Jump to ratings and reviews
Rate this book

এবং জ্যোৎস্নাভেজা মানুষ

Rate this book
শুধুমাত্র অলীক কল্পনার জগৎ এই বইয়ের মুখ্য বিষয় নয়। তার পরিবর্তে বিষয় হিসাবে কখনও উঠে এসেছে সমাজ নামক এক জ্বলন্ত দলিল, কখনও মায়াভরা মুখগুলো বাঁচিয়ে তুলেছে রঙিন অথবা অন্ধকারের চৌকাঠ পেরিয়ে আসা অন্য জগতের দমকা হাওয়া। যে হাওয়া কখনও ধূসর আবার কখনও টাটকা সবুজ। এরকমই এক সন্ধ্যায় অক্ষরের মাদকতায় এবং ঘটনার কথকতায় ডানা মেলে দূরদেশে ভেসে চলা কল্পনাদের বাস্তবে মিলিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টার একটা ছোট্ট ফলাফল হল ‘এবং জ্যোৎস্নাভেজা মানুষ’।

199 pages, Hardcover

Published January 1, 2023

1 person want to read

About the author

Poulomi Adak

3 books

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
1 (100%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
27 reviews8 followers
August 8, 2024
#পাঠ_প্রতিক্রিয়া
#bookrecommendations
#Opinion
#fantasy #Bengalibooks #booklover #bookfair
বইয়ের নাম: এবং জ্যোৎস্না ভেজা মানুষ
সম্পাদক: পৌলমী আদক
ধারা: ফ্যান্টাসি
উপধারা: অলৌকিক, অশরীরী, কল্প বিজ্ঞান, মনস্তাত্ত্বিক, কিংবদন্তি
প্রকাশক: বইবন্ধু
বাঁধাই: হার্ড বাউন্ড
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯৪
মুদ্রিত মূল্য:৩৯৯/-
আচ্ছা Fantasy story বলতে ঠিক কোন ধরনের গল্পকে বোঝানো যায়? ছোটবেলায় পড়া ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমি, লালকমল-নীলকমল, ঘোড়ায় চড়ে রাজকুমারী কে উদ্বার করতে আসা রাজকুমার এর গল্প নাকি গভীর জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা এক বুড়ির গল্প, যে নাকি দুষ্টু বাচ্চাদের দেখতে পেলেই ঘাড় মটকে দেয়। খুব ছোটবেলা থেকেই fantasy বলতে আমরা এই ধরনের গল্পকেই বুঝতাম, কারন সেই সময় fantasy আর fairy tales এই দুটোর তফাৎ আমরা সেভাবে করতে পারতাম না। কিন্তু যত বড় হতে থাকলাম, মস্তিষ্ক আরো জটিল হতে লাগলো, চেনা ছকে বাঁধা জীবনের বাইরেও ভাবতে শিখলাম তখন অল্প অল্প করে বুঝতে শিখলাম fantasy শব্দের অর্থ। ফ্যান্টাসির জগত এমনই একটা জগত যেখানে ভাবনার কোন সীমা নেই, নিজের ইচ্ছে মত যা খুশি কল্পনা করে ফেলা যায়, সম্ভাবনা সেখানে অসীম!
শিল্পের বিভিন্ন ধারায় ফ্যান্টাসির তাই এত রমরমা। সে দালির ছবিই হোক বা লাভক্রাফটের জগত, কোনটাই ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছু নয়। সব ক্ষেত্রেই শিল্পী তাঁর নিজের খেয়ালেই নিজের জগত রচনা করেছেন। কখনো রং তুলির টানে কখনো কলমের আঁচড়ে।
এরমই এক গুচ্ছ কাহিনী দিয়ে সাজানো এই সংকলন। চলুন দেখি কী সাজানো আছে আমাদের জন্য।

সংক্রমন - পার্থ দে:
ধরুন বেশ একটা রোদ ঝলমলে সুন্দর সকালে আপনার ঘুম ভাঙলো। রোজকার মত সব গুছিয়ে নিয়ে অফিসের জন্য রওনা হলেন। বাসে ট্রামের কিচিরমিচির এড়াতে কানে হেডফোনটা গুঁজে কিছু গান চালানোটা প্রায়ই আপনার অভ্যাস, আজকেও তাই করলেন। সেই গানের সুরে নিজের অজান্তেই পা নেড়ে তাল দিতে দিতে ভেসে গেলেন অন্য এক দুনিয়ায়, মনে পড়লো কত পুরনো কথা, ছোটবেলায় স্কুল পালানোর কথা, চুরি করে আম খাওয়ার কথা, বন্ধুরা মিলে প্রথম চাঁদা তুলে সরস্বতী পুজো করার কথা আবার হয়তো ভেসে এলো কোন এক বিশেষ মানুষের কথা,তার চলে যাওয়ার কথা, তার সাথে নিজের সবকিছু ভাগ করে নেওয়ার প্রতিজ্ঞার কথা!
এগুলি তো খুবই স্বাভাবিক! তাই না?
তবে এরকম যদি হয় এই "স্মৃতি' গুলি কোনটাই "আপনার" নয়! যেই ফেলে আসা অতীত নিয়ে আপনি স্মৃতিমেধুরতায় ভুগছিলেন এতক্ষণ সেগুলির কোনটার নায়ক বা খলনায়ক এমনকি পার্শ্ব চরিত্র ও "আপনি" নন। তাহলে?
কিভাবে সামলাবেন নিজেকে?
গল্পের প্লট, তার চলন, শব্দ চয়ন সব মিলিয়ে সেহবাগের প্রথম বলে ছয় মারার মতোই। কোন ধারা, কোন উপধারায় পড়বে সেটা পাঠকই ঠিক করে নিক। তবে মনে থেকে যাওয়ার মতোই এক্সেকিউসন।

ছবি - ঐশিক মজুমদার:
বুকে হাত রেখে বলুন তো আপনার কি কখনো এরকম ইচ্ছে হয়না যে আপনার হাতে চলে আসুক এমন একটা জাদু কাঠি যা দিয়ে আপনি যা খুশি তাই করতে পারবেন? ইচ্ছে হলেই একটা দামী গাড়ি চলে আসবে, ইচ্ছে হলেই পাড়ার খিটখিটে কাকুটার পিছনে একটা কুকুর লেলিয়ে দেওয়া যাবে, ইচ্ছে হলেই নিজের কথা বলার জন্যে বেশ কিছু বন্ধু জুটিয়ে নিতে পারবেন।
বলুন ইচ্ছে তো হয়! তাই না?
এই গল্পও আসলে ইচ্ছেপূরনের। তবে এই গল্পের পেছনে আসলে লুকিয়ে আছে বর্তমান সময়ের গভীর একটা অসুখ। ফলত গল্পটা কিছুটা ফ্যান্টাসি ধর্মী হয়েও হয়ে ওঠে চরম ভাবে বাস্তব। একেবারে নগ্ন, কঠিন বাস্তব।
অন্যতম সেরা কাহিনী। প্রথমটা সেহবাগের ছক্কা হলে এটা শচীনের স্ট্রেট ড্রাইভ।

মিস্টার বি কে - শ্রীজিৎ সরকার
সমাজের চোখে একজন "পঙ্গু" মানুষ ও তার প্রতি দিনকার লড়াই নিয়ে এই গল্প শুরু হলেও এক অদ্ভুত রূপকথার মোড়কে লেখক বলে গেছেন অনেক গভীর আখ্যান। লেখকের লেখনীতে অদ্ভুত রকম একটা ধ্রুপদী ছোঁয়া থাকে সবসময় সেটা তাঁর লাভক্রফটিয়ান হররই হোক বা খাঁটি সামাজিক অথবা প্রেমের গল্পই হোক। কোন তাড়াহুড়ো চোখে পড়ে না বরং চোখের সামনে ভেসে ওঠে রাহুল দ্রাবিড়ের মাটি কামড়ে পড়ে থেকে ম্যাচ বাঁচানোর লড়াই। কখনো চোখের সামনে ঝলকে ওঠে নিখুঁত কভার ড্রাইভ!

মৃত দেবতার কবর - পিয়ালী ঘোষ:
এক নারীর গল্প, তার একাকীত্বের গল্প, তার আকুলতার গল্প, আর দিনের শেষে একটা আশ্রয় খোঁজার গল্প। সে কি খুঁজে পাবে সেই আশ্রয়? নাকি পুরোটাই কোন অলীক রূপকথা? আদৌও কি সেই আশ্রয়দাতা তাকে আপন করে নেবে শেষ অব্দি?
লেখিকাকে কুর্নিশ জানাতে হয় তিনি যেভাবে একটি ধর্মীয় উপকথাকে নিজের গল্পে ভারসাম্য রেখে প্রয়োগ করেছেন। কারন এই চরিত্র নিয়ে কাজ এর আগেও হয়েছে, পরেও হয়তো হবে। তবে খুব সম্ভবত এই কিংবদন্তীর এরম ব্যবহার বাংলায় প্রথম।
গল্পটিকে বহু ভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। পাঠক এটিকে নেহাত হরর-ফ্যান্টাসি গোত্রে ও ফেলতে পারেন আবার সমাজে দুজন অবাঞ্ছিত মানুষের এক হয়ে যাওয়ার গল্প হিসেবেও ধরতে পারেন। কোনভাবেই এই গল্প রস আস্বাদন থেকে বঞ্চিত হবেন না এটুকু আমার স্থির বিশ্বাস।

হিজলচাঁপার পরীরা - অভ্রনীল পাল:
একটা পুরনো গ্রাম। লোক মুখে শোনা যায় সেখানে নাকি বিশেষ বিশেষ দিনে পরী নামে। তাদের রূপ, যৌবন, লাবণ্য যারাই চাক্ষুষ করেছে তারাই নাকি বলে এদের কেউই ঠিক এই পৃথিবীর নয়। তবে এই গল্প কিন্তু রূপকথার হয়েও রূপকথার নয়। এই গল্প হিংস্র, এই গল্প আসলে রক্তাক্ত আখ্যান। কে যে নায়ক, কে নায়িকা, কে খলনায়ক, কে খলনায়িকা সে বলা বড় শক্ত!
ভালো লাগে লেখকের গল্প বলার ধরন। ভালো লাগে তাঁর ভাবনা চিন্তা তবে কিছু জায়গায় তার শব্দচয়নে তাল কেটে যায়, কাহিনীকাল হিসেবে সেইসব শব্দ এবং সংলাপ খাপ খায়না। ফলত হিসেব মেলেনা বেশ কিছু চরিত্রের গঠনে। এই গল্প আরো বেশি মুন্সিয়ানার দাবি রাখে। কোন পরিপক্ক হাতে পড়লে এই গল্প অন্য উচ্চতায় উন্নীত হতো। তবে লেখকের এই চেষ্টাকে সাধুবাদ জানাতেই হয়।

জ্যোৎস্না ভেজা মানুষ - রোহন মাভোই:
একজন একা মানুষ! না, শুধু একা বললে হয়তো ভুল বলা হয়। এমন একটা মানুষ যে ছোটবেলা থেকে প্রিয় মানুষদের একে একে হারিয়ে ফেলেছে। একটা শিকড়ের টান যেন তাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় আজও। শেষ পর্যন্ত কি সে খুঁজে পায় তার কাছের মানুষদের? নাকি পুরোটাই তার কল্পনা, নিজের মতো করে সাজানো কিছু ছবি?
বেশ ভালো গল্প! অযাচিত কঠিন শব্দ চয়ন নেই। ফলত বেশ জটিল প্লটটাও পড়তে গিয়ে হোঁচট খেতে হয়না। একটা ফ্যান্টাসি ধর্মী গল্প হলেও পেছনের ফ্রয়েডীয় ব্যাখ্যাটা ও উপেক্ষা করা যায়না।

মন্দন - সুমিত মিত্র:
আমাদের সবারই জীবনে একজন দরকার, খুব করে দরকার যে আমাদের পাশে থাকবে,আগলে রাখবে সমস্ত দিক থেকে। সবাই তো চাই এরকম একজন মানুষ তাই না? কিন্তু চাইলেই কি আমরা সেরকম কাউকে পাই আর পেলেও কি সারাজীবন আগলে রাখতে পারি? হয়তো নয়।
এরকমই একজনের কাহিনী বলে এই গল্প। গল্পের মূল কাঠামো অনেকটাই আগের গল্পের সমতুল্য, তবুও সুখপাঠ্য। দুটো গল্পেরই কাব্যিকতা মুগ্ধ করে।
দুটো গল্পেরই সহজ সরল চলনের মাঝেই লুকিয়ে আছে বেশ কিছু জটিল মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা।
মোটের উপর বেশ ভালো গল্প দুটোই।

লাল সবুজ - অর্নব দাস:
একেবারে তথাকথিত "রূপকথা" র গল্প। এক রাজার কুমার আর রাজকুমারী র গল্প,তাদের প্রেমের গল্প। তবে এই প্রেমের কাহিনীতে লুকিয়ে আছে আরো গভীর এক ষড়যন্ত্রের বীজ।
গল্প হিসেবে নতুন হয়তো নয়, বহুবার , বহুভাবে বহু জনরায় এই কাহিনী উঠে এসেছে। লেখক রূপকথার আড়ালে এই গল্পকে আবার বলার চেষ্টা করেছেন, তাঁর চেষ্টার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ। তবে বলতে বাধ্য হচ্ছি গল্পটির লেখনী,ভাষার প্রয়োগ প্রচন্ড দুর্বল�� তবে লেখককেই শুধু দোষারোপ করে এক্ষেত্রে কোন ফল হবে না, কারণ বর্তমানে বহু লেখকই এই ভুল করে থাকেন। সে নবীন কলমই হোক বা অভিজ্ঞ লেখক, এই প্রবনতা দেখা গেছে যে পৌরাণিক বা ঐতিহাসিক গল্প লিখতে শুরু করলেই লেখক অযাচিত ভাবে যত্রতত্র তৎভব, তৎসম শব্দের ব্যবহার শুরু করে দেন, কিন্তু বিপদ বাঁধে সেই সময় যখন তথাকথিত ক্লাসিকাল শব্দের সাথে নতুন, চলিত শব্দের ব্যবহার শুরু হয়ে যায়। ফলে জন্ম নেয় এক জগাখিচুড়ী পদের।
এই গল্পও সেই দোষে দুষ্ট। সাথে রয়েছে বাক্যগঠনের সমস্যা। ফলত গল্পটিকে সুখপাঠ্য বলা যায় না। আরো একটু যত্ন নিয়ে লেখা ও সম্পাদনার প্রয়োজন ছিল বলে আমার মনে হয়।

সরীসৃপ - পার্থ মুখার্জি:
গল্পের শুরু হয় গ্রামের কিছু মানুষের আড্ডা দিয়ে। তাদের আড্ডার বিষয় হঠাৎ করে গ্রামে ছড়িয়ে পড়া এক আতংক। কোন এক অজানা পিশাচ নাকি গ্রামের মানুষদের কবর খুঁড়ে মৃতদেহগুলিকে ছিন্নভিন্ন করে খেয়ে যাচ্ছে। সেই পিশাচের খোঁজেই শুরু হয় এক নৈশ অভিযান!
তারপর?
দেখুন আমার যতদূর মনে হয় লেখক গল্পটি লিখেছিলেন হয়তো কোন অডিও স্টোরি চ্যানেলের জন্য। পরে লেখা আহ্বান এর বিজ্ঞপ্তি দেখেই তড়িঘড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। বলতে বাধ্য হচ্ছি এই সংকলনের সবচেয়ে দুর্বল গল্প এটিই। হরর এর নামে শুধুমাত্র মাংস খুবলে খাওয়া আর রক্তারক্তি দেখালেই সেটা হরর হয়না। হরর গল্পেরও একটা বাঁধুনি চাই,একটা ন্যূনতম ভাষাগত, পরিবেশনগত সৌন্দর্য চাই। সেগুলির সবটুকুই এককথায় মিসিং এই গল্পে। শ্রুতিনাট্য রূপ পেলে বাচিক শিল্পীর অভিনয় গুন ও নেপথ্য সঙ্গীতে অনেক কিছুই ঢাকা পড়ে যায় হয়তো কিন্তু ছাপার অক্ষরে এই গল্প হজম করাটা বেশ কষ্টসাধ্য।

কেস নম্বর ১৪৩ - অভিজিৎ চক্রবর্তি:
প্লট নিয়ে যদি একটু করে বলতে হয় তাহলে বলতে হয় এই গল্প শুরু হয় এক বন্দির পালানোর চেষ্টা নিয়ে ও তাকে ঘিরে ঘনিয়ে আসা একটা গভীর ষড়যন্ত্রের। এর বেশি না বলাটাই ভালো।
আচ্ছা আপনাদের কারোর বিনোদ কাম্বলিকে মনে আছে? এখনকার কারোর হয়তো চেনার কথা নয় তবে আমাদের মত যারা নয়ের দশকের শুরুর দিকে জন্মেছি আর ক্রিকেটটা অল্প হলেও দেখতে, বুঝতে শিখেছি তারা মনে করতে পারবেন সেই অসাধারণ স্টাইলিশ বা হাতি ব্যাটারকে। যেই ছেলেটাকে এক সময় শচিনের সমকক্ষ ধরা হতো সেই একসময় হারিয়ে যেতে থাকে কেবলমাত্র নিজের বেলাগাম, শৃঙ্খলাবিহীন জীবনের জন্য। এই গল্পও ঠিক তাই। যেই গল্প নিজের প্লট ও তার এক্সিকিউশনের জোরে হয়ে উঠতে পারতো এই সংকলনের অন্যতম সেরা গল্প সেটাই কেবলমাত্র লেখকের মুন্সিয়ানার অভাবে হয়ে উঠেছে কেবলমাত্র অতি সাধারন মানের একটা গল্প। তবে বিশ্বাস করুন পাঠক এই প্লট কোন অভিজ্ঞ লেখকের হাতে পড়লে অত্যন্ত উচ্চ মানের সায়েন্স ফ্যান্টাসির জন্ম দিত। তবে লেখককে ধন্যবাদ প্লট নির্বাচনের জন্য, ওঁর থেকে আরো ভালো মানের লেখার অপেক্ষায় থাকবো। আমার স্থির বিশ্বাস উনি আমাকে হতাশ করবেন না।
ব্যাস এই অব্দিই। মতামত একান্তই ব্যাক্তিগত, অন্য পাঠকের রুচি আলাদা হতেই পারে।
সবমিলিয়ে বলতে গেলে লেখক ও সম্পাদককে আমার ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা প্রচেষ্টার জন্য। চারদিকে এত তন্ত্র, মন্ত্র, রক্তচোষা, অতৃপ্ত আত্মার গল্পের ছড়াছড়ি সেখানে ফ্যান্টাসি ও তার উপধারা নিয়ে এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।
আপনাদের পাঠ শুভ হোক।
শুভ রাত্রি।
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.