১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হত্যা করে অজস্র সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশ ও ইপিআর। এরপর শুরু হয় হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আমাদের সশস্ত্র সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস থেকেই মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হতে শুরু করে; ক্রমে সংগঠিত হয়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে। মুক্তিযুদ্ধের পর পরই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়। গুরুত্বের ক্রমানুসারে বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক হলো- বীরশ্রেষ্ঠ। যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ দেয়া হয় এই পদক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে। তাঁদের স্মৃতির উদ্দেশেই রচিত হলো বীরশ্রেষ্ঠ কথা। লেখক পরিচিতি- তরুণ লেখক ও গবেষক সুপা সাদিয়ার জন্ম বরিশালে। সেখানকার সাংস্কৃতিক অঙ্গনেই বেড়ে ওঠা। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি বহুমুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত। পেশাগত জীবনে তিনি স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে স্মরণীয় দিনপঞ্জি, বায়ান্নর ৫২ নারী, ৭১ এর একাত্তর নারী, অগ্নিযুগ অন্যতম। এছাড়াও বিভিন্ন পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখছেন।