পশ্চিমে সোনা খুঁজে পেয়েছে ম্যাট রবার্টস। একমাত্র মেয়ে নোরা পুবে পড়াশোনা করে। মা নেই। বাবার চিঠি পেয়ে অ্যারিযোনায় গিয়ে জানতে পারল, মাত্র দু'দিন আগে খনিতে দুর্ঘটনায় মারা গেছে ম্যাট। মহাবিপদে পড়ে গেল মেয়েটা। যাবে কোথায়? সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল, বাবার খনিতেই থাকবে সে। ওটা তার নিজের বাড়ি। আর বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি তাকেই রক্ষা করতে হবে। কিন্তু প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে স্থানীয় প্রভাবশালী র্যাঞ্চার স্যাম কার্লসন ও তার ভাই। তাদের দাবি, ম্যাট রবার্টস উটকো লোক। খনিটা তাদেরই। ওদিকে ওত পেতে আছে অ্যাপাচিদের দল। যেকোনো সময় নোরার মতো একা মেয়েমানুষকে তুলে নিতে পারে। কী করবে নোরা? ওর সাথে কেউ নেই। না, একজন আছে সে হলো গোঁয়ার-গোবিন্দ এক আধা শ্বেতাঙ্গ আধা অ্যাপাচি। নাম জ্যাক রেডম্যান।
মাসুদ আনোয়ারের জন্ম ১ জানুয়ারি, ১৯৫৯ সালে (সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম)। বর্তমানে সাংবাদিকতার ও বার্তা বিভাগের অন্যান্য কাজের পাশাপাশি আমাদের জন্য লিখে যাচ্ছেন ওয়েস্টার্ন বই। সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তার বই এর সংখ্যা ১৫ ছাড়িয়ে গেছে বেশ আগে।
4.5* আমার কাছে বইটা বেশ দারুণ লেগেছে, ওয়েস্টার্ন আমার পছন্দের জনরা । নতুন প্রকাশনী কিন্তু দেশের নামকরা ওয়েস্টার্ন লেখকদের দিয়ে বেশ কিছু বই উপহার দিয়েছেন আমাদের। সত্য বলতে আশা প্রত্যাশা কম ছিলো আবার অনেক ছিলো যেহেতু লেখকদের অনেক ভালো ভালো বই আগেও পেয়েছি। প্রত্যাশার পুরোটায় পূরণ হয়েছে। আশা করি নতুন নতুন আরও ওয়েস্টার সহ থ্রিলার জনরার ভালো ভালো বই পাব বেঙ্গল বুকস প্রকাশনী থেকে।
প্রথমবারের মতো একটি ওয়েস্টার্ন জনরার বই পড়লাম, আর সত্যি বলতে অভিজ্ঞতাটা অসাধারণ। বইটি পড়তে গিয়ে এতটাই মুগ্ধ হয়েছি যে এখন নিজেকে ওয়েস্টার্ন জনরার একজন নতুন ভক্ত মনে হচ্ছে। গল্পের গতি, চরিত্রের গভীরতা আর টানটান উত্তেজনা আমাকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধরে রেখেছিল। কেউ যদি ওয়েস্টার্ন জনরা পড়া শুরু করতে চান, তাহলে নির্দ্বিধায় “বেপরোয়া” বইটি দিয়ে শুরু করতে পারেন। একবার পড়া শুরু করলে শেষ না করে ওঠা সত্যিই কঠিন।