Jump to ratings and reviews
Rate this book

অপরাহ্নের চিঠি

Rate this book
'কে বলে বুড়ো'-এর পরে এটা আমার দ্বিতীয় লেখা বই। কবিতা ও ছোট গল্পের সাথে এবারে মনোসংযোগ করেছি চিঠি লেখনীর উপর। আমি নিজেও একসময় অনেক চিঠি লিখেছি। আমার ছিল অসংখ্য পত্রবন্ধু, ইংরেজিতে যাকে বলে pen- friend. অথচ আমাদের সন্তানেরা জানেই না একসময় মানুষ হাতে চিঠি লিখতো। তারা জানেনা, মানুষ তার নিঃসঙ্গতা, অনুভূতি, তার মনোভাব অন্যের সাথে শেয়ার করতো হাতে লেখা পত্রের মাধ্যমে। চমৎকার বাক্য প্রয়োগের মাধ্যমে একে অপরকে মুগ্ধ করতো। লিখিত ভাষ্যে নিজের মনোভাব প্রকাশে চিঠিই একমাত্র সহায় বলে আমি মনে করি।
'অপরাহ্ণের চিঠি' আমার লেখা 'পত্র সংকলন'। আমি চেষ্টা করেছি একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে। আমার বয়স বিবেচনায় আমি এর নামকরণ করেছি 'অপরাহ্ণের চিঠি'।

64 pages, Hardcover

First published February 1, 2023

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
1 (100%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Easir Al Saief.
78 reviews6 followers
July 7, 2024
• বইটি দুইটি ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে দুইটি ও দ্বিতীয় ভাগে তেরোটি চিঠি মিলিয়ে বইটিতে মোট ১৫ টি চিঠি রয়েছে। প্রথম ভাগে লেখিকা একটা গল্পের সাথে চিঠি দুটো জুড়ে দিয়েছেন। এ গল্পটা লেখিকার 'কে বলে বুড়ো' বইয়ের শেষ গল্পের অংশ। আর দ্বিতীয় ভাগে লেখা চিঠিগুলোর প্রতিটা আলাদা আলাদা খোলা চিঠি।

• পাঠ প্রতিক্রিয়া: (হাল্কা স্পয়লার)
• বইটির প্রথম ভাগের কথা যদি বলি তবে গল্পটা খুব দ্রুত এগিয়েছে। গল্পের চরিত্র অসুস্থ নীলিমা এক মাঝরাতে ডাকপিয়নের শব্দ পেয়ে জঙ্গলের দিকে যায়। সেদিন এক দেখাতেই সে ডাকপিয়নের প্রেমে পড়ে যায় এবং তাকে একটা চিঠি লেখার পর দীর্ঘ পঁচিশ বছর বিয়ে না করে অপেক্ষা করে। সেই চিঠি ডাকপিয়নের কাছে পৌঁছেছে কিনা তারও নিশ্চয়তা ছিলোনা। পঁচিশ বছর পর সে নীলিমার কাছে আসে, তখন তাদের দ্বিতীয়বারের মতো দেখা। অথচ দুজনেরই সবকিছু পরিষ্কার মনে আছে। নীলিমা তখন তাকে দ্বিতীয় চিঠিটা দেয়।
গল্পটা আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগেনি, বরং অযৌক্তিক লেগেছে। সংলাপের ধারাবাহিকতাও যথাযথ লাগেনি। মনে হয়েছে সংলাপটা সামনের চরিত্র নয়, বরং পাঠককে বলা হচ্ছে।
• একই ধরনের লেখা পাওয়া যাবে বইয়ের দ্বিতীয় ভাগের কয়েকটা চিঠিতে।
বিশেষ করে দাদার কাছে নাতনির খোলা চিঠি তে একটা বড় অংশ পাঠকের উদ্দেশ্যে লেখিকা দাদাকে নিয়ে বলেছেন, যা চিঠির ধারাবাহিকতা নষ্ট করেছে। এছাড়া নানা ও বাবাকে লেখা চিঠিতেও এটা লক্ষ করা যায়। বাকি চিঠিগুলো যে বিশেষ করে করোনা মহামারীর সময়ে লেখা সেটা চিঠিগুলো পড়লেই বোঝা যায়।

• আমার কাছে তুলনামূলক ভালো লেগেছে:
চায়ের কাছে খোলা চিঠি,
সংসারের কাছে গৃহিণীর খোলা চিঠি,
সময়ের কাছে খোলা চিঠি।
আর প্রবাসী ছেলের কাছে মায়ের চিঠির একটা কথা হৃদয় ছুঁয়েছে,
"Skype-তে তোর সাথে আমার কথা হবে, দেখা হবে। বাবা Skype-তে কি আর ছোঁয়া যায়?"

• ব্যাক্তিগত মতামত:
প্রায় সবগুলো চিঠি লেখিকা ব্যাক্তিগত জীবন থেকে লিখেছেন। তবে লেখার ধারা অনুযায়ী চিঠি মনে হয় না,বরং লেখিকা যদি আরেকটু ব্যাখ্যা দিয়ে আত্মজীবনমূলক গ্রন্থ লিখতো তাহলে আরো মানানসই মনে হতো।
পাঠক হিসেবে আরেকটা কথা, লেখিকার শব্দ চয়ন যথেষ্ট ভালো হলেও বাক্য গঠন ও বাক্যের সাথে বাক্যের সামঞ্জস্যতা অপরিপূর্ণ লেগেছে। এদিকে নজর দিলে লেখিকার লেখনী উপভোগ্য হবে।

• ব্যাক্তিগত রেটিং: ৪.৫/১০

• বই: অপরাহ্নের চিঠি
• লেখক: নাজনীন মোসাব্বের
• জনরা: চিঠি সংকলন
• প্রকাশনী: অনুজ প্রকাশন
• পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৪
• প্রচ্ছদ মূল্য: ২০০ টাকা
• প্রচ্ছদ: সজিব ওয়ার্সী

~ ইয়াসির আল সাইফ
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.