Muhammad Abdul Malek (Bengali: মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক) is a Bangladeshi Islamic scholar and researcher of Hadith. He is the founder of the monthly Bengali Islamic magazine Al-Kawsar and head of the Department of Hadith Studies in Markazud Dawah Al-Islamia, a higher Islamic research and education institution situated at Dhaka.
মাস্ট রিড বুক। নিজের আকিদা বা বিশ্বাসের খুঁটি যদি নড়বড়ে হয়, ঝড়ে ভেঙে পড়তে আর কতসময়ই বা লাগবে। খুঁটির ওপরের জিনিসগুলো খুঁটি সাথে সম্পর্কযুক্ত। যদি খুঁটির চারদিকে শক্ত দেয়াল তৈরী করা যায় বা ভিত্তিকে শক্ত করলে, কোনো জায়গাতে সমস্যা হবে না। আকিদার এই খুঁটি বা ভিত্তি মজবুত করতে আকিদার এই বই আবশ্য পাঠ্যনীয়। নিজের অজান্তেই যাতে নিজের ইমানটা না চলে যায় বা শেষ বিচারের দিন অন্তত কিছু দেখাতে পারি সেটা সবচেয়ে বড়ো সৌভাগ্যের কাজহবে
ঈমান ইসলামনের প্রধান রুকন।ঈমান ছাড়া কেউ মুসলিম হতে পারে না ।ঈমান কি তা বুঝতে হলে ঈমানী চেতনা জাগ্রত করার জন্য এই বইটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে আশা করি ।খুব ভালো বই ।লেখকের ইলম ও পান্ডিত্য সম্পর্কে ও জানতে পারবেন
ইমানের বুনিয়াদি বিষয়াদি নিয়ে সোজাসাপ্টা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়েছে। এগুলা জানা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ।
মানুষ বই পড়ে বিনোদনের জন্য পড়ে, কিছু শেখার জন্য পড়ে। কিন্তু মুসলমান হিসেবে প্রত্যেকের উচিত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে নয় বরং নিজের ইমানকে ঠিক করার জন্য, ঠিক রাখার জন্য এই ধরণের কোনো একটি বই অবশ্যই পড়া।
ঈমান সবার আগে। আমাদের ঈমান ঠিক না থাকে তাহলে আমাদের ইবাদত কবুল হবে না। অতঃপর ঈমান বিষয়ক আবশ্যকীয় জ্ঞান থাকা জরুরি। নিজের অজান্তেই আমরা ঈমান বিধ্বংসী কাজ করছি বা কথা বলছি না তো?
বইটির প্রতি প্রথমে আমার কোনো আগ্রহ ছিল না। যেহেতু আমরা ঈমান এনেছি অর্থাৎ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে বিশ্বাস করেছি, তাই ভাবতাম, ঈমান তো সবার আগেই আছে। তা নিয়ে এত চিন্তা করার কিছু নেই। হয়তো সাধারণ মানুষের জন্য লেখা হয়েছে। ঘুরেফিরে হয়তো ঈমানের গুরুত্ব বোঝাবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। মূলত এ সবই ছিল আমার মস্তিষ্কপ্রসূত ভুল ধারণা! প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন কারণে খুব দ্রুত বইটি পড়ার সিদ্ধান্ত নেই। আলহামদু লিল্লাহ, আমার সিদ্ধান্ত বলতে গেলে অনেকাংশেই সফল হয়েছে!
পড়ে যা পেলাম:
১. একজন মুমিনের কাছে সর্বাধিক মূল্যবান সম্পদ হল ঈমান। অথচ আজ আমরা সেই ঈমানের ব্যাপারে অতি শৈথিল্যপরায়ণ। আমরা ঈমান ও কুফরের মাঝে পার্থক্য ভুলে গেছি। মুসলমান আর কাফের-মুশরিকের মাঝে সদৃশ খুঁজে পাচ্ছি। কে বন্ধু আর কে শত্রু, সে মাপকাঠি হারিয়ে ফেলেছি। ঈমান হারিয়ে প্রতিনিয়ত বে-ঈমানে পরিণত হচ্ছি। আমরা মুখে ঈমানের দাবি করছি, সাথে সাথে কুফর-শিরককেও জড়িয়ে ধরছি। অথচ আমাদের মনেই থাকে না যে, মহান আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য ধর্ম একমাত্র ইসলাম। কুফর-শিরক মিশ্রিত ঈমান আল্লাহর কাছে কোনো ঈমানই না! আমরা হেলায়-খেলায় মূল্যবান সম্পদকে শত্রুর হাতে তুলে দিচ্ছি। এসব ব্যাপারে তেমন কোনো আলোচনাও হয় না। মানুষ সকালে মুসলমান হয়ে বের হচ্ছে, আর রাতে কাফের হয়ে ফিরে আসছে। অথচ সে জানেও না! যখন থেকে ঈমান সম্পর্কে মানুষের মস্তিষ্কে অজ্ঞতা-শিথিলতা বিরাজ করেছে, তখন থেকে এমন ঘটনা অহরহ ঘটেই চলছে! এই বইটি পড়েই আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি যে, ঈমান কতটা সংবেদনশীল! দু'পৃষ্ঠার ভূমিকায় কথার মাঝে ব্রেকেটে প্রকাশক চমৎকার লিখেছেন,'সংশয় ও দোদুল্যমানতা কাফির ও মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য, মুমিনের নয়।'
আমাদের অনেক বড় সৌভাগ্য, আমাদের বড়রা আগে যেমন সচেতন ছিলেন, এখনো তেমনই, বরং এখন আমাদের ব্যাপারেও সচেতন। ভাবতেও পারিনি, ঈমানের ব্যাপারে একজন বিনম্র আলেমের অবস্থান এতটা কঠোর হবে! ভাষাও বেশ জোরালো, ক্ষুরধার। বইটি পড়ে মনে হচ্ছে, এমনটাই হওয়ার কথা।
২. অল্প কিছু পৃষ্ঠায় মলাটবদ্ধ এ বইটির গুরুত্ব আকাশছোঁয়া। প্রতিটি কথাই স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখার মতো। প্রতিটি বিষয় স্পষ্টভাবে খুলে খুলে বর্ণনা করেছেন। লেখাগুলো বেশ সাজানো-গুছানো। অনেক ভুল ধারণা শুধরেছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো কুরআনের আয়াত এবং হাদীসের উদ্ধৃতিসহ উল্লেখ করেছেন। ঈমান, কুফর, শিরক, যানদাকা, নেফাক ইত্যাদি বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা পেয়েছি। বইয়ের যে বিষয়টি অত্যন্ত প্রশংসনীয়, তা হল- আমার মাঝে ঈমান আছে, কি নেই? —তা পরীক্ষার জন্য আটটি সহজ-সরল পদ্ধতির কথা জানতে পেরেছি। আমার মনে হয়, এ বই থেকে দলীল হিসেবে কোনো উদ্ধৃতি উল্লেখ করলে অগ্রাহ্য হবে না। সকল মুমিনের জন্য বইটি পড়া কেবল আবশ্যকই নয়, বরং অত্যাবশ্যক বলেই আমি মনে করি।
৩. বইয়ের মূল বিষয় যেহেতু ঈমান, তাই ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত বিষয়গুলোর আলোচনাই থাকার কথা এবং আছেও তা-ই। ঈমানের শাখাপ্রশাখা নিয়ে বিশদ বর্ণনা পড়ে মুগ্ধ হয়েছি; কিন্তু ঈমানের সাতাত্তর শাখা কী কী? তা জানতে পারিনি। হয়তো লেখক সাহেবের সুদূরপ্রসারী কোনো পরিকল্পনা রয়েছে। অথবা প্রাথমিক সাধারণ পাঠকদের জন্য উপকারী মনে করেননি ইত্যাদি অনেক কিছুই হতে পারে। তারপরো ছোটখাটো একটা তালিকা উল্লেখ করলে বইটি পূর্ণাঙ্গ হত। এমনিতে যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন, তা পড়ে গিলতেই কষ্ট হয়েছে। বাড়তি কিছু লিখলে হয়তো পড়াই কষ্ট হয়ে যেত। আল্লাহই সবিশেষ অবগত।
৪. বই পড়ার সময় যে কথাগুলো আমার কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, পেন্সিল দিয়ে দাগ টেনে রাখি। এটা আমার অতি প্রিয় একটি কাজ না-বলে একটি প্রিয় শর্ত বলাই ভালো। বইয়ের দাগ-টানা লেখাগুলো থেকে কিছু লেখা হল,
★ঈমান শুধু মুখে কালেমা পড়ার নাম নয়, ইসলামকে তার সকল অপরিহার্য অনুষঙ্গসহ মনেপ্রাণে কবুল করার নাম। পৃ.৭
★আল্লাহর নাযিলকৃত কোনো বিধানের প্রতি আস্থার অভাবে ঈমান আনতে বিলম্ব করা...কুফরের অন্তর্ভুক্ত। এর দরুন কাফেরের কুফরি প্রলম্বিত হতে থাকে। আর... মুসলিম এমনটি করলে সে মুরতাদ হয়ে যায়। পৃ.৯-১০
★ইসলাম তো আকীদা ও শরীয়ত এ দুয়ের সমষ্টির নাম। পৃ.১৫
★কোনো আকীদাকে মেনে নেওয়া...বিপরীত বিষয়কেও সঠিক মনে করা স্ববিরোধিতা। পৃ.১৭
★কাফির, মুশরিক ও মুনাফিকের জন্য মাগফিরাতের দুআ করা হারাম। পৃ.২০
★আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাব ও... শরীয়ত অপছন্দ করা কুফরি। যে এই... ব্যক্তিদের কিছুমাত্র সমর্থন করবে সে মুরতাদ। পৃ.২৯
★গোটা ইসলামকে...বিদ্রূপ করা আর একটি বিষয়কে... করা একই কথা! পৃ.৩১
পুরোটা বই-ই এমন প্রজ্ঞাপূর্ণ কথায় ভরপুর। বইটি পড়ে অনেক অজ্ঞতা দূর হয়েছে। আফসোস, বইটি অনেক দেরিতে পড়েছি! আরো আগে পড়া উচিত ছিল। আল্লাহ তাআলা লেখককে উত্তম বিনিময় দান করেন। আমীন।
বইঃ ঈমান সবার আগে প্রকাশকালঃ ২০১৩ সংকলনঃ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক আমার পাঠকালঃ ০৭/০৫/২০২২ — ১৫/০৫/২০২২
হৃদয়ে ঈমানের দৃঢ়তা ও স্বচ্ছতার পরিপূর্ণতা না আসলে, সংশয় এবং দোদুল্যমানতার মিশ্রন সম্পূর্ণরুপে দূরীভূত না হলে আকিদার মানদন্ডে মুমিন বলা যায়না। ঈমানে সংশয় থাকলে যাবতীয় আমল অর্থহীন, শুধুই অরন্যে রোদন।
ইদ্রিয়গ্রাহ্য ও দৃশ্যমান বিষয়সমুহ ইমানের বিষয়বস্তু নয়, এসব তো মানুষ সহজাতভাবেই মেনে নেয়। বরং ঈমান হবে ইলমে ওহীর মাধ্যমে প্রাপ্ত গায়েবের প্রতি সন্দেহাতীত বিশ্বাস। যদি মনে হয় যতক্ষন না সচক্ষে দেখছি অথবা যতক্ষন না সব বিজ্ঞানীরা সব ফিলোসফাররা সব বুদ্ধিজীবীরা সত্যায়ন না করছে ততক্ষন পর্যন্ত দ্বিধাহীনভাবে মেনে নিতে পারছিনা, তবে সেটা ঈমান হয় কি করে।
❝বিশ্বাসী তো তারাই, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করার পর সন্দেহ পোষণ করে না এবং নিজেদের সম্পদ ও জীবন দ্বারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ।❞— 📖হুজুরাতঃ ১৫
ঈমান এবং কুফরের কখনো সন্ধি হয়না, ঈমান গ্রহনের পূর্বে সমস্ত শিরক সমস্ত কুফর এবং সমস্ত বাতিল মত ও দর্শন বর্জন করতে হয়। যার কাছে নিজের প্রবৃত্তি এবং জগতের সকল মতাদর্শের উপর আল্লাহর বিধান প্রাধান্য না পাবে তাকে 'মুমিন' বলা হবেনা।
ঈমান হচ্ছে কোর ফাউন্ডেশন মৌলিক বুনিয়াদ যার উপর নির্ভর করে সমস্ত আমল সমস্ত জীবনাচরণ, ঈমান যেমন অতি সংবেদনশীল তেমনই দামী, ঈমানের পরিচর্যার বেপারে আমাদের সতর্ক থাকা উচিত। আকাইদ এবং তাওহীদের বেপারে আমাদের অনেকের স্বচ্ছতা নাই, ইরতিদাদ কি? নেফাক কি? কুফর কি? কিসে ঈমান ভঙ্গ হয়? এসব আমাদের জানা উচিত, আমাদের সমাজে আজ বহু মানুষ নিজেকে মুসলিম পরিচয় দিচ্ছে আবার ইসলাম, রাসুল, ইসলামের নিদর্শন ইসলামের বিধান নিয়ে কটুক্তি বিদ্রুপ করছে অথচ সে বুজতেই পারছেনা ততক্ষনে তার ঈমান ভঙ্গ হয়ে গেছে। আবার কেউ কেউ ঈমান এবং কুফরের সংমিশ্রণে জগাখিচুরি ইসলাম পালন করে মুসলিম থাকতে চাইছে।
ঈমানের সুক্ষ ও মৌলিক বেপারগুলো নিয়ে 'ঈমান সবার আগে' বইতে লেখক মাওলানা আব্দুল মালেক খুব গুছিয়ে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন, বইটি পড়ে অজানা অনেক কিছু আমি জানতে পেরেছি, ঈমান কি? ঈমান এবং কুফরের বিরোধ কোথায়? কিসে ঈমান বিনষ্ট হতে পারে এসব অনেক কিছুই জানতে পেরেছি। যদিও ইতিপূর্বে লেখকের কোনো বই পড়ার সুযোগ আমার হয়নি, প্রচুর তথ্যসমৃদ্ধ এ বইটির প্রতিটি পৃষ্ঠাতেই লেখকের পান্ডিত্যপূর্ণ বাচনভঙ্গি এবং প্রকাশভঙ্গি দেখতে পেয়েছি, প্রত্যেকটা বিষয়ের কন্টেক্সে সবচেয়ে কার্যকর রেফারেন্সটাই তিনি এনেছেন। বইটি সর্বসাধারনের বোধগম্য হওয়ার মত করে সাবলীলভাবে লেখার চেষ্টা করেছেন। তবে বইয়ের কয়েকটা জায়গায় বিষয়বস্তু এবং বক্তব্যের রিডানডেন্সি দেখতে পেয়েছি, নাহলে আরো ব্রিফলি মূলকথা উঠে আসতো। তারপরেও সবমিলিয়ে আমার অসম্ভব ভালো লেগেছি বইটি।
আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি বইটি প্রত্যেকটা মানুষের অবশ্যই অবশ্যই পড়া উচিত, জ্ঞানপিপাসু এবং সত্যান্বেষী প্রত্যেকটা পাঠকের জন্য বইটি চিন্তার এবং স্বচ্ছতার নতুন দ্বার উন্মোচন করে দিবে বলে আমার বিশ্বাস।
ঈমান একজন মুসলিমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ঈমানের প্রকৃত মানদণ্ড নিয়ে আমরা নানাবিধ সংশয় ও দ্বিধাদ্বন্দে ভুগে থাকি; সেই দিক থেকে প্রকৃত ঈমান কি, কি ই বা তার মানদন্ড, আর কিসে কিসেই বা ঈমানের দুর্বল দিক গুলো প্রকাশ পায় সেই বিষয় গুলোই এই বইয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন বরেণ্য আলেম আব্দুল মালেক দা.বা। ঈমান যেহেতু একজন মুসলিম ব্যক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তাই আমি মনে করি ঈমানের শারয়ী বিষয় গুলো সবার জানা উচিত।
বইটির নামকরণ থেকেই তার বিষয়বস্তু আর গুরুত্ব আমরা অনেকটা আঁচ করতে পারছি। আবার হয়তো অনেকের এমনও মনে হতে পারে যে এখানে আবার নতুন কি আছে যা আমার আগে থেকে জানা নেই। বিশ্বাস করুন আপনাদের জন্য সারপ্রাইজ আছে। বইটি কলেবরে ছোট আর খুব একটা আলোচনা হয় না তবে এটি একটি রত্ন ভান্ডার। প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য হিসেব করে লিখা। ঈমানের অর্থ থেকে নিয়ে ঈমানের কি দাবি আর তা উপেক্ষার ফলাফল কতোটা ভয়ংকর হতে পারে তা সবকিছু উঠে এসেছে বইটিতে। খালি সূচিপত্র একবার হলেও পড়ে দেখবেন।
মাদ্রাসা,জেনারেল সকল শিক্ষা ব্যবস্থার সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার মতো বই এটি। নিজেদের ঘর,বাড়ি,দ্বীনি সার্কেল সর্বত্র যতো পাঠচক্র চালু আছে তাতে এই বইটি সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এমনকি নতুন কোনো পাঠচক্র চালু করার ক্ষেত্রে এই বইটি লিস্টের এক্কেবারে প্রথমে রাখা যেতে পারে। দ্বীনের জ্ঞানার্জন করতে আগ্রহী এমন কেউ এই বই দিয়ে তার যাত্রা শুরু করতে পারেন, অবশ্যই কোনো আলেমের তত্ত্বাবধানে হলে সবচেয়ে ভালো হয়। বইটি আপনার ভিত শক্তিশালী করবে, চিন্তাধারা পরিচ্ছন্ন করবে ইন শা আল্লাহ।
অল্প কথায় কিভাবে দ্বীনের এতো গভীর আর গুরুত্বপূর্ণ সব শিক্ষা প্রদান করা যায় তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ এই বই। জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা সাহেব দা:বা-এর কাজে আল্লাহ আরও বরকত দান করুন, দ্বীনের আরও বেশি বেশি খেদমত করার তৌফিক দান করুন, আমীন। সকল প্রশংসা এই বিশ্বজাহানের একক স্রষ্টা ও প্রতিপালক আল্লাহর।