সাফল্য ও গৌরবের অপর নাম মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক। বিশ্বের অন্যতম গরিব দেশের একজন মানুষের উদ্ভাবিত একটি পদ্ধতি আজ ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকল দেশের কাছে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নের লক্ষ্যে এক অনুসরণযোগ্য মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালে ছাত্রদের নিয়ে কাছাকাছি জোবরা গ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে যে-কাজটি তিনি শুরু করেছিলেন, তা-ই এক সময় বিশাল মহীরুহ হয়ে পৃথিবীবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সে উদ্যোগের পেছনে ছিল মুহাম্মদ ইউনূসের স্বপ্ন, প্রেরণা ও নিরন্তর সংগ্রাম। ড. ইউনূসের আত্মজীবনীমূলক এ বইতে সেই কাহিনিই তাঁর নিজ জবানীতে বর্ণিত হয়েছে
Dr. Muhammad Yunus is a Bangladeshi banker and economist. He previously was a professor of economics and is famous for his successful application of microcredit--the extension of small loans given to entrepreneurs too poor to qualify for traditional bank loans. Dr. Yunus is also the founder of Grameen Bank. In 2006, Yunus and the bank were jointly awarded the Nobel Peace Prize "for their efforts to create economic and social development from below." He has also received several other national and international honors. Dr. Yunus is one of the founding members of Global Elders, a group of public figures noted as elder statesmen, peace activists, and human rights advocates whose goal is to solve global problems by using "almost 1,000 years of collective experience" to work on solutions for seemingly insurmountable problems like climate change, HIV/AIDS, and poverty, and "use their political independence to help resolve some of the world's most intractable conflicts."
এপর্যন্ত আমার পড়া সবচেয়ে ফেব্রিট আত্মজীবনীগ্রন্থ ছিল উইংস অব ফায়ার। এবার আরেকটা যুক্ত হলো। প্রফেসর ইউনূস কে এবং কীরকম ট্যালেন্টেড পার্সন এই বইটা পড়লে জানা যাবে।
"গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন" বইটি শুধুমাত্র একজন সফল অর্থনীতিবিদের আত্মজীবনী নয়—এটি একজন স্বপ্নদ্রষ্টার সমাজ পরিবর্তনের লড়াইয়ের দলিল । ড. মুহাম্মদ ইউনূস কীভাবে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা থেকে বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জে নেমে জোবরা গ্রামের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি শুরু করলেন এবং পরে তা বিশ্বব্যাপী মডেলে পরিণত হলো, সে কাহিনি খুবই অনুপ্রেরণামূলকভাবে উপস্থাপন করেছেন ।
তবে বইটি পড়তে গিয়ে একটা বিষয় চোখে পড়ে—সুদ ভিত্তিক ঋণ কার্যক্রম । অনেক পাঠকের মতো আমিও মনে করি, যদি এই মডেলটি সুদবিহীন বা ইসলামী অর্থনৈতিক কাঠামোর কাছাকাছি কিছু হতো, তাহলে এটি আরও নৈতিকভাবে শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য হতো । বিশেষ করে একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে এ ধরনের আর্থিক কাঠামোর বিকল্প চিন্তা করা যেত ।
তার পরেও, বইটি একজন মানুষের স্বপ্ন, সংগ্রাম এবং সমাজ গঠনে অবিচল ভূমিকার নিখুঁত প্রতিচ্ছবি ।
পাঠযোগ্য, চিন্তার খোরাক জাগানো ও আত্মউন্নয়নের অনুপ্রেরণা জাগানো এক অসাধারণ বই ।