্ষা: প্রেসিডেন্সি কলেজ। ইংরেজি সাহিত্যে এম.এ.। গল্প-উপন্যাস ছাড়াও রয়েছে একাধিক প্রবন্ধের বই, স্মৃতিকথা এবং একটি অত্যাশ্চর্য ছড়ার বই। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন সাম্মানিক ডি লিট, ১৯৯৮৷ ১৯৮৮-তে পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান জগত্তারিণী স্বর্ণপদক ১৯৮৭। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র পদক ও পুরস্কার ১৯৮৪। শরৎসমিতির শরৎচন্দ্র পুরস্কার ১৯৯৭। রবীন্দ্র পুরস্কার ১৯৭১। আনন্দ পুরস্কার ১৯৬৩৷ তাঁর গল্পসমগ্র বইটিও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃক পুরস্কৃত। হিন্দি, মালয়ালাম, গুজরাতি ও তামিল ভাষায় অনূদিত হয়েছে তাঁর বহু উপন্যাস ও গল্প। প্রকাশিত হয়েছে বহু রচনার ইংরেজি, চেক ও জার্মান অনুবাদ। তিনিই একমাত্র ভারতীয় লেখক, যাঁর গল্প সংকলিত হয়েছে আমেরিকা থেকে প্রকাশিত লিটারারি ওলিম্পিয়ানস গ্রন্থে, অনুবাদ করেছেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনটন বি সিলি৷ উপন্যাস খারিজ প্রকাশিত হয়েছে ইংরেজিতে।