পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার সৈকত চৌধুরী নিজের বাড়িতে খুন হয়েছেন বন্দুকের গুলিতে। তার স্ত্রী অনিতা চৌধুরী প্রাইভেট গোয়েন্দা আদিত্য মজুমদারের বাড়িতে এসেছেন তার স্বামীর মৃত্যুর তদন্তভার দিতে। জানা যায়, মৃত্যুর আগে সৈকত নিজের স্ত্রীর নামে পাঁচ কোটি টাকার ইনশিওরেন্স করিয়েছিলেন অজ্ঞাত কারণে। বর্তমানে ঐ ইন্সিওরেন্স কোম্পানি অনিতা দেবীকেই দায়ী করছে সৈকত বাবুর মৃত্যুর জন্য যাতে ইনশিওরেন্সের টাকাটা আর দিতে না হয়। এব্যাপারেও অনিতা সাহায্যপ্রার্থী আদিত্যর।
খুবই clear case গল্প। গল্পের প্রায় মাঝামাঝিতে বুঝতে পেরেছিলাম কে খুন করেছে , কেন করেছে । তাও কন্টিনিউ করার কারণ হলো আমি এই গোয়েন্দা সিরিজ টাকে ঠিক গোয়েন্দা সিরিজ হিসাবে দেখা বন্ধ করে ফেলেছি নিজের অজান্তেই।
এই সিরিজ টার লেখনী এতটাই ভালো লেগেছে যে চরিত্র গুলো কে উপভোগ করার জন্যই বইটা পরা । আদিত্য, কেয়া, গৌতম, অমিতাভ সবাইকে নিয়ে আমার মাথায় একটা সোসাইটি তৈরি করে ফেলেছি এবং সেই সোসাইটি টা বেশ । তাই তাদের সাথে আরও কিছু মুহূর্ত কাটাতে বেশ লাগছে ।
তাই শুধু ডিটেকটিভ গল্প হিসাবে এর রেটিং আমি দিচ্ছি না । আমি রেটিং দিচ্ছি লেখনী কে ।
এই লোকের লেখা ভাল, কিন্তু সমস্যা হলো বাংলাদেশ নিয়ে এর মনোভাব, বা বলা ভাল, চুলকানিতে। এর ধারণা হলো পশ্চিমবঙ্গের সকল অপরাধের উৎস হলো বাংলাদেশ, সে মাদক হোক, অস্ত্র হোক, আর নারী হোক। দাদার পশ্চাদ্দেশে নিয়মিত খুজলি-পাঁচড়ার মলম ও গুঁড়াকৃমির ট্যাবলেট প্রবেশ করালে এই চুলকানি রোগের উপশম হবে কিনা সেটা ভাবা যেতে পারে।