Jump to ratings and reviews
Rate this book

রশীদ করিমের সাক্ষাৎকারগুচ্ছ

Rate this book
বিভিন্ন সময়ে দেওয়া কথাসাহিত্যিক রশীদ করিমের কয়েকটি সাক্ষাৎকার সংকলন।

80 pages, Hardcover

Published January 1, 2018

2 people want to read

About the author

Rashid Karim

18 books17 followers
Rashid Karim was born in Kolkata, West Bengal in 1925. He did his BA from the Calcutta Islamia College (now Maulana Azad College), an affiliated college of the University of Calcutta. After the partition of the sub-continent in 1947, his family moved to Dhaka.

He began writing during the British period, continued during the Pakistan period but wrote his major novels during the Bangladesh period. It was in independent Bangladesh that his career as a writer reached its zenith. Rashid Karim penned his first story at the age of fourteen. So he began quite early. But his first story was published in 1942 in Mohammed Nasiruddin's Saogat. After that he did not write till 1961, when began the second phase of his writing career. His first novel Uttam Purush was published that year. It made him widely known and brought him the prestigious Adamjee Award. Two years later Prashanna Pashan instantly turned him into a major novelist of the Bengali language. Again he went into hibernation, this time for a decade. After the liberation of Bangladesh in 1971, he published his epic novel, Amar Jato Glani, in 1973. This novel helped his fame reach its peak. Till this period he was known as a gifted writer who wrote less but wrote very well. But from then on he wrote and published regularly. Prem Ekti Lal Golap was published in 1978.

Rashid Karim had battled paralysis for nineteen years before his death. He could not write a single word during that long period and died at Ibrahim Cardiac Centre in Dhaka on 26 November 2011.

Novelist Abu Rushd was his elder brother.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
1 (100%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Shadin Pranto.
1,484 reviews568 followers
July 13, 2024
' তারাশঙ্কর, মানিক বন্দ্যােপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যােপাধ্যায়কে আমার কাছে খুব বড় লেখক মনে হয় না। আমার কাছে তাদের অনেক কিছুই নিরেট কাল্পনিক মনে হয়। ' - রশীদ করিম


বাংলায় লেখালিখি করে তিন বন্দ্যােপাধ্যায়কে নিয়ে এত সাহসী মন্তব্য করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। পাঠক ও ভক্তদের রোষানলে পড়ার ভয় থাকে। আবার, নিজেকে তিন মহামহিমের চাইতে বেশি গুণসম্পন্ন মনে করে এমন মন্তব্য করলেন কি না, সেই ভয়ও থাকে। কিন্তু রশীদ করিম খুব স্বাভাবিকভাবে এই বিস্ফোরক কথাগুলো বলেছেন। আমি তাঁর সাথে একমত হবো না। তবুও অনেক অনেকে নামজাদা কথাসাহিত্যিকের চাইতে রশীদ করিমকে আলাদা মনে হলো। প্রায় চার দশকে বিভিন্ন সময়ে দেওয়া মাত্র এক ডজন সাক্ষাৎকার নিয়ে এই সাক্ষাৎকারগুচ্ছ সম্পাদনা করেছেন হামিদ কায়সার ও পিয়াস মজিদ। আশি পাতার বইটির প্রকাশক ঐতিহ্য।

দীর্ঘ জীবন পেয়েছিলেন কথাসাহিত্যিক রশীদ করিম। কিন্তু লিখেছেন খুব কম৷ নব্বইয়ের দশকে স্ট্রোক করেন। হয়ে যায় পক্ষাঘাতগ্রস্ত। দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। কলাম লিখেছেন। কিছু কবিতা রচনা করেছেন। কিন্তু গল্প-উপন্যাস লেখেননি। কেন লেখেননি তা প্রায় প্রত্যেকটি সাক্ষাৎকারেই বলেছেন।

রশীদ করিম কলকাতার খানদানি বংশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পরিবারের মায়ের ভাষা উর্দু। বড়োভাই আবু রূশদ কথাসাহিত্যিক। তার কথা অনেকবার এসেছে।

রশীদ করিমের ম্যাগনাম ওপাস 'উত্তম পুরুষ'। এক দশকের বেশি সময় নিয়ে লিখেছেন 'উত্তম পুরুষ'। প্রথমে সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত 'সমকাল' পত্রিকায় ছাপা হতো 'উত্তম পুরুষ'। কয়েক কিস্তি ছাপা হওয়ার পর সিকান্দার আবু উপন্যাসটি 'সাম্প্রদায়িকতা দোষে দুষ্ট' এই অভিযোগে ছাপানো বন্ধ করে দেন। পরে ১৯৬১ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং বাজিমাৎ করেন রশীদ করিম। পান সম্মানজনক আদমজী পুরস্কারে। কীভাবে আইয়ুব খানের হাত থেকে পুরস্কার নেন - তা নিয়ে গর্বভরে বলেছেন রশীদ করিম। আইয়ুব খানের হাত থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তিকে বড়ো অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন রশীদ করিমের বন্ধু কবি শামসুর রাহমান। তার আত্মজীবনী 'কালের ধূলোয় লেখা' বইতে সেই বয়ান পাবেন। আইয়ুব খান সেনাশাসক ছিলেন। তবুও তার প্রতি প্রীতিতে ন্যূনতম কমতি দেখলাম না। অবশ্য এদেশের লেখক-সাহিত্যিকদের সঙ্গে মেরুদণ্ডের সম্পর্ক সব সময়ই ক্ষীণ।

শরৎচন্দ্রকে বাংলার সেরা ঔপন্যাসিক মনে করতেন রশীদ করিম। 'শ্রীকান্ত' নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মতো উপন্যাস বলে মনে করতেন।

কাজী নজরুল ইসলামের লেখায় সফলভাবে আরবি, ফারসিসহ ভিনদেশি শব্দের প্রয়োগের তারিফ করেছেন এবং নজরুলের নোবেল পাওয়ার যোগ্যতা ছিল বলে মন্তব্য করেন।

এদেশে কোনো লেখককে লেখাকে এককভাবে পেশা হিসেবে কেন নেওয়া উচিত হবে না, তা নিয়ে বলেন,

'লেখাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করবার জন্য শিক্ষিত ও সাহিত্যিক রুচিসম্পন্ন এক বৃহৎ পাঠকসমাজ আবশ্যক। সেক্ষেত্রে ভাল লেখার কদর হবে এবং সেই লেখা পাঠ করবার এমনকি ক্রয় করবার লোকের অভাব হবে না। কিন্তু পাঠক সমাজ যদি না থাকে তাহলে লেখককে রুজিরোজগারের জন্যে অন্য ধান্দা দেখতে হবে। এমনকি এক পাঠক সমাজ আছে—কিন্তু তাদের সাহিত্যিক রুচি যদি উন্নতমানের না হয় তাহলে লেখককে তার বইয়ের কাটতির জন্য সেই পাঠক সমাজের রুচির কথা চিন্তা করে গল্প-উপন্যাস লিখতে হয়। বলাবাহুল্য, সাহিত্যের উৎকর্ষের জন্য এটা আদর্শ অবস্থা নয়। এবং সেক্ষেত্রে লেখাকে পেশা হিসাবে গ্রহণ না করাই ভাল। '

রশীদ করিমকে অত্যন্ত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মনে হয়েছে। তিনি যা বিশ্বাস করেন তা অকপটে বলেছেন৷ জনপ্রিয় মত না অজনপ্রিয় হবে, সেই তোয়াক্কা করেননি। এই দিকটি ভালো লেগেছে। তিনি '৭৩ সালের হুমায়ূন আহমেদ ও মাহমুদুল হককে উদীয়মান সাহিত্যিক হিসেবে অকুণ্ঠ প্রশংসা করেছিলেন। তাতে বোঝা যায়, জাত তিনি চিনতেন।

বারোটি সাক্ষাৎকারে অনেক কিছুই পুনরাবৃত্তি রয়েছে। বিশেষ করে, রশীদ করিমের লেখক হয়ে ওঠার পেছনের গল্প ও লেখালিখি থামিয়ে দেওয়া কারণ সম্পর্কে।

রশীদ করিমের 'উত্তম পুরুষ' ছাড়া বাকি লেখাগুলো পড়িনি। যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা আরও আকর্ষণবোধ করবেন। প্রথম শ্রেণি পাওয়ার মতো সাক্ষাৎকার সংকলন না। তবে একবার পড়ার মতো৷
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.