Karpoori Thakur often called Jannayak was a legendary leader from Bihar who had a significant impact on India’s politics. In early 2024 he was posthumously honoured with the Bharat Ratna in recognition of his extraordinary contributions to society. Commemorating his birth centenary this gripping biography brings to light the life legacy and enduring relevance of Thakur. It focuses on Karpoori Thakur’s politics which introduced ‘quota within quota’ and opens a window to his role in bifurcating reservation among the backward classes and women in 1978.
Deeply researched anecdotal and unputdownable The Jannayak promises to be a beacon for readers seeking to understand the complex landscape of Indian politics and society.
Bani Basu is a Bengali Indian author, essayist, critic and poet. She was educated at the well-known Scottish Church College and at the University of Calcutta.
She began her career as a novelist with the publication of Janmabhoomi Matribhoomi. A prolific writer, her novels have been regularly published in Desh, the premier literary journal of Bengal. Her major works include Swet Patharer Thaala (The Marble Salver), Ekushe Paa (twenty One Steps), Maitreya Jataka (published as The Birth of the Maitreya by Stree), Gandharvi, Pancham Purush (The Fifth Man, or Fifth Generation?) and Ashtam Garbha (The Eighth Pregnancy). She was awarded the Tarashankar Award for Antarghaat (Treason), and the Ananda Purashkar for Maitreya Jataka. She is also the recipient of the Sushila Devi Birla Award and the Sahitya Setu Puraskar. She translates extensively into Bangla and writes essays, short stories and poetry.
Bani Basu has been conferred upon Sahitya Academy Award 2010, one of India's highest literary awards, for her contribution to Bengali literature.
প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সাপে-নেউলে সম্পর্ক ঘিরে বাঙালীর আত্মনুসন্ধানের গল্প কম লেখা হয়নি। বাণী বসুর এই উপন্যাসটিও সেই ঘরানার ঘরণী। এবং বেশ পুরনো। সেই ইন্দিরার আমলের কাহিনী। তায় লেখিকার সর্বপ্রথম। যারা জানেন, তারা জানেন, প্রথম উপন্যাসের প্রতি আমার দুর্বার আকর্ষণ। এসব সাহিত্যে অনুভূত হয় প্রতিমা গড়নের প্রথম ছোঁয়া। অপরিণত রূপটানে, কুমোরটুলির ভোর। নিদ্রাহীন গল্পকথা। ব্যস্ত কিচিরমিচির।
উপন্যাসটির কোনো গতানুগতিক রিভিউ লিখছি না তাই। মন চাইছে না আর। সহজ ভাষায় সহজ কথা বলতে না পারার মাশুল গুনি আরকি। ঠিকঠাক পারি না কিছুই।
তবে, মাঝেমধ্যে ভুল করি খুব। যেমন এই বইটি নিয়ে লাইট রিডিং করতে বসেছিলাম। ভেবেছিলাম 'প্রথমান্বেষণ'ও হবে, আবার চটজলদি Goodreads আপডেটও। ভুল করেছিলাম। এসব বই, আর যাই হোক, রাস্তার ভাজাভুজি নয়। 'ধর তক্তা মার পেরেক' এইখানেতে চলে না। প্রথম উপন্যাস হলেও বাণী বসু ততদিনে সাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ছোটগল্পের আঙিনায় হাত পাঁকিয়ে, যথেষ্ট স্বনামধন্যা। সেই নিরিখে ওনার উপন্যাসও যে ভারী গোছের হবে, তাতে আর আশ্চর্য কি?
লেখিকার কলমের অসম্ভব ভক্ত না হলেও, ওনার শক্তসমর্থ গল্পবলিয়ে স্বত্তাটিকে ভীষণ শ্রদ্ধা করি। তাই কচ্ছপসম শুরুয়াতের পরেও, রীতিমত যোদ্ধা মনোভাবে, দাঁতে দাঁত চেপে বই আঁকড়ে পড়ে ছিলাম অনেকক্ষণ। ফলস্বরুপ একটি দুমুখো নদীর খোঁজ পেলাম যেন। এমন একটি উপন্যাস যা একাধারে স্বতন্ত্র। সামাজিক ব্যাখ্যান ও মানবিক গাম্ভীর্যের সংযত বীক্ষণাগার। আবার অপরপ্রান্তে কাঁচা রঙের গন্ধ। ন্যারেটিভ জুড়ে যৎসামান্য অতি-উদগ্রীবতার প্রলেপ।
গল্পের প্রথমাংশ জুড়ে মার্কিন মোনোটনি। লেখিকা এই অংশটি ব্যবহার করেছেন একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারের দুই ভিন্ন প্রজন্মের মানসিক ব্যাসন যাচাই হেতু। যা হয়তো বা উপন্যাসের ক্ষেত্রে দরকারি তবুও পাঠক্রমে ক্লান্তিকর। এইখানেতে ধৈর্য ধরা বাঞ্ছনীয়। কারণ একগুচ্ছ সাদা-বাদামীর ককটেল ও বাংলিশের ঘূর্ণিঝড় পেরিয়েই পৌঁছে যাওয়া যায় চিরন্তনী কলকাতায়। এই দেশীয় অংশটি (উপন্যাসের সত্তর শতাংশ প্রায়) আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ উপভোগ করেছি।
তবে বাঁধ সাধে ঐ তাড়াহুড়োর ধাঁচ। লেখিকা যেই গল্পটি বলতে চেয়েছিলেন, সেই গল্পটি আরও বৃহৎ কলেবরে বলাতেই মেরিট ছিল বুঝি। উপন্যাস রচনায় প্রাথমিক অপরিক্কতা বা স্রেফ শব্দসংখ্যার বাঁধন মুখে, প্রায়-নবাগতা বাণী বসু সেটা করে উঠতে পারেননি সে সময়।
যার ফলস্বরুপ লেখাটিতে মাঝেমধ্যেই এসে পড়েছে অতর্কিত সব টাইম জাম্প। উপন্যাসের শুরুতে আরাত্রিকা ছোট। তেরোতম জন্মদিনে পড়ছে সবে। উপন্যাসের শেষে গিয়ে মেয়েটি একেবারে ইউনিভার্সিটির দোরগোড়ায় দাঁড়ায়। এর পুরোটাই ভীষণ আকস্মিক। বয়সের সমানুপাতে আত্মঅন্বেষণের যেই বহুরঙা ছবিটি আঁকার সুযোগ ছিল, লেখিকা সেখানেই অসফল। এছাড়াও, গল্পে নিগূঢ়তা আনতে বেশ কিছু পর্যায়ে মেলোড্রামা নামক চকচকে আবরণে করুণ-রসের পরিবেশনা করেছেন তিনি। যা শেষমেশ একটু অতিরিক্ত বলেই মনে হয়।
তবুও, বইটি থেকে একেবারে খালি হাতে ফেরা হলো না আমার। যার মূল কারণ, বাবু। বইয়ের সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র, স্বদেশ। অল্প ডোজে হলেও, বাবুর চোখে দেখা আমেরিকার ভ্রাম্যমাণ অস্থিরতা, বাউন্ডুলে ব্যক্তি-স্বাধীনতার সূক্ষ্ম মূল্য বা নোনাধরা কলকাতার বাঙালি অভিমান, সবটাই অভিভূত করে। কোথাও গিয়ে আমার আরেক প্রিয় চরিত্র, অমিতাভ ঘোষের ত্রিদিবের কথা মনে পড়ে যায়। ইচ্ছে করে, সব ভুলে স্রেফ উদার একটা মানুষ হয়ে যেতে। এমন একজন মানুষ যার ব্যাপ্তি গোটা বঙ্গোপসাগরের ন্যায় সুবিশাল। যার প্রসার পুরো অ্যান্ডিজ পর্বতমালা সম।
তবে শুধু চরিত্রায়ণ ভুলে দেখলেও বইটি থেকে খুঁজে পাই মানসিক টানাপোড়েনের এক চিরায়ত স্বরলিপি। যেটার শেষ লগ্নে পৌঁছে গলার কাছটায় জমাট বেঁধে ওঠা ভীষণ স্বাভাবিক। স্রেফ দেশাত্মবোধের আতশ-কাঁচে বাজিয়ে দেখলে, মন খারাপ হতে বাধ্য। আবেগঘন করুন পাঠক আমি। অবন ঠাকুরের পেইন্টিংয়ের নিচে মাথা নুইয়ে হার শিকার করি কেবল। তবে মন জানে, এই সঠিক। মানবজন্ম যদি কোনো তেলচিটে পুরনো বাঙালি রান্নাঘর হয়, তবে জন্মভূমি ও মাতৃভূমি সেই বহুলব্যবহৃত সেরামিকের কাপ দুটো। যাদের ভবিতব্য ঠোকাঠুকিতেই বিদ্যমান।
অস্তিত্বের যুদ্ধে ভাঙনেই পরিসমাপ্তি। আমি বা আপনি, সেখানে নিমিত্ত মাত্র। এইতো।
এ বইতে বাবা-মার জন্মভূমি আর সন্তানের জন্মভূমি আলাদা। মানুষ যে দেশে জন্মায় সবসময় সেটাই তার মাতৃভূমি হয়ে উঠতে পারে না, সে দেশ তাকে মায়ের মতো আগলে রাখতে পারে না। নিজের জন্মভিটার প্রতি আমাদের টান থাকে, তার কাছেই আমরা ফিরতে চাই কিন্তু...
বাণী বসু'র এই উপন্যাসের বয়স প্রায় ৩৭ বছর (আমার নিজের বয়সও তাই।) এই ৩৭ বছরে আমরা কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি সে প্রশ্নটা জাগলো। সুদীপের কলেজে শিক্ষক অবমাননা নিয়ে শেষে যা ঘটে সেটা বাংলাদেশের প্রায় যে কোনো সরকারি কলেজে ঘটতে পারে, নিয়মিত ঘটেও।দেখা যাচ্ছে, এসব ব্যাপারে দুই বাংলায় কোনো প্রভেদ আগেও ছিলো না, এখন আরো নেই। উপন্যাসের দুই দেশ ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাসের চরম উদ্বেগজনক এক সময় পার করছে। নিজের জন্মভূমি যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে আরাত্রিকার স্বগতকথন "আমার দেশে নাগরিকের ইচ্ছামতো, মানুষের মতো বাঁচবার স্বাধীনতা কেউ কারো কাছ থেকে কেড়ে নেয় না" এখন নির্মম এক কৌতুকমাত্র। আরাত্রিকার মতো আমাদেরও নিজের মাতৃভূমি নিয়ে গর্ব করতে পারা উচিত ছিলো। যে হারে অবনমন ঘটছে; যে হারে অসহিষ্ণুতা, সাম্প্রদায়িকতা আর ডানপন্থার উত্থান ঘটছে তাতে জ্বলন্ত প্রশ্নটা হচ্ছে -আমাদের মাতৃভূমি বলে আদৌ কিছু থাকবে ভবিষ্যতে?
১৯৮৮ সালে প্রকাশিত উপন্যাস। আমেরিকা এবং ভারত নামক দুটো বিপরীতধর্মী দেশে চলাফেরা করেছে উপন্যাসের চরিত্ররা। আমেরিকা তখনও মানবিক এবং সামাজিকভাবে তুলনামূলক "মুক্ত" ছিল, ভারত তখনও অর্থনৈতিকভাবে "মুক্ত" হয়নি। একটি দেশ তার প্রাচুর্য এবং আধুনিকতার ভারে ন্যুব্জ। আরেকটি তার পশ্চাদগামিতা এবং পদস্খলনের ফলে প্রতিবন্ধী। উচ্চাকাঙ্ক্ষী কিন্তু হৃদয়বান একজন মানুষ দুটোর মধ্যে কোন্ দেশে খুঁজে পাবেন নিজের প্রতিভার প্রকৃত মর্যাদা? কোনটা বেশি জরুরি— ব্যক্তিগত আর্থ-সামাজিক উন্নতি নাকি স্বদেশের প্রতি দায়বদ্ধতা? লেখিকার প্রথম উপন্যাস এটি, অথচ বোঝার উপায় নেই। চমৎকার সাবলীল গদ্য এবং প্লটের সুন্দর এক্সিকিউশন! তারপর কেটে গেছে প্রায় চারটে দশক। কতোটা এগিয়েছে দুটো দেশ? সমাজের যে-অনটনগুলো, ব্যক্তিমানুষের যে-অসহায়তাগুলো, চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন লেখিকা, কতোটুকু সমাধান হয়েছে সেসবের? দেখতে পাই, দুটো দেশই নেমে গেছে আরো গভীর রসাতলে। দুটো দেশেরই বহিরঙ্গের নানাবিধ চাকচিক্যকে আঙুল দিয়ে একটু ঘষা দিলেই বেরিয়ে আসে ইট বেরোনো রংচটা দেওয়াল, নোনাধরা ক্ষয়িষ্ণু জলছাপ। যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই, প্রীতি নেই, করুণার আলোড়ন নেই, পৃথিবী আজও অচল তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
কপাল গুনে লেখিকার মৈত্রেয় জাতক পেয়েছিলাম হাতে। এত চমৎকার পাঠ অভিজ্ঞতা আমার জীবনে খুবই কম, এত মুগ্ধও হয়েছি খুব কম। সেই থেকেই বাণী বসুর ভক্ত।
লেখিকার প্রথম উপন্যাস জন্মভূমি মাতৃভূমি হাতে নিয়েছিলাম কিছুটা ভয়ে ভয়ে। মৈত্রেয় জাতকের সেই বাণী বসুকে যদি খুঁজে না পাই! যদি আশানুরূপ ভালো না লাগে!
কিন্তু বই পড়ে আবারো মুগ্ধ। কেটে গেছে অকারণ অমূলক সব ভয়। সত্যিকার অর্থেই জন্মভূমি আর মাতৃভূমির টানাপোড়েন নিয়ে "জন্মভূমি মাতৃভূমি" এক অসাধারণ উপন্যাস।
Bani Basu is my favourite in recent days authors. There are certain books, which you like so much that you never forget. This is one of those. A lovely read.❤️
দেশপ্রেম, মাতৃভূমি, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গের উপরও যদি কিছু থাকে-দপি গরীয়সী.....ইত্যাদি কথা, এবং এরকম টপিক পেলেই একটা গ্যাদগেদে ভক্তি-বীররস-মেলোড্রামা-চচ্চড়ি বানিয়ে ফেলা— বহু সাহিত্যে এবং সিনেমায় আমরা প্রত্যেকেই দেখেছি। ভাগ্যিস, ব্যতিক্রমী কিছু লেখা ছিল। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'স্বাধীনতা' কবিতা— কিছুটা রাজনৈতিক দৃষ্টিতে, আর বাণী বসুর এই উপন্যাস— অনেকটাই মানবিক ও সামাজিক দৃষ্টিতে দেখাতে শেখায় জন্মভূমি ও মাতৃভূমিকে। কেবল রক্তের সম্পর্ক, বা কাঁটাতারের বেড়াতেই যে দেশ আটকে থাকে, তা তো নয়। দেশ থাকে জীবনে, যাপনে, প্রাণে। আমেরিকায় ঝাঁ-চকচকে প্রবাসী বাঙালি, কিংবা কলকাতার পুরোনো বাড়িতে থাকা আটপৌরে বাঙালি— একেকজনের জীবন চলে একেক স্রোতে। মধ্যে এসে পড়ে আবেগের ঢিল। ভেঙে টুকরো হয়ে যায় মানুষ, তাদের চিন্তাও। সংস্কৃতিবোধে আঘাত লাগে প্রবল। বাস্তব সত্যিই অতটা গ্যাদগেদে, নাকি অনেকটাই কঠিন ? নানা ঘটনা ঘটে চলে। দেশের সংজ্ঞা, আত্মীয়তার সংজ্ঞা, শিকড়ের সংজ্ঞা, জন্মভূমি ও মাতৃভূমির সংজ্ঞা বদলে যেতে প্রত্যেকটা মানুষের কাছে। কলকাতার নোনাধরা কংক্রিটের জঙ্গল, না আমেরিকার লালচে সোনালি হৈমন্তী অরণ্য— কার কাছে কোনটা দেশ ? কোনটা ভীষণ নিজের ? কোথায় লুকিয়ে নাড়ির টান ? শেষমেষ কার কাছে কেমন করে ধরা দেয় জন্মভূমি মাতৃভূমি ? বাণী বসুর ক্ষুরধার মনীষা এই উপন্যাসে অবিরত তারই সন্ধানী। পড়ার সাজেশন রইল।
The Continents Between is a compelling collection of stories that weaves through the intricate fabric of family, relationships, and contemporary struggles. The book offers a profound exploration of personal dynamics set against the backdrop of cultural and societal challenges. Through the lens of diverse characters, the author examines the emotional distances that arise between people—whether physical, emotional, or ideological.
At the heart of The Continents Between is a deep understanding of human connections and the forces that both bind and divide us. The stories tackle universal themes such as love, loss, identity, and the pursuit of belonging. With every turn of the page, readers are invited into the intimate moments of these characters’ lives, capturing the raw emotions and complexities of modern relationships.
The author’s skillful storytelling brings the characters to life in a way that feels authentic and relatable, making their journeys deeply impactful. The use of contemporary settings, infused with cultural nuances, adds richness to the narrative, making the stories resonate on a personal and societal level. For readers interested in the intricacies of family ties and emotional landscapes, The Continents Between offers a thought-provoking and deeply moving experience.
I have read The Continents Between by Bani Basu, translated by Debali Mookeejea Leonard as part of #readbeyondborders
Originally written in Bengali, Janmabhumi Mathribhumi which was published in 1981, made me amazed to think how relevant the book is, even after forty three years!
The prose has first person narratives where multiple characters pour their hearts out. Sudeep, Kamalika, Aratrika and Swadesh are at the epicenter of the novel. The story starts off with their lives in the US and how they felt a little marginalized at timesin terms of being an 'outsider' due to their ethnicity. Eventually, the family of four returns to their hometown, Kolkata to find out how tough the terrain of India is.
The unmistakable political ploy at the basic level, such as in colleges are still there in the government institutions in West Bengal. The dirty tug-of-war between those in power and those seeking power are still destroying the education system everyday. And, reading this book wasn't reading anything new but going through the ill luck of my state again. The dose of human tragedy and insufferable injustice are extremely potent in this novel.
Of course, it isn't as fine as A Plate of White Marble (শ্বেত পাথরের থালা) or memorable as Moom ( মুম ), but delivers its theme of alienation both in the motherland and overseas beautifully. The strong and strange sensation of diaspora stays throughout the prose. Although it has been compared to the Namesake by Jhumpa Lahiri, but I have found the flavor is a bit different here.
পৃথিবীতে বোধহয় সব পেয়েছির দেশ বলে কিছু নেই। অনেক আশা নিয়ে হয়তো অনেকে ছুটে যায় মাতৃভূমি ছেড়ে সুদূর কোন বিদেশে। কেউবা আবার অনেক আশা নিয়ে ফেরত আসে জন্মভূমিতে। আর এই দুই ভূমির টানাপোটেনের মধ্যেই কেটে যায় কয়েকটা জীবন। বাণী বসু তার এই লেখায় সেটাই তুলে ধরেছেন।